Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

গুগল ডুডলে আধুনিক ভাস্কর্যের অগ্রদূত নভেরা আহমেদ

গুগল ডুডলে আধুনিক ভাস্কর্যের অগ্রদূত নভেরা আহমেদ
ভাস্কর ও চিত্রশিল্পী নভেরা আহমেদ, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের প্রথম আধুনিক ও কিংবদন্তি ভাস্কর ও চিত্রশিল্পী নভেরা আহমেদের ৮০তম জন্মবার্ষিকী আজ। সে উপলক্ষে গুগল সেজেছে নভেরা আহমেদ ও তাঁর তৈরি ভাস্কর্যের আদলে।

বাংলাদেশ থেকে গুগলে প্রবেল করলে গুগলের প্রচলিত লোগোর বদলে নভেরা আহমেদের প্রতিকৃতি সমেত তাঁর তৈরি ভাস্কর্যের আদল দেখাচ্ছে। এটাই হলো গুগলের ডুডল। বিশেষ দিবস, বিশেষ ব্যক্তিত্বের জন্ম-মৃত্যুদিনে তাঁদের নিয়ে তথ্য সাজিয়ে ভিন্ন ধরণের ডুডল প্রকাশ করে থাকে গুগল।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/29/1553848852279.jpg

১৯৩৯ সালের এই দিনে ভাস্কর নভেরা জন্ম নেন সুন্দরবনে শিল্পমনা এক পরিবারে। পৈতৃক নিবাস চট্টগ্রামে হলেও, বাবার কর্মসূত্রে সুন্দরবনে থাকা হয়েছে প্রথম দিকে।

ছোটবেলা থেকে মায়ের হাতে তৈরি পুতুল দেখা বড় হওয়া নভেরা ত্রিমাত্রিক ভাস্কর্য তৈরির প্রতি আকর্ষণ বোধ করতেন। ছেলেবেলার সে আকর্ষণ থেকেই শিল্পের এই মাধ্যমে ঝুঁকে পড়া হয় তার।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/29/1553848521266.jpg

১৯৯৭ সালে একুশে পদক প্রাপ্ত নভেরা আহমেদ ছিলেন অভূতপূর্ব, রহস্যময়ী ও দারুণ প্রতিভাবান একজন। তাঁর কাজ সম্পর্কে প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন বলেছিলেন, ‘এখন নভেরা যা করছেন, সেটা বুঝতে আমাদের অনেকদিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে’। অর্থাৎ সময়ের আগেই তিনি এমন কিছু শিল্পকর্ম সৃষ্টি করে গেছেন, যা পুরোপুরিভাবে বুঝতে হলে এখনও আমাদের বেশ অনেকটা সময়ের প্রয়োজন হবে!

সময়ের আগে এগিয়ে থাকা আধুনিক ভাস্কর্যের অগ্রদূত নভেরা আহমেদ তৎকালীন সময়ে পূর্ব পাকিস্তানের ঢাকায় সরকারি শিল্পকলা একাডেমির পাঠ্যক্রমে ভাস্কর্য যুক্ত হওয়ার আগেই, আধুনিক ভাস্কর্যের প্রচলন করেন তিনি। ১৯৫৭ সালে কেন্দ্রীয় গণগ্রস্থাগারের প্রাচীরে তিনি প্রথম উন্মুক্ত ভাস্কর্য ‘কাউ উইথ টু ফিগারস’ তুলে ধরেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/29/1553848539268.jpg

নভেরা আহমেদের তৈরি শতাধিক ভাস্কর্যের মাঝে বিখ্যাত কয়েকটি হলো ‘চাইল্ড ফিলোসফার’, ‘মা ও শিশু’, ‘এক্সটার্মিনেটিং অ্যাঞ্জেল’, ‘পরিবার’, ‘যুগল’, ‘ইকারুস’, ‘জেব্রা ক্রসিং’ প্রভৃতি।

২০১৫ সালের ৫ মে ফ্রান্সের প্যারিসে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করা নভেরা আহমেদের তৈরি করা ভাস্কর্য এখনও বিশ্বের নানান দেশে সমাদরের সঙ্গে প্রদর্শন করা হয়। 

আপনার মতামত লিখুন :

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়
ডিটক্সিফাইং পানীয়

অন্যান্য সময়ের চাইতে ঈদের সময়টাতে তেল, চর্বি ও উচ্চমাত্রার ক্যালোরিযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া হয়।

