Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

আ'লীগে বিশুদ্ধ রক্ত সঞ্চালন করতে চাই: কাদের

আ'লীগে বিশুদ্ধ রক্ত সঞ্চালন করতে চাই: কাদের
সভায় ওবায়দুল কাদেরসহ দলের নেতাকর্মীরা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

দলের নেতাকর্মী নির্বাচনের প্রাথমিক সংগ্রহে আওয়ামী লীগ সর্তক ও সাবধান বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেছেনন, 'দলে বিশুদ্ধ রক্ত সঞ্চালন করতে চাই, দূষিত রক্তের কোনো প্রয়োজন নেই। নির্বাচনে যেসব নতুন ও নবীন মুখ আওয়ামী লীগের পক্ষে সমর্থন দিয়েছে, নৌকার পক্ষে মিছিল করেছে তাদেরকে দলের প্রাথমিক সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি আমাদের চিন্তা ভাবনা করতে হবে।'

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক সভায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, 'মনে রাখতে হবে আওয়ামী লীগের সদস্যপদ যাকে তাকে আমরা দিতে পারব না, নির্বাচনের জোয়ারে অনেকে আওয়ামী লীগের প্রচারণায় অংশ নিয়েছে, নৌকার পক্ষে মিছিল করেছে কিন্তু আমরা শুধু তাদের বিবেচনায় নিতে পারব। আমাদের নীতি আদর্শ কতটা অনুমোদন করবে, সেটা আমাদের ভাবতে হবে। চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা আওয়ামী লীগের সদস্য হতে পারবে না। চিহ্নিত দুর্নীতিবাজ কেউ আওয়ামী লীগের সদস্য হতে পারবে না। স্বাধীনতাবিরোধী সাম্প্রদায়িক শক্তি কেউ আওয়ামী লীগের লীগের সদস্য পদ পারবে না।'

দুষ্ট গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল অনেক ভালো মন্তব্য করে তিনি বলেন, 'আমাদের কোয়ালিটির উপর গুরুত্ব দিতে হবে; কোয়ালিটি আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার। জনগণের কাছে যাদের ভাবমূর্তি প্রশ্নের সম্মুখীন, জনগণের কাছে যারা ভালো মানুষ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। এসব লোকের আওয়ামী লীগের প্রয়োজন নেই।'

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, 'খারাপ লোক থেকে দলকে মুক্ত করে, দলে বিশুদ্ধ রক্ত সঞ্চালন করতে চাই; দূষিত রক্ত কোন প্রয়োজন নেই। পার্টি শৃঙ্খলার বিষয়ে ভাবতে হবে। শৃঙ্খলা ছাড়া দলের গতিশীলতা দলের কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত হয়। কাজেই আমাদের যেকোনো মূল্যে দলের অভ্যন্তরে ছোট খাটো কলহ কোন্দল এবং শৃঙ্খলা জনিত সংকট আছে সমাধানে খুবই মনোযোগী হতে হবে।'

পদ্মা সেতু নিয়ে গুজবকে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে উল্লেখ করে সেতুমন্ত্রী বলেন, 'আজকে দেখুন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একের পর এক গুজব। গুজবের ডালপালা আজকে বিস্তার করছে। পদ্মা সেতু হচ্ছে আমাদের নিজস্ব অর্থায়নে এটা যারা সইতে পারে না, এটা তাদের গায়ে জ্বালা ধরিয়ে দিয়েছে। তাই এখন বলে, পদ্মা সেতুর জন্য নাকি লাখের বেশি মানুষের মাথা আর রক্তের প্রয়োজন, এরকম উদ্ভট উন্মাদদের বক্তব্য। এসব অপপ্রচার বিরুদ্ধে আপনাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সজাগ হতে হবে। সর্বমুখী যুদ্ধে লিপ্ত হতে হবে। শুধু রাজপথে স্লোগানে নয়; আজকে সাইবার অ্যাটাকেও কাউন্টার দিতে হবে।'

এ সময় অপশক্তির অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

তিনি বলেন, 'আপনারা বিভ্রান্ত হচ্ছেন-পদ্মা সেতুর জন্য মানুষের কল্লার (মাথার) দরকার; রক্তের দরকার- এসব নিয়ে তারা অপপ্রচার করে। কী নির্মম নিষ্ঠুর এদের রাজনীতি। এরা রাজনীতির আন্দোলনে ব্যর্থ; নির্বাচনেও ব্যর্থ। এখন শুরু করেছে অপপ্রচার। অপপ্রচার ছাড়া তাদের আর কোনো পুঁজি নেই। এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।'

সভায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসনাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ।

আপনার মতামত লিখুন :

গণতন্ত্র মুক্ত করে ঘরে ফির‌ব: দুদু

গণতন্ত্র মুক্ত করে ঘরে ফির‌ব: দুদু
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

বিএনপি'র ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, ইতোমধ্যে বিএনপি রাস্তায় নেমেছে। এই রাস্তার আন্দোলনকে বেগবান করার জন্য আমরা বিভিন্ন জায়গায় সমাবেশ করছি। আন্দোলন শুরু হয়ে গেছে। খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে, গণতন্ত্রকে মুক্ত করে, মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দিয়ে তবেই আমরা ঘরে ফির‌ব।

