Barta24

বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯, ১৩ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

খালেদা জিয়া ক্ষমতায় থাকলে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হতো: খন্দকার মোশাররফ

খালেদা জিয়া ক্ষমতায় থাকলে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হতো: খন্দকার মোশাররফ
প্রেসক্লাবে বিএনপির দোয়া ও ইফতার মাহফিল/ ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ‘দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। তিনি ও তাঁর দল আজ ক্ষমতায় থাকলে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হতো।’

মঙ্গলবার (২১ মে) জাতীয় প্রেসক্লা‌বের আব্দুস সালাম হ‌লে জিয়াউর রহমানের ৩৮তম শাহাদাৎ বার্ষিক, খা‌লেদা জিয়ার নিঃশর্ত মু‌ক্তি ও আরোগ্য কামনায় আ‌লোচনা, ‌দোয়া ও ইফতার ম‌হফি‌লে তি‌নি এসব কথা ব‌লেন। সভার আয়োজন করে স্বাধীনতা ফোরা‌ম নামের একটি সংগঠন।

খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘বিএনপি না থাকলে যারা ক্ষমতায় আছে, তারা আবার বাকশাল কায়েম করত। তাই খালেদা জিয়াকে মুক্ত ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে আন্দোলন করতে হবে। আন্দোলনের মাধ্যমেই দেশনেত্রীকে মুক্ত করতে হবে। আর এজন্য ছাত্র-যুবক সহ সর্বস্তরের মানুষকে ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘কৃষক তার ধানের ক্ষেতে আগুন জ্বালিয়ে দিচ্ছে, কারণ ন্যায্য মূল্য পাচ্ছে না। সরকারের এ নিয়ে কোনো মাথা ব্যাথা নেই। এই রাষ্ট্রকে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য তারা চেষ্টা করছে।’

একই সভায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ‘আমরা যেভাবে আরাম আয়েশে চলছি এভাবে স্বৈরশাসকের পতন হয় না। আমাদের অক্ষমতার কারণে নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এখনো জেলে আছেন। যদি গা ঝাড়া দিয়ে উঠতে পারতাম, সত্যিকারের লড়াইটা করতে পারলে তাঁকে মুক্ত করতে পারতাম।’

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ'র সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, আহমেদ আযম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য শাহ মোহাম্মদ নেসারুল, নিপুণ রায় চৌধুরী প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন :

নির্যাতনকে হাতিয়ার হিসেবে নিয়েছে সরকার: মির্জা ফখরুল

নির্যাতনকে হাতিয়ার হিসেবে নিয়েছে সরকার: মির্জা ফখরুল
রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়নে বিএনপির আলোচনা সভা/ ছবি: বার্তা২৪.কম

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘ক্ষমতা চিরস্থায়ী করার জন্য নির্যাতনকে সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হিসেবে ধরে নিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার।’

বুধবার (২৬ জুন) বিকালে রাজধানীর রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়নে নির্যাতিতদের সমর্থনে আন্তর্জাতিক দিবস-২০১৯' পালন উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। 'নীরবতাও নির্যাতনের কারণ হতে পারে' বিষয়ক আলোচনা সভার আয়োজন করে বিএনপি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দেশে বিগত এক যুগেরও বেশি সময় অত্যন্ত সুপরিকল্পিত ও সচেতনভাবে বাংলাদেশের জনগণের ওপর নির্যাতনের স্টিমরোলার চলছে। উদেশ্য একটিই; ক্ষমতা, একদলীয় শাসন ব্যবস্থাকে চিরস্থায়ী করা।’

‘পৃথিবীর অনেক দেশেই নির্যাতনকে সবচেয়ে বড় অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় ক্ষমতাসীনদের ক্ষমতাকে নিরঙ্কুশ করার জন্য।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/26/1561559211167.jpg

তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে যা দেখতে পাই, তা উত্তর কোরিয়াতে দেখতে পাই। আবার রাশিয়া, সিরিয়া, আফগানিস্তান ও আমাদের পাশের দেশে দেখতে পাই, ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করার জন্য নির্যাতনকে সবচেয়ে হাতিয়ার হিসেবে নেওয়া হয়েছে।’

