Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হলেন টুকু ও সেলিমা

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হলেন টুকু ও সেলিমা
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও সেলিমা রহমান, ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও সেলিমা রহমানকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য করা হয়েছে। বুধবার (১৯ জুন) বার্তা২৪.কমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

সবশেষ ২০১৬ সালের কাউন্সিলে ১৯ সদস্যের স্থায়ী কমিটির মধ্যে ১৭ জনের নাম ঘোষণা করা হয়। সবশেষ যার নামটি আসে তিনি হলেন সালাউদ্দিন আহমেদ। এর দীর্ঘদিন পর স্থায়ী কমিটির পদ পূর্ণ করল দলটি। ১৭ এবং ১৮ নম্বর ঘরে উঠে এসেছে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও সেলিমা রহমানের নাম।

স্থায়ী কমিটির ১৯ সদস্য হচ্ছেন দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া (পদাধিকার বলে), ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান (পদাধিকার বলে), ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব‍্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব‍্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, তরিকুল ইসলাম (মৃত), মাহবুবুর রহমান, আ স ম হান্নান শাহ (মৃত), এম কে আনোয়ার (মৃত), রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (পদাধিকার বলে), আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাউদ্দিন আহমেদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও সেলিমা রহমান।

আপনার মতামত লিখুন :

জাতীয় পার্টিতে দ্বন্দ্ব-বিভেদ নেই: জি এম কাদের

জাতীয় পার্টিতে দ্বন্দ্ব-বিভেদ নেই: জি এম কাদের
জাতীয় পার্টির সংবাদ সম্মেলন

 

‘মিডিয়াকর্মীরা যেকোন তথ্যের জন্য আমার সঙ্গে কিংবা আমার প্রেস শাখার সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। প্রকাশ উপযোগী কোন তথ্য আপনাদের কাছে কখনোই গোপন রাখা হবে না’, বলেছেন জাতীয় পার্টির নতুন চেয়ারম্যান জি এম কাদের।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে জাতীয় পার্টির বনানী কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। এদিন জি এম কাদেরকে দলের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়।

জি এম কাদের বলেন, আমাদের এই বিপদের দিনে আপনারা আমাদের পাশে ছিলেন। বিপদে যে পাশে থাকে সেই তো প্রকৃত বন্ধু। তাই মিডিয়াকর্মীরা প্রমাণ করলেন, আপনারা আমাদের একান্ত আপন এবং প্রকৃত বন্ধু। আমাদের দুঃখে-সুখে সবসময় এভাবেই আমাদের পাশে থাকুন—আজ শোকাতুর হৃদয় নিয়ে আপনাদের কাছে এ আবেদন জানাতে চাই।

তিনি বলেন, ওনার (হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করার পর রংপুরে তার দাফন পর্যন্ত আপনারা মিডিয়াকর্মীরা যে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন তা আমার কাছে বর্ণনাতীত। এর জন্য শুধু কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলে খুব কম হয়ে যাবে। আমরা আপনাদের এই অবদানের কথা কোনদিন ভুলতে পারব না।

জি এম কাদের আরও বলেন, একটি বিষয় আমি আপনাদের সুস্পষ্টভাবে অবহিত করতে চাই, জাতীয় পার্টির মধ্যে কোনো ধরনের বিভেদ, দ্বন্দ্ব, মতানৈক্য নেই। আমরা ঐক্যবদ্ধ আছি এবং থাকব। ওনার শোককে আমরা শক্তিতে রূপান্তরিত করে তার আদর্শ ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাব।

তিনি বলেন, এরশাদের দাফন করার ব্যাপারে ঢাকার বনানীস্থ সেনা কবরস্থান ও রংপুরে তার নিজ বাসভবন পল্লী নিবাসের প্রস্তাব ছিল। শেষ পর্যন্ত রংপুরবাসীর ভালোবাসার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আমরা পারিবারিকভাবে রংপুরেই তাকে সমাহিত করেছি। সেখানে সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় এবং সামরিক মর্যাদায় তাকে দাফন করা হয়েছে। আমরা অচিরেই একটি স্মরণসভার আয়োজন করব।

জিএম কাদের বলেন, ওনার (এরশাদ) অসুস্থতা ও মৃত্যুর কারণে গত এক মাসে আমরা কোন সাংগঠনিক কাজে মন দিতে পারিনি। অচিরেই আমরা পার্টি থেকে সাংগঠনিক টিম গঠন করে প্রত্যেক বিভাগ ও জেলায় সংগঠনকে শক্তিশালী করার কাজ শুরু হবে।

জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদ আমৃত্যু দলের চেয়ারম্যান ছিলেন। গত রোববার (১৪ জুলাই) ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মারা যান তিনি। এর আগে গত ৪ মে ছোট ভাই জি এম কাদেরকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা দিয়েছিলেন এরশাদ।

শনিবার জাতীয় পার্টির জরুরি সভা

শনিবার জাতীয় পার্টির জরুরি সভা
ছবি: সংগৃহীত

আগামী শনিবার (২০ জুলাই) সকাল ১০টায় জাতীয় পার্টির নির্বাহী কমিটির জরুরি সভা আহ্বান করা হয়েছে। পার্টির বনানী কার্যালয়ে আয়োজিত এই সভায় দেশের বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় পার্টির কর্মসূচি নির্ধারণ করা হবে বলে জানা গেছে।

দলের প্রেসিডিয়ামের সদস্যবৃন্দ, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা, ভাইস চেয়ারম্যান, যুগ্ম মহাসচিব ও সম্পাদকমণ্ডীর সদস্য, নির্বাহী ও কেন্দ্রীয় সদস্যবৃন্দ, প্রত্যেক অঙ্গসংগঠনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, দুই মহানগরের থানা কমিটি সমূহের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দকে এই সভায় উপস্থিত থাকার জন্য বলা হয়েছে।

সম্ভব হলে ঢাকার বাইরে থেকেও সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দকে সভায় যোগদানের জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা এমপি।

এদিকে প্রত্যেক জেলা-উপজেলায় এরশাদের জন্য দোয়া ও স্মরণসভা আয়োজনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ৪০ দিন পর্যন্ত দোয়া ও স্মরণসভা আয়োজনের অনুরোধ জানিয়েছেন মসিউর রহমান রাঙ্গা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র