Barta24

মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ৫ ভাদ্র ১৪২৬

English

এরশাদ ক্রমেই দুর্বলতা কাটিয়ে উঠছেন

এরশাদ ক্রমেই দুর্বলতা কাটিয়ে উঠছেন
এরশাদের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল/ছবি:বার্তা২৪
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ শারীরিক দুর্বলতা ক্রমেই কাটিয়ে উঠছেন। এখন তিনি একাই হাঁটাচলা করতে পারছেন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের।

বৃহস্পতিবার (২৪ জানুয়ারি) জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টির পক্ষ থেকে এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

জিএম কাদের বলেন, উনি (এরশাদ) বেশ কিছুদিন ধরে শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। ইদানিংক্রমে তার অবস্থা খারাপের দিকে যেতে থাকে। ক্রমেই সেই দুর্বলতা কাটিয়ে উঠছেন। ঘণ্টা খানেক আগেও তার সঙ্গে কথা হয়েছে। এখন অনেক ভালো বোধ করছেন। নির্বাচনের আগে উনি সিঙ্গাপুরে চিকিৎসার জন্য গিয়েছিলেন। নির্বাচনের জন্য চিকিৎসা শেষ না করেই দেশে ফিরে আসেন।

তিনি বলেন, ধনি-গবীর, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে কোটি কোটি মানুষ ওনার জন্য দোয়া করছেন। এটা অনেক বড় বিষয়। এটাই প্রমাণ করে তিনি অনেক সফল মানুষ।

জাপা মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা বলেন, বাংলাদেশ ছিলো ধর্ম নিরপেক্ষ দেশ। আমার নেতা এরশাদ মুসলিম কান্ট্রি ঘোষণা করেন। তার জন্য আপনারা দোয়া করবেন। উনি যেনো দ্রুত সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসতে পারেন।

স্বেচ্ছাসেবক পার্টির আহ্বায়ক লিয়াকত হোসেন খোকার সভাপতিত্বে দোয়া মাহফিলে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জাতীয় পার্টির সভাপতি সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, প্রেসিডিয়াম সদস্য সাহিদুর রহমান টেপা, আতিকুর রহমান আতিক, মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী, উত্তর জাতীয় পার্টির সভাপতি এসএম ফয়সল চিশতী, যুগ্ম দপ্তর সম্পাদক এমএ রাজ্জাক খান, কেন্দ্রীয় নেতা, সোলায়মান সানি প্রমুখ। সভা পরিচালনা করেন স্বেচ্ছাসেবক পার্টির সদস্য সচিব বেলাল হোসেন। সকাল থেকে কোরআনখানি, সন্ধ্যায় মিলাদ ও বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

জাতীয় পার্টির বিভাগীয় সাংগঠনিক কমিটি গঠন

জাতীয় পার্টির বিভাগীয় সাংগঠনিক কমিটি গঠন
জাতীয় পার্টির পতাকা

জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক কার্যক্রম বেগবান ও গতিশীল করতে পৃথক বিভাগীয় সাংগঠনিক কমিটি গঠন করা হয়েছে। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের সাংগঠনিক আদেশে এসব টিমের অনুমোদন দিয়েছেন।

টিমগুলো সংশ্লিষ্ট বিভাগের অন্তর্গত সব জেলা সফর করে জেলা পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক ও আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে দলীয় সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল, বেগবান ও নেতৃত্বের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে ভূমিকা পালন করবে।

কমিটির কার্যভার গ্রহণের এক মাসের মধ্যে সাংগঠনিক কার্যাদি সম্পন্ন করবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এলাকার সাংগঠনিক অবস্থান অবগত করবে কেন্দ্রকে। এ ছাড়া জেলা-উপজেলা পর্যায়ে পার্টির গ্রুপিং নিরসনকে মুখ্য দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা বিভাগীয় টিম
ঢাকা বিভাগের কমিটির আহ্বায়ক প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক ভিপি আলমগীর সিকদার লোটন। সদস্যরা হলেন—প্রেসিডিয়াম সদস্য হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, শফিকুল ইসলাম সেন্টু, ভাইস চেয়ারম্যান জহিরুল আলম রুবেল।

রাজশাহী বিভাগীয় টিম
প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাড. শেখ সিরাজুল ইসলামকে আহ্বায়ক, সদস্য সচিব করা হয়েছে প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রশিদ সরকারকে। এ টিমের সদস্যরা হলেন—ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী এমপি, ভাইস চেয়ারম্যান আহসান আদেলুর রহমান এমপি, যুগ্ম মহাসচিব এস.এম. ইয়াসির।

বরিশাল বিভাগীয় টিম
আহ্বায়ক করা হয়েছে লঞ্চ মালিক সমিতির নেতা প্রেসিডিয়াম সদস্য গোলাম কিবরিয়া টিপু এমপি, সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন প্রেসিডিয়াম সদস্য এমরান হোসেন মিয়া। সদস্যরা হলেন—নাসরিন জাহান রতনা এমপি, ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক মহাসিনুল ইসলাম হাবুল, সাংগঠনিক সম্পাদক ফখরুল আহসান শাহজাদা।

