Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

তাসনুতা’র কেকে বাংলাদেশের স্বর্ণপদক প্রাপ্তি

তাসনুতা’র কেকে বাংলাদেশের স্বর্ণপদক প্রাপ্তি
ছবি: তাসনুতা আলম।
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

কেক তৈরির বিষয়টি এখন রীতিমত শিল্পের একটি অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কেকের মাঝে ফুটিয়ে তোলা ফুল, গাড়ি, হাতব্যাগ, কিংবা চিঠি ও চুড়ির গল্প নতুন কিছু নয়। কেক তৈরির কারিগরদের মনোমুগ্ধকর উপস্থাপন দেখে বিস্মিত ও আনন্দিত হতে হয়েছে বহুবার।

এবারে সত্যিকার অর্থেই দেশের জন্য আনন্দের সংবাদ এনেছেন তাসনুতা আলম। চলতি বছরের ৪-৬ এপ্রিল মার্কিন যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো ‘কেক ইন্টারন্যাশনাল লন্ডন’ প্রতিযোগিতা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/08/1554719344742.jpg

যেখানে বিশ্বের মোট ৮০টি ভিন্ন দেশ থেকে ৭০০ জন প্রতিযোগীদের সাথে লড়াই করে, ৩১ জন বিচারকের চুলচেরা বিচার-বিশ্লেষন শেষে দুইটি (একটি যৌথভাবে) স্বর্ণ, দুইটি রৌপ্য ও একটি ব্রোঞ্জ পদক জিতেছেন বাংলাদেশের মেয়ে কেক-আর্টিস্ট তাসনুতা আলম।

মোট চারটি ভিন্ন বিভাগের পাঁচটি কেক নিয়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন তিনি। যার মাঝে চারটি একক ও একটি যৌথ বিভাগ ছিল। তাসনুতার অংশ নেওয়া বিভাগগুলো ছিলো- কাপকেকস, স্মল এক্সকিউটিভ, ডেকোরেটিভ প্লাক ও পিন আপ গার্লস কোলাবরেশন। যেখানে কাপকেকস বিভাগে ৯৪ শতাংশ নাম্বার পেয়ে স্বর্ণপদক লাভ করেন গুণী এই শিল্পী।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/08/1554719389602.jpg

এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো কেক ইন্টারন্যাশনাল প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন তাসনুতা। প্রথম দু’বারে ব্রোঞ্জ পদক লাভ করলেও, এবারই প্রথম স্বর্ণপদক লাভ করেন তিনি। স্বর্ণপদক প্রাপ্তির অনুভূতি জানাতে গিয়ে বার্তা২৪.কমকে তাসনুতা বলেন, ‘প্রথমবার স্বর্ণ জেতা একটা অদ্ভুত অনুভূতি। প্রথমে তো বিশ্বাসই হচ্ছিলো না আমার। আমি ভেবেছি হয়তো রৌপ্যপদক পাবো। দুইটা স্বর্ণপদক পাওয়ার পর আনন্দে আমি কান্নায় ভেঙে পড়ি’।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/08/1554719404553.jpg

তাসনুতা পেশাগতভাবে কেক তৈরি শুরু করেন ছয় বছর আগে থেকে। তবে একদম প্রথম কেক বানানোর হাতেখড়ি হয়েছে তার মা কাওসার আলম এর কাছ থেকে। তাসনুতা জানান, তিনি জনপ্রিয় কেক আর্টিষ্ট ডন বাটলার, পল ব্রাডফোর্ড, রবার্ট হায়নেস এর কাছ থেকে কেক তৈরি শিখেছেন। শুধু তাই নয়, ২০১৭ সালে তিনি কেক ডেকোরেটিং এর উপরে ‘মাষ্টার্স অফ কেক ডেকোরেটিং’ কোর্স করেছেন PME লন্ডন ইউকে থেকে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/08/1554719993198.jpg

২০০৮ সালে ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ থেকে অ্যাকাউন্টিং এ ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট হওয়া তাসনুতা বর্তমানে স্বামী আহমেদ সাদিক ও সন্তান আদিয়ান সাদিককে নিয়ে প্রবাসে বাস করছেন।

