Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

প্যারোলের বিষয়টি খালেদা জিয়া ও তার পরিবারের: ফখরুল

প্যারোলের বিষয়টি খালেদা জিয়া ও তার পরিবারের: ফখরুল
ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা: বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্যারোলের জন্য আবেদন করা হবে কি না তা খালেদা জিয়া ও তার পরিবারের ব্যাপার। এটি দলের বিষয় নয় বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর চন্দ্রিমা উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা জানানোর পর তিনি এ কথা জানান। জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের নতুন কমিটি গঠন উপলক্ষে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

এসময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, প্যারোল আমাদের দলের বিষয় নয়। খালেদা জিয়া অসুস্থ। প্যারোল তার ও তার পরিবারের বিষয়। সুতরাং এটি নিয়ে আমরা আলোচনা করিনি।

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে রোববার মির্জা ফখরুলসহ দলের দুই নেতা খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পান জানিয়ে তিনি বলেন, তখন তার স্বাস্থ্যের বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে, চিকিৎসার ব্যাপারে কথা হয়েছে। তার মামলার আইনগত দিকগুলো নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তিনি দলের খোঁজখবর নিয়েছেন, নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে বলছেন, জাতীয় ঐক্য অটুট রাখতে বলেছেন এবং দেশবাসীকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

বিএনপির এই নেতা বলেন, আমাদের গণতান্ত্রিক আন্দোলন চলমান। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং দেশনেত্রীকে মুক্ত করা, আমাদের আন্দোলন বেগবান করার জন্য আমরা শপথ নিয়েছি।

খালেদা জিয়ার সঙ্গে বিএনপির বিজয়ী সংসদ সদস্যদের শপথ নেওয়ার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়নি জানিয়ে ফখরুল বলেন, একে তো আমরা নির্বাচিত বলছি না, আমরা ফলাফল প্রত্যাখান করেছি।

কেউ কেউ বলছেন খালেদা জিয়ার মুক্তির বিনিময়ে বিএনপি সংসদে যাবে- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে ফখরুল বলেন, এ রকম কোনো ইনফরমেশন আমাদের কাছে নেই।

খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আন্দোলন কর্মসূচি না দেওয়ায় তৃণমূল নেতাকর্মীরা এ ক্ষোভ প্রকাশ করছেন কি না জানতে চাইলে ফখরুল বলেন, আন্দোলনের বিভিন্ন ধাপ থাকে, কৌশল থাকে, আন্দোলন বলতে শুধু হরতাল জ্বালাও-পোড়াও না। আমি এই বিষয়টির সঙ্গে একমত হতে পারি না। আমরা আন্দোলন বলতে বুঝি, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সোচ্চার হতে হবে। সেটাকে আমরা আন্দোলন বলছি। সে জন্য আমরা কাজ করছি, প্রস্তুতি নিচ্ছি। ইনশাল্লাহ আমরা খালেদা জিয়া এবং গণতন্ত্রকে মুক্ত করতে সক্ষম হবো।

এসময় ওলামা দলের আহ্বায়ক প্রিন্সিপাল মাওলানা শাহ মো. নেছারুল হক, সদস্য সচিব প্রিন্সিপাল মাওলানা মো. নজরুল ইসলাম তালুকদারসহ সংগঠনটির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

ধর্ষণের উৎসব শুরু হয়েছে: মির্জা ফখরুল

ধর্ষণের উৎসব শুরু হয়েছে: মির্জা ফখরুল
বিভাগীয় সম্মেলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, 'পত্রিকা খুললেই ধর্ষণ ছাড়া কোনো খবর নাই। ১০ বছর, ছয় বছর, পাঁচ বছর, ১০০ বছরের নারীকেও পর্যন্ত ধর্ষণ করা হচ্ছে। দেশে ধর্ষণের উৎসব শুরু হয়েছে।'

