Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে গরম চা পানে

ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে গরম চা পানে
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

গরম চায়ের কাপে চুমুক দিয়েই দিনের শুরু হয় অনেকের।

চা মানে ধোঁয়া ওঠা গরম এককাপ পছন্দের গন্ধে ও রঙের সুস্বাদু চা। কিন্তু একেবারেই সাম্প্রতিক সময়ের একটি দীর্ঘ গবেষণার ফলাফল জানাচ্ছে, অতিরিক্ত গরম চা পানে খাদ্যনালীর ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে।

গবেষকেরা তাদের পরীক্ষার ফল থেকে দেখেছেন- যারা ৬০ ডিগ্রী সেলসিয়াস (১৪০ ডিগ্রী ফারেনহাইট) তাপমাত্রার চাইতে বেশি গরম এবং ৭০০ মিলিলিটার (বড় দুই কাপ) এর চাইতে বেশি চা পান করে থাকেন,  তাদের ইসোফাজিল (Esophageal) ক্যান্সার তথা খাদ্যনালীর ক্যান্সার দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায় ৯০ শতাংশ পর্যন্ত, তাদের তুলনায় যারা অপেক্ষাকৃত কম গরম চা পান করেন।

উত্তরপূর্ব ইরানের গোলেস্তান নামক প্রদেশে প্রায় ৫০,০০০ মানুষের উপর এই গবেষণাটি করা হয়।

গবেষক টিমের গবেষকেরা ৫০,০৪৫ জন ৪০-৭৫ বছর বয়সী মানুষের উপর ২০০৪ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ করে দেখেছেন, ৩১৭টি নতুন ইসোফাজিল ক্যান্সারের কেস দেখা দিয়েছে এই সময়ের মাঝে।

ইসোফাজিল হলো লম্বা নালিকা, যা খাদ্য ও তরলকে মুখ থেকে সরাসরি পাকস্থলী পর্যন্ত পৌঁছাতে কাজ করে।

‘অনেকেই চা, কফি অথবা অন্যান্য গরম পানীয় পান করতে ভালোবাসেন। তবে আমাদের রিপোর্টের তথ্য মতে, অতিরিক্ত গরম চা পানের ফলে খাদ্যনালীর ক্যান্সার দেখা দেওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। যে কারণে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, চায়ের তাপমাত্রা সহনীয় মাত্রায় আসার পরেই তা পান করা’, এমনটা বলেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যান্সার সোসাইটির মূল গবেষক ডাঃ ফারহাদ ইসলাম।

বর্তমান সময়ে বিশ্বে ইসোফাজিল ক্যান্সার হলো অষ্টম কমন ও প্রচলিত ক্যান্সার। ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসার্চ অন ক্যান্সারের তথ্যানুসারে প্রতি বছর খাদ্যনালীর ক্যান্সারে মৃত্যুবরণ করে প্রায় ৪০০,০০০ জন মানুষ।

মার্কিন যুক্তরাজ্যের হাইজিন এন্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিন এর ফার্মাকোএপিডেমিলজি (Pharmacoepidemiology) বিভাগের প্রফেসর স্টিফেন ইভানস এ বিষয়ে জানিয়েছেন, পানীয়ের ধরণের সঙ্গে ক্যান্সারের কোন সম্পর্ক নেই, এখানে পানীয়ের তাপমাত্রাটাই মূল সমস্যা তৈরি করে।

আরও পড়ুন: আঠারোতে নয়, মানুষ প্রাপ্তবয়স্ক হয় তিরিশে!

আরও পড়ুন: পোষা প্রাণির সঙ্গে কথা বলা হয়?

আপনার মতামত লিখুন :

সাদামাটা নিমকিমাখা

সাদামাটা নিমকিমাখা
ছবি: নিমকিমাখা

হুটহাট করেই হাবিজাবি কোন খাবার খেতে ইচ্ছা করে।

এই হাবিজাবিটা আসলে কি, সেটা বুঝতে পারা দুষ্কর। এমন খাবার খাওয়ার ইচ্ছাকে অনেকে কাব্যিকভাবে ছোটখাটো ক্ষুধা নামেও ডেকে থাকে।

হুট করে কোন কিছু খেতে ইচ্ছা করলে ঘরে থাকা অল্প জিনিস কীভাবে মুখরোচক ও নতুন খাবার তৈরি করা যায় এইটাই যেন চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। মন অবস্থায় ঘরে থাকা নিমকি ও অল্প পেঁয়াজ-মরিচেই তৈরি করে নেওয়া যাবে নিমকিমাখা। কীভাবে তৈরি করবেন? চটজলদি দেখে নিন রেসিপিটি।

নিমকিমাখা তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566394524865.JPG

১. ২০০ গ্রাম নিমকি।

২. একটি পেঁয়াজ কুঁচি।

৩. একটি টমেটো কুঁচি।

৪. দুইটি কাঁচামরিচ কুঁচি।

৫. অর্ধেকটি শসা কুঁচি।

৬. অর্ধেকটি ক্যাপসিকাম কুঁচি।

৭. একমুঠো ধনিয়াপাতা কুঁচি।

৮. এক টেবিল চামচ লেবুর রস।

৯. দুই টেবিল চামচ সরিষার তেল।

১০. স্বাদমতো লবণ।

নিমকিমাখা যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566394543339.JPG

১. প্রথমে সরিষার তেলে পেঁয়াজ ও কাঁচামরিচ কুঁচি চটকে নিতে হবে। এতে টমেটো, শসা, ক্যাপসিকাম ও ধনিয়া কুঁচি দিয়ে মাখিয়ে লবণ দিতে হবে।

