জ্বালাও পোড়াও করলে গভীর সংকটে পড়বে বিএনপি: বাণিজ্যমন্ত্রী

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

 

বিগত সময়ের মতো জ্বালাও পোড়াও করলে বিএনপি গভীর সংকটে পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।

তিনি বলেছেন, বিএনপি যদি আবারও জ্বালাও পোড়াওয়ের মত কর্মসূচিতে হয়, তাহলে তারা গভীর সংকটে পড়ে যাবে। তা উপলবদ্ধি করেই তারা এখন ২০১৩, ১৪ এবং ১৫ সালের মতো জ্বালাও পোড়াও কর্মসূচিতে যাচ্ছে না।

রোববার (১২ আগস্ট) সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত জ্যাং জু এর সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা বলেন। 

তোফায়েল আহমেদ বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে  বিএনপি যে ভুল করেছে তারা এখন তা উপলব্ধি করে বলে আমার ধারণা। একটা দলের প্রধান দুর্নীতির অভিযোগ অভিযুক্ত হয়ে কারাগারে বন্দি আছে। এতে সরকারের কোন হাত নেই। আদালত তার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে। তিনি ছাড়া পাবেন কি পাবেন না।

বিএনপির নির্বাচনে অংশ নেয়া ছাড়া বিকল্প কিছু নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, গতকালও সিলেটে বিএনপি প্রার্থী জিতেছে। নির্বাচন নিরপেক্ষ না হলে তো তিনি জিততে পারতেন না। আমার প্রত্যাশা করি তারা নির্বাচনে অংশ নেবে।

বিএনপির সঙ্গে সংলাপের প্রয়োজন নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, যখন সংলাপের প্রয়োজন ছিল তখন তারা সংলাপে অংশ নেয়নি। আমাদের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। সংবিধান অনুযায়ী ক্ষমতাসীন দল নির্বাচনকালীন সময়ে ক্ষমতায় থেকে দৈনন্দিন কাজ সম্পন্ন করবে, কিন্তু নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করবে না। নির্বাচন কমিশন নির্বাচন পরিচালনা করবে। এটা পরিস্কার, এটা নিয়ে আলোচনার কিছু নেই।

চীনের রাষ্ট্রদূতকে আসন্ন সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে বলেও আশ্বস্ত করেছেন বলে জানিয়েছেন তোফায়েল আহমেদ।

জিগাতলায় সাংবাদিকদের উপর যে ঘটনা ঘটেছে তা দু:খজনক উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এ ঘটনায় ব্যক্তিগতভাবে আমি ব্যথিত এবং মর্মাহত। সাংবাদিকরা জীবনকে বাজি রেখে কাজ করে। এটা আমার ছাত্র জীবন থেকে দেখেছি। ১৯৬৯ এএ গণঅভ্যুত্থানের সময়তো এত সাংবাদিক ছিল না। তখন অনেক বরেণ্য সাংবাদিকেরা ছিলেন। যারা বয়সে আমাদের থেকে বড় ছিলেন। আমাদেরকে আদর করতেন, কাছে টেনে নিতেন, মাওলা ভাই, লাল ভাই, সিরাজউদ্দিন ভাই, শহীদুল্লাহ কায়সার ভাই আমাদেরকে বুদ্ধি-পরামর্শ দিতেন। তাদের সাথে আমাদের পূর্ণ যোগাযোগ ছিল।

জিগাতলায় সাংবাদিকরা তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়েছিল। আমি মনে করি যে, সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। যেখানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজে বলেছেন, তথ্যমন্ত্রী বলেছেন, আমিও বলছি, যারা এ ঘটনার সাথে জড়িত, সে যেই হোক, তার বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নিতে হবে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ কার্যালয়, এটা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হিসেবে পরিচিত। বাংলাদেশের ইতিহাসে এটি একটি দূর্ভাগ্যজনক ঘটনা যে, একটা জাতীয় রাজনৈতিক দল, বিশেষকরে স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্ব দেয়া দলের অফিসে আক্রমণ হয়েছে। জিগাতলায় তো তেমন কিছু ছিল না।

আপনার মতামত লিখুন :