Barta24

রোববার, ১৬ জুন ২০১৯, ২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

আ’লীগ ছদ্মবেশে বাকশাল প্রতিষ্ঠা করছে: ফখরুল

আ’লীগ ছদ্মবেশে বাকশাল প্রতিষ্ঠা করছে: ফখরুল
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, পুরোনো ছবি
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

নির্যাতন-নিপীড়নের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ ছদ্মবেশে দেশে বাকশাল (বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ) প্রতিষ্ঠা করতে চলেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেছেন, এই আওয়ামী লীগ ১৯৭৫ সালে একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে স্বাধীনতাকে ধ্বংস করেছিল। আজকে ৪৮ বছর পর আবার ঠিক একইভাবে তারা নির্যাতন-নিপীড়নের মধ্য দিয়ে ছদ্মবেশে দেশে বাকশাল প্রতিষ্ঠা করতে চলেছে। আজকে সত্যিকার অর্থেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সম্পূর্ণভাবে বিপন্ন হয়েছে, সত্যিকার অর্থেই দেশের গণতন্ত্র সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেছে। দেশ একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হতে চলেছে।

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সোমবার (২৫ মার্চ) সন্ধ্যায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (আইইবি) -এর মিলনায়তনে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ১৯৭১ সালের যে চেতনা, আদর্শকে সামনে নিয়ে এই দেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, সেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শ আজকে ভূলুণ্ঠিত হয়েছে। স্বাধীন মানে কী? স্বাধীনতা মানে কী? একটা ভূখণ্ডের স্বাধীনতা, স্বাধীনতা মানে কি শুধু একটি পতাকা? না, স্বাধীনতার অর্থ হচ্ছে, এই ভূখণ্ডে বাস করে যারা তাদের স্বাধীনতা। তাদের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা, তাদের রাজনৈতিক স্বাধীনতা এবং তাদের মুক্তির স্বাধীনতা। যা পুরোপুরি ধবংস করে দিয়েছে এই আওয়ামী লীগ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/25/1553524940674.jpg

দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে সরকার চিকিৎসা পর্যন্ত দিচ্ছে না, এমন অভিযোগ করেন দলটির মহাসচিব। তিনি বলেন, খালেদা জিয়া দেশের মানুষের প্রাণের নেতা, গণতন্ত্রের প্রতীক। সারা জীবন ধরে এই গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন তিনি। এই নেতা এখন পরিত্যক্ত নির্জন কারাগারে। প্রতিদিন তার শরীর খারাপ হচ্ছে। কী দুর্ভাগ্য ও ভয়ংকর যে, এই ভয়াবহ সরকার তার চিকিৎসা পর্যন্ত করছে না। আজকে আমাদের প্রধান দায়িত্ব হচ্ছে, আমরা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনের মধ্য দিয়েই আমাদের নেত্রীকে মুক্ত করব। তাকে মুক্ত করলেই গণতন্ত্রকে মুক্ত করা হবে।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম, শামসুজ্জামান দুদু, নিতাই রায় চৌধুরী, অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, সহ-প্রচার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলীম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন :

ছাত্রদলের কাউন্সিলে পদ প্রার্থীদের যোগ্যতা

ছাত্রদলের কাউন্সিলে পদ প্রার্থীদের যোগ্যতা
ছবি: সংগৃহীত

বিএনপি'র সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের আসন্ন কাউন্সিলে যারা প্রার্থী হতে পারবেন তাদের যোগ্যতার মানদণ্ড প্রকাশ করেছে দলটি।

সোমবার (২৪ জুন) সন্ধ্যায় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কাউন্সিলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে এই শর্ত গুলো জানান।

প্রার্থীদের যোগ্যতা: প্রত্যেক প্রার্থীকে ২০০০ সালে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় পাশ হতে হবে। তবে রেজিস্ট্রেশন অবশ্যই ১৯৯৮ সালের হতে হবে। প্রমাণের জন্য এস এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পাশের সার্টিফিকেট ও রেজিস্ট্রেশন কপি দলের কার্যালয়ে জমা দিতে হবে; প্রার্থীকে অবশ্যই অবিবাহিত হতে হবে; ছাত্রত্ব আছে এমন প্রমাণ পত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে সংগ্রহ করে জমা দিতে হবে।