২. সকল উপাদান মাখানো হয়ে গেলে নিমকি দিয়ে পেঁয়াজ-কাঁচামরিচের সাথে মাখিয়ে তার উপরে লেবুর রস ছড়িয়ে দিতে হবে।

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

আরও পড়ুন: চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

হাড়ের সুস্বাস্থ্যে পাঁচ নিয়ম

হাড়ের সুস্বাস্থ্যে পাঁচ নিয়ম
ছবি: সংগৃহীত

সম্পূর্ণ শারীরিক সুস্বাস্থ্যে হাড়ের ভূমিকা অনেকখানি।

আমাদের শরীরের পুরো গঠন ও কাঠামো নির্ভর করে হাড়ের উপরে। ফলে হাড়ে যদি কোন সমস্যা দেখা দেয়, তার প্রভাব পরে সামগ্রিকভাবে। তরুণ বয়সে হাড় সবচেয়ে বেশি শক্ত ও সুস্থ থাকে, যদি সঠিক খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা যায় ও যত্ন নেওয়া হয়। তবে বয়স যত বৃদ্ধি পেতে থাকে, হাড়ের শক্তি কমতে থাকে এবং হাড় ক্ষয় হতে থাকে। ফলে ৪৫-৫০ বছর পর থেকেই হাড়জনিত নানাবিধ সমস্যা দেখা দেওয়া শুরু হয়। এ কারণেই হাড়ের প্রতি আলাদাভাবে যত্নবান হওয়া প্রয়োজন। জেনে নিন হাড়ের যত্নে কোন বিষয়গুলোর প্রতি নজর দিতে হবে।

পারিবারিক ইতিহাস সম্পর্কে জানা

স্বাস্থ্যগত বিষয়ে ফ্যামিলি হিস্ট্রি অনেক বড় ভূমিকা পালন করে। যার বাবা-মা অথবা ভাই-বোনের অস্টিওপরোসিসের সমস্যা রয়েছে, তারও এই সমস্যাটি দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই পরিবারের মানুষদের হাড়ের স্বাস্থ্য ও সমস্যা সম্পর্কে খোঁজখবর করতে হবে এবং সেইভাবে নিজের হাড়ের যত্ন নেওয়ার বিষয়ে সচেতন হয়ে উঠতে হবে।

ক্যালসিয়াম গ্রহণ বৃদ্ধি

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566384501379.jpeg

হাড়ের বিষয়ে আলোচনা আসলে প্রথমেই যে শব্দটি মাথায় আসবে সেটা হলো ক্যালসিয়াম। প্রাকৃতিক এই মিনারেলটির সাহায্যে হাড় ও দাঁত গড়ে ওঠে ও দৃঢ়তা পায়। তবে ক্যালসিয়ামই শেষ কথা নয়। শরীরকে প্রস্তুত করতে হবে ক্যালসিয়াম শোষণের জন্য। নতুবা ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবার খাওয়া হলেও, তার পুষ্টিগুণ শরীরে ঠিকভাবে শোষিত হবে না এবং ক্যালসিয়ামের অভাব তৈরি হবে।

ভোলা যাবে না ভিটামিন-ডি কে

ক্যালসিয়ামের সাথে সরাসরিভাবে সংযুক্ত হলো ভিটামিন-ডি। একইসাথে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন-ডি হাড়কে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। ভিটামিন-ডি পাওয়া যাবে চিংড়ি, কমলালেবুর রস, ডিমের কুসুম, টুনা মাছ প্রভৃতি থেকে। এছাড়া রোদের আলো ভিতামিন-ডি এর অন্যতম বড় একটি উৎস। বর্তমান সময়ে অনেকেই রোদের আলোর অপর্যাপ্ততায় ভিটামিন-ডি এর অভাবে ভুগছেন। সেক্ষেত্রে প্রতিদিন অন্তত ১০-১৫ মিনিট শরীরে রোদের আলো লাগানোর চেষ্টা করতে হবে।

নিয়মিত শরীরচর্চা করা

শুধু স্বাস্থ্যসম্মত খাবার গ্রহণই যথেষ্ট নয়, শরীরচর্চার অভ্যাসও গড়ে তুলতে হবে হাড়কে সুস্থ রাখতে চাইলে। শরীরচর্চার বিভিন্ন কলাকৌশল হাড়কে দৃঢ় করতে কাজ করে। দৌড়ানো, দ্রুত হাঁটা, দড়িলাফ কিংবা সিঁড়িতে ওঠানামার মতো হালকা ঘরানার শরীরচর্চাগুলোই হাড়কে ভালো রাখতে উপকারী।

সীমিত মাত্রায় ক্যাফেইন গ্রহণ

ক্যাফেইনের বেশ কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে বটে, তবে দুঃখজনকভাবে হাড়ের জন্য নয়। অতিরিক্ত মাত্রায় ক্যাফেইন গ্রহণ শরীরে ক্যালসিয়াম শোষণে বাধাদান করে। তাই প্রতিদিন দুই কাপ পরিমাণ কফি পান নিরাপদ। এর বেশি হয়ে গেলে তা হাড়ের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

আরও পড়ুন: ওয়ার্ল্ড অস্টিওপরোসিস ডে: হাড় থাকুক মজবুত

আরও পড়ুন: ভিটামিন ডি ঘাটতি: ঝুঁকি, উপসর্গ এবং বৃদ্ধির উপায়

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র