Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ছোট-বড় সবার জন্য খেজুর

ছোট-বড় সবার জন্য খেজুর
রমজান মাস জুড়ে পুষ্টি পাওয়া যাবে খেজুর থেকে, ছবি: বার্তা২৪
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

আজ থেকেই শুরু হলো পবিত্র রমজান মাস।

পুরো মাস জুড়ে সবার ইফতারিতে যে খাবারটি অবশ্যই থাকে সেটা অন্যতম উপকারী, সুস্বাদু ও পরিচিত ফল খেজুর। বেশ কয়েক প্রকারের খেজুর থেকে পছন্দসই খেজুরটি যদি ইফতারিতে না থাকে, তবে ইফতারি যেন অপূর্ণ রয়ে যায়।

ভিটামিন সমূহ, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, সালফার, জিংক, খাদ্যআঁশ, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান সমূহ, প্রদাহ বিরোধী উপাদান ও টিউমার প্রতিরোধে কার্যকর এই ফলটি বাড়ির ছোট-বড়, সকল সদস্যের খাওয়া প্রয়োজন নিজেকে সুস্থ রাখার জন্য। শুধু রমজানের এই এক মাস নয়, পুরো বছর জুড়েই খেজুর খাওয়ার অভ্যাসটি সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করবে খুব সহজেই।

আজকের ফিচার থেকে জেনে নিন খেজুর খাওয়ার চমৎকার কয়েকটি স্বাস্থ্য উপকারিতা।

শারীরিক শক্তির অন্যতম চমৎকার উৎস

খেজুরে থাকে প্রাকৃতিক চিনি তথা গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ। প্রাকৃতিক চিনির উৎস খেজুর খাওয়ার ফলে শারীরিক অলসতা বা ক্লান্তিভাব দূর হয়ে যায় এবং কাজ করার শক্তি পাওয়া যায়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/07/1557226406807.jpg
খেজুর 

 

মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়

এক গবেষণাপ্রাপ্ত তথ্য থেকে দেখা গেছে, খেজুর মস্তিষ্ককে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস ও প্রদাহ থেকে রক্ষা করে। এতে থাকা খাদ্যআঁশের পাশাপাশি ফেনলিক ও প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ক্যাফেইক অ্যাসিড মস্তিষ্কের সুস্থতা নিশ্চিতে ও ডিমেনশিয়া প্রতিরোধে কাজ করে।

কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমায়

খাদ্যাভাসের পরিবর্তনের সাথে শরীরের মানিয়ে নিতে বেশ কিছুদিন সময়ের প্রয়োজন হয়। লম্বা সময় পানি ও খাদ্য গ্রহণ না করার ফলে শরীর শুষ্ক হয়ে ওঠে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দেখা দেয়। খেজুরে থাকা পর্যাপ্ত পরিমাণ খাদ্যআঁশ কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমাবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/07/1557226432565.jpg
খেজুর

 

প্রতিরোধ করে হৃদরোগ

অক্সিডেটিভ স্ট্রেস ও ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমিয়ে আনে বলে নিয়মিত খেজুর খাওয়ার ফলে হৃদরোগের আশংকা কমে যায় বেশ অনেকটা। এছাড়া শুকনো এই ফলে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট স্ট্রোকের সম্ভবনাও কমায়। অন্যদিকে রক্ত চাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে কাজ করে পটাশিয়াম।

ভালো রাখে হাড়

নর্থ ডাকোটা স্টেট ইউনিভার্সিটির এক গবেষণা থেকে জানানো হয়, খেজুরে রয়েছে বরোন, যা হাড়ের সুস্বাস্থ্যের জন্য দারুণ প্রয়োজনীয় এক উপাদান। এছাড়া এতে থাকা ফসফরাস, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম হাড়কে সুস্থ রাখতে ও হাড়ের সমস্যা প্রতিরোধে কাজ করে।

কমায় অ্যালার্জির প্রাদুর্ভাব

খেজুরের সবচেয়ে চমৎকার বিষয়টি হলো এতে রয়েছে সালফার, যা বেশিরভাগ ফলেই পাওয়া যায় না। খেজুরে থাকা সালফার অ্যালার্জির প্রাদুর্ভাব ও প্রভাব কমাতে কাজ করে।

