Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

ধরিত্রী দিবস আজ, পরিবেশ বাঁচাতে প্লাস্টিক বর্জন

ধরিত্রী দিবস আজ, পরিবেশ বাঁচাতে প্লাস্টিক বর্জন
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

পুরো বিশ্বব্যাপী আজকের দিনটি পালন করা হয় ‘আর্থ ডে’ তথা ধরিত্রী দিবস হিসেবে।

১৯৭০ সালের ২২ এপ্রিল সর্বপ্রথম আজকের দিনটির সূচনা হয়। যার পরিসর দিনে দিনে ছড়িয়ে পড়ায় বর্তমানে মোট ১৯৩টি দেশে পালন করা হয় আজকের দিনটি।

আজ প্রায় পঞ্চাশ বছর পর আমাদের সবারই পুরো পৃথিবী ও পরিবেশের দিকে বাড়তি ও বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন। দিনে দিনে আমাদের চারপাশের পরিবেশের নাজুক অবস্থা ক্রমেই ছাড়িয়ে যাচ্ছে পেছনের সব রেকর্ড। ভীষণ ‘বিপদজনক’ এই অবস্থায় সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া না হলে ভয়াবহ বিপর্যয়ের সম্মুখীন হতে হবে পুরো পৃথিবীবাসীকেই।

বর্তমান সময়ে পরিবেশের সবচেয়ে বড় শত্রু হলো প্লাস্টিক। প্রকৃতি ও পরিবেশের উপর কতটা নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে প্লাস্টিক? জেনে রাখুন প্রতি বছর এক ট্রিলিয়ন পরিমাণ প্লাস্টিক ব্যাগ ব্যবহৃত হয় পুরো বিশ্বে। যার মাত্র ৫ শতাংশ হলো পুনঃব্যবহারযোগ্য।

এছাড়া আন্তর্জাতিক স্কেলে প্রতি বছর প্রায় ৩০০ মিলিয়ন টন প্লাস্টিক উৎপন্ন হয়। যার মাঝে অর্ধেকই শুধুমাত্র একবার ব্যবহারের জন্য। ইতোমধ্যে আমাদের সমুদ্রে প্লাস্টিকের সংখ্যা ১৫০ ট্রিলিয়ন ছাড়িয়ে গেছে। যা জলজ জীবনের ওপরে তো বটেই, পুরো বাস্তুসংস্থান প্রক্রিয়ার উপরেই বড় ধরনের ব্যাঘাত তৈরি করছে।

প্লাস্টিকের এই দানবীয় প্রভাব ও রূপ থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করতে বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান প্লাসিক বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে। আশা করা যায়, তাদের এই পদক্ষেপ কিছুটা হলেও পরিবেশের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে এমন পদক্ষেপ গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করবে। এমন কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নাম তুলে ধরা হলো।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/22/1555917890443.jpg
ধরিত্রী দিবস।

 

ম্যাকডোনাল্ডস

২০১৮ সালের গ্রীষ্ম থেকেই প্রতিষ্ঠানটি প্লাস্টিক বাদ দেওয়ার পরিকল্পনা শুরু করেছে। ২০২৫ সাল নাগাদ ১২২টি স্থানের প্রায় ৩৬,০০০ আউটলেটে ম্যাকডোনাল্ডস নবায়নযোগ্য, পুনঃব্যবহারযোগ্য, টেকসই পণ্য ব্যবহার করা হবে।

দ্য ওয়াল্ট ডিজনি কোম্পানি

প্রতিটি ডিজনি থিম পার্কে প্রতি বছরে ১৭৫ মিলিয়ন স্ট্র ও ১৩ মিলিয়ন স্টিরার (নাড়ানি) ব্যবহার করা হয়। বড় অংকের এই অপচয় রোধে চলতি বছর থেকেই প্লাস্টিক পণ্য বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

নেসলে

পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তর প্যাকেটজাত খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হলো নেসলে। প্লাস্টিক বর্জ্যের পরিমাণ কমাতে এই প্রতিষ্ঠানটিও চলতি বছরের গ্রীষ্ম থেকে প্লাস্টিকের পরিবর্তে কাগজের পণ্যের ব্যবহার শুরু করবে বলে প্রতিজ্ঞা করছে।

