Barta24

শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬

English

কেন জাপায় প্রেসিডিয়াম সদস্য বাড়াতে হচ্ছে

কেন জাপায় প্রেসিডিয়াম সদস্য বাড়াতে হচ্ছে
ছবি: সংগৃহীত
সেরাজুল ইসলাম সিরাজ
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় পার্টির (জাপা) গঠনতন্ত্রে প্রেসিডিয়াম সদস্য থাকার কথা ৪১ জন। সম্প্রতি কয়েকজনকে পদোন্নতি দেওয়ায় এখন এই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৪-তে। নতুন করে আরও কয়েকজনের নাম শোনা যাচ্ছে পদোন্নতির তালিকায়।

জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের কাছে প্রশ্ন ছিল, এতে গঠনতান্ত্রিক কোনো সংকট তৈরি হবে কি না? জবাবে বার্তা২৪.কমকে জিএম কাদের বলেছেন, এজিএম করে গঠনতন্ত্র সংশোধন করা হবে। প্রয়োজনে ইজিএম করে গঠনতন্ত্রে সংশোধনী আনা হবে।

সদস্য সংখ্যা কেন বাড়ানো হচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, আমাদের প্রেসিডিয়ামে অনেকে রয়েছেন যারা নিষ্ক্রিয়। সে বিষয়গুলো আমরা দেখছি। এতে জটিলতা হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/11/1557575461293.jpg

গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কাউন্সিলের পর ৪১ জন সদস্য দিয়ে প্রেসিডিয়াম সভা চূড়ান্ত করা হয়। বিগত নির্বাচনের আগে পরে মোট পাঁচজনকে পদোন্নতি দেওয়া হয়। এরা হলেন এক-এগারোর অন্যতম কুশীলব মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী, রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, ব্যবসায়ী (আরডি মিল্কের মালিক) ফকর উজ জামান জাহাঙ্গীর, অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূইয়া ও ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান।

হঠাৎ করেই ৯ মে একসঙ্গে আটজনকে প্রেসিডিয়াম সদস্য ঘোষণা করা হয়। এতে সদস্য সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় ৫৪-তে। এর মধ্যে একজন প্রেসিডিয়াম সদস্য (এমএ হান্নান) যুদ্ধাপরাধের দায়ে হাজতবাস করছেন।

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়ামের সদস্য সংখ্যা ১৬, বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে রয়েছেন ১৯ জন। সেখানে তুলনামূলক ছোটো দল জাতীয় পার্টির ৪১ সদস্যের প্রেসিডিয়াম নিয়েই রয়েছে ব্যাপক সমালোচনা। নতুন করে আরও আটজনকে প্রেসিডিয়াম সদস্য করায় মুখরোচক আলোচনা তৈরি হয়েছে।

একই সঙ্গে দলের মধ্যে দেখা দিয়েছে চরম অসন্তোষ। এরই মধ্যে সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিবসহ তিনজন সাবেক ছাত্রনেতা পদত্যাগ করেছেন। অসন্তোষ ঠেকাতে নতুন করে আরও কয়েকজনকে প্রেসিডিয়াম সদস্য করার জোর গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।

কিন্তু কেন এই উদ্যোগ? এ বিষয়ে সিনিয়র নেতারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, পার্টির মধ্যে একটি ঠাণ্ডা গ্রুপিং বিদ্যমান। বিশেষ করে প্রেসিডিয়ামের সদস্যরা অনেকেই জিএম কাদেরের বিপক্ষে। সে কারণে সদস্য সংখ্যা বাড়িয়ে সমতা রক্ষার চেষ্টা চলছে। কিন্তু এতে হিতের বিপরীত হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন :

নারী ও শিশু অধিকার রক্ষায় বিএনপির নতুন সংগঠন

নারী ও শিশু অধিকার রক্ষায় বিএনপির নতুন সংগঠন
বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন

নারী ও শিশু অধিকার রক্ষায় নতুন একটি সংগঠন গঠন করেছে বিএনপি। ‘নারী ও শিশু অধিকার ফোরাম’ নামে নবগঠিত এ সংগঠনের আহ্বায়ক করা হয়েছে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমানকে।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) সকালে রাজধানীর নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সেলিমা রহমান বলেন, এটা একটি সামাজিক সংগঠন। বিএনপি গণতান্ত্রিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ রাজনৈতিক দল, সামাজিক অধঃপতনের অরাজক পরিস্থিতির সময় নির্বিকার বসে থাকতে পারে না। খুন-ধর্ষণের পৈশাচিক বিকৃতি আমাদের রাষ্ট্র ও সমাজকে গ্রাস করে ফেলেছে। সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে রাষ্ট্র ও সমাজের সর্বত্র ঘৃণা ছড়ানোর ফলে ক্ষমতাঘনিষ্ঠ সমাজবিরোধীরা আশকারা পাচ্ছে।

