Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

মোবাইলের আয়ু কমছে যে সব কারণে

মোবাইলের আয়ু কমছে যে সব কারণে
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

খুব শখ করে লেটেস্ট মডেলের মোবাইল ফোন কেনার ছয় মাসের মাথায় দেখা গেলো মোবাইল স্লো হয়ে গিয়েছে।

ব্যাটারি ফুরিয়ে যাচ্ছে সময়ের চাইতে অনেক দ্রুত। বারংবার হ্যাং করছে অ্যাপ চালানোর সময়। স্বাভাবিকভাবেই দোষটা তখন মোবাইল কোম্পানির উপরেই দেওয়া হয়।

কিন্তুই নিজের ভুলে ও মোবাইল চালানোর অসাবধানতার ফলেই যে এমন সমস্যা দেখা দেয় সেটা আমরা ভুলে যাই। মোবাইলের যথেচ্ছা ব্যবহার, অ্যাপস ও পারমিশনের লাগামহীনতাই মূলত মোবাইলের আয়ু দ্রুত কমে যাওয়ার জন্য দায়ী। শখের গ্যাজেটটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম মেনে চললে তা টেকসই হবে লম্বা সময়ের জন্য। মোবাইল ব্যবহারের ক্ষেত্রে যে ভুলগুলো সাধারণত করা হয়, তার কয়েকটি জেনে রাখুন।

নোটিফিকেশনের জন্য ভাইব্রেশন চালু রাখা

মোবাইল ফোনের আয়ু যত বাড়তে থাকে, তার কার্যকারিতা ততই কমতে থাকে। ইনকামিং কল কিংবা ম্যাসেজের জন্য ভাইব্রেশন চালু রাখা যেতে পারে। তবে ছোটখাটো সকল ধরনের নোটিফিকেশনের জন্য ভাইব্রেশন মুড চালু রাখার ফলে মোবাইলের আয়ু কমে যেতে থাকে সময়ের চাইতে অনেক বেশি দ্রুত।

অব্যবহৃত অ্যাপস চালু রাখা

আইফোন কিংবা অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলে অব্যবহৃত অ্যাপস ব্যাটারির আয় কমিয়ে দেয়। হুট করে কোন অ্যাপ চালু করার পর সেটা পুনরায় আর ব্যবহার না করে ব্যাকগ্রাউন্ডে রেখে দেওয়ার অভ্যাসটি কমবেশি প্রায় সবার মাঝেই আছে। এতে করে ব্যাটারির বাড়তি কাজ করতে হয়। ব্যাটারির উপর চাপ কমাতে ব্যাকগ্রাউন্ডের অব্যাবহৃত অ্যাপসগুলো বন্ধ করে দিতে হবে ব্যবহারের পরপরই।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/20/1555734956824.jpg
অব্যবহৃত অ্যাপস ব্যাকগ্রাউন্ডে রাখা যাবে না।

 

অপ্রয়োজনীয় পারমিশন অ্যালাউ করা

রাইড শেয়ারিং অ্যাপসের জন্য লোকেশন পারমিশন দেওয়ার প্রয়োজন আছে, কারণ ইউজার হিসেবে আপনার সঠিক অবস্থান জানানো প্রয়োজন। তবে এমন ধরনের অ্যাপস ছাড়া অন্যান্য অ্যাপসের ক্ষেত্রে লোকেশনের পারমিশন নেওয়ার প্রয়োজন নেই। তাই অপ্রয়োজনীয় কিংবা র‍্যানডম অ্যাপসের ক্ষেত্রে বাড়তি পারমিশন দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

ব্যাটারি ড্রেইন হচ্ছে যে সকল অ্যাপসের কারণে

মোবাইলের ব্যাটারি সবচেয়ে বেশি ড্রেইন হয় স্ন্যাপচ্যাট, গুগল ম্যাপস, নেটফ্লিক্স, অ্যামাজন ও ফেসবুক অ্যাপসের জন্য গার্ডিয়ান জানাচ্ছে, যারা মোবাইলে ফেসবুক ব্যবহার থেকে বিরত থাকে কিংবা মোবাইলে ফেসবুক কম ব্যবহার করেন, তাদের মোবাইলের ব্যাটারির আয়ু অন্ততপক্ষে ২০ শতাংশ কম খরচ হয়। এই অ্যাপসগুলো ব্যাকগ্রাউন্ডে চালু থাকার ফলে মোবাইলের ব্যাটারি প্রয়োজনের চাইতে ৩০-৪৫ শতাংশ বেশি খরচ হয়।

