Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

ওজন কমাতে সহায়ক লো-কার্ব ফল

ওজন কমাতে সহায়ক লো-কার্ব ফল
মেটাবলিজম বৃদ্ধিতে সহায়ক লেবু। ছবি: আসিফ
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

স্বাস্থ্যকর খাদ্য উপাদানের ভেতর প্রথম সারিতেই থাকবে নানান ধরণের ফল।

ফলে থাকা বিভিন্ন ধরণের ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরের জন্য যেমন গুরুত্বপূর্ণ তেমনই প্রয়োজনীয়। তবে এখানেও রয়েছে একটি কিন্তু। কিছু ফলে থাকে অনেক উচ্চ মাত্রার চিনি ও হাই-কার্ব। যা পরোক্ষভাবে ওজন বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। উচ্চমাত্রার চিনিযুক্ত ফলের পাশাপাশি একেবারেই লো-কার্বযুক্ত কিছু ফলও রয়েছে হাতের নাগালে। যা একইসাথে উপকারি ও ওজন কমাতে সহায়ক।

জেনে নিন এমনই কয়েকটি ফলের নাম।

পেয়ারা

পেয়ারা হলো পুষ্টিগুণ ও ডায়েটারি আঁশ সমৃদ্ধ একটি ফল। এতে আরও থাকে পটাশিয়াম, ভিটামিন ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমূহ। পেয়ারা খাওয়ার ফলে মেটাবলিজমের মাত্রা বৃদ্ধি পায়, যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। ১০০ গ্রাম পরিমাণ পেয়ারাতে থাকে ১৪ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট ও ৬৮ ক্যালরি।

স্ট্রবেরি

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Sep/25/1537857665761.jpeg

ওজন কমানোর জন্য কোন ডায়েট ফলো করলে তাতে স্বাচ্ছন্দ্যে রাখতে পারেন লো-কার্বোহাইড্রেট যুক্ত স্ট্রবেরি। ১০০ গ্রাম স্ট্রবেরি থেকে পাওয়া যাবে মাত্র ৮ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট ও ৩৩ ক্যালোরি। এছাড়া পেয়ারার মতো এই ফলটিও মেটাবলিজমের মাত্রা বৃদ্ধি করে। এছাড়া স্ট্রবেরি খাওয়ার ফলে ক্ষুধাভাব কমে যায়। কারণ এতে আছে দ্রবণীয় আঁশ, যাকে বলা হয় পেকটিন। এর ফলে ওজন কমানো অনেকটাই সহজ হয়ে যায়।

তরমুজ

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Sep/25/1537857686048.jpeg

মৌসুমি এই ফলের আবেদন কখনোই কমে না। দারুন লো-কার্ব যুক্ত এই ফলটির ১০০ গ্রাম খাওয়ার ফলে ১০ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট ও ৩৫ ক্যালোরি পাওয়া যাবে। তরমুজের প্রায় ৯২ শতাংশ পানি হবার কারণে পেট ভরা থাকে অনেকক্ষণ। ফলে ঘনঘন ক্ষুধাভাব দেখা দেয় না।

লেবু

ওজন কমাতে লেবুকে ধরা হয় সবচেয়ে কার্যকরি ফল। শরীরের মেটাবোলিজমের মাত্রা বৃদ্ধিতে ও ফ্যাট বার্ণ করতে লেবু সবচেয়ে বেশি উপকারি। শুধু ওজন কমাতেই নয়, পেট ভরা রাখতে ও সুস্বাস্থ্যের জন্যেও লেবু চমৎকার একটি ফল।

১০০ গ্রাম লেবু থেকে পাওয়া যায় ৯ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট ও ২৯ ক্যালোরি।

অ্যাভোকাডো

অ্যাভোকাডোকে বলা হয়ে থাকে সুপারফুড। এছাড়াও বাটার ফ্রুট হিসেবেও পরিচিত অ্যাভোকাডো। অন্যান্য ফলের তুলনায় অনেক কম কার্বোহাইড্রেট থাকার ফলে স্বাস্থ্যকর ফলের খাতায় সহজেই নাম লিখিয়ে ফেলতে পেরেছে এই ফলটি। ১০০ গ্রাম পরিমাণ অ্যাভোকাডো থেকে পাওয়া যাবে ৯ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট ও ১৬০ ক্যালোরি। তবে রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে ও ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধির জন্য অ্যাভোকাডো বিশেষভাবে উপকারি।  

আপনার মতামত লিখুন :

