Barta24

বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৫ ভাদ্র ১৪২৬

English

ফুসফুসের ক্যানসার নির্ণয়ে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স

ফুসফুসের ক্যানসার নির্ণয়ে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স
ফুসফুসের ক্যানসার নির্ণয়ে আসবে এআই, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

ধূমপান বৃদ্ধি পাচ্ছে প্রতিনিয়ত।

সেই সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ফুসফুসের ক্যানসার। তবে প্রাথমিক পর্বে ফুসফুসের ক্যানসার নির্ণয় করা বেশ কষ্টসাধ্য একটি বিষয়। প্রয়োজনীয় এই বিষয়টির সমাধানে আনা হয়েছে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স। যা বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের চাইতেও নির্ভুলভাবে ফুসফুসের ক্যানসার নির্ণয়ে কাজ করছে। অন্তত এমনটাই দাবি করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গবেষক দল।

গুগল ও ইলিনয়েসে অবস্থিত নর্থওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির গবেষকেরা আশা করছে ফুসফুসের ক্যানসার স্ক্রিনিং তথা নির্ণয়ের ক্ষেত্র বড় ধরনের ভূমিকা রাখবে এই এআই (AI – Artificial Intelligence).

এআই এর দল জানাচ্ছে, ভবিষ্যৎ মেডিসিন দুনিয়ায় এর প্রভাব সুদূরপ্রসারী। যদিও অবশ্য এআই এখনই ব্যবহার করা হচ্ছে না ক্লিনিক্যাল প্রয়োজনে।

এই গবেষণাটি বিশেষভাবে ফুসফুস ক্যানসারের প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেছে। কারণ বর্তমানে বিশ্বে প্রতি বছর প্রায় ১.৮ মিলিয়ন মানুষ মারা যাচ্ছে ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে। অবশ্যই এর পেছনের মূল কারণ অতিরিক্ত ধূমপান।

এআই ব্যবহারে ফুসফুসের ক্যানসার নির্ণয় তুলনামূলক দ্রুত ও নির্ভুল হলেও, সম্পূর্ণ নির্ভুল নয়। কিছু ক্ষেত্রে সুস্থ মানুষের বায়োপস্যার ফলাফলে ক্যানসার দেখিয়েছে এআই এবং কিছু ক্ষেত্রে টিউমারের উপস্থিতি মিস করেছে।

তবে ‘ন্যাচার মেডিক্যাল’ জানাচ্ছে, তাদের পরীক্ষার ফলাফল থেকে দেখা গেছে- এআই ক্যানসার নির্ণয়ে ৫ শতাংশ বেশি সঠিক তথ্য প্রদান করেছে এবং ফলস পজিটিভ (ভুল ক্যানসার নির্ণয়) এর ক্ষেত্রে ১১ শতাংশ কম ভুল তথ্য দেখিয়েছে।

প্রথম ধাপে প্রায় ১৫,০০০ রোগীর ৪২,২৯০টি সিটি লাং স্ক্যান কম্পিউটারের সফটওয়্যারকে দেখানো হয়েছে। এআইকে গবেষকেরা জানায়নি যে, সেটা কি নির্ণয় করবে। পরবর্তীতে এআই এর সাথে ছয়জন বিশেষজ্ঞ রেডিওলজিস্টের দলের তুলনা করা হয়। তুলনায় দেখা যায় এআই রেডিওলজিস্টের ফলাফলের চাইতে তুলনামূলক বেশি কার্যকরি।

নর্থওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির গবেষক ডা. মজিয়ার ইটামাদি বিবিসি নিউজের বরাত দিয়ে জানান, এই এআই ব্যবহারের পরবর্তী ধাপ হলো রোগীদের উপরে ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা করা। এছাড়া তিনি আরও বলেন, এআই ব্যবহার করে ক্যানসারের মতো রোগ শনাক্ত করার বিষয়টি এখনও বেশ অনেকখানি গবেষণার মাঝে রয়েছে।

আরও পড়ুন: গাছকে সুস্থ রাখতে ছ’পা বিশিষ্ট রোবট 'হেক্সা'

আরও পড়ুন: শারীরিকভাবে অক্ষম মানুষও পরিচালনা করবে রোবট!

আপনার মতামত লিখুন :

নখ কাটতে হবে সঠিক নিয়মে

নখ কাটতে হবে সঠিক নিয়মে
ছবি: সংগৃহীত

যে কাজটি সেই ছোটবেলা থেকেই করে আসছেন, সেটা সম্পর্কেও থেকে যেতে পারে সঠিক তথ্য ও নিয়ম জানার ভুল।

সঠিক নিয়ম ও তথ্য জানার জন্য বিশেষ ও নির্দিষ্ট কোন সময় নেই। তাই আজকের এই ফিচারটি পড়লে আপনি জানতে পারবেন নিজেকে ও নিজের নখকে সুস্থ রাখা সঠিক পদ্ধতি।

নখ কাটার সঠিক পদ্ধতি সম্পর্কে জানানো আগে একটা প্রশ্ন রাখা যাক। আপনি কী নখ খুব বেশি গভীর করে কাটেন, অর্থাৎ নখের নিচের নরম অংশ বা কিউটিকল পর্যন্ত বা সেটা ছাড়িয়ে? উত্তর বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ইতিবাচক হবে। কারণ ছোট থেকেই আমাদের শেখানো হয়, নখ কাটতে হয় একদম সম্পূর্ণ গোঁড়ার অংশ থেকে।