শনিবার (২০ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন। মানবন্ধনের আয়োজন করে ‘জিয়া পরিষদ’।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শামসুজ্জামান দুদু ব‌লেন, 'ভাব‌তে কষ্ট হয়, বাংলাদেশের কৃষক শ্রমিক মেহনতি মানুষের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী, যিনি বাংলাদেশের গণমানুষের কাজ করার জন্য অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, ক্ষমতার বাইরে থেকেও এবং ক্ষমতায় গিয়েও। সেই নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সরকার বন্দী করে রেখেছে একটি মিথ্যা বানোয়াট মামলায়; তথাকথিত বিচারের নামে ভয়ঙ্কর একটি পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে।'

তিনি বলেন, দেশনেত্রীর জন্য এবং স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের অত্যাচার যারা সহ্য করেছেন, তাদের জন্য ইতোমধ্যে বিএনপি রাস্তায় নেমে গেছে। এই রাস্তার আন্দোলনকে বেগবান করার জন্য আমরা বরিশালে সমাবেশ করেছি। শনিবার (২০ জুলাই) সমাবেশ হবে চট্টগ্রামে। ২৫ জুলাই হবে খুলনায়, তারপর সব জেলায়।

বিএনপি নেতা ব‌লেন, শিক্ষকরা পেটের তাগিদে রাস্তায়, সাংবাদিকদের চাকরির নিশ্চয়তা নেই, শ্রমিকের শ্রমের মূল্য নেই, আদালতে গিয়ে বিচারকের সামনে সন্ত্রাসীরা খুন করছে। দেশে স্বাভাবিক কোনো নির্বাচন হয় না। জাতীয় সংসদ নির্বাচন, পৌরসভা, উপজেলাসহ কোনো নির্বাচনই স্বাভাবিকভাবে হয় না। বাংলাদেশের পরিবর্তনের জন্য যে নির্বাচন সেই নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে। একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে ফেলেছে। যদি এই সরকার ক্ষমতায় থেকে যায় তাহলে মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদ, ২ লাখ মা-বোন সম্ভ্রম হারিয়েছিল, সেসব মিথ্যা হয়ে যাবে।

আয়োজক সংগঠনের চেয়ারম্যান কবির মুরাদের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুল কুদ্দুস, সংগঠনের মহাসচিব ড. মমতাজ হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব আব্দুল্লাহ হিল মাসুদ, ভাইস চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম, কৃষকদলের সদস্য লায়ন মিয়া মো. আনোয়ার, কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন প্রমুখ।

৯৯ শতাংশ প্রেসিডিয়ামের সমর্থন পাচ্ছি: জিএম কাদের

৯৯ শতাংশ প্রেসিডিয়ামের সমর্থন পাচ্ছি: জিএম কাদের
পার্টির যৌথসভা শেষে জাপা চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের সংবাদ সম্মেলন/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

জাতীয় পার্টির (জাপা) ৯৯ শতাংশ প্রেসিডিয়াম সদস্যের সমর্থন পাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের।

শনিবার (২০ জুলাই) জাতীয় পার্টির বনানী কার্যালয়ে পার্টির জরুরি যৌথসভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

জিএম কাদের বলেন, ‘বন্যার্তদের সহায়তার কর্মসূচি প্রণয়নের জন্য বৈঠক করা হয়েছে। মিটিংয়ে ৮০ শতাংশ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আমি আগে থেকেই দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। পার্টির চেয়ারম্যান জীবিত থাকা অবস্থায় আমাকে ভবিষ্যৎ চেয়ারম্যান ঘোষণা করেছেন। পার্টির গঠনতন্ত্র তাকে সেই ক্ষমতা দিয়েছে।’

এরশাদ সব সময় নিজেকে শৃঙ্খলিত বলে মন্তব্য করতেন। আপনিও কি তেমন অবস্থার মধ্যে আছেন কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে জিএম কাদের বলেন, ‘দায়িত্বটাই একটা শৃঙ্খল। অনেক কিছু চাইলেই করা যায় না। আপনি যদি বিয়েও করেন তখনও কিন্তু কিছু শৃঙ্খল তৈরি হয়।’

দেশের বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় কর্মসূচি গ্রহণের জন্য ডাকা এই সভায় কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, অঙ্গ, সহযোগী সংগঠনের সভাপতি, সম্পাদক ও মহানগর জাতীয় পার্টির থানা সমুহের সভাপতি, সম্পাদকদের ডাকা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা, প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাড. সিরাজুল ইসলাম, অ্যাড. সালমা ইসলাম, সহিদুর রহমান টেপা, সুনীল শুভরায়, হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী, ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারি, ছাত্র সমাজ নেতা ফয়সাল দিদার দীপু প্রমুখ।

জিএম কাদের চেয়ারম্যান হওয়ার পর এটাই প্রথম যৌথসভা। সভার শুরুতে জিএম কাদেরকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র