Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

কফি পানের সঠিক সময় কোনটি?

কফি পানের সঠিক সময় কোনটি?
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

ঘুম থেকে উঠে, অফিসে কাজের ব্যস্ততায়, দুপুরে ঘুমভাব তাড়াতে কিংবা বিকাল-সন্ধ্যার আড্ডাতে এক কাপ ধোঁয়াওঠা গরম কফি না হলে কী চলে! এখন যদি বলা হয় যে- সময় মেনে কফি পান করতে হবে, তবে তেলেবেগুনে জ্বলে উঠবে অনেকেই। কফি পানের জন্য নির্দিষ্ট কোন সময় আছে নাকি? আছে বৈকি।

বিশেষত ঘুম থেকে উঠেই কফি পান করা একেবারেই উচিৎ নয়। ঘুম ভাঙার অন্তত এক ঘন্টা পর কফি পান করা যাবে। অকারণে এমন কথা বলা হচ্ছে না। এর পেছনে রয়েছে যুক্তিযুক্ত কারণ।

ক্লিনিক্যাল গবেষণা থেকে দেখা গেছে, ঘুম ভাঙার পর এক ঘন্টা পর্যন্ত শরীরে কর্টিসল নিঃসৃত হয় সর্বোচ্চ মাত্রায়। কর্টিসল হলো ‘স্ট্রেস হরমোন’। এই হরমোনটি মানসিক চাপ ও অস্থিরতার জন্য দায়ী। শরীরে কর্টিসল নিঃসৃত হওয়ার সময় স্বাভাবিকভাবেই শরীর অন্যান্য সময়ের চাইতে বেশি ‘অ্যালার্ট’ থাকে। ফলে ঘুম থেকে ওঠার পর অনেকের মন-মেজাজ খারাপ হয়ে থাকে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Dec/21/1545390468231.jpeg

কিন্তু এই সময়ে কফি পানে কি সমস্যা হবে? ঘুম থেকে ওঠার পর শরীর ও মন স্বাভাবিকভাবে কর্টিসলের নিঃসরণের জন্য চাপের মাঝে থাকে। এই সময় শরীর ক্যাফেইন গ্রহণের জন্য একেবারেই প্রস্তুত থাকে না। ক্রোনোফার্মালোজিস্টদের মতে, ঘুম থেকে ওঠার পর শরীর তার স্বাভাবিক নিয়মের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে চেষ্টা করে। এর মাঝে স্ট্রং ক্যাফেইনের প্রভাব নেওয়ার জন্য শরীর একেবারেই প্রস্তুত থাকে না।

তাই ঘুম থেকে উঠেই কফি পেয়ালায় চুমুক দেওয়ার পর সতেজভাব অনুভূত না হয়ে, বিচিত্র অনুভূতি কাজ করতে পারে। ক্ষেত্র বিশেষে ক্যাফেইন কোন কাজ না করে কর্টিসলের উপর প্রভাব বিস্তার করে হিতে-বিপরিত অবস্থাও তৈরি করতে পারে।

তাই সকাল সকাল সতেজ, ফ্রেশ ও চাঙা বোধ করতে চাইলে, ঘুম থেকে ওঠার অন্তত এক ঘন্টা পর কফি পান করতে হবে।

আরো পড়ুন: কোল্ড কফি ও হট কফি: কোনটা বেশি উপকারী?

আরো পড়ুন: দিনের শুরু হোক লবঙ্গ চায়ের সঙ্গে

আপনার মতামত লিখুন :

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়
ডিটক্সিফাইং পানীয়

অন্যান্য সময়ের চাইতে ঈদের সময়টাতে তেল, চর্বি ও উচ্চমাত্রার ক্যালোরিযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া হয়।

এতে করে সহজেই শরীরের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পরে। এই ক্ষতিকর প্রভাব কাটানোর জন্য প্রয়োজন হয় ডিটক্সিফাইং পানীয়। যা শরীর থেকে ক্ষতিকর প্রভাবকে দূর করে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