স্টারবাকস

২০২০ সাল নাগাদ স্টারবাকসের প্রতিটি স্তোর থেকে প্লাস্টিকের স্ট্র বাতিল করার ঘোষণা দিয়েছে পৃথিবী বিখ্যাত এই কফি শপটি। তারা হিসেব করে দেখেছে প্রতি বছরে তাদের প্রতিষ্ঠান থেকে এক বিলিয়নের বেশি পরিমাণ স্ট্র ব্যবহার করা হয়।

আরও পড়ুন: গুগল ডুডলে আধুনিক ভাস্কর্যের অগ্রদূত নভেরা আহমেদ

আরও পড়ুন: নারীদের জন্য বিশ্বের সেরা ১৯ দেশ!

আপনার মতামত লিখুন :

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?
ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নাতীতভাবে ধূমপান সবচেয়ে বাজে ও ক্ষতিকর একটি অভ্যাস।

এ বদভ্যাসের দরুন নিজের স্বাস্থ্য তো বটেই, পাশাপাশি অন্যের স্বাস্থ্যও ঝুঁকির মাঝে পড়ে যায়। ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরেও বেশিরভাগ ধূমপায়ী এই অভ্যাসটি বাদ দিতে চান না। তবে এর বিপরীত চিত্রও রয়েছে। অনেকেই চেষ্টা করেন স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এই অভ্যাসটিকে পাশ কাটিয়ে উঠতে। তবে ধূমপায়ী, অধূমপায়ী ও ধূমপান ত্যাগ করার চেষ্টা করছেন যারা, প্রত্যেকেই একটি বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন- একটি সিগারেটে কতখানি নিকোটিন থাকে! চলুন এই বিষয়টি জানানো যাক।

প্রতিটি সিগারেটে থাকে ৭০০০ ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল। যার মাঝে সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো নিকোটিন (Nicotine). হাজারো ধরনের কেমিক্যালের ভেতর এই নিকোটিন তৈরি হয় তামাক পাতা থেকে। তামাক পাতা থেকে তৈরি হওয়া এই উদ্ভিজ কেমিক্যাল নিকোটিনেই ধূমপায়ীদের আসক্তি তৈরি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566042274926.jpg

মেডিকেশন অ্যাডভোকেট জেসন রিড জানান, প্রতিটি সিগারেটে গড়ে এক মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। এছাড়া এক গবেষণা থেকে দেখা গেছে সিগারেটের ধরনের উপর নির্ভর করে এক একটি সিগারেটে ১.২-১.৪ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। স্বল্প নিকোটিনযুক্ত ‘সিগারেট লাইট’ এ ০.৬-১ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। তবে সাধারণ সিগারেটের মতো সিগারেট লাইটেও একই ধরনের সিগারেট বুস্ট তথা সিগারেটের প্রভাব থাকে।

এছাড়া নিকোটিন গ্রহণের মাত্রা ধূমপায়ীর উপর নির্ভর করে। সিগারেটে কত জোরে টান দিচ্ছে এবং সিগারেট পাফের কতটা নিকটবর্তী স্থান পর্যন্ত সিগারেট পান করছে- এই দুইটি বিষয়ের উপর নির্ভর করেও নিকোটিন গ্রহণের মাত্রায় তারতম্য দেখা দেয়।

আরও পড়ুন: ধূমপানে অন্ধত্ব!

আরও পড়ুন: প্যাসিভ স্মোকিংয়ে ক্যানসার ঝুঁকিতে আমরা সবাই!

ছারপোকা দূর করবে এই জিনিসগুলো

ছারপোকা দূর করবে এই জিনিসগুলো
টি ট্রি অয়েল, লবণ ও ল্যাভেন্ডার পাতা ছারপোকা দূর করতে কার্যকরি উপাদান

ছারপোকা দেখা দেওয়ার সমস্যাটি একইসাথে খুব বিরক্তিকর ও সাধারণ।

যারপরনাই এ সমস্যায় ভোগান্তি পোহাতে হয় ছারপোকাযুক্ত আসবাব, বিছানা, সোফা প্রভৃতি ব্যবহারকারীকে। রাতের দিকে সাধারণত এদের উপদ্রব বেশি দেখা যায়।