মোবাইলের স্ক্রিন অনেক বেশি উজ্জ্বল

অনেকেই মোবাইলের স্ক্রিনের উজ্জ্বলতা একেবারে কমিয়ে রাখেন। ঠিক তেমনিভাবে অনেকেই মোবাইলের স্ক্রিনের উজ্জ্বলতা প্রয়োজনের চাইতে অনেক বেশি বাড়িয়ে রাখেন। স্ক্রিনের বাড়তি উজ্জ্বলতা ব্যাটারির পাশাপাশি মোবাইলেরও ক্ষতি করে।

বালিশের নিচে মোবাইল রাখা

ঘুমানোর সময় ভুলবশত মোবাইল বালিশের নিচে চলে যায়। এতে করে মোবাইলের উত্তাপ বেড়ে আগুন ধরার সম্ভবনা তৈরি হয়। এর পাশপাশি মোবাইলের ব্যাটারির আয়ুও কমে যায় বাড়তি উত্তাপের ফলে।

আরও পড়ুন: প্রযুক্তি ব্যবহারের অপরিহার্য কিছু নিয়মনীতি

আরও পড়ুন: মোবাইল ব্যবহারে হন যত্নশীল

আপনার মতামত লিখুন :

সাদামাটা নিমকিমাখা

সাদামাটা নিমকিমাখা
ছবি: নিমকিমাখা

হুটহাট করেই হাবিজাবি কোন খাবার খেতে ইচ্ছা করে।

এই হাবিজাবিটা আসলে কি, সেটা বুঝতে পারা দুষ্কর। এমন খাবার খাওয়ার ইচ্ছাকে অনেকে কাব্যিকভাবে ছোটখাটো ক্ষুধা নামেও ডেকে থাকে।

হুট করে কোন কিছু খেতে ইচ্ছা করলে ঘরে থাকা অল্প জিনিস কীভাবে মুখরোচক ও নতুন খাবার তৈরি করা যায় এইটাই যেন চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। মন অবস্থায় ঘরে থাকা নিমকি ও অল্প পেঁয়াজ-মরিচেই তৈরি করে নেওয়া যাবে নিমকিমাখা। কীভাবে তৈরি করবেন? চটজলদি দেখে নিন রেসিপিটি।

নিমকিমাখা তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566394524865.JPG

১. ২০০ গ্রাম নিমকি।

২. একটি পেঁয়াজ কুঁচি।

৩. একটি টমেটো কুঁচি।

৪. দুইটি কাঁচামরিচ কুঁচি।

৫. অর্ধেকটি শসা কুঁচি।

৬. অর্ধেকটি ক্যাপসিকাম কুঁচি।

৭. একমুঠো ধনিয়াপাতা কুঁচি।

৮. এক টেবিল চামচ লেবুর রস।

৯. দুই টেবিল চামচ সরিষার তেল।

১০. স্বাদমতো লবণ।

নিমকিমাখা যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566394543339.JPG

১. প্রথমে সরিষার তেলে পেঁয়াজ ও কাঁচামরিচ কুঁচি চটকে নিতে হবে। এতে টমেটো, শসা, ক্যাপসিকাম ও ধনিয়া কুঁচি দিয়ে মাখিয়ে লবণ দিতে হবে।

২. সকল উপাদান মাখানো হয়ে গেলে নিমকি দিয়ে পেঁয়াজ-কাঁচামরিচের সাথে মাখিয়ে তার উপরে লেবুর রস ছড়িয়ে দিতে হবে।

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

আরও পড়ুন: চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

হাড়ের সুস্বাস্থ্যে পাঁচ নিয়ম

হাড়ের সুস্বাস্থ্যে পাঁচ নিয়ম
ছবি: সংগৃহীত

সম্পূর্ণ শারীরিক সুস্বাস্থ্যে হাড়ের ভূমিকা অনেকখানি।

আমাদের শরীরের পুরো গঠন ও কাঠামো নির্ভর করে হাড়ের উপরে। ফলে হাড়ে যদি কোন সমস্যা দেখা দেয়, তার প্রভাব পরে সামগ্রিকভাবে। তরুণ বয়সে হাড় সবচেয়ে বেশি শক্ত ও সুস্থ থাকে, যদি সঠিক খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা যায় ও যত্ন নেওয়া হয়। তবে বয়স যত বৃদ্ধি পেতে থাকে, হাড়ের শক্তি কমতে থাকে এবং হাড় ক্ষয় হতে থাকে। ফলে ৪৫-৫০ বছর পর থেকেই হাড়জনিত নানাবিধ সমস্যা দেখা দেওয়া শুরু হয়। এ কারণেই হাড়ের প্রতি আলাদাভাবে যত্নবান হওয়া প্রয়োজন। জেনে নিন হাড়ের যত্নে কোন বিষয়গুলোর প্রতি নজর দিতে হবে।

