Barta24

মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ৫ ভাদ্র ১৪২৬

English

জাপার পরিস্থিতি অনেকটাই বদলে গেছে!

জাপার পরিস্থিতি অনেকটাই বদলে গেছে!
এরশাদ-রওশন-জিএম কাদের/ছবি: সংগৃহীত
সেরাজুল ইসলাম সিরাজ
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা: জিএম কাদের পুনর্বহাল হওয়ার পর জাতীয় পার্টির (জাপা) পরিস্থিতি নাকি অনেকটাই বদলে যাচ্ছে। অনেক সিনিয়র নেতাই এখন জিএম কাদেরের প্রতি সমর্থন জানান দিচ্ছেন।

কেউ ফোনে যোগাযোগ করছেন, আবার কেউ কেউ জিএম কাদেরের উত্তরার বাসায় হাজির হয়ে নিজেদের সমর্থন জানান দিচ্ছেন। জাতীয় পার্টির যুগ্ম মহাসচিব হাসিবুর রহমান জয় এমন তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বার্তা২৪.কমকে বলেন, জিএম কাদের কো-চেয়ারম্যান ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান পদ ফিরে পাওয়ার পর পরিস্থিতি অনেক বদলে গেছে। সিনিয়র নেতারা অনেকেই এখন তাকে সমর্থন দিচ্ছেন। আবার জিএম কাদের নিজেও অনেকের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। আমরা মনে করছি, জাতীয় পার্টি জিএম কাদেরের পেছনেই ঐক্যবদ্ধ থাকবে। এতোদিন যারা অন্যগ্রুপে ছিলেন তারাও এখন কাদের ভাইয়ের পেছনে আসতে শুরু করেছেন।

স্বপদে বহাল হওয়ার পর জিএম কাদেরও এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেছিলেন। বলেছিলেন, সব বড় দলে নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা থাকে। আমাদের দলেও রয়েছে। তবে এর শিকড় খুব গভীরে নয়। ক্ষমতা পেলে এসব গ্রুপিং ধীরে ধীরে কমে যাবে।

মধ্যম সারির নেতারা বলেন, জিএম কাদের পুনর্বহাল হওয়ার পর থেকে এখনও পর‌্যন্ত পার্টির কোনো বড় কর্মসূচি দেখা যায়নি। হলে হয়তো অনুমান করা যেতো কি হতে যাচ্ছে। বিশেষ করে সিনিয়র নেতাদের অবস্থান পরিষ্কার হতো।

তবে কাদের বিরোধী বলে পরিচিতরা এরশাদের এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে মনে করছেন না। তারা আবার পরিবর্তনের আশা করছেন। তারা মনে করছেন, দলকে ঐক্যবদ্ধ করার ক্ষেত্রে জিএম কাদেরের সফল হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। এক রংপুরকে দিয়ে দল চলবে না। সে কারণে দায়িত্ব পেলেও খুব একটা সুবিধা করতে পারবেন না। যে কারণে জিএম কাদেরকে আবার সরিয়ে দেবেন এরশাদ।

কেন্দ্রীয় কমিটির এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বার্তা২৪.কমকে বলেন, ১১ এপ্রিল গিয়েছিলাম স্যারের (এরশাদ) সঙ্গে দেখা করতে। দুপুরে প্রায় ৪০ মিনিট কথা হয়। সে সময় জিএম কাদের সম্পর্কে হতাশা ব্যক্ত করেছেন স্যার। স্যার বললেন, কাদেরকে দায়িত্ব দিলাম, যাতে সে সবাইকে নিয়ে কাজ করে। কিন্তু দলের মধ্যে গ্রুপিং তৈরি করছে। আমার মনে হচ্ছে না ও দল চালাতে পারবে।

তিনি আরো বলেন, স্যার বললেন, সবাই দল থেকে বেনিফিট নিয়েছে। সবাই এমপি হতে চায়, কিন্তু আমার মামলার বিষয়ে কেউ কথা বলে না। তোমরা কাদেরকে দেখো, কাদের যেনো সবার সঙ্গে ভালোভাবে চলে। সবার সঙ্গে যোগাযোগ করে। দলটা চালাতে হলে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন হবে।

অসুস্থ এরশাদ এমন হতাশার কথা আরও দু’একজনের কাছেও নাকি ব্যক্ত করেছেন। সে কারণে পরিস্থিতি পুরোপুরি জিএম কাদেরের অনুকূলে এমনটা মানতে নারাজ অনেকেই। তারা মনে করছেন, সংখ্যাধিক্য এমপি এবং প্রেসিডিয়াম সদস্য রওশন এরশাদের পক্ষে একাট্টা। তাদের কারণে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের বিশেষ ক্ষমতাও অসহায় হয়ে পড়তে পারে।

পার্লামেন্টারি পার্টি বিগড়ে গেলে অনেক কিছু বদলে যেতে পারে। যেমনটি হয়েছিল বিগত সংসদে, তখন এরশাদ নিজে বিরোধীদলীয় নেতা হতে চাইলেও রওশন বেকে বসায় পুরো সময় জুড়ে বিরোধীদলীয় নেতার চেয়ারে থাকেন রওশন।

আবার জাতীয় পার্টির অস্তিত্বের প্রতীক লাঙ্গলও কিন্তু রওশনের দিকে ঝুঁকে থাকবে। কারণ, সপ্তম সংসদে যখন আনোয়ার হোসেন মঞ্জু লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে টান দেন। তখন বিষয়টি আদালত পর‌্যন্ত গড়ায়। তখন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ কারাবন্দি থাকায় মামলায় স্বাক্ষর করেছিলেন রওশন এরশাদ। রওশন পক্ষকেই লাঙ্গল প্রতীক দেন আদালত। এ কারণে অনেকে মনে করেন রওশনের নামেই লাঙ্গল প্রতীক বরাদ্দ রয়েছে।

পরিস্থিতি যাই থাকুক দুই পক্ষই মনে করছেন, শেষ সময়ে তারাই বিজয়ী হবেন। একপক্ষের শক্তি তৃণমূল। আরেক পক্ষের শক্তি সিনিয়র প্রভাবশালী নেতারা। কিন্তু একটি ছাড়া যে অপরটি অচল তারা কেউই অন্তরে লালন করছেন বলে দৃশ্যপটে অনুমিত হয় না। সিনিয়র নেতারা অনেকটা নিরব ভূমিকা পালন করলেও তাদের অনুসারীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ সরব।

বিশেষ করে জিএম কাদেরের আশপাশে থাকা কিছু তৃতীয় সারির নেতার কর্মকাণ্ডে সিনিয়র নেতাদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন অনেকে। জিএম কাদেরকে যখন পুনর্বহাল করা হয়, তখন তার ব্যক্তিগত সহকারী আবু তৈয়ব ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন, যারা আন্দোলন করে সফল হলেন, তাদের অভিনন্দন। যারা এ বিজয়ে কষ্ট পেলেন তাদের জন্য শুভ কামনা রইল।

একজন বেতনভোগী স্টাফের এমন খোঁচা দেওয়া স্ট্যাটাস কেউই স্বাভাবিকভাবে দেখছেন না।

এমন অনেকে স্ট্যাটাস দিয়ে সিনিয়র নেতাদের বিষদগার করছেন, যাদের না আছে পোস্ট না আছে পদবি। তাদের এসব বিভ্রান্তিকর পোস্টের দায়ও গিয়ে পড়ছে জিএম কাদেরের ঘাড়ে। অনেকে মনে করছেন জিএম কাদেরের আশকারা পেয়ে তারা এমন কাজ করছেন।

উদারপন্থী নেতারা মনে করেন, এতে পার্টিতে বিভেদ বাড়তে পারে। কাদের ভাইয়ের এমন বিতর্ক এড়ানো উচিত। যেভাবেই হোক তিনি ফিরে এসেছেন। এতে তার প্রাথমিক বিজয় হয়েছে। এখন বিভেদ না বাড়িয়ে সবাইকে নিয়ে পথ চলতে হবে তাকে। না হলে এখন রক্ষা হলেও এরশাদের অবর্তমানে দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখা কঠিন হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

জাতীয় পার্টির বিভাগীয় সাংগঠনিক কমিটি গঠন

জাতীয় পার্টির বিভাগীয় সাংগঠনিক কমিটি গঠন
জাতীয় পার্টির পতাকা

জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক কার্যক্রম বেগবান ও গতিশীল করতে পৃথক বিভাগীয় সাংগঠনিক কমিটি গঠন করা হয়েছে। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের সাংগঠনিক আদেশে এসব টিমের অনুমোদন দিয়েছেন।

টিমগুলো সংশ্লিষ্ট বিভাগের অন্তর্গত সব জেলা সফর করে জেলা পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক ও আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে দলীয় সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল, বেগবান ও নেতৃত্বের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে ভূমিকা পালন করবে।

কমিটির কার্যভার গ্রহণের এক মাসের মধ্যে সাংগঠনিক কার্যাদি সম্পন্ন করবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এলাকার সাংগঠনিক অবস্থান অবগত করবে কেন্দ্রকে। এ ছাড়া জেলা-উপজেলা পর্যায়ে পার্টির গ্রুপিং নিরসনকে মুখ্য দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা বিভাগীয় টিম
ঢাকা বিভাগের কমিটির আহ্বায়ক প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক ভিপি আলমগীর সিকদার লোটন। সদস্যরা হলেন—প্রেসিডিয়াম সদস্য হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, শফিকুল ইসলাম সেন্টু, ভাইস চেয়ারম্যান জহিরুল আলম রুবেল।

রাজশাহী বিভাগীয় টিম
প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাড. শেখ সিরাজুল ইসলামকে আহ্বায়ক, সদস্য সচিব করা হয়েছে প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রশিদ সরকারকে। এ টিমের সদস্যরা হলেন—ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী এমপি, ভাইস চেয়ারম্যান আহসান আদেলুর রহমান এমপি, যুগ্ম মহাসচিব এস.এম. ইয়াসির।

বরিশাল বিভাগীয় টিম
আহ্বায়ক করা হয়েছে লঞ্চ মালিক সমিতির নেতা প্রেসিডিয়াম সদস্য গোলাম কিবরিয়া টিপু এমপি, সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন প্রেসিডিয়াম সদস্য এমরান হোসেন মিয়া। সদস্যরা হলেন—নাসরিন জাহান রতনা এমপি, ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক মহাসিনুল ইসলাম হাবুল, সাংগঠনিক সম্পাদক ফখরুল আহসান শাহজাদা।

রংপুর বিভাগীয় টিম
জাপার দুর্গখ্যাত এই বিভাগের টিমের আহ্বায়ক করা হয়েছে কিশোরগঞ্জের সন্তান প্রেসিডিয়াম সদস্য মুজিবুল হক চুন্নু এমপি, সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন মো. আজম খান। সদস্যরা হলেন—প্রেসিডিয়াম সদস্য রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, প্রেসিডিয়াম সদস্য শিল্পপতি এস এম ফখর উজ জামান জাহাঙ্গীর, কেন্দ্রীয় সদস্য পনির উদ্দিন আহমেদ এমপি।

খুলনা বিভাগীয় টিম
আহ্বায়ক প্রেসিডিয়াম সদস্য সাহিদুর রহমান টেপা, সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভ রায়। সদস্যরা হলেন—প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ দিদার বখ্ত, উপদেষ্টা হাসান সিরাজ সুজা, যুগ্ম মহাসচিব মনিরুল ইসলাম মিলন।

সিলেট বিভাগীয় টিম
আহ্বায়ক করা হয়েছে প্রেসিডিয়াম সদস্য মেজর জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এমপিকে। সদস্য সচিব প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী মামুনুর রশীদ, সদস্য হিসেবে রয়েছেন প্রেসিডিয়াম সদস্য এটিইউ তাজ রহমান, যুগ্ম মহাসচিব হাসিবুল ইসলাম জয়, নির্বাহী সদস্য পীর ফজলুর রহমান মেজবাহ এমপি।

অন্যান্য সব বিভাগে সাংগঠনিক টিম ঘোষণা দেওয়া হলেও চট্টগ্রাম বিভাগের টিম ঘোষণা দেওয়া হয়নি। গত জুনের শেষ সপ্তাহে জাতীয় পার্টির বিভাগীয় সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বেশির ভাগ নেতা সংগঠনকে শক্তিশালী করার জন্য বিভাগীয় সাংগঠনিক টিম গঠনের প্রস্তাব দেন। নেতারা তখন অনেকেই পার্টির তৃণমূলের নাজুক অবস্থার কথা তুলে ধরেছিলেন। তারা বলেছিলেন, ‘হায়ার ফায়ারে পার্টি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আমরা টাকা শ্রম দিয়ে দল পরিচালনা করি। আর ভোটের সময় নেতা হায়ার করে প্রার্থী করা হয়। আমরা চাই এখনই প্রার্থী চুড়ান্ত করে দেওয়া হোক। তারা তাদের নির্বাচনী এলাকায় দলকে সংগঠিত করবে।’

ওই সভাতেই পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের সাংগঠনিক টিম গঠনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। মাঝে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যূতে বিষয়টি কিছুটা পিছিয়ে পড়ে। যারা পার্টির নির্দেশনা না মেনে সভায় অনুপস্থিত আছেন তাদের বিরুদ্ধে ওই সভায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। যৌক্তিক কারণ দেখাতে ব্যর্থ হলে তাদের দল থেকে বহিষ্কার করা হবে বলেও হুঁশিয়ার করা হয়। কিন্তু সেই ঘোষণা ঘোষণাই থেকে যায়। এমনকি সভায় অনুপস্থিত একাধিক নেতা সাংগঠনিক টিমের দায়িত্ব পেয়েছেন।

দেশে কি কোনো সরকার আছে, প্রশ্ন দুদুর

দেশে কি কোনো সরকার আছে, প্রশ্ন দুদুর
প্রেসক্লাবের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন শামসুজ্জামান দুদু, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, চামড়া শিল্পের বিপর্যয়ের পর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে দেশে কোনো সরকার আছে কিনা? প্রধানমন্ত্রী আছে কি নেই? সরকার আছে কি নেই? এটা একটা বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশে সরকার থাকলে চামড়া শিল্পের এমন বিপর্যয় হতো না। 

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবে 'আমার দেশ আমার শিল্প' শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভার আয়োজন করে ন্যাশনালিস্ট রিসার্চ সেন্টার (এনআরসি) নামে একটি সংগঠন।

সভায় দুদু আরও বলেন, 'দেশে সরকার থাকলে তো ডেঙ্গুতে এতো মানুষের মৃত্যু হতো না? ব্যাংকের টাকা চুরি হওয়ার কথা না। সরকার প্রধান থাকলে নিশ্চয়ই একটি তদারকির ব্যবস্থা করতেন।'

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/20/1566293116575.jpg

 

ছাত্রদলের সাবেক এ নেতা বলেন, '৭১ সালে যে দেশ রক্ত দিয়ে স্বাধীন হয়েছে, সেই দেশটা একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। এখন দেশে আইন-শৃঙ্খলা বলতে আর কিছু নেই। দেশের বিচার ব্যবস্থার ওপর মানুষ এখন আস্থাহীন। স্বাস্থ্য খাত এখন বিলুপ্তির পথে। ডেঙ্গুতে এখন শুধু ঢাকাতে নয় সারা দেশের মানুষ অসহায়। কখন সে মৃত্যুবরণ করবে সে নিজেও জানে না। চামড়া শিল্প এখন মহা বিপর্যয়ের সম্মুখীন। এতটা বিপর্যয় বাংলাদেশ এর আগে কখনো দেখা যায়নি। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের সর্বনিম্ন পর্যায়ের এতিম অসহায় শিশুরা।

আয়োজক সংগঠনের পরিচালক বাবুল তালুকদারের সভাপতিত্বে এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য ডি এম আমিরুল ইসলাম অমরের সঞ্চালনায় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুক ইসলাম আলমগীর, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল প্রমুখ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র