Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

কফির পরিবর্তে চা পানে যা ঘটতে পারে!

কফির পরিবর্তে চা পানে যা ঘটতে পারে!
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

অফিসে ভীষণ কাজের চাপে কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে তুমুল আড্ডায় উষ্ণ পানীয়ের পেয়ালা হাতে থাকা যেন অনেকটাই বাধ্যতামূলক বিষয়।

এই উষ্ণ পানীয় হতে পারে সুঘ্রাণযুক্ত কফি কিংবা দারুণ রঙ ছড়ানো লাল চা।

অনেকেই চা থেকে কফি পানের দিকে আগ্রহী হন। ঠিক একইভাবে কফি থেকে চা পানের দিকে ঝুঁকে যান অনেকেই। কফি পানের মাত্রা কমিয়ে দিয়ে কিংবা একেবারেই বাদ দিয়ে লাল চা বা গ্রিন টি পানের অভ্যাস গড়ে তোলার সময়ে খুব স্বাভাবিকভাবেই কিছু পরিবর্তন দেখা দেয় শরীরে ও মনে।

দাঁতের রঙ উজ্জ্বল হয়ে উঠবে

কফি পানের ফলে সবচেয়ে বড় সমস্যাটি হলো, দাঁতে দাগ পড়ে যাওয়া। কফি থেকে চা পানের দিকে ঝুঁকলে দাঁত আগের তুলনায় অনেকটা উজ্জ্বল হয়ে উঠবে। বিশেষত যদি গ্রিন টি পান করা হয়।

কমতে পারে কোলেস্টেরলের মাত্রা

অনেকেই এক্সপ্রেসো কফি পান করতে পছন্দ করেন না বলে আনফিল্টার্ড কফি পান করেন। কিন্তু আনফিল্টার্ড কফি পানের ফলে খারাপ কোলেস্টেরলের (LDL) মাত্রা বৃদ্ধি পায়। সেক্ষেত্রে কফি থেকে ব্ল্যাক টি কিংবা গ্রিন টি পান করা শুরু করলে কোলেস্টেরলের সমস্যা নিয়ে দুশ্চিন্তা থাকে না।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/03/1554265990104.jpeg

দেখা দিতে পারে মাথাব্যথা

প্রতিদিন কতটা ক্যাফেইন গ্রহণ করা হতো এবং একেবারে সম্পূর্ণ ক্যাফেইন গ্রহণ বাদ দিয়ে দিচ্ছেন কিনা- এই দুইটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে ‘ক্যাফেইন উইথড্রওয়াল সিন্ড্রোম’ দেখা দিতে পারে। শরীর ক্যাফেইনের মাত্রার তারতম্যের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ধাপে মাথাব্যথার সমস্যাটি দেখা দিতে পারে।

বুক জ্বালাপোড়া কমতে পারে

কফিতে থাকা ক্যাফেইন খাদ্যনালী ও পাকস্থলীর মাঝের পেশীকে প্রশস্ত করে দেয়। ফলে পাকস্থলিস্থ অ্যাসিড উপরের দিকে উঠে আসে। যা থেকে বুক জ্বালাপোড়ার সমস্যাটি দেখা দেয়। কফির পরিবর্তে চা পানের ফলে এই সমস্যা দেখা দেওয়া বন্ধ হয়ে যাবে। যদিও চায়ে ক্যাফেইন রয়েছে, তা খুবই স্বল্প মাত্রায়।

বৃদ্ধি পেতে পারে ডায়বেটিস দেখা দেওয়ার সম্ভবনা

বেশ কিছু গবেষণার ফল জানায়, প্রতিদিন স্বল্প পরিমাণ কফি পানের ফলে ডায়বেটিস দেখা দেওয়ার সম্ভবনা হ্রাস পায়। যদিও এক্ষেত্রে যথাযথ ব্যাখ্যা ও তথ্যউপাত্ত গবেষকেরা দেখাতে পারেননি। কিন্তু অনেক গবেষকেরা দাবি করেন, কফি রক্তে ইনস্যুলিন সেনসিটিভিটি বৃদ্ধি করে, যার ফলে টাইপ-২ ডায়বেটিস দেখা দেওয়ার সম্ভবনা কমে যায় অনেকটা।

