Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বিতর্ক অবসানে ২৪ ঘণ্টা সময় নিল শোভন-রাব্বানী

বিতর্ক অবসানে ২৪ ঘণ্টা সময় নিল শোভন-রাব্বানী
সংবাদ সম্মেলন, ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ছাত্রলীগের সদ্য ঘোষিত পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে পদপ্রাপ্ত ১৭ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ পেয়েছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। অভিযোগের সত্যতা যাচাই বাছাই করতে ২৪ ঘণ্টা সময় চেয়েছে ছাত্রলীগ সভাপতি শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী।

বৃহস্পতিবার (১৬ মে) দিবাগত রাত ১২টায় রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তারা এসব কথা বলেন।

গোলাম রাব্বানী বলেন, 'ছাত্রলীগের ঘোষিত কমিটির ১৭ জনের বিরুদ্ধে গঠনতন্ত্র বিরোধী অভিযোগ পাওয়া গেছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যাচাই বাছাই করে চূড়ান্ত করা হবে। যদি তারা অভিযোগ থেকে মুক্তি পান তাহলে তাদের পদ থাকবে। অন্যথায় তাদের পদগুলো শূন্য ঘোষণা করে যোগ্যদের সেখানে স্থান দেওয়া হবে।'

১৭ অভিযুক্তদের নাম ঘোষণা করেন গোলাম রব্বানী। ১৭ জন হলেন, তানজীল ভুইয়া তানভীর, আরেফিন সিদ্দিকি সুজন, সুরঞ্জন ঘোষ, আতিকুর রহমান খান, বরকত হোসেন হাওলাদার, শাহরিয়ার হোসেন বিদ্যুৎ, মাহমুদুল হাসান তুষার, আমিনুল ইসলাম বুলবুল, আহসান হাবীব, সাদিক খান, তৌফিক হাসান সাগর, সোহানী হাসান তিথি, রুশি চৌধুরী, মুনমুন চৌধুরী, আফরিন লাবণী, মুনমুন নাহার বৈশাখী।

তিনি আরো বলেন, 'কমিটি গঠনে বিলম্ব হয়েছে কারণ সদ্য সাবেক প্রেসিডেন্ট-সেক্রেটারী আমাদের সহযোগিতা করেনি। যেটা ছাত্রলীগের কমিটি গঠনে আওয়ামী লীগের দায়িত্বপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের জাতীয় নেতারাও জানে।' 

ছাত্রলীগের শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজ যারা করেছে তাদের বহিষ্কার করা হবে জানিয় সভাপতি শোভন বলেন, 'ছাত্রলীগের কমিটি হওয়ার পর একটি মহল বিভিন্ন মাধ্যমের যে ধরনের আক্রমণাত্নক ভাষায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে তা সংগঠনের শৃঙ্খলা পরিপন্থী। ক্ষোভ প্রকাশের জন্য দলীয় ফোরাম রয়েছে। যারা শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তাদেরকেও খুঁজে বের করে বহিষ্কার করা হবে।'

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস, সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনসহ আরো অনেকে।

আপনার মতামত লিখুন :

রংপুরের উদ্দেশে এরশাদের মরদেহ

রংপুরের উদ্দেশে এরশাদের মরদেহ
এরশাদের মরদেহ বাহী হেলিকপ্টার/ছবি: সুমন শেখ

সকাল ১০ টা ৪০ মিনিটে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মরদেহবাহী হেলিকপ্টার রংপুরের উদ্দেশে রওনা করেছে। বেলা ১১টা রংপুর সেনানিবাসে হেলিকপ্টার অবতরণ করবে। সেখান থেকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত লাশবাহী গাড়িতে করে সোজা জানাজা স্থল রংপুর ঈদগাহ মাঠে নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে এমন তথ্য নিশ্চিত করেছেন রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা।

তিনি জানান, গাড়িতেই থাকবে মরদেহ, কাচের ঢাকনার ওপর দিয়ে এক নজর দেখার ব্যবস্থা করা হবে। বাদ জোহর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563252484259.jpg

দাফনের বিষয়ে সর্বশেষ সিদ্ধান্ত কী জানতে চাইলে ১৬ জুলাই সকালে রংপুর সিটি করপোরেশন (রসিক) মেয়র বলেন, ‘আমরা চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি রংপুরে দাফন করার জন্য। শরীরে এক বিন্দু রক্ত থাকা পর্যন্ত স্যারের মরদেহ রংপুর থেকে নিতে দেওয়া হবে না।’

আপনাদের এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়েছে কী। এমন প্রশ্নের জবাবে মেয়র বলেন, ‘হ্যাঁ গতরাতে (১৫ জুলাই) ফোনে কথা হয়েছে। তখন উনি আমাকে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন। আমি তাকে সাফ জানিয়ে দিয়েছি বিষয়টি আমার একার সিদ্ধান্ত নয়, রংপুরের ৮ জেলার নেতাদের সিদ্ধান্ত।’

