Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

খালেদার মুক্তি অবিলম্বে হওয়া উচিৎ: ড. কামাল

খালেদার মুক্তি অবিলম্বে হওয়া উচিৎ: ড. কামাল
ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

অবিলম্বে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি হওয়া উচিৎ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষনেতা ড. কামাল হোসেন।

শুক্রবার (২২ ডিসেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সমিতির মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জোটের গণশুনানির সমাপনী বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ড. কামাল হোসেন বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি অত্যন্ত যুক্তিসংগত দাবি। খালেদা জিয়ার মুক্তি অবিলম্বে হওয়া উচিৎ। এই অনুষ্ঠান থেকে দাবিটা যাওয়া দরকার। এটা দুঃখজনক, স্বাধীন বাংলাদেশে স্বাধীনতার ৪৮ বছর পর এই ধরনের দাবি আমাদের করতে হচ্ছে!

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটাকে নির্বাচন বলা যায় না, নির্বাচনের নামে প্রহসন হয়েছে। আমরা বুঝতে পেরেছি, এটা কোনো নির্বাচন হয়নি।

প্রশাসনের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, আপনারা মারা গেলে উত্তরসূরিরা আপনাদের নিয়ে লজ্জা পাবে। আপনারা আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে দেখুন, কী দেখছেন। আপনারা সংবিধান অমান্য করছেন।

ড. কামাল বলেন, আমাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশের মালিকানা ফিরিয়ে আনতে পারি, সেটা করতে হবে। যেন স্বৈরাচারকে সরাতে পারি। এজন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

শুনানিতে সারা দেশ থেকে আসা ৪৩ জন প্রার্থী নির্বাচনের আগে ও পরের অবস্থা তুলে ধরেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/22/1550838115182.jpg

শুনানির বিচারক হিসেবে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমদ, আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল, ড. নুরুল আমিন বেপারী, অ্যাডভোকেট ড. মহসিন রশীদ, সাবেক বিচারপতি আ ক ম আনিসুর রহমান খান ও বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী।

গণশুনানির শুরুতে চকবাজারে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ও আহতদের জন্য শোক প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। তাদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

গণশুনানিতে উপস্থিত ছিলেন কৃষক-শ্রমিক লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, বিএনপির সিনিয়র নেতা ও সারা দেশ থেকে আসা জোটটির প্রার্থীরা।

আপনার মতামত লিখুন :

গৌরীপুরে ছাত্রলীগের কমিটি বাতিলের দাবিতে একাংশের অবস্থান

গৌরীপুরে ছাত্রলীগের কমিটি বাতিলের দাবিতে একাংশের অবস্থান
গৌরিপুর ছাত্রলীগের সাবেক কমিটির অবস্থান, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা ও পৌরশাখা ছাত্রলীগের নতুন দুটি কমিটি বাতিলের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে সদ্য সাবেক হওয়া কমিটির নেতাকর্মীরা।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বিকালে পৌর শহরের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিফলক বিজয় একাত্তর প্রাঙ্গণে এই কর্মসূচি পালিত হয়। কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন সদ্য সাবেক উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক এসএম জিল্লুর রহমান।

এর আগে দুপুরে উপজেলা ও পৌর ছাত্রলীগের কমিটি বাতিলের দাবিতে গৌরীপুর সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহসভাপতি ওয়াসিকুল ইসলাম রবিনের নেতৃত্বে ক্যাম্পাসে পৃথক বিক্ষোভ মিছিল করে ছাত্রলীগের একাংশ।

উপজেলা ছাত্রলীগের সদ্য সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, 'গঠনতন্ত্র অমান্য করে বয়স্ক, বিবাহিত, ইউনিয়নের বাসিন্দাকে পৌর কমিটিতে অন্তর্ভুক্তি ও হত্যা মামলার আসামি দিয়ে ছাত্রলীগের উপজেলা ও পৌর শাখার দুটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত এক সপ্তাহ ধরে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের কাছে কমিটি বাতিলের দাবি জানিয়েছি। অচিরেই কমিটি বাতিল না হলে কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব আমরা।'

