Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ছাত্রলীগের পদবঞ্চিতদের অবস্থান কর্মসূচি

২১তম দিনেও কোনো আশ্বাস পাননি

২১তম দিনেও কোনো আশ্বাস পাননি
ছবি: বার্তা২৪
ঢাবি করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রাজু ভাস্কর্যে টানা ২১তম দিনের মত শনিবার (১৫ জুন) অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে কাঙ্ক্ষিত পদ না পাওয়া ও পদবঞ্চিতরা।

তাদের অভিযোগ- প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার কথারও তোয়াক্কা করেননি সংগঠনটির সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। ২১তম দিনেও তাদের চারদফা দাবির একটি পূরণেরও আশ্বাস পাননি তারা।

পদবঞ্চিতদের এই কর্মসূচির মুখপাত্র ছাত্রলীগের সাবেক কর্মসূচি ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক রাকিব হোসেনের বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘আমরা দীর্ঘ ২১ দিন ধরে এখানে (রাজু ভাস্কর্যে) মানবেতর জীবনযাপন করছি। অথচ আমাদের দাবিগুলো বাস্তবায়ন হয়নি। ছাত্রলীগের গত মাসে (১৩ মে) কমিটি দেওয়ার পর থেকে একমাস হয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত বিতর্কিতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আমরা ৯৯ জন বিতর্কিত নেতার তালিকা দিলেও ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ২৮ মে রাতে বিতর্কিত মাত্র ১৯ জনকে বহিষ্কার করেন। কিন্তু তারা কাদের বহিষ্কার করেছেন, তাও জানাননি। আমাদের পদ-পদবি মুখ্য নয়, আমরা ছাত্রলীগকে কলঙ্কমুক্ত করতে চাই।’

পদবঞ্চিতদের চারদফা দাবিগুলো হলো-

১. প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ

২. কমিটি থেকে বিতর্কিতদের বাদ দেওয়া

৩. যোগ্যদের কমিটিতে পদায়ন এবং

৪. মধুর ক্যানটিন ও টিএসসিতে পদবঞ্চিতদের ওপর হামলার সুষ্ঠু বিচার

BSL

উল্লেখ্য, জাতীয় সম্মেলনের প্রায় এক বছর পর গত ১৩ মে ছাত্রলীগের ৩০১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। তারপর থেকেই ওই কমিটিকে বিতর্কিত বলে তা পুনর্গঠনের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন পদবঞ্চিতরা।

তাদের অভিযোগ, বিবাহিত, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী, চাকরিজীবী ও বিভিন্ন মামলার আসামিসহ নানা অভিযুক্ত অনেককে পদ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে বঞ্চিত করা হয়েছে ত্যাগী অনেক নেতাকে।

এ নিয়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারিও ঘটনাও ঘটেছে। একাধিকবার হামলার শিকার হয়েছেন পদবঞ্চিতরা।

বিক্ষুব্ধদের আন্দোলনের মুখে গত ১৯ মে ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বিতর্কিত ১৭ জনের নাম প্রকাশ করেন এবং তাদের নির্দোষ প্রমাণেরও সুযোগ দেন। গত ২৮ মে বিদ্রোহীদের তোপের মুখে বিতর্কিত ১৯টি পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়, কিন্তু সেটাকে শুভংকরের ফাঁকি বলে ঘোষণা দেন তারা।

এরপর ২৯ মে পূর্ণাঙ্গ কমিটিকে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দেওয়ার কর্মসূচি ঘোষণা হলে ফের অবস্থানে ফেরেন বিক্ষুব্ধরা। তাদের দাবি- আগে বিতর্কিত সবাইকে সরাতে হবে, তারপরই যেন কর্মসূচি নেওয়া হয়।

২৬ মে রাত থেকেই রোদ-বৃষ্টির মধ্যেও তারা এই কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন। দাবি মানা না হলে ঈদ পেরিয়েও অবস্থান ধরে রাখার ঘোষণা দিয়েছিলেন তারা। গত ৫ জুন ইদের দিনেও তাদের অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত থাকে।

আপনার মতামত লিখুন :

‘লবিং নয়, যোগ্যতা দিয়েই ছাত্রলীগের নেতা হতে হবে’

‘লবিং নয়, যোগ্যতা দিয়েই ছাত্রলীগের নেতা হতে হবে’
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

বাংলাদেশে অধিকার আদায়ের সব আন্দোলনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) অবদান আছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল। শনিবার (২০ জুলাই) জবি ছাত্রলীগের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নেতৃত্বে যেই আসুক তাকে মেনে নিয়ে শেখ হাসিনার স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানাচ্ছি। যার ছাত্রত্ব আছে জবি ছাত্রলীগের নেতৃত্ব তাকেই দেওয়া হবে।