কেক তৈরি করাই তাসনুতার জীবনের প্যাশন। এই কাজটি থেকে নিজেকে দূরে রাখা সম্ভব নয় বলে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দেশে ও দেশের বাইরে সব জায়গাতেই দেশকে নিয়ে কাজ করার ইচ্ছা আছে। সে অনুযায়ী পরিকল্পনা করা শুরু হয়ে গেছে। দ্রুতই সেটা সম্পর্কে সবাইকে জানানো হবে’।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশের আতিথেয়তায় মুগ্ধ ‘ফুড রেঞ্জার’

আরও পড়ুন: হাসপাতালে অলস সময় কাটবে বই পড়ে

আপনার মতামত লিখুন :

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?
ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নাতীতভাবে ধূমপান সবচেয়ে বাজে ও ক্ষতিকর একটি অভ্যাস।

এ বদভ্যাসের দরুন নিজের স্বাস্থ্য তো বটেই, পাশাপাশি অন্যের স্বাস্থ্যও ঝুঁকির মাঝে পড়ে যায়। ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরেও বেশিরভাগ ধূমপায়ী এই অভ্যাসটি বাদ দিতে চান না। তবে এর বিপরীত চিত্রও রয়েছে। অনেকেই চেষ্টা করেন স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এই অভ্যাসটিকে পাশ কাটিয়ে উঠতে। তবে ধূমপায়ী, অধূমপায়ী ও ধূমপান ত্যাগ করার চেষ্টা করছেন যারা, প্রত্যেকেই একটি বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন- একটি সিগারেটে কতখানি নিকোটিন থাকে! চলুন এই বিষয়টি জানানো যাক।

প্রতিটি সিগারেটে থাকে ৭০০০ ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল। যার মাঝে সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো নিকোটিন (Nicotine). হাজারো ধরনের কেমিক্যালের ভেতর এই নিকোটিন তৈরি হয় তামাক পাতা থেকে। তামাক পাতা থেকে তৈরি হওয়া এই উদ্ভিজ কেমিক্যাল নিকোটিনেই ধূমপায়ীদের আসক্তি তৈরি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566042274926.jpg

মেডিকেশন অ্যাডভোকেট জেসন রিড জানান, প্রতিটি সিগারেটে গড়ে এক মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। এছাড়া এক গবেষণা থেকে দেখা গেছে সিগারেটের ধরনের উপর নির্ভর করে এক একটি সিগারেটে ১.২-১.৪ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। স্বল্প নিকোটিনযুক্ত ‘সিগারেট লাইট’ এ ০.৬-১ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। তবে সাধারণ সিগারেটের মতো সিগারেট লাইটেও একই ধরনের সিগারেট বুস্ট তথা সিগারেটের প্রভাব থাকে।

এছাড়া নিকোটিন গ্রহণের মাত্রা ধূমপায়ীর উপর নির্ভর করে। সিগারেটে কত জোরে টান দিচ্ছে এবং সিগারেট পাফের কতটা নিকটবর্তী স্থান পর্যন্ত সিগারেট পান করছে- এই দুইটি বিষয়ের উপর নির্ভর করেও নিকোটিন গ্রহণের মাত্রায় তারতম্য দেখা দেয়।

আরও পড়ুন: ধূমপানে অন্ধত্ব!

আরও পড়ুন: প্যাসিভ স্মোকিংয়ে ক্যানসার ঝুঁকিতে আমরা সবাই!

ছারপোকা দূর করবে এই জিনিসগুলো

ছারপোকা দূর করবে এই জিনিসগুলো
টি ট্রি অয়েল, লবণ ও ল্যাভেন্ডার পাতা ছারপোকা দূর করতে কার্যকরি উপাদান

ছারপোকা দেখা দেওয়ার সমস্যাটি একইসাথে খুব বিরক্তিকর ও সাধারণ।

যারপরনাই এ সমস্যায় ভোগান্তি পোহাতে হয় ছারপোকাযুক্ত আসবাব, বিছানা, সোফা প্রভৃতি ব্যবহারকারীকে। রাতের দিকে সাধারণত এদের উপদ্রব বেশি দেখা যায়।

