Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

বিএনপি কার্যালয়ে তালা, নেতারা বলছেন ‘অভিমান’

বিএনপি কার্যালয়ে তালা, নেতারা বলছেন ‘অভিমান’
বিএনপি কার্যালয়ে তাল ঝুলিয়েছে ছাত্রদল
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

বয়সসীমা বেঁধে না দিয়ে ধারাবাহিক কমিটির দাবিতে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে সেখানে অবস্থান নিয়েছেন ছাত্রদলের বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা।

মঙ্গলবার (১১ জুন) সকাল থেকে সন্ধ্যা অবধি নেতাকর্মীদের সেখানে অবস্থান করতে দেখা গেছে। দুপুরের দিকে বিএনপির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমানউল্লাহ আমান, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু ও বরকতউল্লাহ বুলু বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলতে যান। এ সময় ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা ‘মানি না, মানব না’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন।

এরপর বিক্ষুব্ধ নেতারা নয়াপল্টন কার্যালয়ের বিদ্যুৎসংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদের জন্য অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে আসা হলে ঘণ্টা খানেক বাদে সেটাকেও ফিরে যেদে হয়।

সন্ধ্যায় নয়াপল্টন কার্যালয়ে হাজির হন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। দুই নেতা তৃতীয়তলায় অসুস্থ রিজভীকে দেখতে যান এবং তার চিকিৎসকের কাছে স্বাস্থ্যের খোঁজ-খবর নেন।

পরে বের হয়ে বিক্ষুব্ধ ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের প্রসঙ্গে মির্জা আব্বাস সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটা কিছু না। ওরা মান-অভিমান করেছে, এটা ঠিক হয়ে যাবে। কারো কিছু করতে হবে না। কোনো সালিশ-আলোচনা কিছুই করতে হবে না। ওরা রাগ করেছে, সব ঠিক হয়ে যাবে।’

দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘ওদেরযতটুকু প্রাপ্য আছে তা সমাধান করার পথ আমাদের খুঁজতে হবে। এটা অনেক বড় দল, অনেক কর্মী, অনেক নেতা। আমরা বিরোধী দলে আছি, আমাদের সীমাবদ্ধতাও আছে। এই সীমাবদ্ধতার মূল কারণটা হলো আমাদের নিয়মিত কাউন্সিল হয় নাই। মামলা-হামলা-নির্যাতনের কারণে নিয়মিত সাংগঠনিক কাজগুলো হয়নি। নিয়মিত সাংগঠনিক কাজ হলে ওরাও ছাত্রদল করার জন্য এত আগ্রহী হতো না। ওরাও বোঝে এটা।

সমাধান কী দেখছেন প্রশ্ন করা হলে গয়েশ্বর বলেন, ‘সমস্যা যেমন আছে, সমাধানও আছে। আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হবে।’

এদিকে রাতে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্কাইপিতে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত দেবেন বলে ছাত্রদলের একটি সূত্র জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

৭০ ইউনিয়নে আ'লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী চূড়ান্ত

৭০ ইউনিয়নে আ'লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী চূড়ান্ত
ছবি: সংগৃহীত

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চন পৌরসভাসহ দেশের ৭০ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থীর মনোনয়ন চূড়ান্ত করেছে আওয়ামী লীগ।

বুধবার (২৬ জুন) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে দলের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভায় প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়। গণভবনে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

AL

দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সদস্যরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। পরে দলের দফতর থেকে মনোনীত প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়।

‘চিকিৎসা নেওয়ার পয়সা নেই এরশাদের’

‘চিকিৎসা নেওয়ার পয়সা নেই এরশাদের’
বক্তব্য রাখছেন

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের চিকিৎসা নেওয়ার পয়সা নেই বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা।

বুধবার (২৬ জুন) মতিঝিল এজিবি কলোনি কমিউনিটি সেন্টারে জাতীয় পার্টির সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের সাংগঠনিক সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

রাঙ্গা বলেন, ‘সাবেক সেনা প্রধান হওয়ায় উনি সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ফ্রি চিকিৎসা পাচ্ছেন। যে লোকটার টাকার অভাবে ঠিকমতো চিকিৎসা হচ্ছে না। তারই দুর্নীতির ধুয়া তুলে আন্দোলন করা হয়। সাবেক রাষ্ট্রপতি সেদিন রক্তপাত দেখতে চাননি তাই স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছিলেন। উনি কোনো দুর্নীতি করেননি।’

আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘৯৬ সালে আমরা সমর্থন না দিলে ক্ষমতায় আসতে পারতেন না। এরপরও প্রতিবারেই আমাদের সহযোগিতা নিয়ে ক্ষমতায় গেছেন। আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা করার চেষ্টা করবেন না। এটা বন্ধ করেন।’

তিনি বলেন, ‘কোনো জেলায় নেতাকর্মীদের ওপর হামলা হলে খবর দেবেন। আমরা চলে আসবো কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। দলকে সংগঠিত করেন। মতের অমিল থাকতে পারে, কিন্তু দ্বন্দ্ব করবেন না। এখন থেকে আর কোথাও কোনো পকেট কমিটি হবে না। ফেয়ার কাউন্সিলের মাধ্যমে কমিটি করা হবে। সাধারণ সদস্য, কাউন্সিলররা যাকে চাইবে সেই নেতা হবে।’

আরও পড়ুন: এরশাদের অবর্তমানে জাপার কী হবে, জানালেন জিএম কাদের

তবে আপনাদের প্রতি অনুরোধ এমন কাউকে নেতা বানাবেন না যাকে দিয়ে দল লাভবান হবে না। দল ক্ষতিগ্রস্ত হয় এমন কাউকে নেতা বানাবেন না। জয় আমাদের সুনিশ্চিত।

নেতাকর্মীরা স্লোগান দেওয়ার চেষ্টা করলে রাঙ্গা বলেন, ‘কারো নামে স্লোগান হবে না, এখন থেকে স্লোগান হচ্ছে, দুই নাগিনীর একই বিষ, নৌকা আর ধানের শীষ।’ অন্যদের তার সঙ্গে স্লোগান ধরার আহ্বান জানান।

জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের'র সভাপতিত্বে সভায় সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের জেলা, মহানগর, উপজেলা, শহর কমিটির নেতারা অংশ নিয়েছেন। এর আগে ২৪ ও ২৫ জুন যথাক্রমে ঢাকা, ময়মনসিংহ, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের নেতারা মতামত দেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র