Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

রোজার মাসে সংযমী হন সহকর্মীদের সাথেও!

রোজার মাসে সংযমী হন সহকর্মীদের সাথেও!
সহকর্মীদের মাঝে সম্পর্ক হোক বন্ধুত্বপূর্ণ, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

কর্মজীবী প্রতেককেই পুরো দিনের মাঝে অফিসে সহকর্মীদের সাথে কাটাতে হয় সবচেয়ে বেশি সময়।

রমজান মাস জুড়েও ব্যতিক্রম হয় না সেই রুটিনে। দীর্ঘসময় একসাথে কাজ করার ফলে সহকর্মীদের মাঝে গড়ে ওঠে হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক।

তবে এই মাসে সহকর্মীদের সাথে কোন কথাটি বলা উচিৎ ও কোন আচরণটি এড়িয়ে যাওয়া প্রয়োজন সেটা বুঝতে পারেন না অনেকেই। ইচ্ছা বা অনিচ্ছাকৃত এমন কিছু আচরণে মনঃকষ্ট পেতে পারেন আপনার প্রিয় সহকর্মীটিও। তাই জেনে রাখুন কর্মক্ষেত্রে কোন কথা ও কাজগুলো করা থেকে বিরত থাকা প্রয়োজন সকলের।

দুপুরে খাওয়ার জন্য জোর করা

অনেকেই হয়তো মজাচ্ছলে রোজাদার সহকর্মীদের দুপুরে খাওয়ার জন্য বলেন বা জোর করেন। বিষয়টি কারোর কাছে মজার মনে হতেই পারে। কিন্তু এতে করে রোজাদার ব্যক্তিটি বিব্রত বোধ করেন। শুধু দুপুরে খাওয়ার সময় নয়, চা পানের বিরতিতে কিংবা বাইরে কোন খাওয়ার অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময়েও তাকে বারবার ডাকার মতো কাজটি থেকে বিরত থাকতে হবে।

তাদের সামনে পানি পান করা

রমজান মাস হলো সংযমের মাস। সংযমটি আপনি অনেকভাবেই পালন করতে পারেন। যেকোন কারণেই হয়তো আপনি রোজা রাখছেন না। রোজা পালন না করলে পানি পান বা খাবার গ্রহণে কোন বাধা থাকে না। কিন্তু চেষ্টা করুন রোজাদার সহকর্মীর সামনে পানি পান না করতে।

এমনিতেও এখনও গ্রীষ্মকাল ও প্রায় পনের ঘণ্টার লম্বা সময়ের রোজা। স্বাভাবিকভাবেই একজন রোজাদার ব্যক্তির তেষ্টা পাবে। রোজা রাখার ফলে তেষ্টা নিবারণের জন্য তাকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হবে। তার সামনে যখন আপনি পানি পান করবেন, বিষয়টি তার জন্য কিছুটা হলেও কষ্টকর হবে। না, এতে তার রোজা হালকা হবে না, তার রোজা ভেঙেও যাবে না। কিন্তু তার প্রতি, তার রোজা পালনের প্রতি সম্মান রেখে এতটুকু তো করাই যায়। তাই ডায়নিং স্পেস বা খালি কোন স্থানে সরে গিয়ে পানি পান করুন এই মাসটিতে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/09/1557378003542.jpg
সহকর্মীদের মাঝে সম্পর্ক হোক বন্ধুত্বপূর্ণ

 

দাঁত মেজেছে কিনা জিজ্ঞাসা করা

বিশেষজ্ঞরা জানান, রোজা রাখার ফলে মুখের ভেতরের অংশ তুলনামূলক অনেক শুষ্ক হয়ে ওঠে। এতে করে মুখে অনাকাঙ্ক্ষিত বাজে গন্ধ তৈরি হয়। নিয়মিত দাঁত মাজা হলেও পানি পানের অভাবে এমনটা হয়ে থাকে। যা অবশ্যই একজন রোজাদার ব্যক্তির জন্য বিব্রতকর ব্যাপার। এমতবস্থায় তাকে যদি এমন ধরনের প্রশ্নের সম্মুখীন করা হয়, সেটা তার জন্য আরও বেশি বিব্রতকর হয়ে উঠবে। কর্মক্ষেত্রে আসার আগে অবশ্যই তারা দাঁত মেজেই আসেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় খাবার ও পানি পান না করার ফলে মুখে কিছুটা বাজে গন্ধ হতেই পারে।