পারিবারিক ইতিহাস সম্পর্কে জানা

স্বাস্থ্যগত বিষয়ে ফ্যামিলি হিস্ট্রি অনেক বড় ভূমিকা পালন করে। যার বাবা-মা অথবা ভাই-বোনের অস্টিওপরোসিসের সমস্যা রয়েছে, তারও এই সমস্যাটি দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই পরিবারের মানুষদের হাড়ের স্বাস্থ্য ও সমস্যা সম্পর্কে খোঁজখবর করতে হবে এবং সেইভাবে নিজের হাড়ের যত্ন নেওয়ার বিষয়ে সচেতন হয়ে উঠতে হবে।

ক্যালসিয়াম গ্রহণ বৃদ্ধি

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/21/1566384501379.jpeg

হাড়ের বিষয়ে আলোচনা আসলে প্রথমেই যে শব্দটি মাথায় আসবে সেটা হলো ক্যালসিয়াম। প্রাকৃতিক এই মিনারেলটির সাহায্যে হাড় ও দাঁত গড়ে ওঠে ও দৃঢ়তা পায়। তবে ক্যালসিয়ামই শেষ কথা নয়। শরীরকে প্রস্তুত করতে হবে ক্যালসিয়াম শোষণের জন্য। নতুবা ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবার খাওয়া হলেও, তার পুষ্টিগুণ শরীরে ঠিকভাবে শোষিত হবে না এবং ক্যালসিয়ামের অভাব তৈরি হবে।

ভোলা যাবে না ভিটামিন-ডি কে

ক্যালসিয়ামের সাথে সরাসরিভাবে সংযুক্ত হলো ভিটামিন-ডি। একইসাথে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন-ডি হাড়কে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। ভিটামিন-ডি পাওয়া যাবে চিংড়ি, কমলালেবুর রস, ডিমের কুসুম, টুনা মাছ প্রভৃতি থেকে। এছাড়া রোদের আলো ভিতামিন-ডি এর অন্যতম বড় একটি উৎস। বর্তমান সময়ে অনেকেই রোদের আলোর অপর্যাপ্ততায় ভিটামিন-ডি এর অভাবে ভুগছেন। সেক্ষেত্রে প্রতিদিন অন্তত ১০-১৫ মিনিট শরীরে রোদের আলো লাগানোর চেষ্টা করতে হবে।

নিয়মিত শরীরচর্চা করা

শুধু স্বাস্থ্যসম্মত খাবার গ্রহণই যথেষ্ট নয়, শরীরচর্চার অভ্যাসও গড়ে তুলতে হবে হাড়কে সুস্থ রাখতে চাইলে। শরীরচর্চার বিভিন্ন কলাকৌশল হাড়কে দৃঢ় করতে কাজ করে। দৌড়ানো, দ্রুত হাঁটা, দড়িলাফ কিংবা সিঁড়িতে ওঠানামার মতো হালকা ঘরানার শরীরচর্চাগুলোই হাড়কে ভালো রাখতে উপকারী।

সীমিত মাত্রায় ক্যাফেইন গ্রহণ

ক্যাফেইনের বেশ কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে বটে, তবে দুঃখজনকভাবে হাড়ের জন্য নয়। অতিরিক্ত মাত্রায় ক্যাফেইন গ্রহণ শরীরে ক্যালসিয়াম শোষণে বাধাদান করে। তাই প্রতিদিন দুই কাপ পরিমাণ কফি পান নিরাপদ। এর বেশি হয়ে গেলে তা হাড়ের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

আরও পড়ুন: ওয়ার্ল্ড অস্টিওপরোসিস ডে: হাড় থাকুক মজবুত

আরও পড়ুন: ভিটামিন ডি ঘাটতি: ঝুঁকি, উপসর্গ এবং বৃদ্ধির উপায়

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র