Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে গেলেন মির্জা ফখরুল

চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে গেলেন মির্জা ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, পুরনো ছবি
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন।

বুধবার (১৫ মে) সকাল ১১টা ২০ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে তিনি ঢাকা ছাড়েন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, মির্জা ফখরুলের সঙ্গে তার স্ত্রী রাহাত আরা বেগমও রয়েছেন। এসময় বিমানবন্দরে মহাসচিবকে বিদায় জানান বিএনপির সহশ্রমিক বিষয়ক সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ।

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে হৃদরোগের চিকিৎসা নেবেন মির্জা ফখরুল। সেখানে একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের এপয়েন্টমেন্টও নেওয়া হয়েছে। আগামী ২০ মে তার দেশে ফেরার কথা। হৃদরোগ ছাড়াও ঘাড়ে ইন্টারনাল ক্যারোটিভ আর্টারিতে জটিলতা রয়েছে তার।

এর আগে গত বছরের ৩ জুন হৃদরোগের চিকিৎসার জন্য ব্যাংককে গিয়েছিলেন ফখরুল।


 

আপনার মতামত লিখুন :

রংপুরে এরশাদের দাফনের সম্মতি দিয়ে যা বললেন রওশন

রংপুরে এরশাদের দাফনের সম্মতি দিয়ে যা বললেন রওশন
হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ও রওশন এরশাদ

রংপুরে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের দাফনের সম্মতি জানিয়ে রওশন এরশাদ বলেছেন, ‘বৃহত্তর রংপুরবাসীর অভূতপুর্ব আবেগে আমি আজীবন কৃতজ্ঞ ও চিরঋণী হয়ে রইলাম।’

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দুপুরে এক বিবৃতিতে এমন মন্তব্য করেছেন এরশাদের সহধর্মিনী জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান ও সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা রওশন এরশাদ।

এরশাদের দাফন প্রশ্নে রংপুরবাসীর আবেগকে সম্মান জানিয়ে তিনি রংপুরে দাফনের অনুমতি দেন। তিনি পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের ও মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গার সঙ্গে ফোনে কথা বলে তার সম্মতির কথা জানান।

বিবৃতিতে রওশন বলেছেন, ‘তাঁর (এরশাদ) মৃত্যুতে আপনারা যে অভাবনীয় শ্রদ্ধা, সম্মান ও সহানুভুতি প্রকাশ করেছেন। তার জন্য আমি জানাচ্ছি  আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।’

‘প্রিয় দেশবাসী, বিশেষত তাঁর প্রাণপ্রিয় রংপুবাসীর আবেগ ও ভালোবাসায় সম্মানার্থে তাকে রংপুরের মাটিতে সমাধিস্থ করার বিষয়ে আমি ও আমার পরিবার সম্মতি প্রদান করছি।’

মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রওশন এরশাদ।

সেই সঙ্গে পল্লী নিবাসে এরশাদের কবরের পাশে নিজের জন্য জায়গা রাখারও আবেদন জানিয়েছেন রওশন এরশাদ।

আরও পড়ুন: রংপুরেই এরশাদের দাফন, সম্মত রওশন

 

রংপুরেই এরশাদের দাফন, সম্মত রওশন

রংপুরেই এরশাদের দাফন, সম্মত রওশন
এরশাদের মরদেহে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা

রংপুরের মানুষের ভালোবাসায় শ্রদ্ধা রেখে রংপুরেই হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে দাফন করার অনুমতি দিয়েছেন তার স্ত্রী রওশন এরশাদ। শুধু তাই নয়, পাশে নিজের জন্যও কবরের জায়গা রাখার অনুরোধ করেছেন তিনি।

রংপুরে এরশাদের দাফনের সম্মতি জানিয়ে রওশন এরশাদ বলেছেন, বৃহত্তর রংপুরবাসীর অভূতপূর্ব আবেগে আমি আজীবন কৃতজ্ঞ ও চিরঋণী হয়ে রইলাম।

এ সংক্রান্ত এক বিবৃতিতে রওশন বলেন, “তার মৃত্যুতে আপনারা যে অভাবনীয় শ্রদ্ধা, সম্মান ও সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন তার জন্য আমি জানাচ্ছি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।

প্রিয় দেশবাসী, বিশেষত তার প্রাণপ্রিয় রংপুবাসীর আবেগ ও ভালোবাসায় সম্মানার্থে তাকে রংপুরের মাটিতে সমাধিস্থ করার বিষয়ে আমি ও আমার পরিবার সম্মতি প্রদান করছি।”

রওশন এরশাদের সম্মতির ফলে সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের দাফন নিয়ে যে বিভ্রান্তির সৃষ্টির হয়েছিল তার অবসান হলো।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563270977625.jpg
জাতীয় পার্টির সারাদেশের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের প্রথম চাওয়া ছিল এরশাদের মরদেহ ঢাকায় দাফন করার। তবে সেটা হতে হবে উন্মুক্ত স্থানে। যেখানে মসজিদ-মাদ্রাসা নিয়ে কমপ্লেক্স থাকবে। কিন্তু এরশাদের মৃত্যূর পর যখন সামরিক কবরস্থানে দাফনের ঘোষণা দেওয়া হয় তখন অনেকেই বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।

অন্যদিকে রংপুরে দাফনের বিষয়ে সারা দেশের তৃণমূলের নেতাকর্মীরা মৌন সমর্থন দেন। বিশেষত রংপুর, রাজশাহীসহ উত্তরের নেতাকর্মীরা যেকোন মূল্যে প্রিয় নেতাকে রংপুরে চিরশায়িত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন।

জাতীয় পার্টি তৃণমূল নেতাকর্মীদের যুক্তি ছিল— সামরিক কবরস্থানে দাফন করলে সেখানে যখন তখন যেতে পারবেন না নেতাকর্মীরা। তার চেয়ে রংপুর দাফন করলে নেতার সমাধিতে সহজেই যেতে পারবেন।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দুপুরে রংপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের চতুর্থ জানাজা সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে সম্পন্ন হয়। জানাজা পড়ান রংপুর জামে মসজিদের খতিব মাওলানা হাফেজ ইদ্রিস আলী।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563268819443.jpg
জানাজায় অংশ নেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের, এরশাদ পুত্র রাহগির আল মাহি সাদ এরশাদ, জাতীয় পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা, সাবেক মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, প্রেসিডিয়াম সদস্য আবু হোসেন বাবলা, মেজর (অব.) খালেদ আখতার, আজম খান, তাজ রহমান ও শফিকুল ইসলাম সেন্টু।

এছাড়াও জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য, রংপুর মহানগরের সভাপতি ও রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা সরকারসহ রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী জানাজায় অংশ নেন।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563271740206.jpg
জানাজার আগে দলের মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা এরশাদের জীবনী তুলে ধরেন। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেন, বাংলাদেশের মানুষের জন্য তার বিপুল অবদান। ইসলামের জন্য তিনি অনেক কাজ করেছেন। মানুষ হিসেবে কথা ও কাজে ভুলত্রুটি থাকতে পারে। আমি এরশাদের ভাই হিসেবে ক্ষমা চাই। দোয়া চাই। তাকে সবাই ক্ষমা করে দেবেন। তাকে যেন আল্লাহ জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন।

জানাজা শেষে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মরদেহ তার রংপুরের বাসভবন পল্লী নিবাসে নেওয়া হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র