Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

ধর্ষকের শাস্তি আমৃত্যু কারাদণ্ড হোক: বি. চৌধুরী

ধর্ষকের শাস্তি আমৃত্যু কারাদণ্ড হোক: বি. চৌধুরী
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশে ধর্ষকের শাস্তি যাবজ্জীবন থেকে আমৃত্যু কারাদণ্ড করার দাবি জানিয়েছেন বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ও যুক্তফ্রন্টের চেয়ারম্যান এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নারী ও শিশু নির্যাতন আইন (২০০৩) প্রয়োগের দাবিতে এক মানববন্ধনে তিনি এ দাবি জানান। বিকল্পধারা বাংলাদেশ এ মানববন্ধনের আয়োজন করে।

বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেন, ‘শিশুদের যারা ধর্ষণ করে তারা মানুষ হতে পারে না। আজকে ভারতবর্ষে আইন পাস করা হয়েছে ১২ বছরের নিচের শিশুদের যারা ধর্ষণ করবে তাদের একমাত্র শাস্তি হবে মৃত্যুদণ্ড। আমরা মৃত্যুদণ্ডের বিরোধী। কিন্তু যেখানে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড রয়েছে সেখানে যাবজ্জীবন কেটে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিতে হবে। এই ব্যবস্থা আপনি (প্রধানমন্ত্রী) করুন। সারাদেশের জনগণ আপনাকে সমর্থন করবে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/18/1563439240641.jpg

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে আজকে ধর্ষণের সংখ্যা বাড়ছে। এই লজ্জা সারা পৃথিবীর কাছে আমাদের মাথা হেট করে দিয়েছে। আজকে আমাদের মায়েরা, মেয়েরা, কন্যারা কেউ নিরাপদ নয়। স্কুলে তারা নিরাপদ নয়, বাড়িতে নিরাপদ নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরাপদ নয়, এমনকি মাদরাসায়ও নিরাপদ নয়। এর চেয়ে বড় লজ্জার আর কি হতে পারে। প্রধানমন্ত্রী আপনি একজন নারী, আপনি একজন মা। সেই হিসেবে সারা দেশের সঙ্গে আমরা কণ্ঠ মিলিয়ে বলছি আমাদের দাবি মানতে হবে।’

যুক্তফ্রন্টের চেয়ারম্যান বলেন, ‘আজকে যে ধর্ষণের সংখ্যা বেড়েছে তা জাতির জন্য, ইতিহাসের জন্য বড় লজ্জার। ধর্ষণের জন্য বড় বড় আইন আছে, কিন্তু সেই আইনের প্রয়োগ আমরা দেখতে পাই না। যেভাবে আইন প্রয়োগ করার কথা ছিল সেভাবে আইন প্রয়োগ করা হচ্ছে না।’

মানববন্ধনে বিকল্পধারার সিনিয়র নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

জাতীয় পার্টি কার্যকর বিরোধী দল হিসেবে রাজনীতির মাঠে আছে

জাতীয় পার্টি কার্যকর বিরোধী দল হিসেবে রাজনীতির মাঠে আছে
জিএম কাদের

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেছেন, 'বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিশাল শূন্যতা বিরাজ করছে। জনসাধারণের দাবি ও ভাষা বোঝে এমন একটি রাজনৈতিক শক্তি খুঁজছে সাধারণ মানুষ। ঐক্যবদ্ধ জাতীয় পার্টি আরো শক্তিশালী হয়ে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণের রাজনীতি করবে।

সোমবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানী অফিসে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আবদুস সাত্তার পোদ্দার এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের-এর হাতে ফুল দিয়ে জাতীয় পার্টিতে যোগ দেন। এসময় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানিয়ে এসব কথা বলেন।

গোলাম মোহাম্মদ কাদের আরো বলেন, 'জাতীয় পার্টি কার্যকর বিরোধী দল হিসেবে রাজনীতির মাঠে আছে। আমরা সরকারের চোখে আঙ্গুল দিয়ে তাদের ভুল ক্রুটি ধরিয়ে দেবো। আমরা দেশ ও জনগণের পক্ষে ইতিবাচক রাজনীতি করব'।

জাতীয় পার্টির এই নেতা বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে সরকারকে বাধ্য করা যায়না। বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিলো তখন আওয়ামী লীগ তাদের দাবি আদায়ে সরকারকে বাধ্য করতে পারেনি। আবার আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে বিএনপিও সরকারকে বাধ্য করতে পারেনি। যারা কথায় কথায় সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করতে চায়, সেটা বাংলাদেশের রাজনীতিতে একেবারেই অসম্ভব। তাই প্রতিটি দলেরই উচিত নির্বাচিত প্রতিটি সরকারকেই রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য ৫ বছর সময় দেয়া এবং পরবর্তী নির্বাচনের জন্য নিজ দলকে সংগঠিত করা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভ রায়, এ্যাড. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, নাজমা আখতার এমপি, ভাইস চেয়ারম্যান জহিরুল আলম রুবেল, আহসান আদেলুর রহমান এমপি, যুগ্ম মহাসচিব গোলাম মোহাম্মদ রাজু প্রমুখ।

বিএনপি'র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

বিএনপি'র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা
বক্তব্য রাখছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

পহেলা সেপ্টেম্বর দলের ৪১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। কর্মসূচিগুলোর মধ্যে রয়েছে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, র‍্যালি, আলোচনা সভা ও দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও ফাতিহা পাঠ।

সোমবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে বিএনপির এক যৌথসভা শেষে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

১ সেপ্টেম্বর সকাল ৬টায় দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। এরপর সকাল ১০টায় বিএনপি’র কেন্দ্রীয় ও সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের নিয়ে শেরেবাংলা নগরস্থ সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করা হবে। দোয়া ও মোনাজাত শেষে র‌্যালির আয়োজন করা হবে।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ২ সেপ্টেম্বর আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পোস্টার ও ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে

রাজধানী ঢাকা ছাড়াও সারাদেশে বিএনপি তাদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। পহেলা সেপ্টেম্বর দেশব্যাপী বিএনপি’র সকল ইউনিট সকাল ৬টায় দলীয় কার্যালয়গুলোতে দলীয় পতাকা উত্তোলন করবে। স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা তাদের সুবিধানুযায়ী দলের জেলা ও মহানগরের বিভিন্ন পর্যায়ের ইউনিটগুলো দিবসটি উপলক্ষে কর্মসূচি গ্রহণ করবে। ঢাকার মতো সারাদেশেও র‌্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করতে বলা হয়েছে।

দুপুরে আয়োজিত যৌথ সভায় উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন-নবী খান সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, মাহবুবের রহমান শামিম, বিলকিস জাহান শিরিন, সৈয়দ ইমরান সালেহ প্রিন্স, ডা. সাখওয়াত হাসান জীবন. প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. আব্দুস সালাম প্রমুখ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র