ঐক্যফ্রন্টের আন্দোলনের ঘোষণা হাস্যকর: তথ্যমন্ত্রী

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
নিজ দফতরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, ছবি: বার্তা২৪

নিজ দফতরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, ছবি: বার্তা২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ঐক্যফ্রন্টের অবস্থা দেখে আমার হাসিও পায়, আবার করুণাও হয়। তারা বারবার বলে আসছিলেন- বৃহত্তর ঐক্য, জাতীয় ঐক্য এবং ফ্রন্টের নাম ঐক্যফ্রন্ট। এখন ঐক্যফ্রন্টের ঐক্য নেই। ঐক্য ধরে রাখার জন্য নাকি তারা বৈঠক ডেকেছে। অর্থাৎ তাদের মধ্যেই ঐক্য নাই।

সোমবার (১০ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে ঐক্যফ্রন্টের কয়েকজন নেতা ঐক্যফেন্ট ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন। যারা নিজেদের ঐক্য ধরে রাখতে পারেন না, নিজেদের ঐক্য ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে, তাদের আন্দোলনের ঘোষণা, সরকারের বিরুদ্ধে বৃহত্তর ঐক্য করার ঘোষণা, এগুলো সব হাস্যকর। তাদের মধ্যে যে ঐক্য নেই, আজকের বৈঠকের মাধ্যমে সেটি আরও স্পষ্ট করে দেখালেন।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য শিষ্টাচার বহির্ভূত, দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন মন্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক বলেন, শিষ্টাচার আমাদের বিএনপির কাছে শিখতে হবে না। মির্জা ফখরুলকে বলব, তার নেত্রীকে শিষ্টাচার শেখানোর জন্য। দেশের প্রধানমন্ত্রী গিয়ে খালেদা জিয়ার দুয়ারে পনের-বিশ মিনিট দাঁড়িয়ে ছিলেন, কিন্তু গেট খোলা হয়নি। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের আগে আমাদের প্রধানমন্ত্রী তাকে গণভবনে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন এবং টেলিফোন করেছেন। টেললিফোনে খালেদা জিয়া যে ভাষায় কথা বলেছেন, সেটি সমস্ত শিষ্টাচার বহির্ভূত ছিল।

হাছান মাহমুদ বলেন, রাষ্ট্রের দায়িত্ব- কোনো শাস্তিপ্রাপ্ত আসামির শাস্তি নিশ্চিত করা। তারেক রহমান দুর্নীতির মামলায় ১০ বছর সাজাপ্রাপ্ত ও একুশে আগস্ট হামলা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। আইনগতভাবে বাংলাদেশের আদালত স্বাধীন। আদালত কারো বিরুদ্ধে দণ্ড দিলে সেটি যদি সরকারি কর্মকর্তা হয়, এমন সরকারদলীয় সংসদ সদস্যও হয়, তার বিরুদ্ধে শাস্তি কার্যকর করা সরকার ও রাষ্ট্রের দায়িত্ব। অবশ্যই একদিন তারেকের শাস্তি কার্যকর হবে।

শপথ নিয়েই জাতীয় সংসদকে অবৈধ বলেছেন বিএনপির সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, তিনি নিজেকে নিজে অবৈধ বলেছেন। তিনি শপথ নিয়েই বললেন এই সংসদ অবৈধ। তার মানে সংসদ সদস্য হিসাবে তিনিও অবৈধ। তাদের বক্তব্য সব সময় দ্বৈততা। প্রথমে বলেছে- কোনো অবস্থায় তারা সংসদ সদস্য হিসাবে শপথ গ্রহণ করবেন না। পরে তারা শপথ গ্রহণ করলেন, এমনকি নারী সংসদ সদস্যের ভারটাও নিলেন। তাদের কথা ও কাজে সব সময় বৈপরীত্য।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত: ফখরুল

আরও পড়ুন: অসন্তোষ দূর করতে বৈঠকে বসছে ঐক্যফ্রন্ট

আপনার মতামত লিখুন :