আরও পড়ুন: প্রশান্তিতে তরমুজ

আরও পড়ুন: বুক জ্বালাপোড়া কমাবে যে খাবারগুলো

আপনার মতামত লিখুন :

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'
দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট ও কয়েকটি মেন্যু, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় বলা চলে, পুরোটাই অফিস পাড়া। সকাল থেকে সন্ধ্যা কিংবা রাত- প্রতিনিয়তই চলছে কাজ। কিন্তু এই এলাকায় ছিল না ভালো কোনো খাবারের জায়গা। হাতেগোনা যে কয়টা রেস্টুরেন্ট আছে তার কোনোটাতে হয় দাম বেশি রাখা হয় কিংবা খাবার স্বাস্থ্যসম্মত নয়। এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে তেজগাঁওয়ে শুরু হয়েছে 'দ্যা গ্যারাজ ফুডকোর্ট'।

তেজগাঁও শান্তা টাওয়ার মোড় বা ব্র্যাক ব্যাংক অনিক টাওয়ারে যেতে গলির মুখেই ২২২ নাম্বার হাউজে এই ফুডকোর্ট অবস্থিত। রয়েছে ২০০টির বেশি আসন। তবে ফুডকোর্টটি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত না হলেও বড় বড় ফ্যানের মাধ্যমে ঠাণ্ডা বাষ্প দিয়ে জায়গাটি শীতল করার ব্যবস্থা আছে।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

সরেজমিনে দেখা গেছে, বর্তমানে এই ফুডকোর্টে জুসবারসহ প্রায় ১০টি দোকান আছে। এসব দোকানে নুডলস, বার্গার, দই ফুচকা, দোসা, রাজকচুরি, ফ্রাইড রাইস, ফ্রাইড চিকেন, লাঞ্চ আইটেম, চাপ, পরোটা, এগ রোল এবং চাপরোল পাওয়া যায়। আর বেভারেজ আইটেমের মধ্যে রয়েছে- কোল্ড কফি, হটকফি, এসপ্রেসো কফিসহ আনারস, আম ও সিজনাল নানা ফ্রুট জুস।

এখানে চিকেন ও বিফ চাপ ১৫০ টাকা, চিকেন চাপ প্যাকেজ মিল ১৮০ টাকা, পরোটা ২০ টাকা, চিকেন রোল ১০০ টাকা, বিফ রোল ১২০ টাকা, এগরোল ৪০ টাকা, বিফ তেহারি ১৫০ টাকা, চিকেন খিচুরি ও বেগুন ভাজি ১৮০ টাকায় পাওয়া যায়।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

এছাড়া দোসা এক্সপ্রেসে দোসা পাওয়া যাবে ১৮০–৩৫০ টাকায়।

'হাক্কা ঢাকায়' সেট মেন্যু ৩২৯–৫২৯ টাকা। এপিটাইজার আইটেমের পাওয়া যাচ্ছে ১৯৯-৩০০ টাকায়, যার মধ্যে রয়েছে চিকেন, প্রন ডাম্পলিং, হাক্কা চিকেন উইংস। রাইস এবং নুডুলস আইটেমের মধ্যে আছে চিকেন, প্রন এবং বিফ ফ্রাইড রাইস ও নুডুলস, যার দাম পড়বে ১৯৯-৩০০ টাকা। এছাড়াও রয়েছে রাইস, চিকেন চিলি ও ফ্রাইড চিকেন এর একটি লাঞ্চ মেন্যু, যার দাম ধরা হয়েছে ১৯৯ টাকা।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

চিজ এক্সপ্রেসে স্লাইস পিজ্জার দাম পড়বে ১২৯ টাকা। এছাড়াও সর্বোচ্চ ১৬ ইঞ্চি পিজ্জা পাওয়া যাবে এক হাজার ২৪৯ টাকায়।

