Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

নিশ্চিন্তে খান লো-ফ্যাট কোলস্লো

নিশ্চিন্তে খান লো-ফ্যাট কোলস্লো
লো-ফ্যাট কোলস্লো।
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

ভীষণ মজাদার সান্ধ্যকালীন নাস্তা হলো কোলস্লো।

যেকোন ভাজাপোড়া কিংবা চিকেন ফ্রাইয়ের সঙ্গে এই আইটেমটি যেন ভিন্ন মাত্রা যোগ করে। অন্য কোন খাবার নয়, শুধু কোলস্লো খেতে ভালোবাসেন অনেকেই। এক্ষেত্রে বাধ সাধে কোলস্লোতে ব্যবহার করা হাই ফ্যাট, কোলেস্টেরল ও ক্যালোরিযুক্ত মেয়োনেজ। কিন্তু মেয়োনেজ ব্যবহার না করলে কোলস্লো তৈরি করাও সম্ভব নয়।

তবে কি কোলস্লো খাওয়া যাবে না? অবশ্যই খাওয়া যাবে। তার জন্য জানতে হবে আজকের রেসিপিটি। চটজলদি দেখে নিন লো-ফ্যাট কোলস্লোর এই রেসিপিটি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Oct/19/1539944955051.jpg

উপাদানসমূহ

১. সারারাত ধরে ভিজিয়ে রাখা ১ কাপ কাজুবাদাম।

২. ১/৩ কাপ পানি।

৩. ১ চা চামচ সরিষা বাটা/ গুঁড়া।

৪. টেবিল চামচ ম্যাপল সিরাপ।

৫. দেড় টেবিল চামচ হোয়াইট ভিনেগার।

৬. দেড় টেবিল চামচ অ্যাপল সাইডার ভিনেগার।

৭. আধা কাপ পেঁয়াজ কুঁচি।

৮. ২ কাপ গাজর কুঁচি।

৯. ৩-৪ কাপ বাঁধাকপি।

১০. স্বাদমতো লবণ।

১১. স্বাদমতো কালো গোলমরিচের গুঁড়া।

প্রস্তুত প্রণালি

১. সারারাত ভিজিয়ে রাখা কাজুবাদাম, পানি, ম্যাপল সিরাপ, হোয়াইট ভিনেগার, অ্যাপল সাইডার ভিনেগার, পেঁয়াজ, সরিষা বাটা/ গুঁড়া, লবণ ও গোলমরিচের গুঁড়া ফুড প্রসেসর কিংবা ব্লেন্ডারে নিয়ে ব্লেন্ড করতে হবে। সকল উপাদান একসাথে ব্লেন্ড হয়ে ক্রিমি ও ঘন পেস্টের মতো তৈরি হলে বুঝতে হবে পেস্টটা ঠিক আছে। প্রয়োজনে বাড়তি পানি কিংবা কাঁচা কাজুবাদাম অথবা অন্যান্য উপাদান যোগ করা যাবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Oct/19/1539944997715.jpg

২. পেস্ট তৈরি হয়ে গেলে একটি ভিন্ন পাত্রে ঢেলে তাতে গাজর কুঁচি ও বাঁধাকপি কুঁচি মিশিয়ে রেফ্রিজারেটরে রাখতে হবে ঘন্টাখানেক সময়ের জন্য।

রেফ্রিজারেটর থেকে বের করে পরিবেশন করতে হবে মজাদার লো-ফ্যাট কোলস্লো।

আপনার মতামত লিখুন :

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়
ডিটক্সিফাইং পানীয়

অন্যান্য সময়ের চাইতে ঈদের সময়টাতে তেল, চর্বি ও উচ্চমাত্রার ক্যালোরিযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া হয়।

এতে করে সহজেই শরীরের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পরে। এই ক্ষতিকর প্রভাব কাটানোর জন্য প্রয়োজন হয় ডিটক্সিফাইং পানীয়। যা শরীর থেকে ক্ষতিকর প্রভাবকে দূর করে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