নারী সহকর্মীরা রোজা আছেন কিনা জিজ্ঞাসা করা

খুবই অদ্ভুতভাবে কিছু মানুষ নারী সহকর্মীদের রোজা পালন সম্পর্কে প্রশ্ন করে দারুণ আনন্দ পান। কোনভাবে যদি খেয়াল করেন কোন নারী সহকর্মী রোজা নেই, তবে তাকে অনবরত এই সম্পর্কিত প্রশ্ন করে বিব্রত করেন।

একজন নারী প্রাকৃতিক ও শারীরবৃত্তীয় কারণে সবগুলো রোজা রাখতে পারেন না। পিরিয়ডের ৫-৭ দিন রোজা কাযা হয় প্রতিটি ঋতুবতী নারীর। এই বিষয়টি পূর্ণবয়স্ক সকলেই জানেন। তবুও অহেতুক কোন নারী সহকর্মী রোজা আছেন কি না, রোজা না থাকলে কেন নেই- এই সম্পর্কিত প্রশ্ন করা খুব বাজেই আপত্তিমূলক আচরণ।

আরও পড়ুন: ২০১৯ হোক ক্যারিয়ারের বছর

আরও পড়ুন: সহকর্মীদের সঙ্গে কথা বলুন বুঝেশুনে!

আপনার মতামত লিখুন :

গরমে ঘামাচিকে দূরে রাখতে কী করতে হবে?

গরমে ঘামাচিকে দূরে রাখতে কী করতে হবে?
গরমে ঘামাচির সমস্যাটি খুব বেশি দেখা দেয়, ছবি: সংগৃহীত

আবহাওয়ার তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে থাকলেই দেখা দিতে শুরু করে নানাবিধ শারীরিক সমস্যা, যার মাঝে থাকে ত্বকের সমস্যাও।

ঘামাচি তেমনই গরমকালীন একটা ত্বকের সমস্যা। গরমে ত্বকে লালচে র‍্যাশ ওঠাকেই স্থানীয় ভাষায় বলা হয় ঘামাচি ওঠা। এই র‍্যাশগুলো ত্বকে চুলকানির উপদ্রব তৈরি করে এবং বেশ জ্বালাপোড়া হয় ত্বকে।

কেন ঘামচি দেখা দেয়?

শরীরের ঘর্মগ্রন্থিগুলো বন্ধ হয়ে গেলে ঘামাচি দেখা দেয়। অতিরিক্ত ঘাম হলে শরীরের কিছু অংশে ত্বকের নিচের ঘাম আটকে থাকে, যা থেকে ত্বকের সমস্যা তথা র‍্যাশ বা ঘামাচি তৈরি হয়। আক্রান্ত স্থানের ত্বক লালচে হয়ে ছোট ছোট র‍্যাশ দেখে দেয় এবং ঘামচির সমস্যাটি শিশু থেকে শুরু করে পূর্ণবয়স্ক সবারই হতে পারে।

ঘামাচি সাধারণত ঘাড়, পিঠ, গলার ভাঁজে, হাতের ভাঁজে ও দুই পায়ের মধ্যবর্তী অংশে দেখা দেয়। বলা যেতে পারে, শরীরের যে অংশগুলোতে ঘাম জমে থাকে এবং সহজে বাতাস চলাচল করতে পারে না, সে অংশগুলোতেই ঘামাচির সমস্যা দেখা দেয়। এছাড়া অতিরিক্ত রোদের আলোর সংস্পর্শে আসলে শরীরের অন্যান্য অংশেও ঘামাচি দেখা দিতে পারে।

ঘামাচি প্রতিরোধে কী করতে হবে?

