Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ভবিষ্যতে জোটের নেতৃত্ব দেবে জাতীয় পার্টি: জিএম কাদের

ভবিষ্যতে জোটের নেতৃত্ব দেবে জাতীয় পার্টি: জিএম কাদের
বক্তব্য রাখছেন জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জি এম কাদের, ছবি: সংগৃহীত
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও সংসদ সদস্য জি এম কাদের বলেছেন, ‘ভবিষ্যতে জাতীয় পার্টি একটি জোটের নেতৃত্ব দেবে। একটি সম্ভাবনাময় দল হিসেবে জাতীয় পার্টির নেতৃত্বাধীন জোট আগামী দিনে সরকার গঠন করতে পারবে।’

মঙ্গলবার (২৫ জুন) রাজধানীর এজিবি কলোনি কমিউনিটি সেন্টারে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সভায় বক্তৃতাকালে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন না করলে বাংলাদেশে ভালো ফলাফল করা যাচ্ছে না। প্রতিটি দলই জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করছে। কিন্তু বড় দলগুলোর সঙ্গে জোটবদ্ধ হলে ছোট দলগুলো অস্তিত্ব সঙ্কটে পড়ে। তাই জাতীয় পার্টিকে আরো শক্তিশালী করতে পারলে আমরা আমাদের স্বকীয়তা নিয়ে রাজনীতিতে একটি জোটের নেতৃত্ব দিতে পারব। রাষ্ট্র ক্ষমতা গ্রহণে জাতীয় পার্টি নিয়ামক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত আছে। আগামীতে জাতীয় পার্টি সাধারণ মানুষের সমর্থন নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারবে।’

‘দীর্ঘ ২৯ বছরে জাতীয় পার্টি ক্ষমতার বাইরে থেকে ঘাত-প্রতিঘাত ও চাড়াই-উৎরাই পেরিয়ে, সব প্রতিকূল পরিবেশ মোকাবেলা করে একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে। পার্টি চলবে গঠনতন্ত্রের নির্দেশনায়। তৃণমূল নেতাকর্মীদের মতামত, পরামর্শ এবং শক্তিতে জাতীয় পার্টি পরিচালিত হবে। আমি পারিবারিক পরিচয়ে নেতৃত্ব দিতে চাই না। পার্টির সাধারণ কর্মীদের সমর্থন ও আস্থা নিয়ে জাতীয় পার্টিকে এগিয়ে নিতে চাই,’ যোগ করেন জিএম কাদের।

তিনি বলেন, ‘সবাইকে নিয়েই রাজনীতি করতে চাই আমরা। জামিদারি বা কর্তৃত্ব করতে রাজনীতি করি না। তৃণমূলে যারা জাতীয় পার্টিকে শক্তিশালী করবে, তারাই সম্মান ও মর্যাদা নিয়ে রাজনীতি করবে আমাদের সঙ্গে।’

জাতীয় পার্টির মহাসচিব ও সংসদ সদস্য মসিউর রহমান রাঙ্গা বলেন, ‘আওয়ামী লীগে পাঁচ ভাগ, বিএনপিতে চার ভাগ, কিন্তু জাতীয় পার্টি এক ভাগ। জাতীয় পার্টিতে কোনো কোন্দল বা দ্বন্দ্ব নেই। কোনো বিভেদ নেই জাতীয় পার্টিতে। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নির্দেশে আমরা গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদেরের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ।’

তিনি বলেন, ‘পার্টিকে আরো শক্তিশালী করতে হবে। জাতীয় পার্টি শক্তিশালী ছিল বলেই আওয়ামী লীগ জাতীয় পার্টির সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। জাতীয় পার্টি কখনোই লোভের কাছে মাথা নত করেনি, তাই জাতীয় পার্টিকে দালাল বলা যাবে না। বরং আওয়ামী লীগই দালাল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। জাতীয় পার্টির ৫৭টি আসনে মাত্র ২২টি আসনে ছাড় দিয়েছে।’

‘রংপুর-রাজশাহী বিভাগে জাতীয় পার্টির ব্যাপক সমর্থন রয়েছে। এখন শুধু জাতীয় পার্টির সমর্থকদের সংগঠনের অধীনে সংঘবদ্ধ করতে হবে। অনেকেই দল ছেড়ে চলে গেছেন, অনেকে নিষ্কৃয় অবস্থায় আছেন। সবাইকে নিয়ে শক্তিশালী জাতীয় পার্টি গড়ে তুলতে হবে,’ যোগ করেন রাঙ্গা।

এ সভায় প্রতিটি জেলা, মহানগর, উপজেলা ও পৌরসভা কমিটির নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য মো. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী এমপি, অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূইয়া, ফখরুজ্জামান জাহাঙ্গীর, আলমগীর সিরকার লোটন প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন :

‘লবিং নয়, যোগ্যতা দিয়েই ছাত্রলীগের নেতা হতে হবে’