মূলত স্যাঁতস্যাঁতে ও পর্যাপ্ত আলো-বাতাসহীন স্থানে ছারপোকা বেশি হয়। সেক্ষেত্রে বিছানা, বালিশ, কুশন, তোশকের মতো নরম স্থানে ছারপোকা হলে রোদের আলোতে কয়েকদিন এই জিনিসগুলো রাখা হলে ও পোকামাকড় দূর করার স্প্রে ব্যবহার করা হলে ছারপোকা বেশিরভাগ সময় দূর হয়ে যায়।

তবে ঢাকা শহরে বহু স্থানের বাড়িতেই রোদের আলো প্রবেশ করতে পারে না। এছাড়া অন্যান্য আসবাবে ছারপোকার প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে রোদের আলোতে দেওয়া কষ্টকর। সেক্ষেত্রে কিছু উপাদানের ব্যবহারে আসবাবসহ অন্যান্য জিনিসপত্র থেকে সহজেই ছারপোকা দূর করা যাবে।

টি ট্রি অয়েল

টি ট্রি অয়েলের গন্ধ ছারপোকা সহ্য করতে পারে না। ফলে উপকারী এই এসেনসিয়াল অয়েলের ব্যবহারে ছারপোকা দূর করা যাবে ঝামেলাহীনভাবে। ২০০ মিলিলিটার পানিতে ২০ ফোঁটা টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে ছারপোকাযুক্ত আসবাবে স্প্রে করে কিছুক্ষণ রেখে দিতে হবে। এতে করে ছারপোকা দূর হবে এবং পুনরায় ছারপোকা যেন ফিরে না আসে, সেজন্য আসবাবে ১০ দিন পরপর টি ট্রি অয়েলযুক্ত পানি স্প্রে করতে হবে।

বেকিং সোডা

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566034457047.jpg

প্রতি রান্নাঘরেই এই উপাদানটি পাওয়া যাবে। শুধু রান্নার কাজে নয়, ছারপোকা দমনেও দারুণ কার্যকরি এই উপাদানটি। ছারপোকা আক্রান্ত আসবাবের উপর বেকিং সোডা ছিটিয়ে একদিনের জন্য রেখে দিতে হবে এবং একদিন পর পুনরায় বেকিং সোডা ছিটাতে হবে। এতে করে ছারপোকা মরে যাবে।

সাদা ভিনেগার

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566034474797.JPG

ভিনেগারের তীব্র গন্ধ ছারপোকার যন্ত্রণা দূর করতে খুবই ভালো কাজ করে। বিশেষত আসবাবপত্রে ছারপোকা দেখা দিলে, সেক্ষেত্রে সাদা ভিনেগারের ব্যবহার সবচেয়ে উপকার দেবে। সমপরিমাণ পানি ও সাদা ভিনেগার মিশিয়ে পরপর কয়েকদিন ছারপোকাযুক্ত আসবাব মুছলে ছারপোকা চলে যাবে। ছারপোকা দূর হয়ে যাওয়ার পর প্রতি সপ্তাহে একবার ভিনেগার মিশ্রিত পানিতে আসবাব মুছে নিতে হবে।

লবণ

সাধারন লবণ খুব ভালো ছারপোকা রিপ্যালেন্ট হিসেবে কাজ করে। বিছানা, বালিশের মতো জিনিসে ছারপোকার প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে লবণ মিশ্রিত পানি স্প্রে করে শুকাতে হবে। এতে করে ছারপোকা দূর হয়ে যাবে।

ল্যাভেন্ডার পাতা

ল্যাভেন্ডারের মতো উপকারী পাতার গন্ধে ছারপোকা খুব দ্রুতই পালায়। জামাকাপড়ে বা বালিশ ও কুশন কভারে ছারপোকার আনাগোনা দেখা দিলে ল্যাভেন্ডার পাতা রেখে দিতে হবে। ব্যস ছারপোকার জন্য আর দুশ্চিন্তা করতে হবে না।

আরও পড়ুন: কর্নস্টার্চ ও কর্নফ্লাওয়ারের মাঝে পার্থক্য কী?

আরও পড়ুন: সঠিক পরিচর্যায় সতেজ ক্যাকটাস

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র