কিছুটা সাবধানতা অবলম্বন করতে পারলেই ঘামাচি থেকে নিজেকে দূরে রাখা সম্ভব হবে। এছাড়া ঘামাচির প্রকোপ শিশুদের মাঝে যেহেতু বেশি দেখা দেয়, সঠিক যত্ন ও খেয়াল রাখা হলে শিশুদের ঘামাচির সমস্যাটি কমে যাবে। সেক্ষেত্রে জেনে রাখুন একদম সহজ কিছু নিয়ম, যা মেনে চললে ঘামাচির উপদ্রব কম দেখা দেবে।

১. খুব বেশি গরম ও আর্দ্রতাপূর্ণ স্থান এড়িয়ে যেতে হবে এবং যতটা সম্ভব বাইরে সরাসরি রোদের আলো থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করতে হবে। কোন কারণ ঘাম তুলনামূলক বেশি হলে দ্রুত ফ্যানের নিচে বাতাসযুক্ত স্থানে বসতে হবে এবং শরীরের ঘাম শুকানোর চেষ্টা করতে হবে। এ সময়ে সাধারণ তাপমাত্রার পানি পান সবচেয়ে ভালো কাজ করবে।

২. গরম আবহাওয়ায় অন্যান্য যেকোন ধরনের তন্তুর চেয়ে সুতি তন্তুর পোশাক পরা সবচেয়ে বেশি উপকারী। সুতি কাপড় দ্রুত ঘাম শোষণ করে ও শুকিয়ে ফেলে এবং সুতি কাপড়ের ভেতর থেকে খুব ভালোভাবে বাতাস চলাচল করতে পারে। যদিও সিল্ক, লিলেন, জর্জেট কাপড়গুলো আভিজাত্যভাব আনে, এই গরমে ঘামাচিকে দূরে রাখতে চাইলে সুতি তন্তুর পোশাকই বেছে নিতে হবে।

৩. বাইরে কাজে বের হওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই সাথে ফেসিয়াল টিস্যু ও পকেট তোয়ালে রাখার চেষ্টা করতে হবে। গরমে ঘাম হলেই সাথে সাথে ঘাম মুছে ফেলতে হবে এবং শরীর ঠাণ্ডা করা ও শুকানোর ব্যবস্থা নিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, ঘামে ত্বক যেন ১৫-২০ মিনিটের বেশি সময় আর্দ্র না থাকে।

৪. গরমে সবচেয়ে উপকার দেয় বেবি পাউডার। শিশুদের জন্য তো বটেই, বড়দের ক্ষেত্রেও বেবি পাউডার ত্বকে আরামদায়ক ও শীতল অনুভূতি তৈরি করে। যাদের শরীর কিছুটা ভারি গড়নের তাদের জন্য বেবি পাউডার খুব ভালো কাজ করবে।

৫. বাইরে থেকে ফিরেই শরীরে পানিতে ধুয়ে ফেলা অথবা ঠাণ্ডা পানিতে কাপড় ভিজিয়ে শরীর মুছে নেওয়ার অভ্যাস করতে হবে। এতে করে ত্বকের উপরিভাগে জমে থাকা ঘাম ও ময়লা পরিষ্কার হয়ে যাবে এবং ঘামাচির উপদ্রব দেখা দেবে না।

আরও পড়ুন: শারীরিক সুস্থতা পেতে গড়ুন ১০ অভ্যাস

আরও পড়ুন: পানিশূন্যতা রোধে কী করা প্রয়োজন?