বদলে যেতে পারে মন-মেজাজের ধরণ

গবেষণা জানাচ্ছে, কফিতে থাকা ক্যাফেইন ডিপ্রেশনের মাত্রা কমাতে ও মন-মেজাজ উৎফুল্ল রাখতে সাহায্য করে। হার্ভার্ডের এক গবেষণার ফল থেকে জানা যায়, প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি প্রতিদিন দুই বা ততোধিক কাপ কফি পান করলে তার মাঝে আত্মহত্যা প্রবণতা অন্যান্যদের তুলনায় কমে যায় প্রায় অর্ধেক। তাই হুট করে কফি থেকে চায়ের দিকে ঝুঁকে গেলে মন-মেজাজে বড়সড় পরিবর্তন দেখা দিতেই পারে।

আরও পড়ুন: পৃথিবী বিখ্যাত পাঁচ ব্যয়বহুল কফি!

আরও পড়ুন: কতটা উপকারী প্রিয় পানীয় কফি?

আপনার মতামত লিখুন :

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?
ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নাতীতভাবে ধূমপান সবচেয়ে বাজে ও ক্ষতিকর একটি অভ্যাস।

এ বদভ্যাসের দরুন নিজের স্বাস্থ্য তো বটেই, পাশাপাশি অন্যের স্বাস্থ্যও ঝুঁকির মাঝে পড়ে যায়। ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরেও বেশিরভাগ ধূমপায়ী এই অভ্যাসটি বাদ দিতে চান না। তবে এর বিপরীত চিত্রও রয়েছে। অনেকেই চেষ্টা করেন স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এই অভ্যাসটিকে পাশ কাটিয়ে উঠতে। তবে ধূমপায়ী, অধূমপায়ী ও ধূমপান ত্যাগ করার চেষ্টা করছেন যারা, প্রত্যেকেই একটি বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন- একটি সিগারেটে কতখানি নিকোটিন থাকে! চলুন এই বিষয়টি জানানো যাক।

প্রতিটি সিগারেটে থাকে ৭০০০ ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল। যার মাঝে সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো নিকোটিন (Nicotine). হাজারো ধরনের কেমিক্যালের ভেতর এই নিকোটিন তৈরি হয় তামাক পাতা থেকে। তামাক পাতা থেকে তৈরি হওয়া এই উদ্ভিজ কেমিক্যাল নিকোটিনেই ধূমপায়ীদের আসক্তি তৈরি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566042274926.jpg

মেডিকেশন অ্যাডভোকেট জেসন রিড জানান, প্রতিটি সিগারেটে গড়ে এক মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। এছাড়া এক গবেষণা থেকে দেখা গেছে সিগারেটের ধরনের উপর নির্ভর করে এক একটি সিগারেটে ১.২-১.৪ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। স্বল্প নিকোটিনযুক্ত ‘সিগারেট লাইট’ এ ০.৬-১ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। তবে সাধারণ সিগারেটের মতো সিগারেট লাইটেও একই ধরনের সিগারেট বুস্ট তথা সিগারেটের প্রভাব থাকে।

এছাড়া নিকোটিন গ্রহণের মাত্রা ধূমপায়ীর উপর নির্ভর করে। সিগারেটে কত জোরে টান দিচ্ছে এবং সিগারেট পাফের কতটা নিকটবর্তী স্থান পর্যন্ত সিগারেট পান করছে- এই দুইটি বিষয়ের উপর নির্ভর করেও নিকোটিন গ্রহণের মাত্রায় তারতম্য দেখা দেয়।

আরও পড়ুন: ধূমপানে অন্ধত্ব!

আরও পড়ুন: প্যাসিভ স্মোকিংয়ে ক্যানসার ঝুঁকিতে আমরা সবাই!