এতে করে সহজেই শরীরের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পরে। এই ক্ষতিকর প্রভাব কাটানোর জন্য প্রয়োজন হয় ডিটক্সিফাইং পানীয়। যা শরীর থেকে ক্ষতিকর প্রভাবকে দূর করে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

এমন পানীয় তৈরিতে সাধারণত খুব বেশি উপাদান প্রয়োজন হয় না। আজকের বিশেষ ডিটক্সিফাইং পানীয়টি তৈরিতেও মাত্র তিনটি সহজলভ্য উপাদান প্রয়োজন হবে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই পানীয়টি পান করলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যাবে।

ডিটক্সিফাইং পানীয় তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047849609.jpg

১. একটি বড় লেবুর রস।

২. ১-২ ইঞ্চি পরিমাণ আদা কুঁচি।

৩. এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

৪. দুই কাপ পরিমাণ পানি।

৫. এক চিমটি কালো গোলমরিচ গুঁড়া (ঐচ্ছিক)

ডিটক্সিফাইং পানীয় যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047866015.jpg

পানি ফুটিয়ে নামিয়ে এতে লেবুর রস, আদা কুঁচি, হলুদ গুঁড়া ও গোলমরিচ গুঁড়া মিশিয়ে পুনরায় চুলায় বসিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে। তৈরি হয়ে গেলে নামিয়ে কুসুম গরম থাককাকালী সময়ে পান করতে হবে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে উপকারী পাঁচ পদের জুস

আরও পড়ুন: আহ, মশলা চা!

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?
ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নাতীতভাবে ধূমপান সবচেয়ে বাজে ও ক্ষতিকর একটি অভ্যাস।

এ বদভ্যাসের দরুন নিজের স্বাস্থ্য তো বটেই, পাশাপাশি অন্যের স্বাস্থ্যও ঝুঁকির মাঝে পড়ে যায়। ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরেও বেশিরভাগ ধূমপায়ী এই অভ্যাসটি বাদ দিতে চান না। তবে এর বিপরীত চিত্রও রয়েছে। অনেকেই চেষ্টা করেন স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এই অভ্যাসটিকে পাশ কাটিয়ে উঠতে। তবে ধূমপায়ী, অধূমপায়ী ও ধূমপান ত্যাগ করার চেষ্টা করছেন যারা, প্রত্যেকেই একটি বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন- একটি সিগারেটে কতখানি নিকোটিন থাকে! চলুন এই বিষয়টি জানানো যাক।

প্রতিটি সিগারেটে থাকে ৭০০০ ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল। যার মাঝে সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো নিকোটিন (Nicotine). হাজারো ধরনের কেমিক্যালের ভেতর এই নিকোটিন তৈরি হয় তামাক পাতা থেকে। তামাক পাতা থেকে তৈরি হওয়া এই উদ্ভিজ কেমিক্যাল নিকোটিনেই ধূমপায়ীদের আসক্তি তৈরি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566042274926.jpg

মেডিকেশন অ্যাডভোকেট জেসন রিড জানান, প্রতিটি সিগারেটে গড়ে এক মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। এছাড়া এক গবেষণা থেকে দেখা গেছে সিগারেটের ধরনের উপর নির্ভর করে এক একটি সিগারেটে ১.২-১.৪ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। স্বল্প নিকোটিনযুক্ত ‘সিগারেট লাইট’ এ ০.৬-১ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। তবে সাধারণ সিগারেটের মতো সিগারেট লাইটেও একই ধরনের সিগারেট বুস্ট তথা সিগারেটের প্রভাব থাকে।

এছাড়া নিকোটিন গ্রহণের মাত্রা ধূমপায়ীর উপর নির্ভর করে। সিগারেটে কত জোরে টান দিচ্ছে এবং সিগারেট পাফের কতটা নিকটবর্তী স্থান পর্যন্ত সিগারেট পান করছে- এই দুইটি বিষয়ের উপর নির্ভর করেও নিকোটিন গ্রহণের মাত্রায় তারতম্য দেখা দেয়।

আরও পড়ুন: ধূমপানে অন্ধত্ব!

আরও পড়ুন: প্যাসিভ স্মোকিংয়ে ক্যানসার ঝুঁকিতে আমরা সবাই!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র