Barta24

বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৬ ভাদ্র ১৪২৬

English

উন্নয়নে ত্রুটি থাকলে বিরোধিতা করবো: মেনন

উন্নয়নে ত্রুটি থাকলে বিরোধিতা করবো: মেনন
ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন/ ছবিঃ সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সরকারের উন্নয়ন ও অগ্রগতির কাজে সমর্থন জানানোর পাশাপাশি কোনো ত্রুটি বিচ্যুতি থাকলে সেগুলোর বিরোধিতা করবেন বলে জানিয়েছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের অন্যতম শরিক ওয়াকার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন।

বুধবার (৩০ জানুয়ারি) বিকালে একাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে পুনরায় স্পিকার নির্বাচিত হওয়ায় ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে অভিনন্দন জানাতে গিয়ে একথা বলেন সাবেক এই মন্ত্রী।

স্পিকারকে অভিনন্দন জানিয়ে রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘একাদশ সংসদের সদস্য নির্বাচিত হয়ে একদিকে যেমন আনন্দ, সঙ্গে সঙ্গে বিব্রতও হই। প্রতিদিনই শুনতে হচ্ছে সংসদে আপনাদের অবস্থান কী হবে?’

‘আওয়ামী লীগের মিটিংয়ে প্রধানমনন্ত্রী ইচ্ছা পোষণ করেছেন, সরকারে থাকবে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি, বিরোধী দলেও থাকবে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি। এটা অত্যন্ত যৌক্তিক। আমাদের প্রতিদিনই শুনতে হচ্ছে আপনারা কেন বিরোধী দলের আসনে গিয়ে অবস্থান নিচ্ছেন না। এমন প্রশ্নের সন্মুখীন হতে হবে চিন্তাও করিনি। সরকার থেকে একটি সিদ্ধান্ত দিয়ে বলা হচ্ছে এটি মেনে চলতে হবে।’

স্পিকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘এই সংসদে যখন যোগদান করেছি, তখন বলেছি সকল উন্নয়নমূলক কাজ ও অগ্রগতির ক্ষেত্রে শুধু সমর্থন জানাবো তা নয়; সঙ্গে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারে যে ত্রুটি বিচ্যুতি থাকবে, যেগুলোর বিরোধিতা করা প্রয়োজন, সেটা অবশ্যই বিরোধিতা করব।’

তিনি বলেন, ‘এর আগে পঞ্চদশ সংশোধনীর বিরোধিতা করে নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছিলাম। বিশেষ করে রাষ্ট্রধর্ম ও আদিবাসী প্রসঙ্গে। এবারও একইভাবে উন্নয়নমূলক কাজ কেবল নয় দেশকে এগিয়ে নেওয়া ও অস্প্রদায়িক বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আমাদের সমর্থন যেমন থাকছে এক সঙ্গে যেগুলো ব্যতয় বিশেষ করে দুর্নীতির বিরুদ্ধে, বৈষম্যের বিরুদ্ধে এসব ক্ষেত্রে সরাকরি কার্যক্রমের সাথে যদি কোনো ব্যতয় থাকে, অবশ্যই সেগুলো নিয় কথা বলব।’

বিরোধী দল জাতীয় পার্টিকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিরোধীতার প্রশ্নে আমাদের সমর্থন থাকবে। আমরা সবাই মিলে একত্রে এগিয়ে যাব।’

আপনার মতামত লিখুন :

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা
গ্রেনেড হামলায় নিহতদের প্রতি আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধা নিবেদন। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণে বুধবার (২১ আগস্ট) সকালে রাজধানীর ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে নির্মিত বেদিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করেন নেতাকর্মীরা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566363009364.jpg

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, তাঁতী লীগ, মহানগর উত্তর, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, কৃষক-শ্রমীক লীগ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, জাতীয় রিকশা-ভ্যান শ্রমিক লীগের নেতাকর্মীরা।

এছাড়াও ঢাকা দক্ষিণ সিটি মেয়র সাঈদ খোকন, আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা লীগ, আওয়ামী হকার্স লীগের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

তারেকের সর্বোচ্চ শাস্তির জন্য উচ্চ আদালতে যাব: কাদের

তারেকের সর্বোচ্চ শাস্তির জন্য উচ্চ আদালতে যাব: কাদের
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন ওবায়দুল কাদের, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় তারেক রহমানকে মাস্টারমাইন্ড উল্লেখ করে তার সর্বোচ্চ বিচারের জন্য উচ্চ আদালতে যাবেন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

বুধবার (২১ আগস্ট) গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণে সকালে ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে নির্মিত বেদীতে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, তারেকের বিচারের জন্য আমরা উচ্চ আদালতে যাব। এ হত্যাকাণ্ড যারা সংগঠিত করেছিল, সেই হরকাতুল জেহাদের নেতা মুফতি হান্নানের জবানবন্দিতে উঠে এসেছে তারেকের নির্দেশনায় তারা এ অপারেশন পরিচালনা করেছিল। হত্যাকাণ্ডের বিচার হতে হলে এর মাস্টার মাইন্ডের সর্বোচ্চ বিচার হতে হবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। আর ২০০৪ সালের আগস্টে তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা বঙ্গবন্ধু কন্যাকে প্রাইম টার্গেট করে বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে বোমা হামলা চালিয়ে সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে রক্তস্রোত বইয়ে দিয়েছিল বিএনপি-জামায়াত সরকার। ইতিহাসে দুটি এ ঘটনা একই সূত্রে গাঁথা। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে সরকার দল ও বিরোধী দলের যে কর্মসম্পর্ক থাকা দরকার তা এই দুইটি ঘটনার মধ্য দিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে।

তিনি বলেন, তারপরেও আমরা যুগপৎ আন্দোলন করেছি। তারপরেও শেখ হাসিনা গণতন্ত্রের স্বার্থে বিএনপি নেত্রীকে গণভবনে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন, ৫ জানুয়ারি নির্বাচনকে সামনে রেখে। পুত্রহারা মাকে সান্ত্বনা দিতেও সেখানে গিয়েছিল, সেদিন কি দুর্ব্যবহার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে করা হয়েছে, বাংলার মানুষ জানে। সেদিন ঘরের দরজা বন্ধ করে বাংলাদেশের সংলাপের দরজা বিএনপি বন্ধ করে দিয়েছে।

২১শে আগস্ট হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে তিনি বলেন, এ হত্যাকাণ্ড বিচারিক আদালতে বিচার হয়েছে। ডেথ রেফারেন্সের শুনানি হবে, এটা প্রক্রিয়ার ব্যাপার। যতদ্রুত সম্ভব ইতিহাসের কলঙ্কজনক এ ঘটনার বিচার হবে। রক্তাক্ত এ ঘটনায় ২৪টি তাজা প্রাণ হারিয়ে গেছে। শেখ হাসিনা যেহেতু বেঁচে আছেন, তার সময়ে ১৫ আগস্টের যেমন বিচার হয়েছে, ২১ আগস্টেরও বিচার হবে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমরা শপথ নেব বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে সন্ত্রাস সাম্প্রদায়িকতা দূর করার। বাংলাদেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে সন্ত্রাস জঙ্গিবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা মোকাবিলা করব। আর যারা বলেন গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে কর্মসম্পর্কের অভাব ও ঘাটতি রয়েছে, তার জন্য দায়ী বিএনপি। ২১ আগস্টের মধ্য দিয়ে তারা যে দেয়াল তুলেছে সে দেয়াল ভুলে যাওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র