উপজেলা ছাত্রলীগের নতুন সভাপতি আল মুক্তাদির বলেন, 'নতুন কমিটি ঘোষণার পর দলের ৯০ ভাগ নেতাকর্মী আমাদের সাধুবাদ ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। অথচ সাবেক কমিটির একটি পক্ষ ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে কমিটি নিয়ে বিশৃঙ্খলার চেষ্টা চালাচ্ছে।'

প্রসঙ্গত, গত ৯ জুলাই গৌরীপুর উপজেলা শাখা ছাত্রলীগের নতুন কমিটিতে সভাপতি পদে আল মুক্তাদির ও সাধারণ সম্পাদক পদে ইমতিয়াজ সুলতান জনি, পৌরশাখা ছাত্রলীগের নতুন কমিটিতে সভাপতি পদে আল হোসাইন ও সাধারণ সম্পাদক পদে মোফাজ্জল হোসেন মনোনীত করে কমিটি ঘোষণা করে জেলা ছাত্রলীগ।

আ’লীগ অতীতের চেয়ে বেশি ঐক্যবদ্ধ: হানিফ

আ’লীগ অতীতের চেয়ে বেশি ঐক্যবদ্ধ: হানিফ
আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

আওয়ামী লীগ অতীতের চেয়ে বেশি ঐক্যবদ্ধ বলে দাবি করেছেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ।

তিনি বলেছেন, ‘ওয়ান ইলেভেনের সময় আওয়ামী লীগের মধ্যে বিভক্তি ছিল। এখন দলের মধ্যে সে ধরনের কোনো সমস্যা নেই। আওয়ামী লীগ অতীতের চেয়ে যেমন বেশি ঐক্যবদ্ধ, তেমনি দলের তৃনমূলও শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে।’

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার কারান্তরীণ দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

হানিফ ব‌লেন, ‘ষড়যন্ত্রকে মোকাবিলা করে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। তাই বিএনপি জামাত থেকে আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে। তারা যতই ষড়যন্ত্র করুক না কেন, তা মোকাবিলা করার শক্তি আমাদের আছে।’

বিএনপির জন্যই দেশে ওয়ান ইলেভেন সৃষ্টি হয়েছিল দাবি করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘কারণ তারা কোনোভাবে একবার ক্ষমতায় গেলে আর ছাড়তে চায় না।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি ১৯৯১ সালে ক্ষমতায় এসে জোর করে ১৯৯৬ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারি ভোটারবিহীন নির্বাচন করেছিল। কিন্তু গণ আন্দোলনের মুখে তাদের ক্ষমতা ছাড়তে হয়েছিল।

নিজেদের অপকর্মের জন্য বিএনপি থেকে জনগণ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে উল্লেখ হানিফ ব‌লেন, ‘২০০৪ সালের নির্বাচনে জনগণ আপনাদের আস্তাকুড়ে নিক্ষেপ করেছিল। কারণ ক্ষমতায় থেকেও জনগণের কিছু করেন নাই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার যাতে না হয় অনেক ষড়যন্ত্র করেছেন। বিচার বানচালের চেষ্টা করেছেন।’

কুমিল্লার আদালতে বিচারকের সামনে ছুরিকাঘাত করে হত্যার বিষয়ে বিএনপির নেতাদের বক্তব্যের জবাবে হানিফ বলেন, ‘এটা একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। বিএনপির এ ধরনের মন্তব্য দেওয়ার আগে আয়নায় নিজেদের মুখ দেখা উচিত। কারণ, গাজীপুরের আদালতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের সময় বোমা হামলা করে এজলাসে বিচারক ও আইনজীবীদের হত্যার কথা দেশের মানুষ ভুলে যায়নি। সিলেটে ব্রিটিশ হাই কমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর হামলার ঘটনার কথাও দেশের মানুষ জানে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসনাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন ও কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী সংসদের সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম।

সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং শিক্ষা উপ-মন্ত্রী মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এমপি এবং বিশেষ বক্তা হিসেবে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ বক্তব্য দেন।

উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে সুধাসদন থেকে গ্রেফতার করেছিল। দিবসটিকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা দলীয় সভাপতির কারান্তরীণ দিবস হিসেবে পালন করে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র