Alexa

চুলের বৃদ্ধিতে অবদান রাখে যে খাবারগুলো

চুলের বৃদ্ধিতে অবদান রাখে যে খাবারগুলো

চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে যত্ন নিতে হবে খাদ্যাভ্যাসের প্রতি।

সময়ের সাথে নানা ধরনের চুলের কাটের প্রচলন আসলেও, লম্বা চুলের আবেদনটি সবসময়ই থাকে।

ঘন, উজ্জ্বল, শক্ত ও লম্বা চুলের প্রতি আকর্ষণ এড়ানো সহজ নয়। একজন পূর্ণ বয়স্ক সুস্থ মানুষের চুল প্রতি মাসে বৃদ্ধি পায় ০.৫ ইঞ্চি পরিমাণ এবং প্রতি বছরে প্রায় ৬ ইঞ্চি পরিমাণ। এক্ষেত্রে বয়স, স্বাস্থ্য, জেনেটিক্যাল গঠন, হরমোন ও খাদ্যাভ্যাস অনেকটা নির্ভর করে।

কিছু বিষয় আমাদের হাতে নেই। যেমন জেনেটিক্যাল গঠন। তবে যদি বলা হয় সুস্বাস্থ্যজনিত ও খাদ্যাভ্যাসের বিষয়, সেক্ষেত্রে খুব ভালোভাবেই নিজেরাই যে বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করতে পারি।

যেখানে অস্বাস্থ্যকর ও তুলনামূলক কম পুষ্টিকর খাবার চুলের স্বাস্থ্য ও বৃদ্ধির হার কমিয়ে দেয়, সেখানে স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে। যে খাবারগুলো চুলের বৃদ্ধিতে অবদান রাখবে, প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসে সে খাবারগুলোর উপস্থিতি রাখার চেষ্টা করতে হবে।

ডিম

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/18/1558164237926.jpg
ডিম

 

প্রোটিন ও বায়োটিনের উৎকৃষ্ট উৎস হলো ডিম। এই দুইটি উপাদানই চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে কাজ করে। পর্যাপ্ত প্রোটিন চুলের ফলিকল তৈরিতে সাহায্য করে। অন্যদিকে বায়োটিন চুলের প্রোটিন তথা কেরাটিন উৎপাদনে কাজ করে। তাই শুধু নিজেকে সুস্থ রাখতে নয়, চুলের বৃদ্ধির জন্যেও জিংক, সেলেনিয়াম সমৃদ্ধ ডিম খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

পালং শাক

সবুজ অন্যান্য সকল শাকের মাঝে পালং শাক থেকে চুলের জন্য সবচেয়ে বেশি উপকারিতা পাওয়া যাবে। ফলেট, আয়রন, ভিটামিন- এ ও সি সমৃদ্ধ এই শাক চুলের বৃদ্ধিতে দারুণ ভূমিকা পালন করে। মাত্র এক কাপ (৩০ গ্রাম) পালং শাক থেকেই একদিনের মতো যথেষ্ট ভিটামিন-এ পাওয়া যাবে। এছাড়া আয়রন চুলের বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করার পাশাপাশি লোহিত রক্ত কণিকায় অক্সিজেন বহন করতে ও মেটাবলিজম বৃদ্ধিতে কাজ করে।

তৈলাক্ত মাছ

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/18/1558164265337.jpg
তৈলাক্ত মাছ

 

যেকোন মাছ নয়, বরং তৈলাক্ত মাছে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড চুলের বৃদ্ধিতে কাজ করে। গবেষণার তথ্য জানাচ্ছে, যে সকল নারীরা ওমেগা-৩ ও ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেছিলেন, তাদের চুল পড়ার হার কমে যায়, চুল দ্রুত বৃদ্ধি পায়।

মিষ্টি আলু

বেটা-ক্যারোটিনের দারুণ এক প্রাকৃতিক উৎস হলো মিষ্টি আলু। যা শরীরে প্রবেশের পর ভিটামিন-এ তে পরিণত হয়। আর এটা তো জানা কথা যে, চুলের বৃদ্ধির জন্য ভিটামিন-এ খুবই প্রয়োজনীয়।

বাদাম

সকালে কিংবা বিকালের নাশতায় এক মুঠো বাদাম খাওয়ার অভ্যাসটি খুবই স্বাস্থ্যকর। এই স্বাস্থ্যকর অভ্যাসটিই চুলের প্রয়োজনে আসবে। বাদামের পুষ্টি গুণাগুণের মাঝে ভিটামিন-ই পাওয়া যাবে ৩৭ শতাংশ। এছাড়া ভিটামিন-এ, বি, জিংক ও অন্যান্য এসেনশিয়াল ফ্যাটি অ্যাসিড চুলকে সুস্থ রাখতে ও চুলের বৃদ্ধিতে অবদান রাখতে কাজ করে।

মুরগীর মাংস

প্রাণীজ প্রোটিনের মাঝে মুরগীর মাংস থেকে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ উপকারী প্রোটিন পাওয়া যাবে। যা কেরাটিন তৈরিতে অবদান রাখে। এই উপাদানটি চুলের বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ৮০ শতাংশ কার্যকরি ভূমিকা পালন করে।

আরও পড়ুন: খেতে হবে ‘স্বাস্থ্যকর’ ফ্যাটযুক্ত খাবার

আরও পড়ুন: ক্যান্সারের বিপক্ষে কাজ করবে যে খাদ্য উপাদানগুলো

আপনার মতামত লিখুন :