‘লবিং নয়, যোগ্যতা দিয়েই ছাত্রলীগের নেতা হতে হবে’
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

বাংলাদেশে অধিকার আদায়ের সব আন্দোলনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) অবদান আছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল। শনিবার (২০ জুলাই) জবি ছাত্রলীগের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নেতৃত্বে যেই আসুক তাকে মেনে নিয়ে শেখ হাসিনার স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানাচ্ছি। যার ছাত্রত্ব আছে জবি ছাত্রলীগের নেতৃত্ব তাকেই দেওয়া হবে।

সম্মেলনের প্রধান বক্তা কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী বলেন, লবিং তদবির করে নেতা হওয়া যাবে না। ছাত্রলীগের নেতা হতে হলে যোগ্যতা দিয়েই নেতা হতে হবে।

সম্মেলনের উদ্বোধক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন বলেন, প্রার্থীদের সবাই পদ পাবে না। তাই পদ না পেয়ে হারিয়ে যাওয়া যাবে না। একজন ছাত্রলীগ কর্মী হিসেবে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এক হয়ে কাজ করতে হবে।

সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক আশরাফুল ইসলাম টিটনের সভাপত্বিতে ও যুগ্ম আহবায়ক জামাল উদ্দীনের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য নজিবুল্লাহ হীরু, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাবু এবং ছাত্রলীগের সাবেক নেতৃবৃন্দ।

উল্লখ্য, সকালে সম্মেলন শুরু হওয়ার কথা থাকলেও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের আসতে দেরি হওয়ায় সম্মেলন শুরু হয় বিকেল ৩টায়।

দেশে মেগা প্রকল্পের নামে মেগা লুট চলছে: ফখরুল

দেশে মেগা প্রকল্পের নামে মেগা লুট চলছে: ফখরুল
চট্টগ্রামে বিভাগীয় সমাবেশে বক্তব্য রাখছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘সরকার উন্নয়নের নামে ঢোল পিটিয়ে মেগা প্রকল্পের নামে মেগা হরিলুট করছে। দেশের ব্যাংকগুলো রুগ্ন হয়ে গেছে। গোটা অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ঋণ নির্ভর হয়ে পড়ছে। এভাবে চলতে থাকলে দেশ গভীর অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে পড়বে।’

শনিবার (২০জুলাই) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম নাসিম ভবনের সামনে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বাজেট ঘোষণার পরই গ্যাস, জ্বালানিসহ প্রত্যেকটা জিনিসের দাম বাড়ানো হয়েছে। নিজেরা ঢোল বাজিয়ে দেশে উন্নয়নের লহরী ভরিয়ে দিয়েছে। দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের কথা বাদ দিয়ে তারা লুটপাটকারীদের সুবিধার্থে কালো টাকা সাদা করার ব্যবস্থা করে দিয়েছে।’

নির্বাচন কমিশনারের হজ প্রসঙ্গে ফখরুল বলেন, ‘সাংবিধানিক ব্যবস্থা এত লজ্জাজনক অবস্থায় গেছে, যেখানে নির্বাচন কমিশনার একটি দলের তত্ত্বাবধায়কের সদস্য হয়ে হজ করতে যাচ্ছেন। উপহার হিসেবে আপনাকে হজ করতে পাঠানো হলো। এই নির্বাচন কমিশনের অধীনে কোনো গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হতে পারে না।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, মামলায় ভারাক্রান্ত হয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা পালিয়ে গিয়ে রিকশা চালাচ্ছেন, হকারের কাজ করছেন। খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় কারাবন্দী করে রেখেছে। আইনজীবীদের শত প্রচেষ্টা সত্ত্বেও শেখ হাসিনার নির্দেশ ছাড়া তাঁর মুক্তি মিলছে না।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563634869186.gif

এর আগে বক্তব্যের শুরুতে ফখরুল দেশের বন্যর্তদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য বিএনপি নেতাকর্মীদের আহ্বান জানান।

দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ বলেন, ‘সরকারের একঘেয়েমির কারণে পৃথিবীর কেউ আমাদের দেখতে পারে না। অবিলেম্বে রোহিঙ্গাদের তাদের ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে। অন্যথায় সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। নির্বাচিত সরকার এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে।

চট্টগ্রাম নগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আউয়াল মিন্টু, আবদুল্লাহ আল নোমান, সুকুমার রায়, গিয়াস উদ্দিন কাদের, বরকত উল্লাহ বুলু, স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম, খন্দকার মোশারফ হোসেন, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সাবেক চিফ হুইপ জয়নাল আবেদীন ফারুক সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।

এদিকে বিভাগীয় সমাবেশ ঘিরে নেতাকর্মীদের মাঝে বিরাজ করে উৎসবের আমেজ। দলীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠানের অনুমতি থাকলেও নেতাকর্মীদের আগমনে সমাবেশ ছড়িয়ে পড়ে কাজীর দেউড়ি, লাভলেইন এলাকায়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র