Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

২০ দলীয় জোট ছাড়লো পার্থের বিজেপি

২০ দলীয় জোট ছাড়লো পার্থের বিজেপি
আন্দালিব রহমান পার্থ, ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ ২০ দলীয় জোট থেকে বের হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। সোমবার (৬ মে) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজেপি মহাসচিব আবদুল মতিন সাউদও বার্তা২৪.কমকে জোট ছাড়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বার্তা২৪.কমকে তিনি বলেন, বিএনপি আমাদের অবমূল্যায়ন করেছে। এছাড়া তারা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে আমাদের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। তাই আমরা জোট ছাড়ছি।

আবদুল মতিন সাউদ বলেন, আমরা বিএনপি থেকে অবজ্ঞা অবহেলার শিকার হয়েছি। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল বর্জন করার পর তারা সংসদে যোগ দিয়েছে। অথচ বলে আসছে যে, তারা সংসদে যাবে না। এ বিষয়ে তারা আমাদের কিছু বলেওনি। ২০ দলের সঙ্গে কোনো আলোচনাই করেনি।

নতুন কোনো জোটে তারা যাবেন কি-না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘না, আমরা কোনো জোটে যাচ্ছি না।’

গণমাধ্যমে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিজেপি ১৯৯৯ সাল থেকে চার দলীয় জোটে এবং পরবর্তীতে ২০ দলীয় জোটে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠিত হওয়ার পর থেকে ২০ দলীয় জোটের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ক্রমশই স্থবির হয়ে পড়ে। ঐক্যফ্রন্টমুখী হওয়ায় ২০১৮ সালে ৩০ ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনের আগে এবং পরবর্তীতে সরকারের সঙ্গে সংলাপসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে ২০ দলীয় জোটের বিএনপি ছাড়া অন্য কোনো দলের সম্পৃক্ততা ছিল না। কেবল সংহতি ও সহমত পোষণের জন্য ২০ দলীয় জোটের সভা ডাকা হতো। ৩০ ডিসেম্বরের প্রহসন ও ভোট ডাকাতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার পর ২০ দলীয় জোটের সবার সম্মতিক্রমে এ নির্বাচনকে প্রত্যাখান করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে প্রথমে ঐক্যফ্রন্টের দু’জন এবং পরে বিএনপির সম্মতিতে দলটির চারজন সংসদ সদস্য শপথ নেওয়ায় বিজেপিও হতবাক হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, শপথ নেওয়ার এ সিদ্ধান্তের সঙ্গে বিএনপি ছাড়া ২০ দলের অন্য কোনো দলের সম্পৃক্ততা নেই। বিজেপির ধারণা, এ শপথের মাধ্যমে বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্ট ৩০ ডিসেম্বরের প্রহসনের নির্বাচনকে প্রত্যাখান করার নৈতিক অধিকার হারিয়েছে। এ অবস্থায় ২০ দলীয় জোটের বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে বিজেপি ২০ দলীয় জোটের সব রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে বেরিয়ে আসছে।

আপনার মতামত লিখুন :

খালেদার মুক্তির ব্যাপারে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যাবে বিএনপি

খালেদার মুক্তির ব্যাপারে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যাবে বিএনপি
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির ব্যাপারে আন্তর্জাতিকভাবে পদক্ষেপ নেওয়ার দলগত সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শনিবার (১৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয় গুলশানে স্থায়ী কমিটির সদস্যরা বৈঠক করেন। বৈঠতে স্কাইপে যুক্ত ছিলেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মির্জা ফখরুল বলেন, ঈদের আগে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার যে জামিনের বিষয়টা এসছিল হাইকোর্টে, সেখানে একটা নেতিবাচক আদেশ হওয়ার পর থেকেই আমাদের ধারণা দৃঢ় হয়েছে যে, বিচার বিভাগ স্বাভাবিক বা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে না। সরকার বিচার ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করছে। সে ক্ষেত্রে আইনিভাবে এটা অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে যে, আমরা ন্যায়বিচার পাব কিনা!

তিনি বলেন, আমরা খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যগত ব্যাপারে এবং তার মুক্তির বিষয়ে আন্তর্জাতিকভাবে পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যেসব গণতান্ত্রিক দেশ আছে, আমরা তাদের অবহিত করব এবং অন্যায়ভাবে যে খালেদা জিয়াকে আটক করে রাখা হয়েছে—সে বিষয়টা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেব।

কোরবানির পশুর চামড়ার দামে ব্যাপক ধস নামা প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, সরকারের চরম উদাসীনতা ও ব্যর্থতায় এ রকম হয়েছে।

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে এখনও বিদেশ থেকে ওষুধ আসেনি দাবি করে রোগীদের বিনা খরচে চিকিৎসার ব্যবস্থার দাবি জানান মির্জা ফখরুল।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সেলিমা রহমান ইকবাল ও হাসান মাহমুদ টুকু।

বস্তির মানুষগুলো নিঃস্ব হয়ে গেল: মির্জা ফখরুল

বস্তির মানুষগুলো নিঃস্ব হয়ে গেল: মির্জা ফখরুল
ঝিলপাড় বস্তি পরিদর্শনে যান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

মিরপুরে বস্তির আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত গরিব মানুষগুলো একেবারে নিঃস্ব হয়ে গেল বলে দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন তিনি।

শনিবার (১৭ আগস্ট) ‍দুপুরে পুড়ে যাওয়া ঝিলপাড় বস্তি পরিদর্শন করতে যান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আওয়াল।

তিনি বলেন, বস্তির গরিব মানুষগুলো একেবারেই নিঃস্ব হয়ে গেল! এমন নিদারুণ ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। আমরা আমাদের নেত্রী খালেদা জিয়ার পক্ষে এ ঘটনায় সমবেদনা জানাচ্ছি।

ক্ষতিগ্রস্ত বস্তিবাসীর উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের সীমিত শক্তি ও সামর্থ্যের মধ্যে আমরা আপনাদের পাশে দাঁড়াব।

বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, রাজধানীতে বছরের শুরু থেকে কেন একের পর এক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে? আমি জানি না বস্তি সরিয়ে দেওয়ার জন্য অগ্নিকাণ্ড ঘটানো হয়েছে কিনা। এজন্য নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানাই। সেই সঙ্গে কর্তৃপক্ষকে আগুনের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, কেন বারবার আগুন লাগছে? এই মিরপুরে কালশিতে ভয়াবহ আগ্নিকাণ্ড হলো। মানুষ মরল, দগ্ধ হলো। এর আগেও আগুন লেগেছে। এগুলোর সঠিক কারণ বের করা দরকার।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, বস্তিগুলোতে যে বারবার আগুন লাগে তার পেছনে কোন না কোন কারণ থাকে। আমি বলছি না কোন উদ্দেশে বস্তিতে আগুন লাগানো হয়েছে। এটা মানুষের মধ্যে সন্দেহের তৈরি করে, তাই এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত।

শুক্রবার (১৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় ঝিলপাড় বস্তিতে আগুন লাগে। ৩ ঘণ্টা ধরে চলা আগুনের লেলিহান শিখায় বস্তির প্রায় ৩ হাজার ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র