Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

কূটনীতিকদের সঙ্গে বিএনপির ইফতার

কূটনীতিকদের সঙ্গে বিএনপির ইফতার
ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশে কর্মরত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সঙ্গে ইফতার করেছেন বিএনপির নেতারা।

মঙ্গলবার (১৪ মে) রাজধানীর গুলশানের ওয়েস্টিন হোটেলে এ ইফতার ও দোয়া মহফিল আয়োজন করা হয়। ইফতার পার্টিতে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও হাইকমিশনারা অংশ নেন।

ইফতার পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন- আমেরিকার রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার, ভারতের হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলী দাস, ফার্স্ট সেক্রেটারি (রাজনৈতিক) রাজেস উইক, ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত মেরি অ্যানিক বোরডিন, অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনার জুলিয়া নিবলেট, যুক্তরাজ্যের ডেপুটি চীফ মিশন জোয়েল রিফম্যান, কানাডার হাইকমিশনার বেনোয়েট প্রেফনটেন, পালিটিক্যাল কাউন্সিলর বেরি ব্রিস্টম্যান, চীনের রাষ্ট্রদূত ঝেং ঝু, ডেপুটি হেড অব মিশন চেন উই, জাপানের রাষ্ট্রদূত হিরোইয়াসু ইজুমি, তুরস্কের রাষ্ট্রদূত দামরিম ওজতুর্ক, পাকিস্তানের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার শাহ ফয়সাল কাকার, নরওয়ের রাষ্ট্রদূত সিডসেল ব্লেকেন, আফগানিস্তানের রাষ্ট্রদূত আবদুর রহিম ওরাজ, ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সিপ্পু, রেডক্রসের হেড অব ডেলিগেশন ইফতিয়ার আসানালব, ইউইইউর চার্জ দ্য এ্যাফেয়ার্স কংস্টামসন বার্ডাকিস প্রমুখ।

কূটনীতিকদের সঙ্গে বিএনপির ইফতার

এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাজ্য, কাতার, লিবিয়া, শ্রীলঙ্কা, রাশিয়া, সুইডেন, ডেনমার্ক, ভুটান, নেদারল্যান্ড, ইরান, ভিয়েতনাম ও সুইজারল্যান্ডের প্রতিনিধিরা ইফতারে যোগ দেন।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কারাবন্দী থাকায় ইফতার মাহফিলে আগত অতিথিদের অভ্যর্থনা জানান দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এছাড়া গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, অর্থনীতিবিদ মাহবুব উল্লাহ, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সালেহ উদ্দিন আহমেদ, ঢাবির অধ্যাপক আসিফ নজরুল, জাবির অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী, শাহদীন মালিক, ড. বোরহান উদ্দিন, সিনিয়র সাংবাদিক রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ, মতিউর রহমান চৌধুরী, শ্যামল দত্ত, তৌফিক ইমরোজ খালিদী, সাইফুল আলম, আবু তাহের।

আমন্ত্রিত অতিথিরা সংরক্ষিত আসনে বসার পর উপস্থিত বিএনপির নেতারা সবার সঙ্গে কুশলবিনিময় করেন।

বিএনপির নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, সেলিমা রহমান, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, এ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, আবদুল আউয়াল মিন্টু, মীর মোহাম্মদ নাসির, শওকত মাহমুদ, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এজে মোহাম্মদ আলী, রিয়াজ রহমান, এনামুল হক চৌধুরী ও গোলাম আকবর খন্দকার। বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আওয়াল, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাসুদ আহম্মেদ তালুকদার প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন :

আ’লীগ অতীতের চেয়ে বেশি ঐক্যবদ্ধ: হানিফ

আ’লীগ অতীতের চেয়ে বেশি ঐক্যবদ্ধ: হানিফ
আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

আওয়ামী লীগ অতীতের চেয়ে বেশি ঐক্যবদ্ধ বলে দাবি করেছেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ।

তিনি বলেছেন, ‘ওয়ান ইলেভেনের সময় আওয়ামী লীগের মধ্যে বিভক্তি ছিল। এখন দলের মধ্যে সে ধরনের কোনো সমস্যা নেই। আওয়ামী লীগ অতীতের চেয়ে যেমন বেশি ঐক্যবদ্ধ, তেমনি দলের তৃনমূলও শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে।’

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার কারান্তরীণ দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