এমন পানীয় তৈরিতে সাধারণত খুব বেশি উপাদান প্রয়োজন হয় না। আজকের বিশেষ ডিটক্সিফাইং পানীয়টি তৈরিতেও মাত্র তিনটি সহজলভ্য উপাদান প্রয়োজন হবে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই পানীয়টি পান করলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যাবে।

ডিটক্সিফাইং পানীয় তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047849609.jpg

১. একটি বড় লেবুর রস।

২. ১-২ ইঞ্চি পরিমাণ আদা কুঁচি।

৩. এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

৪. দুই কাপ পরিমাণ পানি।

৫. এক চিমটি কালো গোলমরিচ গুঁড়া (ঐচ্ছিক)

ডিটক্সিফাইং পানীয় যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047866015.jpg

পানি ফুটিয়ে নামিয়ে এতে লেবুর রস, আদা কুঁচি, হলুদ গুঁড়া ও গোলমরিচ গুঁড়া মিশিয়ে পুনরায় চুলায় বসিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে। তৈরি হয়ে গেলে নামিয়ে কুসুম গরম থাককাকালী সময়ে পান করতে হবে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে উপকারী পাঁচ পদের জুস

আরও পড়ুন: আহ, মশলা চা!

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?
ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নাতীতভাবে ধূমপান সবচেয়ে বাজে ও ক্ষতিকর একটি অভ্যাস।

এ বদভ্যাসের দরুন নিজের স্বাস্থ্য তো বটেই, পাশাপাশি অন্যের স্বাস্থ্যও ঝুঁকির মাঝে পড়ে যায়। ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরেও বেশিরভাগ ধূমপায়ী এই অভ্যাসটি বাদ দিতে চান না। তবে এর বিপরীত চিত্রও রয়েছে। অনেকেই চেষ্টা করেন স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এই অভ্যাসটিকে পাশ কাটিয়ে উঠতে। তবে ধূমপায়ী, অধূমপায়ী ও ধূমপান ত্যাগ করার চেষ্টা করছেন যারা, প্রত্যেকেই একটি বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন- একটি সিগারেটে কতখানি নিকোটিন থাকে! চলুন এই বিষয়টি জানানো যাক।

প্রতিটি সিগারেটে থাকে ৭০০০ ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল। যার মাঝে সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো নিকোটিন (Nicotine). হাজারো ধরনের কেমিক্যালের ভেতর এই নিকোটিন তৈরি হয় তামাক পাতা থেকে। তামাক পাতা থেকে তৈরি হওয়া এই উদ্ভিজ কেমিক্যাল নিকোটিনেই ধূমপায়ীদের আসক্তি তৈরি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566042274926.jpg

মেডিকেশন অ্যাডভোকেট জেসন রিড জানান, প্রতিটি সিগারেটে গড়ে এক মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। এছাড়া এক গবেষণা থেকে দেখা গেছে সিগারেটের ধরনের উপর নির্ভর করে এক একটি সিগারেটে ১.২-১.৪ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। স্বল্প নিকোটিনযুক্ত ‘সিগারেট লাইট’ এ ০.৬-১ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। তবে সাধারণ সিগারেটের মতো সিগারেট লাইটেও একই ধরনের সিগারেট বুস্ট তথা সিগারেটের প্রভাব থাকে।

এছাড়া নিকোটিন গ্রহণের মাত্রা ধূমপায়ীর উপর নির্ভর করে। সিগারেটে কত জোরে টান দিচ্ছে এবং সিগারেট পাফের কতটা নিকটবর্তী স্থান পর্যন্ত সিগারেট পান করছে- এই দুইটি বিষয়ের উপর নির্ভর করেও নিকোটিন গ্রহণের মাত্রায় তারতম্য দেখা দেয়।

আরও পড়ুন: ধূমপানে অন্ধত্ব!

আরও পড়ুন: প্যাসিভ স্মোকিংয়ে ক্যানসার ঝুঁকিতে আমরা সবাই!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র