Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বিএনপি কার্যালয়ে ছাত্রদলের 'বয়স্কদের' ভাঙচুর, আহত ১

বিএনপি কার্যালয়ে ছাত্রদলের 'বয়স্কদের' ভাঙচুর, আহত ১
বিএনপি কার্যালয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ভাঙচুর, ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর নয়া পল্টনস্থ বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে ছাত্রদলের একাংশ। এই ঘটনায় একজন আহত হয়েছে বলেও জানা যায়।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) ১১টা থেকে ছাত্রদলের নিয়মিতরা কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে স্লোগান দিচ্ছিল। পরবর্তীতে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে বহিষ্কৃত বয়স্ক ছাত্রদলের নেতাদের নেতৃত্বে প্রায় দুই-তিন শতাধিক নেতাকর্মী মিছিল নিয়ে এসে নিয়মিতদের ধাওয়া দেয়। এতে অবস্থানরত নেতাকর্মীরা বিএনপি কার্যালয়ের ভেতরে ঢুকে পড়ে।

বিএনপি কার্যালয়ে ছাত্রদলের 'বয়স্কদের' ভাঙচুর

পরে বহিষ্কৃত নেতাকর্মীরাও সেখানে প্রবেশ করতে চায়। এ সময় কার্যালয়ের নিচতলার প্রবেশমুখে থাকা চেয়ার টেবিল ভাঙচুর করে তারা। একইসঙ্গে প্রবেশ পথে থাকা সিসি ক্যামেরাও ভাঙচুর করে। কিছু নেতাকর্মী কার্যালয়ে প্রবেশ করে ২-৩ তলায় উঠে। সেখানে হাতাহাতিতে মাহবুবুর রহমান ইমতিয়াজ নামের একজন আহত হয়।

বিএনপি কার্যালয়ে ছাত্রদলের 'বয়স্কদের' ভাঙচুর

আহত কর্মী জানান, ডাকসুর এজিএস পদপ্রার্থী খোরশেদ আলম সোহেল তাজ তার ওপর হামলা চালায়।

পরে বহিষ্কৃত নেতাকর্মীরা কাউন্সিলের তফসিল বাতিল করে নিয়মিত ছাত্রদের নিয়ে কমিটি গঠনের দাবিতে কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয়। এছাড়া কমিটিতে বয়সসীমা তুলে দেওয়ার দাবিও জানায় তারা।

ছাত্রদলের বিলুপ্ত কমিটির সহ-সভাপতি ইকতিয়ার কবির বার্তা২৪.কম-কে বলেন, 'ভেতরে যারা আছেন তারা চেয়ার, টেবিল, সিসি ক্যামেরা এগুলো ভেঙেছে। আমরা যখন ভেতরে প্রবেশ করতে যাই, তখন ভিতরে যারা ছিল তারা কাপ, প্রিস ছুড়ে মেরেছে। এতে আমাদের একজন আহত হয়েছেন।'

এ সময় আহত নেতা তার হাত দেখিয়ে বলেন, 'এই যে দেখেন আমার হাতেও লেগেছে'।

এর আগে সকাল ১১টার দিকে ছাত্রদলের সাবেক নেতা ও বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী সাংবাদিকদের বলেন, 'যারা আন্দোলন করছে তারা আমাদেরই ছোট ভাই, আমরা আশা করব সিনিয়র নেতারা যে তফসিল ঘোষণা করেছে তা মেনে নিয়ে আমাদের সহযোগিতা করবে।'

জানা গেছে, ইতোমধ্যেই কার্যালয় ত্যাগ করেছে বয়স্ক নেতাকর্মীরা। তারা যাওয়ার সময় একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। বর্তমানে কাউন্সিলের পক্ষের নেতাকর্মীরা কার্যালয়ের সামনে অবস্থানে রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

ধর্ষণের উৎসব শুরু হয়েছে: মির্জা ফখরুল

ধর্ষণের উৎসব শুরু হয়েছে: মির্জা ফখরুল
বিভাগীয় সম্মেলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, 'পত্রিকা খুললেই ধর্ষণ ছাড়া কোনো খবর নাই। ১০ বছর, ছয় বছর, পাঁচ বছর, ১০০ বছরের নারীকেও পর্যন্ত ধর্ষণ করা হচ্ছে। দেশে ধর্ষণের উৎসব শুরু হয়েছে।'