ছারপোকা দূর করবে এই জিনিসগুলো

ছারপোকা দূর করবে এই জিনিসগুলো
টি ট্রি অয়েল, লবণ ও ল্যাভেন্ডার পাতা ছারপোকা দূর করতে কার্যকরি উপাদান

ছারপোকা দেখা দেওয়ার সমস্যাটি একইসাথে খুব বিরক্তিকর ও সাধারণ।

যারপরনাই এ সমস্যায় ভোগান্তি পোহাতে হয় ছারপোকাযুক্ত আসবাব, বিছানা, সোফা প্রভৃতি ব্যবহারকারীকে। রাতের দিকে সাধারণত এদের উপদ্রব বেশি দেখা যায়।

মূলত স্যাঁতস্যাঁতে ও পর্যাপ্ত আলো-বাতাসহীন স্থানে ছারপোকা বেশি হয়। সেক্ষেত্রে বিছানা, বালিশ, কুশন, তোশকের মতো নরম স্থানে ছারপোকা হলে রোদের আলোতে কয়েকদিন এই জিনিসগুলো রাখা হলে ও পোকামাকড় দূর করার স্প্রে ব্যবহার করা হলে ছারপোকা বেশিরভাগ সময় দূর হয়ে যায়।

তবে ঢাকা শহরে বহু স্থানের বাড়িতেই রোদের আলো প্রবেশ করতে পারে না। এছাড়া অন্যান্য আসবাবে ছারপোকার প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে রোদের আলোতে দেওয়া কষ্টকর। সেক্ষেত্রে কিছু উপাদানের ব্যবহারে আসবাবসহ অন্যান্য জিনিসপত্র থেকে সহজেই ছারপোকা দূর করা যাবে।

টি ট্রি অয়েল

টি ট্রি অয়েলের গন্ধ ছারপোকা সহ্য করতে পারে না। ফলে উপকারী এই এসেনসিয়াল অয়েলের ব্যবহারে ছারপোকা দূর করা যাবে ঝামেলাহীনভাবে। ২০০ মিলিলিটার পানিতে ২০ ফোঁটা টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে ছারপোকাযুক্ত আসবাবে স্প্রে করে কিছুক্ষণ রেখে দিতে হবে। এতে করে ছারপোকা দূর হবে এবং পুনরায় ছারপোকা যেন ফিরে না আসে, সেজন্য আসবাবে ১০ দিন পরপর টি ট্রি অয়েলযুক্ত পানি স্প্রে করতে হবে।

বেকিং সোডা

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566034457047.jpg

প্রতি রান্নাঘরেই এই উপাদানটি পাওয়া যাবে। শুধু রান্নার কাজে নয়, ছারপোকা দমনেও দারুণ কার্যকরি এই উপাদানটি। ছারপোকা আক্রান্ত আসবাবের উপর বেকিং সোডা ছিটিয়ে একদিনের জন্য রেখে দিতে হবে এবং একদিন পর পুনরায় বেকিং সোডা ছিটাতে হবে। এতে করে ছারপোকা মরে যাবে।

সাদা ভিনেগার

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566034474797.JPG

ভিনেগারের তীব্র গন্ধ ছারপোকার যন্ত্রণা দূর করতে খুবই ভালো কাজ করে। বিশেষত আসবাবপত্রে ছারপোকা দেখা দিলে, সেক্ষেত্রে সাদা ভিনেগারের ব্যবহার সবচেয়ে উপকার দেবে। সমপরিমাণ পানি ও সাদা ভিনেগার মিশিয়ে পরপর কয়েকদিন ছারপোকাযুক্ত আসবাব মুছলে ছারপোকা চলে যাবে। ছারপোকা দূর হয়ে যাওয়ার পর প্রতি সপ্তাহে একবার ভিনেগার মিশ্রিত পানিতে আসবাব মুছে নিতে হবে।

লবণ

সাধারন লবণ খুব ভালো ছারপোকা রিপ্যালেন্ট হিসেবে কাজ করে। বিছানা, বালিশের মতো জিনিসে ছারপোকার প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে লবণ মিশ্রিত পানি স্প্রে করে শুকাতে হবে। এতে করে ছারপোকা দূর হয়ে যাবে।

ল্যাভেন্ডার পাতা

ল্যাভেন্ডারের মতো উপকারী পাতার গন্ধে ছারপোকা খুব দ্রুতই পালায়। জামাকাপড়ে বা বালিশ ও কুশন কভারে ছারপোকার আনাগোনা দেখা দিলে ল্যাভেন্ডার পাতা রেখে দিতে হবে। ব্যস ছারপোকার জন্য আর দুশ্চিন্তা করতে হবে না।

আরও পড়ুন: কর্নস্টার্চ ও কর্নফ্লাওয়ারের মাঝে পার্থক্য কী?

আরও পড়ুন: সঠিক পরিচর্যায় সতেজ ক্যাকটাস

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র