এমন পানীয় তৈরিতে সাধারণত খুব বেশি উপাদান প্রয়োজন হয় না। আজকের বিশেষ ডিটক্সিফাইং পানীয়টি তৈরিতেও মাত্র তিনটি সহজলভ্য উপাদান প্রয়োজন হবে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই পানীয়টি পান করলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যাবে।

ডিটক্সিফাইং পানীয় তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047849609.jpg

১. একটি বড় লেবুর রস।

২. ১-২ ইঞ্চি পরিমাণ আদা কুঁচি।

৩. এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

৪. দুই কাপ পরিমাণ পানি।

৫. এক চিমটি কালো গোলমরিচ গুঁড়া (ঐচ্ছিক)

ডিটক্সিফাইং পানীয় যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047866015.jpg

পানি ফুটিয়ে নামিয়ে এতে লেবুর রস, আদা কুঁচি, হলুদ গুঁড়া ও গোলমরিচ গুঁড়া মিশিয়ে পুনরায় চুলায় বসিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে। তৈরি হয়ে গেলে নামিয়ে কুসুম গরম থাককাকালী সময়ে পান করতে হবে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে উপকারী পাঁচ পদের জুস

আরও পড়ুন: আহ, মশলা চা!

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?
ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নাতীতভাবে ধূমপান সবচেয়ে বাজে ও ক্ষতিকর একটি অভ্যাস।

এ বদভ্যাসের দরুন নিজের স্বাস্থ্য তো বটেই, পাশাপাশি অন্যের স্বাস্থ্যও ঝুঁকির মাঝে পড়ে যায়। ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরেও বেশিরভাগ ধূমপায়ী এই অভ্যাসটি বাদ দিতে চান না। তবে এর বিপরীত চিত্রও রয়েছে। অনেকেই চেষ্টা করেন স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এই অভ্যাসটিকে পাশ কাটিয়ে উঠতে। তবে ধূমপায়ী, অধূমপায়ী ও ধূমপান ত্যাগ করার চেষ্টা করছেন যারা, প্রত্যেকেই একটি বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন- একটি সিগারেটে কতখানি নিকোটিন থাকে! চলুন এই বিষয়টি জানানো যাক।

প্রতিটি সিগারেটে থাকে ৭০০০ ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল। যার মাঝে সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো নিকোটিন (Nicotine). হাজারো ধরনের কেমিক্যালের ভেতর এই নিকোটিন তৈরি হয় তামাক পাতা থেকে। তামাক পাতা থেকে তৈরি হওয়া এই উদ্ভিজ কেমিক্যাল নিকোটিনেই ধূমপায়ীদের আসক্তি তৈরি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566042274926.jpg

মেডিকেশন অ্যাডভোকেট জেসন রিড জানান, প্রতিটি সিগারেটে গড়ে এক মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। এছাড়া এক গবেষণা থেকে দেখা গেছে সিগারেটের ধরনের উপর নির্ভর করে এক একটি সিগারেটে ১.২-১.৪ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। স্বল্প নিকোটিনযুক্ত ‘সিগারেট লাইট’ এ ০.৬-১ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। তবে সাধারণ সিগারেটের মতো সিগারেট লাইটেও একই ধরনের সিগারেট বুস্ট তথা সিগারেটের প্রভাব থাকে।

এছাড়া নিকোটিন গ্রহণের মাত্রা ধূমপায়ীর উপর নির্ভর করে। সিগারেটে কত জোরে টান দিচ্ছে এবং সিগারেট পাফের কতটা নিকটবর্তী স্থান পর্যন্ত সিগারেট পান করছে- এই দুইটি বিষয়ের উপর নির্ভর করেও নিকোটিন গ্রহণের মাত্রায় তারতম্য দেখা দেয়।

আরও পড়ুন: ধূমপানে অন্ধত্ব!

আরও পড়ুন: প্যাসিভ স্মোকিংয়ে ক্যানসার ঝুঁকিতে আমরা সবাই!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র