রংপুর বিভাগীয় টিম
জাপার দুর্গখ্যাত এই বিভাগের টিমের আহ্বায়ক করা হয়েছে কিশোরগঞ্জের সন্তান প্রেসিডিয়াম সদস্য মুজিবুল হক চুন্নু এমপি, সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন মো. আজম খান। সদস্যরা হলেন—প্রেসিডিয়াম সদস্য রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, প্রেসিডিয়াম সদস্য শিল্পপতি এস এম ফখর উজ জামান জাহাঙ্গীর, কেন্দ্রীয় সদস্য পনির উদ্দিন আহমেদ এমপি।

খুলনা বিভাগীয় টিম
আহ্বায়ক প্রেসিডিয়াম সদস্য সাহিদুর রহমান টেপা, সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভ রায়। সদস্যরা হলেন—প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ দিদার বখ্ত, উপদেষ্টা হাসান সিরাজ সুজা, যুগ্ম মহাসচিব মনিরুল ইসলাম মিলন।

সিলেট বিভাগীয় টিম
আহ্বায়ক করা হয়েছে প্রেসিডিয়াম সদস্য মেজর জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এমপিকে। সদস্য সচিব প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী মামুনুর রশীদ, সদস্য হিসেবে রয়েছেন প্রেসিডিয়াম সদস্য এটিইউ তাজ রহমান, যুগ্ম মহাসচিব হাসিবুল ইসলাম জয়, নির্বাহী সদস্য পীর ফজলুর রহমান মেজবাহ এমপি।

অন্যান্য সব বিভাগে সাংগঠনিক টিম ঘোষণা দেওয়া হলেও চট্টগ্রাম বিভাগের টিম ঘোষণা দেওয়া হয়নি। গত জুনের শেষ সপ্তাহে জাতীয় পার্টির বিভাগীয় সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বেশির ভাগ নেতা সংগঠনকে শক্তিশালী করার জন্য বিভাগীয় সাংগঠনিক টিম গঠনের প্রস্তাব দেন। নেতারা তখন অনেকেই পার্টির তৃণমূলের নাজুক অবস্থার কথা তুলে ধরেছিলেন। তারা বলেছিলেন, ‘হায়ার ফায়ারে পার্টি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আমরা টাকা শ্রম দিয়ে দল পরিচালনা করি। আর ভোটের সময় নেতা হায়ার করে প্রার্থী করা হয়। আমরা চাই এখনই প্রার্থী চুড়ান্ত করে দেওয়া হোক। তারা তাদের নির্বাচনী এলাকায় দলকে সংগঠিত করবে।’

ওই সভাতেই পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের সাংগঠনিক টিম গঠনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। মাঝে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যূতে বিষয়টি কিছুটা পিছিয়ে পড়ে। যারা পার্টির নির্দেশনা না মেনে সভায় অনুপস্থিত আছেন তাদের বিরুদ্ধে ওই সভায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। যৌক্তিক কারণ দেখাতে ব্যর্থ হলে তাদের দল থেকে বহিষ্কার করা হবে বলেও হুঁশিয়ার করা হয়। কিন্তু সেই ঘোষণা ঘোষণাই থেকে যায়। এমনকি সভায় অনুপস্থিত একাধিক নেতা সাংগঠনিক টিমের দায়িত্ব পেয়েছেন।

দেশে কি কোনো সরকার আছে, প্রশ্ন দুদুর

দেশে কি কোনো সরকার আছে, প্রশ্ন দুদুর
প্রেসক্লাবের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন শামসুজ্জামান দুদু, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, চামড়া শিল্পের বিপর্যয়ের পর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে দেশে কোনো সরকার আছে কিনা? প্রধানমন্ত্রী আছে কি নেই? সরকার আছে কি নেই? এটা একটা বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশে সরকার থাকলে চামড়া শিল্পের এমন বিপর্যয় হতো না। 

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবে 'আমার দেশ আমার শিল্প' শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভার আয়োজন করে ন্যাশনালিস্ট রিসার্চ সেন্টার (এনআরসি) নামে একটি সংগঠন।

সভায় দুদু আরও বলেন, 'দেশে সরকার থাকলে তো ডেঙ্গুতে এতো মানুষের মৃত্যু হতো না? ব্যাংকের টাকা চুরি হওয়ার কথা না। সরকার প্রধান থাকলে নিশ্চয়ই একটি তদারকির ব্যবস্থা করতেন।'

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/20/1566293116575.jpg

 

ছাত্রদলের সাবেক এ নেতা বলেন, '৭১ সালে যে দেশ রক্ত দিয়ে স্বাধীন হয়েছে, সেই দেশটা একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। এখন দেশে আইন-শৃঙ্খলা বলতে আর কিছু নেই। দেশের বিচার ব্যবস্থার ওপর মানুষ এখন আস্থাহীন। স্বাস্থ্য খাত এখন বিলুপ্তির পথে। ডেঙ্গুতে এখন শুধু ঢাকাতে নয় সারা দেশের মানুষ অসহায়। কখন সে মৃত্যুবরণ করবে সে নিজেও জানে না। চামড়া শিল্প এখন মহা বিপর্যয়ের সম্মুখীন। এতটা বিপর্যয় বাংলাদেশ এর আগে কখনো দেখা যায়নি। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের সর্বনিম্ন পর্যায়ের এতিম অসহায় শিশুরা।

আয়োজক সংগঠনের পরিচালক বাবুল তালুকদারের সভাপতিত্বে এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য ডি এম আমিরুল ইসলাম অমরের সঞ্চালনায় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুক ইসলাম আলমগীর, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল প্রমুখ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র