Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

আ'লীগকে প্রতিহত করার ঘোষণা জাপার

আ'লীগকে প্রতিহত করার ঘোষণা জাপার
জাপার ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংগঠনিক সভায় দলের নেতাকর্মীরা, ছবি: বার্তা২৪.কম
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা বলেছেন, 'আমরা সমর্থন দিয়ে আওয়ামী লীগকে ২১ বছর পর ক্ষমতায় এনেছি। আওয়ামী লীগ আমাদের লোকজনকে হয়রানি করার চেষ্টা করলে আর ছাড় দেওয়া হবে না। এখন থেকে প্রতিহত করা হবে।'

সোমবার (২৪ জুন) মতিঝিল এজিবি কলোনি কমিউনিটি সেন্টারে জাতীয় পার্টি ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংগঠনিক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

রাঙ্গা বলেন, 'জাতীয় পার্টি আর অলিখিতভাবে কোনো এলায়েন্সে নেই। আমরা আর ভবিষ্যতে এলায়েন্স করব না, এককভাবে নির্বাচন করব। মহাজোটে আমাদের ২২ আসন কেন জানতে চাই।'

তিনি বলেন, 'হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ও জিএম কাদেরের নেতৃত্ব যারা মানে না, যারা ষড়যন্ত্র করে তাদের প্রতিহত করা হবে। আজকের সভায় যারা আসেনি যুক্তিসঙ্গত কারণ না থাকলে তাদের বহিষ্কার করা হবে। যেসব প্রেসিডিয়াম সদস্যের এলাকায় গ্রহণযোগ্যতা নেই তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।'

দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেন, 'পার্টির চেয়ারম্যান (হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ) স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারছেন না, আপনাদের প্রশ্ন আছে, অনেক অভিযোগ আছে। পার্টির মালিক নেতাকর্মীরা, সকলের মতামতের ভিত্তিতে পার্টি পরিচালিত হবে।'

তিনি আরও বলেন, 'নানা ষড়যন্ত্রের মধ্যে দিয়ে ২৯ বছর রাজনীতি করে জাপা এক সন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়িয়েছে। দেশের মানুষ মনে করছে জাতীয় পার্টিই তাদের কাঙ্ক্ষিত স্বপ্ন পূরণ করতে পারবে।'

সাংগঠনিক সভায় ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের জেলা, মহানগর, উপজেলা, পৌরসভার নেতারা অংশ নিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন :

জাতীয় পার্টিতে দ্বন্দ্ব-বিভেদ নেই: জি এম কাদের

জাতীয় পার্টিতে দ্বন্দ্ব-বিভেদ নেই: জি এম কাদের
জাতীয় পার্টির সংবাদ সম্মেলন

 

‘মিডিয়াকর্মীরা যেকোন তথ্যের জন্য আমার সঙ্গে কিংবা আমার প্রেস শাখার সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। প্রকাশ উপযোগী কোন তথ্য আপনাদের কাছে কখনোই গোপন রাখা হবে না’, বলেছেন জাতীয় পার্টির নতুন চেয়ারম্যান জি এম কাদের।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে জাতীয় পার্টির বনানী কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। এদিন জি এম কাদেরকে দলের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়।

জি এম কাদের বলেন, আমাদের এই বিপদের দিনে আপনারা আমাদের পাশে ছিলেন। বিপদে যে পাশে থাকে সেই তো প্রকৃত বন্ধু। তাই মিডিয়াকর্মীরা প্রমাণ করলেন, আপনারা আমাদের একান্ত আপন এবং প্রকৃত বন্ধু। আমাদের দুঃখে-সুখে সবসময় এভাবেই আমাদের পাশে থাকুন—আজ শোকাতুর হৃদয় নিয়ে আপনাদের কাছে এ আবেদন জানাতে চাই।

তিনি বলেন, ওনার (হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করার পর রংপুরে তার দাফন পর্যন্ত আপনারা মিডিয়াকর্মীরা যে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন তা আমার কাছে বর্ণনাতীত। এর জন্য শুধু কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলে খুব কম হয়ে যাবে। আমরা আপনাদের এই অবদানের কথা কোনদিন ভুলতে পারব না।

জি এম কাদের আরও বলেন, একটি বিষয় আমি আপনাদের সুস্পষ্টভাবে অবহিত করতে চাই, জাতীয় পার্টির মধ্যে কোনো ধরনের বিভেদ, দ্বন্দ্ব, মতানৈক্য নেই। আমরা ঐক্যবদ্ধ আছি এবং থাকব। ওনার শোককে আমরা শক্তিতে রূপান্তরিত করে তার আদর্শ ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাব।

তিনি বলেন, এরশাদের দাফন করার ব্যাপারে ঢাকার বনানীস্থ সেনা কবরস্থান ও রংপুরে তার নিজ বাসভবন পল্লী নিবাসের প্রস্তাব ছিল। শেষ পর্যন্ত রংপুরবাসীর ভালোবাসার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আমরা পারিবারিকভাবে রংপুরেই তাকে সমাহিত করেছি। সেখানে সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় এবং সামরিক মর্যাদায় তাকে দাফন করা হয়েছে। আমরা অচিরেই একটি স্মরণসভার আয়োজন করব।

জিএম কাদের বলেন, ওনার (এরশাদ) অসুস্থতা ও মৃত্যুর কারণে গত এক মাসে আমরা কোন সাংগঠনিক কাজে মন দিতে পারিনি। অচিরেই আমরা পার্টি থেকে সাংগঠনিক টিম গঠন করে প্রত্যেক বিভাগ ও জেলায় সংগঠনকে শক্তিশালী করার কাজ শুরু হবে।

জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদ আমৃত্যু দলের চেয়ারম্যান ছিলেন। গত রোববার (১৪ জুলাই) ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মারা যান তিনি। এর আগে গত ৪ মে ছোট ভাই জি এম কাদেরকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা দিয়েছিলেন এরশাদ।

শনিবার জাতীয় পার্টির জরুরি সভা

শনিবার জাতীয় পার্টির জরুরি সভা
ছবি: সংগৃহীত

আগামী শনিবার (২০ জুলাই) সকাল ১০টায় জাতীয় পার্টির নির্বাহী কমিটির জরুরি সভা আহ্বান করা হয়েছে। পার্টির বনানী কার্যালয়ে আয়োজিত এই সভায় দেশের বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় পার্টির কর্মসূচি নির্ধারণ করা হবে বলে জানা গেছে।

দলের প্রেসিডিয়ামের সদস্যবৃন্দ, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা, ভাইস চেয়ারম্যান, যুগ্ম মহাসচিব ও সম্পাদকমণ্ডীর সদস্য, নির্বাহী ও কেন্দ্রীয় সদস্যবৃন্দ, প্রত্যেক অঙ্গসংগঠনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, দুই মহানগরের থানা কমিটি সমূহের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দকে এই সভায় উপস্থিত থাকার জন্য বলা হয়েছে।

সম্ভব হলে ঢাকার বাইরে থেকেও সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দকে সভায় যোগদানের জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা এমপি।

এদিকে প্রত্যেক জেলা-উপজেলায় এরশাদের জন্য দোয়া ও স্মরণসভা আয়োজনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ৪০ দিন পর্যন্ত দোয়া ও স্মরণসভা আয়োজনের অনুরোধ জানিয়েছেন মসিউর রহমান রাঙ্গা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র