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'
দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট ও কয়েকটি মেন্যু, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় বলা চলে, পুরোটাই অফিস পাড়া। সকাল থেকে সন্ধ্যা কিংবা রাত- প্রতিনিয়তই চলছে কাজ। কিন্তু এই এলাকায় ছিল না ভালো কোনো খাবারের জায়গা। হাতেগোনা যে কয়টা রেস্টুরেন্ট আছে তার কোনোটাতে হয় দাম বেশি রাখা হয় কিংবা খাবার স্বাস্থ্যসম্মত নয়। এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে তেজগাঁওয়ে শুরু হয়েছে 'দ্যা গ্যারাজ ফুডকোর্ট'।

তেজগাঁও শান্তা টাওয়ার মোড় বা ব্র্যাক ব্যাংক অনিক টাওয়ারে যেতে গলির মুখেই ২২২ নাম্বার হাউজে এই ফুডকোর্ট অবস্থিত। রয়েছে ২০০টির বেশি আসন। তবে ফুডকোর্টটি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত না হলেও বড় বড় ফ্যানের মাধ্যমে ঠাণ্ডা বাষ্প দিয়ে জায়গাটি শীতল করার ব্যবস্থা আছে।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

সরেজমিনে দেখা গেছে, বর্তমানে এই ফুডকোর্টে জুসবারসহ প্রায় ১০টি দোকান আছে। এসব দোকানে নুডলস, বার্গার, দই ফুচকা, দোসা, রাজকচুরি, ফ্রাইড রাইস, ফ্রাইড চিকেন, লাঞ্চ আইটেম, চাপ, পরোটা, এগ রোল এবং চাপরোল পাওয়া যায়। আর বেভারেজ আইটেমের মধ্যে রয়েছে- কোল্ড কফি, হটকফি, এসপ্রেসো কফিসহ আনারস, আম ও সিজনাল নানা ফ্রুট জুস।

এখানে চিকেন ও বিফ চাপ ১৫০ টাকা, চিকেন চাপ প্যাকেজ মিল ১৮০ টাকা, পরোটা ২০ টাকা, চিকেন রোল ১০০ টাকা, বিফ রোল ১২০ টাকা, এগরোল ৪০ টাকা, বিফ তেহারি ১৫০ টাকা, চিকেন খিচুরি ও বেগুন ভাজি ১৮০ টাকায় পাওয়া যায়।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

এছাড়া দোসা এক্সপ্রেসে দোসা পাওয়া যাবে ১৮০–৩৫০ টাকায়।

'হাক্কা ঢাকায়' সেট মেন্যু ৩২৯–৫২৯ টাকা। এপিটাইজার আইটেমের পাওয়া যাচ্ছে ১৯৯-৩০০ টাকায়, যার মধ্যে রয়েছে চিকেন, প্রন ডাম্পলিং, হাক্কা চিকেন উইংস। রাইস এবং নুডুলস আইটেমের মধ্যে আছে চিকেন, প্রন এবং বিফ ফ্রাইড রাইস ও নুডুলস, যার দাম পড়বে ১৯৯-৩০০ টাকা। এছাড়াও রয়েছে রাইস, চিকেন চিলি ও ফ্রাইড চিকেন এর একটি লাঞ্চ মেন্যু, যার দাম ধরা হয়েছে ১৯৯ টাকা।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

চিজ এক্সপ্রেসে স্লাইস পিজ্জার দাম পড়বে ১২৯ টাকা। এছাড়াও সর্বোচ্চ ১৬ ইঞ্চি পিজ্জা পাওয়া যাবে এক হাজার ২৪৯ টাকায়।

দ্যা গ্যারাজ কফিতে এসপ্রেসো কফি পাওয়া যাবে ১০০ টাকায়। এছাড়াও আমরিকানো ১৩০ টাকা, মকা ২২০ টাকা, ডেজার্ট আইটেম ১০০-২৫০ টাকা, হট ড্রিঙ্কস ২০০ টাকা, চা ৩৫ টাকা, আইসড কফি ১৫০-২৫০ টাকা, সিজনাল ফ্রুট জুস ১৩০ টাকা। রয়েছে জনপ্রিয় টেকআউট বার্গারের ফুড স্টলও।

ফুডকোর্টতির ইনচার্জ বদিউজ্জামান জানান, গত মে মাসে এর যাত্রা শুরু হয়। প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ফুডকোর্ট খোলা থাকে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র