আমার মতো নির্যাতিত নেতা আর নেই: এরশাদ

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নিজেকে দেশের সবচেয়ে অত্যাচারিত, নির্যাতিত ও নিষ্পেষিত নেতা বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধী দলীয় নেতা, সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

তিনি বলেছেন, আমার মতো অত্যাচারিত, নির্যাতিত ও নিষ্পেষিত নেতা আর কেউ নেই। দীর্ঘ দিন কারাগারে ছিলাম, কেউ পাশে ছিল না। শত অত্যাচার আমাদের দমাতে পারেনি। শুধু মনের জোরে এগিয়ে চলেছি, তাই শত ষড়যন্ত্র আমাদের ধংস করতে পারেনি।

বুধবার (২০ মার্চ) দুপুরে গুলশান-১ সার্কেলের ইমানুয়েলস মিলনায়তনে নিজের ৯০তম জন্মদিনের অনুষ্ঠানে কেক কেটে তিনি এসব কথা বলেন।

জাতীয় পার্টির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, অবিচার আর অত্যাচারে যে দল ভেঙে পড়ে না, সে দলকে কেউই ধংস করতে পারবে না।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেন, জাতীয় পার্টিকে শক্তিশালী করে তোলো, যাতে আগামী নির্বাচনে ক্ষমতায় যেতে পারে।

পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান বেগম রওশন এরশাদ বলেন, সবাই পার্টির চেয়ারম্যানের জন্য দোয়া করুন, যাতে তিনি সুস্থ হয়ে দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে পারেন। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নয় বছরে উন্নয়নের যে রেকর্ড গড়েছেন, তা কেউ ভাঙতে পারবে না। বঙ্গবন্ধু একটি স্বাধীন দেশ দিয়েছিলেন, কিন্তু দেশটি গড়ার জন্য পর্যাপ্ত সময় তিনি পাননি। দেশ গড়ার জন্য হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের অসংখ্য কীর্তি অক্ষয় হয়ে আছে।

নেতাকর্মীদের এক প্রশ্নের জবাবে রওশন এরশাদ বলেন, সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচে) এরশাদের কখনোই ভুল চিকিৎসা হয়নি। সিএমএইচে কখনোই ভুল চিকিৎসা হতে পারে না।

অনুষ্ঠানে পার্টির কো-চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা জিএম কাদের বলেন, আজ শপথ নেবার দিন। আমরা শপথ নিচ্ছি, নতুন বাংলাদেশ আমরা গড়বোই। জাতীয় পার্টি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের আদর্শ নিয়ে এগিয়ে যাবে।

অনুষ্ঠান শেষে পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা গণমাধ্যমকে বলেন, বাংলাদেশে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের কখনোই ভুল চিকিৎসা হয়নি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/20/1553080236725.jpg

এর আগে ‘পল্লীবন্ধু’র জন্মদিন উপলক্ষে সকাল থেকেই অন্তত পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী ওই মিলনায়তনে জড়ো হন। বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের পক্ষ থেকে তাকে ফুল ও কেক নিয়ে আসা হয়। দুপুর ১২টার দিকে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ মিলনায়তনে পৌঁছান। এরপর ৯০ পাউন্ডের কেক কেটে নিজের জন্মদিনের উৎসবের সূচনা করেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য গোলাম কিবরিয়া টিপু, সৈয়দ আব্দুল মান্নান, অ্যাডভোকেট শেখ সিরাজুল ইসলাম, মাসুদা এম. রশিদ চৌধুরী, ফখরুল ইমাম, সুনীল শুভ রায়, এস.এম. ফয়সল চিশতী, মো. আজম খান, এটিইউ তাজ রহমান, মেজর অব. মো. খালেদ আখতার, লে. জে. (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী, ফখরুজ্জামান জাহাঙ্গীর, অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, মো. মিজানুর রহমান, উপদেষ্টা ক্বারী হাবিবুল্লাহ বেলালী, রওশন আরা মান্নান, নাজমা আখতার, অ্যাডভোকেট আজাহার উদ্দিন, ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইকবাল হোসেন রাজু, জহিরুল ইসলাম জহির, মো. আরিফুর রহমান খান, আলমগীর সিকদার লোটন, নুরুল ইসলাম নুরু, সরদার শাহজাহান, এমরান হোসেন মিয়া, আবু বক্কর, যুগ্ম মহাসচিব গোলাম মোহাম্মদ রাজু, নুরুল ইসলাম ওমর, আশরাফ সিদ্দিকী, শেখ আলমগীর হোসেন, ইয়াহইয়া চৌধুরী, জহিরুল আলম রুবেল, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শামসুল হক, সুলতান আহমেদ সেলিম, আমির উদ্দিন আহমেদ ঢালু, ইসহাক ভূঁইয়া, মো. জসীম উদ্দিন, মুনিম চৌধূরী বাবু, মো. হেলাল উদ্দিন, একেএম আশরাফুজ্জামান খান, মো. নাসির উদ্দিন, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য সুলতান মাহমুদ, মো. বেলাল হোসেন, অনন্যা হুসাইন মৌসুমী, আনিসুর রহমান খোকন, অ্যাডভোকেট লাকী বেগম, এম. এ. রাজ্জাক খান, শারমিন পারভিন লিজা, গোলাম মোস্তফা, হুমায়ন খান, লিয়াকত চাকলাদার, এটিইউ আহাদ চৌধুরী, কাজী আবুল খায়ের, সুমন আশরাফ, আবু সাঈদ স্বপন, মোস্তফা কামাল, ক্বারী হাফেজ ইসারুহুল্লাহ আসিফ, কেন্দ্রীয় নেতা মাহমুদ আলম, মো. নেওয়াজ আলী ভূঁইয়া, সাজ্জাদ পারভেজ চৌধুরী, বাহাদুর ইমতিয়াজ, মো. নাজমুল খান, হাসান মঞ্জুর, মিজানুর রহমান দুলাল, জাকির হোসেন মৃধা, মামুনুর রহমান, তাসলিম আক্তার রুনা, জেসমিন নূর প্রিয়াংকা, মোতাহার হোসেন মানিক, ফারুক আহমেদ, দ্বীন ইসলাম শেখ, সুলেমান সামী, শফিকুল ইসলাম দুলাল, আবুল কাশেম, মোস্তফা আল মাহমুদ প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন :