Barta24

শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬

English

কর্তৃত্ব করার জন্য আসিনি: জিএম কাদের

কর্তৃত্ব করার জন্য আসিনি: জিএম কাদের
সবার মাঝে জাপার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের ও জাপা মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা, ছবি: বার্তা২৪
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছেন, আমি কর্তৃত্ব করার জন্য আসিনি, জাপার সেবা করার জন্য এসেছি। এককভাবে দল চালাতে চাই না,সবার মতামতের ভিত্তিতে জাপাকে এগিয়ে নিতে চাই।

সোমবার (৬ মে) জাপার বনানী কার্যালয়ে জাতীয় যুব সংহতি আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। জিএম কাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মনোনীত হওয়ায় এ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।

জিএম কাদের বলেন, ‘যারা ত্যাগ স্বীকার করে এই ধরণের মানুষগুলোকে নিয়ে দল চালাতে চাই। হঠাৎ করে কেউ এলো, দলে বড় পদ দেওয়া হলো। আমি মনে করি এটা দেশ ও দলের জন্য মঙ্গল হতে পারে না। অনেক ক্ষেত্রে যেটা লক্ষ্য করেছি। কিন্তু বিশেষ সময়ে বিশেষ কিছু হতে পারে। এটা প্রচলিত নিয়ম হতে পারে না।’

তিনি বলেন, ‘রাজনীতি অনেক ক্ষেত্রে ব্যবসার মতো হয়েছে, অনেকটা জমিদারীর মতো বংশ পরম্পরে। আমি কিন্তু সেভাবে দেখি না। বড় জায়গায় যাওয়া মানে মানুষের জন্য ততবেশি কাজ করার সুযোগ। ততবেশি সেবা করার সুযোগ। আমি রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনতে চাই। ত্যাগ স্বীকার মানসিকতা নিয়ে রাজনীতিতে আসতে হবে।'

জিএম কাদের বলেন, 'পরিবার থেকে নেতৃত্ব আসা আমাদের দেশের সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে। আমার বিশ্বাস অনেকে আমাকে পছন্দ করে, আমার গুণাগুণের কারণে আমাকে নেতৃত্বে দেখতে চায়। আমিও দলের স্বার্থে কাজ করে যাব। সঠিকভাবে দল চালানোর জন্য আপনারদের সঙ্গে আলোচনা করব।'

জিএম কাদের বলেন, 'আমি জাপার দুঃসময়ে ১৯৯০ সালে রাজনীতিতে এসেছি। তখন আমার ভাই পার্টির চেয়ারম্যান জেলে ছিলেন। অনেক প্রতিকূল অবস্থায় রাজনীতি করেছি। আমার মন্ত্রণালয় চালানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে। জাতীয় পার্টিকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার জন্য এসেছি।'

জাপা মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা এমপি বলেন, ‘কোথায় থেকে কি হয়েছে, কোথায় পয়সা এসেছে, মহাসচিবের খুব বেশি ভূমিকা পালনের সুযোগ ছিলনা। পার্টির চেয়ারম্যান সিদ্ধান্তে একমত আছি। নিজেদের মধ্যে কানামাছি খেলার সুযোগ নেই।’

আগামীতে দ্বিতীয় বৃহত্তম দল হতে পারে জাপা। সম্ভাবনাময় দল হচ্ছে জাপা। আমাদের কোনো বিতর্ক থাকলে দলীয় ফোরামে আলোচনা করব। কিন্তু এরশাদের সিদ্ধান্তে বিরোধিতা করার সুযোগ নেই। কাউকে বাদ দিয়ে নয় সবাইকে নিয়ে দল করতে হবে বলে মন্তব্য করেন রাঙ্গা।

জাপা মহাসচিব বলেন, ‘আমি নির্বাচনের কয়েকদিন আগে দায়িত্ব পেয়েছি। প্রতিমন্ত্রী থাকা অবস্থায় একদিন হাজত খাটতে হয়েছে। হাজত মানে কারাগার নয়, ধরেন আমাকে বলা হলো এখানে বসে থাকতে হবে। এ রকম পরিস্থিতির মধ্যদিয়ে যেতে হয়েছে।’

প্রেসিডিয়াম সদস্য রেজাউল ইসলাম ভূইয়া বলেন, ‘জাপার নেতাকর্মীরা এরশাদের সিদ্ধান্তে ঐক্যবদ্ধ রয়েছে। আমার বিশ্বাস জীবিত এরশাদের চেয়ে মৃত এরশাদ বেশি শক্তিশালী হবে। সে কারণে অন্যকিছু ভাববার সুযোগ নেই।’

যুব সংহতির সভাপতি আলমগীর শিকদার লোটনের সভাপতির বক্তব্যে বলেন, ‘যারা পার্টির সাইনবোর্ড বিক্রি করেছে তাদেরকে চিহ্নিত করার সময় এসেছে। হঠাৎ এসে একটা লোক প্রেসিডিয়াম সদস্য হবে, হঠাৎ এমপি হবে এটা ঠেকাতে হবে।’

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, প্রেসিডিয়াম সদস্য হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, মাসুদা এম রশীদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান সরদার শাজাহান, উপদেষ্টা নাজমা আক্তার, যুগ্ম মহাসচিব হাসিবুল ইসলাম জয়, কেন্দ্রীয় নেতা সোলায়মার সানি প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন :

নারী ও শিশু অধিকার রক্ষায় বিএনপির নতুন সংগঠন

নারী ও শিশু অধিকার রক্ষায় বিএনপির নতুন সংগঠন
বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন

নারী ও শিশু অধিকার রক্ষায় নতুন একটি সংগঠন গঠন করেছে বিএনপি। ‘নারী ও শিশু অধিকার ফোরাম’ নামে নবগঠিত এ সংগঠনের আহ্বায়ক করা হয়েছে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমানকে।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) সকালে রাজধানীর নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সেলিমা রহমান বলেন, এটা একটি সামাজিক সংগঠন। বিএনপি গণতান্ত্রিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ রাজনৈতিক দল, সামাজিক অধঃপতনের অরাজক পরিস্থিতির সময় নির্বিকার বসে থাকতে পারে না। খুন-ধর্ষণের পৈশাচিক বিকৃতি আমাদের রাষ্ট্র ও সমাজকে গ্রাস করে ফেলেছে। সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে রাষ্ট্র ও সমাজের সর্বত্র ঘৃণা ছড়ানোর ফলে ক্ষমতাঘনিষ্ঠ সমাজবিরোধীরা আশকারা পাচ্ছে।

তিনি বলেন, দেশব্যাপী ধর্ষণ ও শিশু নির্যাতনের পরিস্থিতি জনমনে গভীর উৎকণ্ঠার জন্ম দিয়েছে। ধর্ষণ ও ধর্ষণ প্রচেষ্টার কারণে শিশু হত্যার ঘটনা এখন সংবাদপত্রের উল্লেখযোগ্য সংবাদ। অভিভাবকরা মেয়ে ও শিশু সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে রীতিমতো আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। আইনের প্রয়োগ নেই বলেই সমাজবিরোধীরা ধর্ষণ-নিপীড়নে উৎসাহিত হচ্ছে। আইনের শাসনের অভাবে মাদকের বিস্তার এবং মূল্যবোধের অবক্ষয়সহ বিভিন্ন কারণে নারী ও শিশু নির্যাতন বাড়ছে। আমরা মনে করি, এই কারণগুলো সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে মোকাবিলা করতে হবে।

নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য জানাতে সেলিমা রহমান বলেন, নারী ও শিশু অধিকার রক্ষার যাবতীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী এবং বেগবান করা; নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা; এই জনগোষ্ঠীর জীবন সামাজিক-অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে প্রতিবন্ধকতাপূর্ণ, এদের মধ্যে যারা ভিক্টিম হচ্ছে তাদের আইনগত ও চিকিৎসাগত সহায়তা দেয়ার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করা; বিশেষভাবে দুস্থ ভিক্টিমদের শারীরিক ও মানসিক চিকিৎসাসহ সম্ভাব্য আইনগত সহায়তা দেওয়া; ভিক্টিম নারী ও শিশুদের মানবাধিকার সমুন্নত রাখা; ‘নারীকে নির্যাতন করা অন্যায়’ এটি পরিবার থেকে শিশুকে শেখানো। এ সংগঠনের লক্ষ্য নারীর বর্তমান অবস্থা থেকে আরও বেশি ক্ষমতায়নে জনসচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দান; নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে সচেতন যুব সমাজকে সম্পৃক্ত করা; যেকোন গণমাধ্যমে আলাপচারিতা ও পারস্পরিক কথাবার্তায় যাতে নারীবিদ্বেষী বক্তব্য প্রচার না পায়, সেক্ষেত্রে কার্যকর উদ্যোগ গড়ে তোলা।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, সব পেশার মানুষ এ সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হতে পারেন। পরে তিনি সংগঠনের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন।

সংগঠনের উল্লেখযোগ্যরা হলেন—প্রধান উপদেষ্টা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, উপদেষ্টা: খন্দকার মাহবুব হোসেন, এ জে মোহাম্মদ আলী, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, জয়নুল আবেদীন, রুহুল কবির রিজভী। সদস্য সচিব: নিপুন রায়।

সদস্য: আজিজুল বারী হেলাল, আমিনুল হক, রাশেদা বেগম হিরা, মীর সরাফত আলী সপু, অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, আফরোজা আব্বাস, বেবী নাজনীন।

শুভ শক্তির উত্থান ঘটাতে হবে: ফখরুল

শুভ শক্তির উত্থান ঘটাতে হবে: ফখরুল
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, পুরনো ছবি

জন্মাষ্টমী উপলক্ষে হিন্দু ধর্মের সকল মানুষকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেছেন, ‘ভগবান শ্রীকৃষ্ণ পৃথিবীতে আবির্ভূত হয়ে জনসমাজে বিরাজমান অন্যায়কে পরাস্ত করে শান্তি ও কল্যাণ স্থাপন করেন। বাংলাদেশেও অশুভ শক্তিকে পরাভূত করে গণতন্ত্রের শুভ শক্তির উত্থান ঘটাতে হবে।’

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষদের আরাধ্য ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিন, শুভ জন্মাষ্টমী অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। সকল ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসবের মূলবাণী, মানুষে-মানুষে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও শুভেচ্ছাবোধ। সকল কালে, যুগে বিভিন্ন ধর্মের প্রবক্তাগণ মানুষকে সত্য, ন্যায় ও কল্যানের পথে চালিত হওয়ার উপদেশ দিয়েছেন। ভগবান শ্রীকৃষ্ণও একই উদ্দেশ্যে পৃথিবীতে আবির্ভূত হয়ে জনসমাজে বিরাজমান অন্যায়কে পরাস্ত করে শান্তি ও কল্যাণ স্থাপন করেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ ঐতিহ্যগতভাবে ধর্মীয় সম্প্রীতির দেশ হিসেবে সকল ধর্মের মানুষের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনে বিশ্বাসী।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র