Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

মসৃণ করা হলো খালেদা জিয়ার দাঁত

মসৃণ করা হলো খালেদা জিয়ার দাঁত
খালেদা জিয়াকে কেবিন ব্লক থেকে এ ব্লকের ডেন্টাল অনুষদের কনজারভেটিভ ডেনটিস্ট্রি অ্যান্ড অ্যান্ডোডনটিকস বিভাগে নেওয়া হয়, ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দাঁতের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাাতালে। তার দাঁত ধারালো হয়ে জিহ্বায় ক্ষত সৃষ্টি হওয়ায় দাঁতটি মসৃণ করা হয়েছে।

চিকিৎসকদের পরামর্শে বুধবার (১২ জুন) দুপুর ১টায় তাকে কেবিন ব্লক থেকে এ ব্লকের ডেন্টাল অনুষদের কনজারভেটিভ ডেনটিস্ট্রি অ্যান্ড অ্যান্ডোডনটিকস বিভাগে নেওয়া হয়। প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে পুনরায় কেবিন ব্লকে নেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে হাসপাতালের পরিচালক ব্রি. জেনারেল এ কে মাহবুবুল হক সাংবাদিকদের জানান, জিহ্বার ডান দিকে ঘাঁ হওয়ায় খালেদা জিয়া দু-তিন দিন ধরে মুখে ব্যথা অনুভব করছিলেন। আজ তাকে হাসপাতালের ডেন্টাল বিভাগে নেওয়া হয়। পরীক্ষা করে দেখা গেছে, তার ডান পাশের একটা দাঁত কিছুটা ধারালো হওয়ায় জিহ্বায় কিছুটা ক্ষত হয়েছে। এ কারণে মেশিন দিয়ে দাঁতটি মসৃণ করে দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, কেবিন ব্লকে ডেন্টাল মেশিন আনা সম্ভব না হওয়ায় খালেদা জিয়াকে মেডিকেল গাড়িতে করে দন্ত বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানে বিএসএমএমইউ-এর ডেন্টাল ও ম্যাক্সিলোফেসিয়াল বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মাহমুদা আকতারের তত্ত্বাবধানে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

বর্তমানে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য ভালো আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, খালেদা জিয়াকে যে অবস্থায় বিএসএমএমইউতে আনা হয়েছিল, সে তুলনায় এখন তার শারীরিক অবস্থা অনেক ভালো। নিয়মিত ইনসুলিন দেওয়া হচ্ছে, ডায়াবেটিস আগের চেয়ে নিয়ন্ত্রণে আছে।

উল্লেখ্য, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট ও অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় ১৬ মাস ধরে কারান্তরীণ আছেন খালেদা জিয়া। শারীরিক অসুস্থতার কারণে বর্তমানে তিনি বিএসএমএমইউতে চিকিৎসাধীন।

আপনার মতামত লিখুন :

৭০ ইউনিয়নে আ'লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী চূড়ান্ত

৭০ ইউনিয়নে আ'লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী চূড়ান্ত
ছবি: সংগৃহীত

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চন পৌরসভাসহ দেশের ৭০ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থীর মনোনয়ন চূড়ান্ত করেছে আওয়ামী লীগ।

বুধবার (২৬ জুন) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে দলের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভায় প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়। গণভবনে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

AL

দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সদস্যরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। পরে দলের দফতর থেকে মনোনীত প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়।

‘চিকিৎসা নেওয়ার পয়সা নেই এরশাদের’

‘চিকিৎসা নেওয়ার পয়সা নেই এরশাদের’
বক্তব্য রাখছেন

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের চিকিৎসা নেওয়ার পয়সা নেই বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা।

বুধবার (২৬ জুন) মতিঝিল এজিবি কলোনি কমিউনিটি সেন্টারে জাতীয় পার্টির সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের সাংগঠনিক সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

রাঙ্গা বলেন, ‘সাবেক সেনা প্রধান হওয়ায় উনি সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ফ্রি চিকিৎসা পাচ্ছেন। যে লোকটার টাকার অভাবে ঠিকমতো চিকিৎসা হচ্ছে না। তারই দুর্নীতির ধুয়া তুলে আন্দোলন করা হয়। সাবেক রাষ্ট্রপতি সেদিন রক্তপাত দেখতে চাননি তাই স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছিলেন। উনি কোনো দুর্নীতি করেননি।’

আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘৯৬ সালে আমরা সমর্থন না দিলে ক্ষমতায় আসতে পারতেন না। এরপরও প্রতিবারেই আমাদের সহযোগিতা নিয়ে ক্ষমতায় গেছেন। আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা করার চেষ্টা করবেন না। এটা বন্ধ করেন।’

তিনি বলেন, ‘কোনো জেলায় নেতাকর্মীদের ওপর হামলা হলে খবর দেবেন। আমরা চলে আসবো কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। দলকে সংগঠিত করেন। মতের অমিল থাকতে পারে, কিন্তু দ্বন্দ্ব করবেন না। এখন থেকে আর কোথাও কোনো পকেট কমিটি হবে না। ফেয়ার কাউন্সিলের মাধ্যমে কমিটি করা হবে। সাধারণ সদস্য, কাউন্সিলররা যাকে চাইবে সেই নেতা হবে।’

আরও পড়ুন: এরশাদের অবর্তমানে জাপার কী হবে, জানালেন জিএম কাদের

তবে আপনাদের প্রতি অনুরোধ এমন কাউকে নেতা বানাবেন না যাকে দিয়ে দল লাভবান হবে না। দল ক্ষতিগ্রস্ত হয় এমন কাউকে নেতা বানাবেন না। জয় আমাদের সুনিশ্চিত।

নেতাকর্মীরা স্লোগান দেওয়ার চেষ্টা করলে রাঙ্গা বলেন, ‘কারো নামে স্লোগান হবে না, এখন থেকে স্লোগান হচ্ছে, দুই নাগিনীর একই বিষ, নৌকা আর ধানের শীষ।’ অন্যদের তার সঙ্গে স্লোগান ধরার আহ্বান জানান।

জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের'র সভাপতিত্বে সভায় সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের জেলা, মহানগর, উপজেলা, শহর কমিটির নেতারা অংশ নিয়েছেন। এর আগে ২৪ ও ২৫ জুন যথাক্রমে ঢাকা, ময়মনসিংহ, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের নেতারা মতামত দেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র