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে বরিশাল মহানগরের কেন্দ্রীয় হেমায়েত উদ্দিন ঈদগাহ মাঠে এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে বিভাগীয় সমাবেশের অংশ হিসেবে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল বলেন, 'প্রতিদিন শুধু হত্যা আর হত্যা। এমনকি আদালত পর্যন্ত বাদ যাচ্ছে না। সেটাও নিরাপদ জায়গা নয়। সেখানে গিয়ে বিচারকের সামনে হত্যা করা হচ্ছে। কোথায় যাবেন? কার কাছে যাবেন? সরকার খুব ঢোল বাজায়, নিজেরাই বাজাচ্ছে উন্নয়ন, উন্নয়ন, উন্নয়ন। এমন উন্নয়ন যে, দেশের মানুষ মারা যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। অথচ কৃষক তার ধানের মূল্য পায় না, সরকারি কর্মচারীদের বেতন ভাতা দিন দিন বাড়ানো হচ্ছে। সরকার তাদের ওপর ভর করে এ দেশের জনগণের বঞ্চিত করে দেশ শাসন করতে চায়।'

তিনি বলেন, 'সারা দেশে আওয়ামী লীগ সরকার গত এক যুগে যে ভয়াবহ তাণ্ডব সৃষ্টি করেছে, গণতন্ত্রকে যেভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে, মানুষের অধিকারগুলোকে যেভাবে কেড়ে নিয়েছে এবং মানুষের ওপর যে অত্যাচার-নির্যাতন করছে এটা নজিরবিহীন। সরকার বাংলাদেশে একটা নারকীয় অবস্থার তৈরি করে ফেলেছে।'

খালেদা জিয়ার কারাবাস সম্পর্কে বিএনপির মহাসচিব বলেন, 'একটি মিথ্যা মামলায় দেশনেত্রীকে কারাগারে রাখা হয়েছে। এই মামলায় অন্য সকল আসামির জামিন হয়েছে কিন্তু খালেদা জিয়ার জামিন দিচ্ছে না। কারণ সরকার বিচার বিভাগকে সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণ করছে, তাই দেশনেত্রীর জামিন হচ্ছে না। আমাদের আইনজীবীরা সব দিক দিয়ে চেষ্টা করেছেন। আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। দেশের মানুষ যদি তাদের অধিকার, স্বাধীনতা রক্ষা করতে চায়, তাহলে অবশ্যই সকলকে ঘুরে দাঁড়াতে হবে।'

সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সাহেবের মৃত্যুতে আমরা শোক প্রকাশ করেছি। কিন্তু এটাতো সত্য যে, তার সরকারের আমলেই এ দেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করা হয়েছে। তার আমলে বহু মানুষ নিহত হয়েছেন, ছাত্রদের হত্যা করা হয়েছে। জনগণের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে তাকে সরানো হয়েছে। আজকে আওয়ামী লীগ তাদের সঙ্গে জোট বেধে জনগণের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। আজকে তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দেওয়া হয়। আর যিনি গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করলেন, ৭১ সালে পাক সেনাদের হাতে বন্দী থাকলেন তাকে কারাগারের অন্ধকারের রাখা হচ্ছে।'

বরিশাল মহানগর বিএনপির সভাপতি মজিবুর রহমান সরোয়ারের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান হাফিজ উদ্দিন আহমেদ সহ স্থানীয় কয়েক হাজার নেতাকর্মী।

সিঙ্গাপুর নেওয়া হলো রফিকুল ইসলাম মিয়াকে

সিঙ্গাপুর নেওয়া হলো রফিকুল ইসলাম মিয়াকে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে সিঙ্গাপুর এয়ারওয়েজের একটি বিমানে তাকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত সহকারী মো. মোকছেদুর রহমান আবির।

তিনি জানিয়েছেন, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। এজন্য তাকে ইউনাইডেট হাসপাতাল থেকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়েছে। সেখানে ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হসপিটালের নিউরো সার্জন অধ্যাপক অং হি কিটের অধীনে মেরুদণ্ডে অস্ত্রোপচার করা হবে।

রফিকুল ইসলাম মিয়ার সঙ্গে তার সহধর্মিণী প্রফেসর ড. শাহিদা রফিক ও দুই ছেলে মাশরুর রফিক মিয়া ও শাহপুর রফিক মিয়া রয়েছেন বলেও জানান তিনি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র