হানিফ ব‌লেন, ‘ষড়যন্ত্রকে মোকাবিলা করে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। তাই বিএনপি জামাত থেকে আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে। তারা যতই ষড়যন্ত্র করুক না কেন, তা মোকাবিলা করার শক্তি আমাদের আছে।’

বিএনপির জন্যই দেশে ওয়ান ইলেভেন সৃষ্টি হয়েছিল দাবি করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘কারণ তারা কোনোভাবে একবার ক্ষমতায় গেলে আর ছাড়তে চায় না।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি ১৯৯১ সালে ক্ষমতায় এসে জোর করে ১৯৯৬ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারি ভোটারবিহীন নির্বাচন করেছিল। কিন্তু গণ আন্দোলনের মুখে তাদের ক্ষমতা ছাড়তে হয়েছিল।

নিজেদের অপকর্মের জন্য বিএনপি থেকে জনগণ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে উল্লেখ হানিফ ব‌লেন, ‘২০০৪ সালের নির্বাচনে জনগণ আপনাদের আস্তাকুড়ে নিক্ষেপ করেছিল। কারণ ক্ষমতায় থেকেও জনগণের কিছু করেন নাই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার যাতে না হয় অনেক ষড়যন্ত্র করেছেন। বিচার বানচালের চেষ্টা করেছেন।’

কুমিল্লার আদালতে বিচারকের সামনে ছুরিকাঘাত করে হত্যার বিষয়ে বিএনপির নেতাদের বক্তব্যের জবাবে হানিফ বলেন, ‘এটা একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। বিএনপির এ ধরনের মন্তব্য দেওয়ার আগে আয়নায় নিজেদের মুখ দেখা উচিত। কারণ, গাজীপুরের আদালতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের সময় বোমা হামলা করে এজলাসে বিচারক ও আইনজীবীদের হত্যার কথা দেশের মানুষ ভুলে যায়নি। সিলেটে ব্রিটিশ হাই কমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর হামলার ঘটনার কথাও দেশের মানুষ জানে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসনাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন ও কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী সংসদের সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম।

সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং শিক্ষা উপ-মন্ত্রী মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এমপি এবং বিশেষ বক্তা হিসেবে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ বক্তব্য দেন।

উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে সুধাসদন থেকে গ্রেফতার করেছিল। দিবসটিকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা দলীয় সভাপতির কারান্তরীণ দিবস হিসেবে পালন করে।

রংপুরে এরশাদের দাফনের সম্মতি দিয়ে যা বললেন রওশন

রংপুরে এরশাদের দাফনের সম্মতি দিয়ে যা বললেন রওশন
হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ও রওশন এরশাদ

রংপুরে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের দাফনের সম্মতি জানিয়ে রওশন এরশাদ বলেছেন, ‘বৃহত্তর রংপুরবাসীর অভূতপুর্ব আবেগে আমি আজীবন কৃতজ্ঞ ও চিরঋণী হয়ে রইলাম।’

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দুপুরে এক বিবৃতিতে এমন মন্তব্য করেছেন এরশাদের সহধর্মিনী জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান ও সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা রওশন এরশাদ।

এরশাদের দাফন প্রশ্নে রংপুরবাসীর আবেগকে সম্মান জানিয়ে তিনি রংপুরে দাফনের অনুমতি দেন। তিনি পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের ও মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গার সঙ্গে ফোনে কথা বলে তার সম্মতির কথা জানান।

বিবৃতিতে রওশন বলেছেন, ‘তাঁর (এরশাদ) মৃত্যুতে আপনারা যে অভাবনীয় শ্রদ্ধা, সম্মান ও সহানুভুতি প্রকাশ করেছেন। তার জন্য আমি জানাচ্ছি  আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।’

‘প্রিয় দেশবাসী, বিশেষত তাঁর প্রাণপ্রিয় রংপুবাসীর আবেগ ও ভালোবাসায় সম্মানার্থে তাকে রংপুরের মাটিতে সমাধিস্থ করার বিষয়ে আমি ও আমার পরিবার সম্মতি প্রদান করছি।’

মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রওশন এরশাদ।

সেই সঙ্গে পল্লী নিবাসে এরশাদের কবরের পাশে নিজের জন্য জায়গা রাখারও আবেদন জানিয়েছেন রওশন এরশাদ।

আরও পড়ুন: রংপুরেই এরশাদের দাফন, সম্মত রওশন

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র