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে বরিশাল মহানগরের কেন্দ্রীয় হেমায়েত উদ্দিন ঈদগাহ মাঠে এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে বিভাগীয় সমাবেশের অংশ হিসেবে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল বলেন, 'প্রতিদিন শুধু হত্যা আর হত্যা। এমনকি আদালত পর্যন্ত বাদ যাচ্ছে না। সেটাও নিরাপদ জায়গা নয়। সেখানে গিয়ে বিচারকের সামনে হত্যা করা হচ্ছে। কোথায় যাবেন? কার কাছে যাবেন? সরকার খুব ঢোল বাজায়, নিজেরাই বাজাচ্ছে উন্নয়ন, উন্নয়ন, উন্নয়ন। এমন উন্নয়ন যে, দেশের মানুষ মারা যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। অথচ কৃষক তার ধানের মূল্য পায় না, সরকারি কর্মচারীদের বেতন ভাতা দিন দিন বাড়ানো হচ্ছে। সরকার তাদের ওপর ভর করে এ দেশের জনগণের বঞ্চিত করে দেশ শাসন করতে চায়।'

তিনি বলেন, 'সারা দেশে আওয়ামী লীগ সরকার গত এক যুগে যে ভয়াবহ তাণ্ডব সৃষ্টি করেছে, গণতন্ত্রকে যেভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে, মানুষের অধিকারগুলোকে যেভাবে কেড়ে নিয়েছে এবং মানুষের ওপর যে অত্যাচার-নির্যাতন করছে এটা নজিরবিহীন। সরকার বাংলাদেশে একটা নারকীয় অবস্থার তৈরি করে ফেলেছে।'

খালেদা জিয়ার কারাবাস সম্পর্কে বিএনপির মহাসচিব বলেন, 'একটি মিথ্যা মামলায় দেশনেত্রীকে কারাগারে রাখা হয়েছে। এই মামলায় অন্য সকল আসামির জামিন হয়েছে কিন্তু খালেদা জিয়ার জামিন দিচ্ছে না। কারণ সরকার বিচার বিভাগকে সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণ করছে, তাই দেশনেত্রীর জামিন হচ্ছে না। আমাদের আইনজীবীরা সব দিক দিয়ে চেষ্টা করেছেন। আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। দেশের মানুষ যদি তাদের অধিকার, স্বাধীনতা রক্ষা করতে চায়, তাহলে অবশ্যই সকলকে ঘুরে দাঁড়াতে হবে।'

সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সাহেবের মৃত্যুতে আমরা শোক প্রকাশ করেছি। কিন্তু এটাতো সত্য যে, তার সরকারের আমলেই এ দেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করা হয়েছে। তার আমলে বহু মানুষ নিহত হয়েছেন, ছাত্রদের হত্যা করা হয়েছে। জনগণের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে তাকে সরানো হয়েছে। আজকে আওয়ামী লীগ তাদের সঙ্গে জোট বেধে জনগণের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। আজকে তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দেওয়া হয়। আর যিনি গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করলেন, ৭১ সালে পাক সেনাদের হাতে বন্দী থাকলেন তাকে কারাগারের অন্ধকারের রাখা হচ্ছে।'

বরিশাল মহানগর বিএনপির সভাপতি মজিবুর রহমান সরোয়ারের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান হাফিজ উদ্দিন আহমেদ সহ স্থানীয় কয়েক হাজার নেতাকর্মী।

সিঙ্গাপুর নেওয়া হলো রফিকুল ইসলাম মিয়াকে

সিঙ্গাপুর নেওয়া হলো রফিকুল ইসলাম মিয়াকে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে সিঙ্গাপুর এয়ারওয়েজের একটি বিমানে তাকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত সহকারী মো. মোকছেদুর রহমান আবির।

তিনি জানিয়েছেন, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। এজন্য তাকে ইউনাইডেট হাসপাতাল থেকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়েছে। সেখানে ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হসপিটালের নিউরো সার্জন অধ্যাপক অং হি কিটের অধীনে মেরুদণ্ডে অস্ত্রোপচার করা হবে।

রফিকুল ইসলাম মিয়ার সঙ্গে তার সহধর্মিণী প্রফেসর ড. শাহিদা রফিক ও দুই ছেলে মাশরুর রফিক মিয়া ও শাহপুর রফিক মিয়া রয়েছেন বলেও জানান তিনি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র