সম্মেলনের প্রধান বক্তা কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী বলেন, লবিং তদবির করে নেতা হওয়া যাবে না। ছাত্রলীগের নেতা হতে হলে যোগ্যতা দিয়েই নেতা হতে হবে।

সম্মেলনের উদ্বোধক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন বলেন, প্রার্থীদের সবাই পদ পাবে না। তাই পদ না পেয়ে হারিয়ে যাওয়া যাবে না। একজন ছাত্রলীগ কর্মী হিসেবে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এক হয়ে কাজ করতে হবে।

সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক আশরাফুল ইসলাম টিটনের সভাপত্বিতে ও যুগ্ম আহবায়ক জামাল উদ্দীনের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য নজিবুল্লাহ হীরু, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাবু এবং ছাত্রলীগের সাবেক নেতৃবৃন্দ।

উল্লখ্য, সকালে সম্মেলন শুরু হওয়ার কথা থাকলেও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের আসতে দেরি হওয়ায় সম্মেলন শুরু হয় বিকেল ৩টায়।

দেশে মেগা প্রকল্পের নামে মেগা লুট চলছে: ফখরুল

দেশে মেগা প্রকল্পের নামে মেগা লুট চলছে: ফখরুল
চট্টগ্রামে বিভাগীয় সমাবেশে বক্তব্য রাখছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘সরকার উন্নয়নের নামে ঢোল পিটিয়ে মেগা প্রকল্পের নামে মেগা হরিলুট করছে। দেশের ব্যাংকগুলো রুগ্ন হয়ে গেছে। গোটা অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ঋণ নির্ভর হয়ে পড়ছে। এভাবে চলতে থাকলে দেশ গভীর অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে পড়বে।’

শনিবার (২০জুলাই) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম নাসিম ভবনের সামনে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বাজেট ঘোষণার পরই গ্যাস, জ্বালানিসহ প্রত্যেকটা জিনিসের দাম বাড়ানো হয়েছে। নিজেরা ঢোল বাজিয়ে দেশে উন্নয়নের লহরী ভরিয়ে দিয়েছে। দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের কথা বাদ দিয়ে তারা লুটপাটকারীদের সুবিধার্থে কালো টাকা সাদা করার ব্যবস্থা করে দিয়েছে।’

নির্বাচন কমিশনারের হজ প্রসঙ্গে ফখরুল বলেন, ‘সাংবিধানিক ব্যবস্থা এত লজ্জাজনক অবস্থায় গেছে, যেখানে নির্বাচন কমিশনার একটি দলের তত্ত্বাবধায়কের সদস্য হয়ে হজ করতে যাচ্ছেন। উপহার হিসেবে আপনাকে হজ করতে পাঠানো হলো। এই নির্বাচন কমিশনের অধীনে কোনো গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হতে পারে না।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, মামলায় ভারাক্রান্ত হয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা পালিয়ে গিয়ে রিকশা চালাচ্ছেন, হকারের কাজ করছেন। খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় কারাবন্দী করে রেখেছে। আইনজীবীদের শত প্রচেষ্টা সত্ত্বেও শেখ হাসিনার নির্দেশ ছাড়া তাঁর মুক্তি মিলছে না।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563634869186.gif

এর আগে বক্তব্যের শুরুতে ফখরুল দেশের বন্যর্তদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য বিএনপি নেতাকর্মীদের আহ্বান জানান।

দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ বলেন, ‘সরকারের একঘেয়েমির কারণে পৃথিবীর কেউ আমাদের দেখতে পারে না। অবিলেম্বে রোহিঙ্গাদের তাদের ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে। অন্যথায় সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। নির্বাচিত সরকার এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে।

চট্টগ্রাম নগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আউয়াল মিন্টু, আবদুল্লাহ আল নোমান, সুকুমার রায়, গিয়াস উদ্দিন কাদের, বরকত উল্লাহ বুলু, স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম, খন্দকার মোশারফ হোসেন, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সাবেক চিফ হুইপ জয়নাল আবেদীন ফারুক সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।

এদিকে বিভাগীয় সমাবেশ ঘিরে নেতাকর্মীদের মাঝে বিরাজ করে উৎসবের আমেজ। দলীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠানের অনুমতি থাকলেও নেতাকর্মীদের আগমনে সমাবেশ ছড়িয়ে পড়ে কাজীর দেউড়ি, লাভলেইন এলাকায়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র