`আমরা বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি একা এই সিদ্ধান্তের বাইরে যেতে পারব না। আমরা রংপুরেই দাফন করব। বাধা এলে আমারও প্রস্তুত আছি।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563252497236.jpg

রংপুর মহানগর জাতীয় পার্টির সেক্রেটারি এসএম ইয়াসির বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ জীবিত থাকা অবস্থায় এক সফরে নিজেই রংপুর দাফন করার বিষয়ে ওসিয়ত করে গেছেন। আমরা সেটাই পালন করছি। একটি গ্রুপ লাশ নিয়ে রাজনীতি করতে চায়, আমরা সেটা হতে দিতে পারি না।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563252646631.jpg

জাতীয় পার্টির সারাদেশের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের প্রথম চাওয়া ছিল ঢাকায় দাফন করা হোক। তবে সেটা হতে হবে উন্মুক্ত স্থানে। যেখানে মসজিদ- মাদরাসা নিয়ে কমপ্লেক্স থাকবে। কিন্তু এরশাদের মৃত্যুর পর যখন সামরিক কবরস্থানে দাফনের ঘোষণা করা হয় তখন অনেকেই বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। রংপুরে দাফনের বিষয়ে সারা দেশের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মৌন সমর্থন রয়েছে বলে জানা গেছে। তারা মনে করছেন সামরিক কবরস্থানে দাফন করলে সেখানে যখন তখন যেতে পারবেন না। তার চেয়ে রংপুর অনেক ভালো, চাইলেই দেখে আসতে পারবেন।

এরশাদের মরদেহ ১১টায় রংপুর পৌঁছাবে

এরশাদের মরদেহ ১১টায় রংপুর পৌঁছাবে
ঢাকায় এরশাদের মরদেহের সামনে নেতাকর্মীদের ভিড়, ছবি: ফাইল ফটো

বেলা ১১টায় হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মরদেহবাহী হেলিকপ্টার রংপুর সেনানিবাসে অবতরণ করবে। সেখান থেকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত লাশবাহী গাড়িতে করে সোজা জানাজা স্থল রংপুর ঈদগাহ মাঠে নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে এমন তথ্য নিশ্চিত করেছেন রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা।

তিনি জানান, গাড়িতেই থাকবে মরদেহ, কাচের ঢাকনার ওপর দিয়ে এক নজর দেখার ব্যবস্থা করা হবে। বাদ জোহর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

দাফনের বিষয়ে সর্বশেষ সিদ্ধান্ত কী জানতে চাইলে ১৬ জুলাই সকালে রংপুর সিটি করপোরেশন (রসিক) মেয়র বলেন, ‘আমরা চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি রংপুরে দাফন করার জন্য। শরীরে এক বিন্দু রক্ত থাকা পর্যন্ত স্যারের মরদেহ রংপুর থেকে নিতে দেওয়া হবে না।’

আপনাদের এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়েছে কী। এমন প্রশ্নের জবাবে মেয়র বলেন, ‘হ্যাঁ গতরাতে (১৫ জুলাই) ফোনে কথা হয়েছে। তখন উনি আমাকে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন। আমি তাকে সাফ জানিয়ে দিয়েছি বিষয়টি আমার একার সিদ্ধান্ত নয়, রংপুরের ৮ জেলার নেতাদের সিদ্ধান্ত।’

‘আমরা বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি একা এই সিদ্ধান্তের বাইরে যেতে পারব না। আমরা রংপুরেই দাফন করব। বাধা এলে আমারও প্রস্তুত আছি।’

রংপুর মহানগর জাতীয় পার্টির সেক্রেটারি এসএম ইয়াসির বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ জীবিত থাকা অবস্থায় এক সফরে নিজেই রংপুর দাফন করার বিষয়ে ওসিয়ত করে গেছেন। আমরা সেটাই পালন করছি। একটি গ্রুপ লাশ নিয়ে রাজনীতি করতে চায়, আমরা সেটা হতে দিতে পারি না।’

জাতীয় পার্টির সারাদেশের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের প্রথম চাওয়া ছিল ঢাকায় দাফন করা হোক। তবে সেটা হতে হবে উন্মুক্ত স্থানে। যেখানে মসজিদ- মাদরাসা নিয়ে কমপ্লেক্স থাকবে। কিন্তু এরশাদের মৃত্যুর পর যখন সামরিক কবরস্থানে দাফনের ঘোষণা করা হয় তখন অনেকেই বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। রংপুরে দাফনের বিষয়ে সারা দেশের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মৌন সমর্থন রয়েছে বলে জানা গেছে। তারা মনে করছেন সামরিক কবরস্থানে দাফন করলে সেখানে যখন তখন যেতে পারবেন না। তার চেয়ে রংপুর অনেক ভালো, চাইলেই দেখে আসতে পারবেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র