মূলত স্যাঁতস্যাঁতে ও পর্যাপ্ত আলো-বাতাসহীন স্থানে ছারপোকা বেশি হয়। সেক্ষেত্রে বিছানা, বালিশ, কুশন, তোশকের মতো নরম স্থানে ছারপোকা হলে রোদের আলোতে কয়েকদিন এই জিনিসগুলো রাখা হলে ও পোকামাকড় দূর করার স্প্রে ব্যবহার করা হলে ছারপোকা বেশিরভাগ সময় দূর হয়ে যায়।

তবে ঢাকা শহরে বহু স্থানের বাড়িতেই রোদের আলো প্রবেশ করতে পারে না। এছাড়া অন্যান্য আসবাবে ছারপোকার প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে রোদের আলোতে দেওয়া কষ্টকর। সেক্ষেত্রে কিছু উপাদানের ব্যবহারে আসবাবসহ অন্যান্য জিনিসপত্র থেকে সহজেই ছারপোকা দূর করা যাবে।

টি ট্রি অয়েল

টি ট্রি অয়েলের গন্ধ ছারপোকা সহ্য করতে পারে না। ফলে উপকারী এই এসেনসিয়াল অয়েলের ব্যবহারে ছারপোকা দূর করা যাবে ঝামেলাহীনভাবে। ২০০ মিলিলিটার পানিতে ২০ ফোঁটা টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে ছারপোকাযুক্ত আসবাবে স্প্রে করে কিছুক্ষণ রেখে দিতে হবে। এতে করে ছারপোকা দূর হবে এবং পুনরায় ছারপোকা যেন ফিরে না আসে, সেজন্য আসবাবে ১০ দিন পরপর টি ট্রি অয়েলযুক্ত পানি স্প্রে করতে হবে।

বেকিং সোডা

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566034457047.jpg

প্রতি রান্নাঘরেই এই উপাদানটি পাওয়া যাবে। শুধু রান্নার কাজে নয়, ছারপোকা দমনেও দারুণ কার্যকরি এই উপাদানটি। ছারপোকা আক্রান্ত আসবাবের উপর বেকিং সোডা ছিটিয়ে একদিনের জন্য রেখে দিতে হবে এবং একদিন পর পুনরায় বেকিং সোডা ছিটাতে হবে। এতে করে ছারপোকা মরে যাবে।

সাদা ভিনেগার

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566034474797.JPG

ভিনেগারের তীব্র গন্ধ ছারপোকার যন্ত্রণা দূর করতে খুবই ভালো কাজ করে। বিশেষত আসবাবপত্রে ছারপোকা দেখা দিলে, সেক্ষেত্রে সাদা ভিনেগারের ব্যবহার সবচেয়ে উপকার দেবে। সমপরিমাণ পানি ও সাদা ভিনেগার মিশিয়ে পরপর কয়েকদিন ছারপোকাযুক্ত আসবাব মুছলে ছারপোকা চলে যাবে। ছারপোকা দূর হয়ে যাওয়ার পর প্রতি সপ্তাহে একবার ভিনেগার মিশ্রিত পানিতে আসবাব মুছে নিতে হবে।

লবণ

সাধারন লবণ খুব ভালো ছারপোকা রিপ্যালেন্ট হিসেবে কাজ করে। বিছানা, বালিশের মতো জিনিসে ছারপোকার প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে লবণ মিশ্রিত পানি স্প্রে করে শুকাতে হবে। এতে করে ছারপোকা দূর হয়ে যাবে।

ল্যাভেন্ডার পাতা

ল্যাভেন্ডারের মতো উপকারী পাতার গন্ধে ছারপোকা খুব দ্রুতই পালায়। জামাকাপড়ে বা বালিশ ও কুশন কভারে ছারপোকার আনাগোনা দেখা দিলে ল্যাভেন্ডার পাতা রেখে দিতে হবে। ব্যস ছারপোকার জন্য আর দুশ্চিন্তা করতে হবে না।

আরও পড়ুন: কর্নস্টার্চ ও কর্নফ্লাওয়ারের মাঝে পার্থক্য কী?

আরও পড়ুন: সঠিক পরিচর্যায় সতেজ ক্যাকটাস

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র