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়
ডিটক্সিফাইং পানীয়

অন্যান্য সময়ের চাইতে ঈদের সময়টাতে তেল, চর্বি ও উচ্চমাত্রার ক্যালোরিযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া হয়।

এতে করে সহজেই শরীরের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পরে। এই ক্ষতিকর প্রভাব কাটানোর জন্য প্রয়োজন হয় ডিটক্সিফাইং পানীয়। যা শরীর থেকে ক্ষতিকর প্রভাবকে দূর করে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

এমন পানীয় তৈরিতে সাধারণত খুব বেশি উপাদান প্রয়োজন হয় না। আজকের বিশেষ ডিটক্সিফাইং পানীয়টি তৈরিতেও মাত্র তিনটি সহজলভ্য উপাদান প্রয়োজন হবে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই পানীয়টি পান করলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যাবে।

ডিটক্সিফাইং পানীয় তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047849609.jpg

১. একটি বড় লেবুর রস।

২. ১-২ ইঞ্চি পরিমাণ আদা কুঁচি।

৩. এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

৪. দুই কাপ পরিমাণ পানি।

৫. এক চিমটি কালো গোলমরিচ গুঁড়া (ঐচ্ছিক)

ডিটক্সিফাইং পানীয় যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047866015.jpg

পানি ফুটিয়ে নামিয়ে এতে লেবুর রস, আদা কুঁচি, হলুদ গুঁড়া ও গোলমরিচ গুঁড়া মিশিয়ে পুনরায় চুলায় বসিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে। তৈরি হয়ে গেলে নামিয়ে কুসুম গরম থাককাকালী সময়ে পান করতে হবে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে উপকারী পাঁচ পদের জুস

আরও পড়ুন: আহ, মশলা চা!

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?
ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নাতীতভাবে ধূমপান সবচেয়ে বাজে ও ক্ষতিকর একটি অভ্যাস।

এ বদভ্যাসের দরুন নিজের স্বাস্থ্য তো বটেই, পাশাপাশি অন্যের স্বাস্থ্যও ঝুঁকির মাঝে পড়ে যায়। ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরেও বেশিরভাগ ধূমপায়ী এই অভ্যাসটি বাদ দিতে চান না। তবে এর বিপরীত চিত্রও রয়েছে। অনেকেই চেষ্টা করেন স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এই অভ্যাসটিকে পাশ কাটিয়ে উঠতে। তবে ধূমপায়ী, অধূমপায়ী ও ধূমপান ত্যাগ করার চেষ্টা করছেন যারা, প্রত্যেকেই একটি বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন- একটি সিগারেটে কতখানি নিকোটিন থাকে! চলুন এই বিষয়টি জানানো যাক।

প্রতিটি সিগারেটে থাকে ৭০০০ ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল। যার মাঝে সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো নিকোটিন (Nicotine). হাজারো ধরনের কেমিক্যালের ভেতর এই নিকোটিন তৈরি হয় তামাক পাতা থেকে। তামাক পাতা থেকে তৈরি হওয়া এই উদ্ভিজ কেমিক্যাল নিকোটিনেই ধূমপায়ীদের আসক্তি তৈরি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566042274926.jpg

মেডিকেশন অ্যাডভোকেট জেসন রিড জানান, প্রতিটি সিগারেটে গড়ে এক মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। এছাড়া এক গবেষণা থেকে দেখা গেছে সিগারেটের ধরনের উপর নির্ভর করে এক একটি সিগারেটে ১.২-১.৪ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। স্বল্প নিকোটিনযুক্ত ‘সিগারেট লাইট’ এ ০.৬-১ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। তবে সাধারণ সিগারেটের মতো সিগারেট লাইটেও একই ধরনের সিগারেট বুস্ট তথা সিগারেটের প্রভাব থাকে।

এছাড়া নিকোটিন গ্রহণের মাত্রা ধূমপায়ীর উপর নির্ভর করে। সিগারেটে কত জোরে টান দিচ্ছে এবং সিগারেট পাফের কতটা নিকটবর্তী স্থান পর্যন্ত সিগারেট পান করছে- এই দুইটি বিষয়ের উপর নির্ভর করেও নিকোটিন গ্রহণের মাত্রায় তারতম্য দেখা দেয়।

আরও পড়ুন: ধূমপানে অন্ধত্ব!

আরও পড়ুন: প্যাসিভ স্মোকিংয়ে ক্যানসার ঝুঁকিতে আমরা সবাই!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র