Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ঐক্যবদ্ধ থেকে গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করব

ঐক্যবদ্ধ থেকে গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করব
পীরগঞ্জে বিএনপির কর্মীসভায় মির্জা ফখরুল
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪
ঠাকুরগাঁও


  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির মহসাচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলটির নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেছেন, আগামী দিনগুলোতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বিএনপিকে শক্তিশালী করতে হবে, অঙ্গ-সংগঠনগুলোকে শক্তিশালী করতে হবে। কারণ, আমরা ঐক্যবদ্ধ থেকে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করব।

সোমবার (১৭ জুন) সন্ধ্যায় ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ হলরুমে এক কর্মীসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের মধ্যে যারা বিভেদ সৃষ্টি করার চেষ্টা করবে তাদের আমার বুঝিয়ে দেব আমাদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে কোন লাভ নেই। সকলেই মনে রাখবেন আমাদের এই লড়াই গণতন্ত্রকে মুক্ত করার লড়াই। দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার লড়াই।

সরকার বিএনপিকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে এমন অভিযোগ এনে ফখরুল বলেন, সবদিক দিয়ে চেষ্টা করছে— কী করে আমাদের দলকে দুর্বল করা যায়। মিথ্যা মামলা করা হচ্ছে আমাদের নামে। গত ১০ বছরে আমাদের মতো কেউ এত অত্যাচার সহ্য করেনি। হাজার হাজার নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। বহু নেতাকর্মীদের গুম করা হয়েছে।

ফখরুল আরো বলেন, আজকে এই সরকারের অত্যাচার থেকে মুক্তি পেতে হলে, গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনতে হলে সংগঠনকে আরো বেশি শক্তিশালী করতে হবে এবং আন্দোলনের কোন বিকল্প নেই।

কর্মীসভায় উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সভাপতি তৈমুর রহমান, পীরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি এ.কে.এম মইনুল হোসেনসহ জেলা উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা।

আপনার মতামত লিখুন :

ধর্ষণের উৎসব শুরু হয়েছে: মির্জা ফখরুল

ধর্ষণের উৎসব শুরু হয়েছে: মির্জা ফখরুল
বিভাগীয় সম্মেলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, 'পত্রিকা খুললেই ধর্ষণ ছাড়া কোনো খবর নাই। ১০ বছর, ছয় বছর, পাঁচ বছর, ১০০ বছরের নারীকেও পর্যন্ত ধর্ষণ করা হচ্ছে। দেশে ধর্ষণের উৎসব শুরু হয়েছে।'

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে বরিশাল মহানগরের কেন্দ্রীয় হেমায়েত উদ্দিন ঈদগাহ মাঠে এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে বিভাগীয় সমাবেশের অংশ হিসেবে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল বলেন, 'প্রতিদিন শুধু হত্যা আর হত্যা। এমনকি আদালত পর্যন্ত বাদ যাচ্ছে না। সেটাও নিরাপদ জায়গা নয়। সেখানে গিয়ে বিচারকের সামনে হত্যা করা হচ্ছে। কোথায় যাবেন? কার কাছে যাবেন? সরকার খুব ঢোল বাজায়, নিজেরাই বাজাচ্ছে উন্নয়ন, উন্নয়ন, উন্নয়ন। এমন উন্নয়ন যে, দেশের মানুষ মারা যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। অথচ কৃষক তার ধানের মূল্য পায় না, সরকারি কর্মচারীদের বেতন ভাতা দিন দিন বাড়ানো হচ্ছে। সরকার তাদের ওপর ভর করে এ দেশের জনগণের বঞ্চিত করে দেশ শাসন করতে চায়।'

তিনি বলেন, 'সারা দেশে আওয়ামী লীগ সরকার গত এক যুগে যে ভয়াবহ তাণ্ডব সৃষ্টি করেছে, গণতন্ত্রকে যেভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে, মানুষের অধিকারগুলোকে যেভাবে কেড়ে নিয়েছে এবং মানুষের ওপর যে অত্যাচার-নির্যাতন করছে এটা নজিরবিহীন। সরকার বাংলাদেশে একটা নারকীয় অবস্থার তৈরি করে ফেলেছে।'

খালেদা জিয়ার কারাবাস সম্পর্কে বিএনপির মহাসচিব বলেন, 'একটি মিথ্যা মামলায় দেশনেত্রীকে কারাগারে রাখা হয়েছে। এই মামলায় অন্য সকল আসামির জামিন হয়েছে কিন্তু খালেদা জিয়ার জামিন দিচ্ছে না। কারণ সরকার বিচার বিভাগকে সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণ করছে, তাই দেশনেত্রীর জামিন হচ্ছে না। আমাদের আইনজীবীরা সব দিক দিয়ে চেষ্টা করেছেন। আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। দেশের মানুষ যদি তাদের অধিকার, স্বাধীনতা রক্ষা করতে চায়, তাহলে অবশ্যই সকলকে ঘুরে দাঁড়াতে হবে।'

সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সাহেবের মৃত্যুতে আমরা শোক প্রকাশ করেছি। কিন্তু এটাতো সত্য যে, তার সরকারের আমলেই এ দেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করা হয়েছে। তার আমলে বহু মানুষ নিহত হয়েছেন, ছাত্রদের হত্যা করা হয়েছে। জনগণের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে তাকে সরানো হয়েছে। আজকে আওয়ামী লীগ তাদের সঙ্গে জোট বেধে জনগণের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। আজকে তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দেওয়া হয়। আর যিনি গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করলেন, ৭১ সালে পাক সেনাদের হাতে বন্দী থাকলেন তাকে কারাগারের অন্ধকারের রাখা হচ্ছে।'

বরিশাল মহানগর বিএনপির সভাপতি মজিবুর রহমান সরোয়ারের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান হাফিজ উদ্দিন আহমেদ সহ স্থানীয় কয়েক হাজার নেতাকর্মী।

সিঙ্গাপুর নেওয়া হলো রফিকুল ইসলাম মিয়াকে

সিঙ্গাপুর নেওয়া হলো রফিকুল ইসলাম মিয়াকে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে সিঙ্গাপুর এয়ারওয়েজের একটি বিমানে তাকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত সহকারী মো. মোকছেদুর রহমান আবির।

তিনি জানিয়েছেন, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। এজন্য তাকে ইউনাইডেট হাসপাতাল থেকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়েছে। সেখানে ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হসপিটালের নিউরো সার্জন অধ্যাপক অং হি কিটের অধীনে মেরুদণ্ডে অস্ত্রোপচার করা হবে।

রফিকুল ইসলাম মিয়ার সঙ্গে তার সহধর্মিণী প্রফেসর ড. শাহিদা রফিক ও দুই ছেলে মাশরুর রফিক মিয়া ও শাহপুর রফিক মিয়া রয়েছেন বলেও জানান তিনি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র