দ্যা গ্যারাজ কফিতে এসপ্রেসো কফি পাওয়া যাবে ১০০ টাকায়। এছাড়াও আমরিকানো ১৩০ টাকা, মকা ২২০ টাকা, ডেজার্ট আইটেম ১০০-২৫০ টাকা, হট ড্রিঙ্কস ২০০ টাকা, চা ৩৫ টাকা, আইসড কফি ১৫০-২৫০ টাকা, সিজনাল ফ্রুট জুস ১৩০ টাকা। রয়েছে জনপ্রিয় টেকআউট বার্গারের ফুড স্টলও।

ফুডকোর্টতির ইনচার্জ বদিউজ্জামান জানান, গত মে মাসে এর যাত্রা শুরু হয়। প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ফুডকোর্ট খোলা থাকে।

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান
নান, ছবি: সংগৃহীত

সকাল কিংবা বিকালের নাশতায় যারা নিয়মিত রুটি ও পরোটা খান, একটা সময় পরে তাদের রুটিতে অভক্তি দেখা দেয়।

এ সময়ে রুটির বদলে গরম নান খেতে মনে চায়। ফোলা ও গরম নানের সাথে সবজি কিংবা মাংসের ঝোল যেন অমৃতসম।

এই নান কেনার জন্য এলাকার রেস্টুরেন্টে দৌড়ঝাঁপ না করে ঘরে বসে চুলাতেই তৈরি করে নেওয়া যাবে মজাদার গরমাগরম নান। দেখে নিন নান তৈরির রেসিপিটি।

নান তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623276721.JPG

১. ১/৪ কাপ দই।

২. এক চা চামচ চিনি।

৩. এক চা চামচ বেকিং পাউডার।

৪. এক চিমটি বেকিং সোডা।

৫. দুই কাপ ময়দা।

৬. এক চা চামচ লবণ।

৭. দুই টেবিল চামচ তেল।

৮. ১/৪-১/৩ কাপ পানি।

৯. এক টেবিল চামচ কালোজিরা।

১০. ঘি অথবা মাখন।

নান যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623263865.JPG

১. একটি পাত্রে দই, এক চা চামচ চিনি, এক চা চামচ বেকিং পাউডার ও এক চিমটি বেকিং সোডা ভালোভাবে মেশাতে হবে।

২. এতে দুই কাপ ময়দা ও স্বাদমতো লবণ দিয়ে চামচের সাহায্যে ভালোভাবে মেশাতে হবে। মিশ্রণের মাঝখানে দুই টেবিল চামচ তেল অ ১/৪ কাপ পানি দিয়ে ময়দার কাই তৈরি করতে হবে। ময়দার কাই শক্ত হলে পানি ও নরম হলে ময়দা মেশাতে হবে।

৩. ময়দার কাইটি মসৃণ হয়ে আসলে তার উপরে তেল মাখিয়ে পাত্রের মাঝখানে রেখে তার উপরে ভেজা অ পরিষ্কার কাপড় দিয়ে দুই ঘন্টার জন্য ঢেকে রাখতে হবে।

৪. দুই ঘণ্টা পর ময়দার কাই থেকে ছোট ছোট বল তৈরি করে রুটির মতো বেলে নিতে হবে। বেলার সময় তার উপরে কালোজিরা ছড়িয়ে দিতে হবে এবং রুটির মতো গোলাকৃতির না করে লম্বাটে করে নিতে হবে। চাইলে হাত দিয়ে টেনে লম্বাটে করে নেওয়া যাবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623299530.JPG

৫. এবারে চুলায় তাওয়া গরম করে নান দিয়ে দিতে হবে। একপাশ কিছুটা ভাজা হলে ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দেবে। এমন হলে নান উল্টে দিয়ে অপর পাশ ভাজতে হবে। এ পাশেও ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দিলে আবারো উল্টে দিতে হবে।

তাওয়া থেকে নামানোর আগে নানের উপরে ঘি অ ধনিয়া পাতা কুঁচি ছড়িয়ে দিতে হবে।

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

আরও পড়ুন: ঘিয়ে তৈরি মুচমুচে নিমকি

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র