Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

অসুস্থ সানাউল্লাহর খোঁজ নিলেন শিমুল বিশ্বাস

অসুস্থ সানাউল্লাহর  খোঁজ নিলেন শিমুল বিশ্বাস
অসুস্থ সানাউল্লাহ মিয়াকে দেখতে যান শিমুল বিশ্বাস / ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক অসুস্থ অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়ার চিকিৎসা ও শারীরিক বিষয়ে খোঁজখবর নিয়েছেন দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) সকালে সাভারের সিআরপি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সানাউল্লাহ মিয়াকে দেখতে জান শিমুল বিশ্বাস। এ সময় তিনি সানাউল্লাহ মিয়ার আশু সুস্থতা কামনা করেন। এছাড়া হাসপাতালে উপস্থিত পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গেও তিনি কুশল বিনিময় করেন।

উল্লেখ্য, সানাউল্লাহ মিয়া গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর ব্রেইন স্ট্রোক করে রাজধানীর নিউরো সায়েন্স হাসপাতালে ভর্তি হন। ওই সময় তার ডান হাত ও পায়ে প্যারালাইজড হয়ে যায়। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ব্যাংককে পাঠানো হয়। পরে অবস্থার উন্নতি হলে তাকে দেশে নিয়ে আসা হয়।

সানাউল্লাহ মিয়া দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির আইন বিষয় সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এছাড়া বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মামলায় অন্যান্য আইনজীবীদের মতো তিনিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলছেন।

আপনার মতামত লিখুন :

১/১১ -এর ষড়যন্ত্রকারীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি

১/১১ -এর ষড়যন্ত্রকারীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

২০০৭ সালে ১/১১ ঘটনার মাধ্যমে যারা দেশে সেনাসমর্থিত অগণতান্ত্রিক সরকার আনতে বাধ্য করেছিল, সেই ষড়যন্ত্রকারীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতারা।

দলটির সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারাবন্দী দিবস উপলক্ষে বুধবার (১৭ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে স্বপ্ন ফাউন্ডেশন আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সিনিয়র কয়েকজন নেতা এ দাবি জানান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, ’১/১১ -এর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে অন্যায়ভাবে তাকে জেলে পাঠানো হয়ে হয়েছিল। যারা এ ষড়যন্ত্রে জড়িত তাদেরকে আইনের আওতায় আনা উচিৎ।’

আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে দেশের বাইরে এখনো ষড়যন্ত্র হচ্ছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, এসব ষড়যন্ত্র করে কোনো লাভ হবে না। দেশের মানুষ শেখ হাসিনার সরকারের সাথে আছে। দেশের মানুষের সমর্থন আছে বলেই শেখ হাসিনার নেতৃত্বে টানা তৃতীয়বারের মতো দেশ পরিচালনা করছে আওয়ামী লীগ।

২০০৭ সালে সালে মাইনাস টু নয়, মাইনাস ওয়ান ষড়যন্ত্র হয়েছিল দাবি করে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, কেবল শেখ হাসিনাকে দেশর জনগণ ও রাষ্ট্রক্ষমতা থেকে দূরে রাখতে ৭১-এর শত্রু ও তাদের মিত্ররা এ ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করেছিল।

তিনি দাবি করেন, জনগণ উদগ্রীব ছিল বলে জনদাবির মুখে শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয় তৎকালীন সেনা সর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার।

বিএনপি চেয়ারপাসন খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে হানিফ বলেন, তিনি কেবল আইনি প্রক্রিয়া ও রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার সুবাদে মুক্তি পেতে পারেন। আন্দোলন করে লাভ হবে না।

সভায় সাবেক খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন, ২০০৭ ও ২০০৮ সালে সংস্কারের নামে অওয়ামী লীগের অনেক সিনিয়র নেতা সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে সহযোগিতা করে দলের সভাপতি শেখ হাসিনাকে নির্লজ্জভাবে সরাতে চেয়েছিল। শেখ হাসিনার মুক্তির জন্য দলের অনেক সিনিয়র আইনজীবীও কোনো প্রচেষ্টা চালাননি। সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ জুনিয়র বেশ কিছু আইনজীবী নিয়ে অইনি লড়াই চালিয়ে যান।

সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক বলেন, দেশের জনগণ চেয়েছিল বলেই ১/১১ -এর সেনাসমর্থিত সরকার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।

স্বপ্ন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মো. রিয়াজ উদ্দিন রিয়াজের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য দেন চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল আমিন রুহুল, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব শাবান মাহমুদ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই সেনাসর্থিত তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করে। দীর্ঘ প্রায় ১১ মাস কারাভোগের পর ২০০৮ সালের ১১ জুন সংসদ ভবন চত্বরে স্থাপিত বিশেষ কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান।

অ্যাড. মনিরের বহিষ্কারাদেশ তুলে নিল বিএনপি

অ্যাড. মনিরের বহিষ্কারাদেশ তুলে নিল বিএনপি
অ্যাড. মনির হোসেন/ ছবি: সংগৃহীত

জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সুপ্রিম কোর্ট শাখার সহ-সভাপতি অ্যাড. মনির হোসেনের বহিষ্কারাদেশ তুলে নিয়েছে কেন্দ্রীয় বিএনপি।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের চিঠির অনুলিপি হাতে পেলেও গত ১১ জুলাই বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাড. রুহুল কবির রিজভী এতে স্বাক্ষর করেন।

চিঠিতে বলা হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে দলের গঠনতন্ত্রের ৫ (গ) ধারা মোতাবেক মনির হোসেনকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। মহাসচিবের নির্দেশক্রমে এ বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হলো।’

প্রসঙ্গত সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির গত ১৩ ও ১৪ মার্চের নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্যানেলের বাইরে স্বতন্ত্র সম্পাদক প্রার্থী হন অ্যাড. মনির হোসেন। দলের সমর্থিত প্যানেলের বাইরে নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় গত ১২ মার্চ আইনজীবী মনির হোসেনকে বহিষ্কার করে কেন্দ্রীয় বিএনপি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র