জনসভা করতে অনুমতির জন্য আর বসে থাকব না



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা: বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের জন্য চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করার একটি সুযোগ এসেছে। আর তা হলো এই সরকারের পতন ঘটানো বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যরিস্টার মওদুদ আহমদ।

তিনি বলেন, আগামীতে জনসভা করার জন্য আমরা কোন অনুমতির অপেক্ষায় বসে থাকব না। কর্মসূচি দেবো এবং তা বাস্তবায়িত হবে।

শুক্রবার (২০ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টন দলের কেন্দ্রীয় কার‌্যালয়ের সামনে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

মওদুদ আহমদ বলেন, দশ বছর হতে চলেছে একটি বিনা ভোটে সরকার অন্যায়ভাবে জোর করে সংবিধানের মূল চেতনার পরিপন্থী পদ্ধতি অবলম্বন করে একদলীয় কর্তৃত্ববাদী কায়দায় দেশ চালাচ্ছে। এ দুঃশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করতে হলে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। যদি আইনি প্রক্রিয়ায় সম্ভব না হয় তাহলে রাজনৈতিকভাবেই খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে।

এসময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, খালেদা জিয়াকে নিয়ে নির্বাচনে যাব। কেউ যদি মনে করেন ফাঁকা মাঠে গোল দিবো তা দিতে দেয়া হবে না। খালি মাঠে গোল দেয়ার চেষ্টা করবেন না।

বাংলাদেশের মানুষ আন্দোলনের মাধ্যমে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি আদায় করবে এবং খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবে বলেও জানান তিনি। 

সারাদেশের মানুষ আজ ঐক্যবদ্ধ জানিয়ে আব্বাস বলেন, বৃহত্তর আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত হন। সে আন্দোলনে বিএনপির সিনিয়র নেতারা সামনে থাকবে। মাধ্যমে খালেদা জিয়া মুক্ত হবে। নির্দলীয় সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র ফিরে আসবে। তারেক রহমান বীরের বেশে দেশে ফিরবে। শেখ হাসিনার মিত্রদের অনুরোধ করবো বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নিয়ে কেউ খেলা করবেন না। দেশের মানুষ ১৯৭১ সালের যুদ্ধ করে পাকিস্তান থেকে স্বাধীনতা অর্জন করেছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, সরকার যে কৌশল নিয়েছে তা হচ্ছে দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে বন্দি রেখে তারা একটি পাতানো নির্বাচন করতে চায়। আমরা স্পষ্টভাবে বলে দিচ্ছি, খালেদা জিয়াকে বন্দি রেখে সরকারের পাতানো নির্বাচন করার পরিকল্পনা কোনদিনই সফল হবে না।