একই সঙ্গে প্রার্থীকে ন্যূনতম স্নাতক পাশ হতে হবে এবং পাশের সার্টিফিকেট এর সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে। প্রমাণের জন্য সকল সার্টিফিকেটের মূলকপি সঙ্গে আনতে হবে; প্রার্থী হতে হলে সংশ্লিষ্ট ইউনিট থেকে প্রাথমিক সদস্য সাবেক অথবা বর্তমান পদের প্রত্যায়ন পত্র দাখিল করতে হবে; যদি কোনো প্রার্থী কাস্টিং ভোট ১০ শতাংশের না পায় তাহলে পরবর্তী কমিটিতে কোনো ভাবেই অন্তর্ভুক্ত হতে পারবে না; প্রত্যেক প্রার্থীকে অবশ্যই সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের ৫ কপি রঙ্গিন ছবি সত্যায়িতসহ দাখিল করতে হবে।

একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, পূর্ণাঙ্গ কমিটির ক্ষেত্রে ভোটার হতে পারবেন, সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, প্রথম সহ-সভাপতি, প্রথম যুগ্ম সম্পাদক এবং সাংগঠনিক সম্পাদক, এই ৫ (পাঁচ) জন।

অপর দিকে আহ্বায়ক কমিটির ক্ষেত্রে ভোটার হতে পারবেন, কমিটির প্রথম ৩ জনসহ মোট ৫ জন।

উল্লেখ্য, ছাত্রদলের কাউন্সিল আগামী ১৫ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের মাধ্যমে ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হবে। গতকাল রোববার (২৩ জুন) এ ঘোষণা দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু ও যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন।

নির্বাচনের তফসিলে বলা হয়েছে, '২৪ জুন ভোটার তালিকা প্রকাশ, ২৫ জুন তালিকার বিষয়ে আপত্তি গ্রহণ, ২৬ জুন চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ, ২৭-২৮ জুন প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বিতরণ, ২৯-৩০ জুন সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়ন গ্রহণ, ১-৩ জুলাই প্রার্থী যাচাই বাছাই, ৪ জুলাই প্রার্থীদের খসড়া তালিকা প্রকাশ, ৫ ও ৬ জুলাই প্রার্থীদের প্রার্থীদের আপত্তি ও আপত্তি নিষ্পত্তি, ৭ জুলাই প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ, ১৫ জুলাই ভোট গ্রহণ করা হবে। প্রার্থীরা ১৩ জুলাই রাত ১২টা পর্যন্ত প্রচারণা চালাতে পারবে। একই সঙ্গে ২০০০ সাল ও এরপর থেকে যারা এসএসসি পাশ করেছেন কেবলমাত্র তারাই প্রার্থী হতে পারবেন।'

খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে কর্মসূচি দেবে ২০ জোট

খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে কর্মসূচি দেবে ২০ জোট
ছবি: সংগৃহীত

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে জুলাই মাসে ঢাকাসহ সারা দেশের বিভিন্ন মহানগরে কর্মসূচি পালন করবে ২০ দলীয় জোট। তবে কী ধরনের কর্মসূচি দেওয়া হবে, তা আগামী বৈঠকে নির্ধারণ করা হবে।

সোমবার (২৪ জুন) রাতে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয় গুলশানে ২০ দলীয় জোটের বৈঠকের পর এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান জোটের প্রধান সমন্বয়ক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশে কারাগারে আবদ্ধ করে রাখার হয়েছে। এর নিন্দা ও তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে ২০ দলীয় জোট দেশে গণতন্ত্র পুণঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলন ও খালেদা জিয়ার দ্রুত মুক্তির লক্ষ্যে আগামী জুলাই মাসে ঢাকাসহ বিভিন্ন মহানগরে কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘২০ জোট শক্তিশালী। এ জোটে ঐক্য সুদৃঢ় আছে, এখানে কোনো সংকট নাই।’

২০ দলীয় জোটের বৈঠকে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, প্রস্তাবিত বাজেট, কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যে ন্যায্য মূল্য নির্ধারণসহ নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় বলেও তিনি জানান।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- ইসলামী ঐক্যজোটের নেতা অ্যাডভোকেট এম এ রকীব, এনডপিপির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) জাফরুল্লাহ খান চৌধুরী লাহরি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের একাংশের মাওলানা নুর হোসেইন কাশেমী, অপর অংশের মাওলানা মহিউদ্দিন ইকরাম, এলডিপির সাহাদাত হোসেন সেলিম, কল্যাণ পার্টির এম এম আমিনুর রহমান, ন্যাপ-ভাসানীর আজহারুল ইসলাম, জাগপার খন্দকার লুৎফুর রহমান, মুসলিম লীগের জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী, পিপলস লীগের সৈয়দ মাহবুব হোসেন, এনডিপির আবু তাহের, ডেমক্রেটিক লিগের সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি, সাম্যবাদী দলের নুরুল ইসলাম, ন্যাপের সাওন সাদেকী প্রমুখ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র