তিনি বলেন, দেশব্যাপী ধর্ষণ ও শিশু নির্যাতনের পরিস্থিতি জনমনে গভীর উৎকণ্ঠার জন্ম দিয়েছে। ধর্ষণ ও ধর্ষণ প্রচেষ্টার কারণে শিশু হত্যার ঘটনা এখন সংবাদপত্রের উল্লেখযোগ্য সংবাদ। অভিভাবকরা মেয়ে ও শিশু সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে রীতিমতো আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। আইনের প্রয়োগ নেই বলেই সমাজবিরোধীরা ধর্ষণ-নিপীড়নে উৎসাহিত হচ্ছে। আইনের শাসনের অভাবে মাদকের বিস্তার এবং মূল্যবোধের অবক্ষয়সহ বিভিন্ন কারণে নারী ও শিশু নির্যাতন বাড়ছে। আমরা মনে করি, এই কারণগুলো সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে মোকাবিলা করতে হবে।

নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য জানাতে সেলিমা রহমান বলেন, নারী ও শিশু অধিকার রক্ষার যাবতীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী এবং বেগবান করা; নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা; এই জনগোষ্ঠীর জীবন সামাজিক-অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে প্রতিবন্ধকতাপূর্ণ, এদের মধ্যে যারা ভিক্টিম হচ্ছে তাদের আইনগত ও চিকিৎসাগত সহায়তা দেয়ার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করা; বিশেষভাবে দুস্থ ভিক্টিমদের শারীরিক ও মানসিক চিকিৎসাসহ সম্ভাব্য আইনগত সহায়তা দেওয়া; ভিক্টিম নারী ও শিশুদের মানবাধিকার সমুন্নত রাখা; ‘নারীকে নির্যাতন করা অন্যায়’ এটি পরিবার থেকে শিশুকে শেখানো। এ সংগঠনের লক্ষ্য নারীর বর্তমান অবস্থা থেকে আরও বেশি ক্ষমতায়নে জনসচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দান; নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে সচেতন যুব সমাজকে সম্পৃক্ত করা; যেকোন গণমাধ্যমে আলাপচারিতা ও পারস্পরিক কথাবার্তায় যাতে নারীবিদ্বেষী বক্তব্য প্রচার না পায়, সেক্ষেত্রে কার্যকর উদ্যোগ গড়ে তোলা।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, সব পেশার মানুষ এ সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হতে পারেন। পরে তিনি সংগঠনের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন।

সংগঠনের উল্লেখযোগ্যরা হলেন—প্রধান উপদেষ্টা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, উপদেষ্টা: খন্দকার মাহবুব হোসেন, এ জে মোহাম্মদ আলী, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, জয়নুল আবেদীন, রুহুল কবির রিজভী। সদস্য সচিব: নিপুন রায়।

সদস্য: আজিজুল বারী হেলাল, আমিনুল হক, রাশেদা বেগম হিরা, মীর সরাফত আলী সপু, অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, আফরোজা আব্বাস, বেবী নাজনীন।

শুভ শক্তির উত্থান ঘটাতে হবে: ফখরুল

শুভ শক্তির উত্থান ঘটাতে হবে: ফখরুল
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, পুরনো ছবি

জন্মাষ্টমী উপলক্ষে হিন্দু ধর্মের সকল মানুষকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেছেন, ‘ভগবান শ্রীকৃষ্ণ পৃথিবীতে আবির্ভূত হয়ে জনসমাজে বিরাজমান অন্যায়কে পরাস্ত করে শান্তি ও কল্যাণ স্থাপন করেন। বাংলাদেশেও অশুভ শক্তিকে পরাভূত করে গণতন্ত্রের শুভ শক্তির উত্থান ঘটাতে হবে।’

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষদের আরাধ্য ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিন, শুভ জন্মাষ্টমী অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। সকল ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসবের মূলবাণী, মানুষে-মানুষে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও শুভেচ্ছাবোধ। সকল কালে, যুগে বিভিন্ন ধর্মের প্রবক্তাগণ মানুষকে সত্য, ন্যায় ও কল্যানের পথে চালিত হওয়ার উপদেশ দিয়েছেন। ভগবান শ্রীকৃষ্ণও একই উদ্দেশ্যে পৃথিবীতে আবির্ভূত হয়ে জনসমাজে বিরাজমান অন্যায়কে পরাস্ত করে শান্তি ও কল্যাণ স্থাপন করেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ ঐতিহ্যগতভাবে ধর্মীয় সম্প্রীতির দেশ হিসেবে সকল ধর্মের মানুষের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনে বিশ্বাসী।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র