ফখরুল বলেন, ‘নির্যাতনের সবচেয়ে বড় উদাহরণ দেশনেত্রী খালেদা জিয়া। সরকারের চক্রান্তের কারণে তাঁকে আটক করে রাখা হয়েছে। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নির্যাতন, পঙ্গু করে নির্বাসিত করা হয়েছে। কারাগারগুলোতে বিএনপির নেতাকর্মী, সহকর্মীরা রয়েছেন।’

সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ড. আব্দুল মঈন খান, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমেদ, শিক্ষাবিদ দিলারা চৌধুরী প্রমুখ।

শেখ হাসিনার মতো প্রাপ্তি আর নেই: আমু

শেখ হাসিনার মতো প্রাপ্তি আর নেই: আমু
আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমু, ছবি: বার্তা২৪

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শিতা ও জাদুকরী নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাওয়া দেখে বিশ্ব নেতারা বিস্ময় প্রকাশ করেছে। তিনি ধাপে ধাপে প্রতিটি ক্ষেত্রে বিচক্ষণতায় দেশকে উন্নত রাষ্ট্রে উপনীত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন। এর চেয়ে বড় কোনো প্রাপ্তি বাংলার কারও নেই।’

এমন অগ্রযাত্রাকে ধারাবাহিক রুপ দেওয়ার জন্য দেশবাসীকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।

বুধবার (২৬ জুন) সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউটে দলের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

সাবেক শিল্পমন্ত্রী বলেন, ‘২০০৯ সাল থেকে আজ পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে প্রতিটি ক্ষেত্রে উন্নয়নের চিত্র ধরা দিয়েছে। বিশাল জনসংখ্যার দেশে অল্প সময়ে জীবন মানের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে অনেক দেশ ব্যর্থ হয়েছে। নদীর তলদেশ দিয়ে টানেল নির্মাণ করা হবে এমনটা কেউ চিন্তা করেনি, নতুন নতুন শিল্প অঞ্চলের পরিকল্পনা কারও মাথায় আসেনি। প্রধানমন্ত্রী কেবল স্বপ্ন দেখাননি, তিনি বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন। অথচ দেশীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বরাবরই অগ্রযাত্রাকে থামানোর অপপ্রয়াস হয়েছে। সত্যিকারের নাগরিক হিসেবে আমাদের দেশপ্রেমী হতে হবে। কেবল নিজের নয়, সামগ্রিক কল্যাণে কাজ করে যেতে হবে।’

দলে অনুপ্রেবশ ঠেকাতে আওয়ামী লীগের এই উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য বলেন, ‘আমরা চাই দল সুসংগঠিত ও সাংগঠনিক গতিশীলতা বজায় রাখতে। যে কোনো ধরনের বাধা-বিপত্তি মোকাবিলা করে মনোবল ঠিক রেখে অভিষ্ট লক্ষ্যে কাজ করে যেতে হবে। কোনো অনুপ্রবেশকারী, সুবিধাবাদী দিয়ে দল ভারী হোক, দলের ভাবমূতি ক্ষুণ্ন হোক এমনটা মেনে নেওয়া হবে না। এদের চিহ্নিত করতে হবে।’


কেন্দ্রীয় কমিটির উপদফতর সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীরে বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, ‘আওয়ামী লীগ শক্তিশালী হলে বাংলাদেশ শক্তিশালী দেশে পরিণত হবে। এ জন্যই বার বার আওয়ামী লীগকে ধ্বংসের পায়তারা হয়েছে, চলছে। কিন্তু দলের প্রতি তৃণমূল নেতাকর্মীদের স্পৃহার কারণে দল মানুষের ভালোবাসা অর্জনে সক্ষম হয়েছে। ভবিষ্যতেও যদি দল সংকট মুহূর্তে আসে তখনো নেতাকর্মীদের রাজপথে নামতে হবে।’

দলের উপপ্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন বলেন, ‘এক সময় মুক্তিযোদ্ধারাও নিজের পরিচয় দিতে ভয় পেতেন। তার সন্তানদের ন্যূনতম নাগরিক সুবিধা দেওয়া হয়নি। নাগরিকরা নিজেদের অধিকারের কথা বলতে পারতেন না। আওয়ামী লীগ সরকার থাকার কারণেই বিশ্ব ব্যাংককে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতুর কাজ চলছে।’

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুল রহমানের সঞ্চালনা ও সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমেদ সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রদীপ দাশ। আলোচনা সভা শেষে দলের বিভিন্ন সময় অবদান রাখা নেতাকর্মীদের সম্মাননা দেওয়া হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র