কিন্তু এভাবে নখ কাটা একেবারেই অনুচিত। আমেরিকান অ্যাকাডেমি অফ ডার্মাটলোজি জানাচ্ছে, কিউটিকল পর্যন্ত গভীর করে নখ কাটার ফলে নখ ও নখের পাশেপাশের নমনীয় স্থান খুব সহজেই ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে। এতে করে ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায় তুলনামূলক অনেক বেশি।

সঠিকভাবে নখ কাটার জন্য মূলত চারটি নিয়ম মেনে চলা প্রয়োজন। দেখে নিন নিয়ম চারটি।

নখ ভিজিয়ে রাখা

নখ কাটার পূর্বে অবশ্যই মিনিট পাঁচেকের জন্য কুসুম গরম পানিতে নখ ভিজিয়ে রাখতে হবে। পায়ের নখ হাতের নখের চাইতে তুলনামূলক বেশি মোটা হওয়ায় দশ মিনিটের মতো ভিজিয়ে রাখতে হবে। এতে করে নখ নরম যাবে এবং নখ কাটতে সুবিধা হবে।

নিয়মিত ট্রিম করা

নখের দুই পাশের অংশ হালকা কেটে অনেকেই নখ লম্বা করতে পছন্দ করেন। এ বিষয়ে ডার্মাটলোজিস্ট শারি লিপনার জানান, লম্বা নখ দেখতে সুন্দর লাগলেও সঠিক আকৃতিতে নখ ছোট রাখাই স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো। এতে করে নখ ভেঙে যাওয়া বা উঠে যাওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

নখ পরিষ্কার থাকা চাই

শুধু নখ কেটে সঠিক আকৃতিতে রাখাই যথেষ্ট নয়, নখের ভেতরের ও চারপাশের অংশ পরিষ্কার থাকা চাই। নখের ভেতর জমে থাকা ময়লা থেকেই নখে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ ও ইনফেকশন হতে পারে।

ফাইলিং করা জরুরী

আমাদের দেশে সাধারণত নিয়মিত নখ কাটা হলেও নখ ফাইলিং করা হয় না একেবারেই। কিন্তু নখকে মসৃণ ও দৃঢ় রাখতে চাইলে নখ কাটার পর ফাইলিং করার কোন বিকল্প নেই। এতে করে নখ দেখতেও সুন্দর লাগে।

আরও পড়ুন: ডিম ভাঙার সঠিক নিয়মটি জানেন তো?

আরও পড়ুন: বেশি খেয়ে ফেললে কী করবেন?

শ্রবণশক্তি হারাচ্ছে হেডফোনের ব্যবহারে

শ্রবণশক্তি হারাচ্ছে হেডফোনের ব্যবহারে
ছবি: সংগৃহীত

রাতে ঘুমাতে যাওয়া থেকে শুরু করে সকালে ক্লাসে কিংবা অফিসে যাওয়ার পথেও কানে বাজতে থাকে পছন্দের গান।

কাজের ফাঁকে, মন খারাপ কাটাতে কিংবা একা সময়ে এই গানই যেন সবচেয়ে ভালো সঙ্গী। গান শোনায় কোন সমস্যা নেই, নেই কোন বাধাও। সমস্যাটা অন্যখানে। সেটা হলো গান শোনার মাধ্যম। সাধারণত হেডফোন কিংবা ইয়ারফোনের সাহায্যেই গান শোনা হয়ে থাকে এখনকার সময়ে। অথচ এই যন্ত্রটি ব্যবহারের ফলে প্রতিনিয়ত আমাদের শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, সেটা কি আমরা জানি!

ইয়ারফোন বা হেডফোনে অতিরিক্ত শব্দে গান শোনা বর্তমান সময়ের তরুণদের এক ধরনের নিত্যদিনের অভ্যাসের মতো সাধারণ বিষয়। এতে করে মন যতই শান্ত হোক না কেন, অপূরণীয় ক্ষতি হয় কানের। সবচেয়ে ভয়ানক বিষয়টি হলো, কানের ক্ষতি হলে সহসাই বিষয়টি বোঝা সম্ভব হয় না। যতক্ষণ না পর্যন্ত চূড়ান্ত সমস্যা দেখা দেয়। জেনে অবাক হবেন, পুরো বিশ্বে ১.১ বিলিয়নের অধিক ১২-৩৫ বছর বয়সী মানুষ ইয়ারফোন ব্যবহারের ফলে শ্রবণশক্তি সংক্রান্ত ঝুঁকিতে রয়েছে।

হেডফোনের ব্যবহারে কীভাবে শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়?

ইয়ারফোন কিংবা হেডফোনের উচ্চশব্দে গানের বাজনা থেকে নয়েজ ইনডিউসড হিয়ারিং লস (NIHL), যা থেকে কানের অপরিবর্তনীয় (Irreversible) ক্ষতি হয় এবং চূড়ান্ত ফলাফল হিসেবে শ্রবণশক্তি হারিয়ে যায় বা বধির হয়ে যেতে হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/20/1566289831945.jpg

কানের ক্ষতি হলে কী ধরনের লক্ষণ প্রকাশ পাবে?

নিয়মিত উচ্চ শব্দে ইয়ারফোনে গান শোনা হলে তার নেতিবাচক প্রভাবের দরুন বেশ কিছু লক্ষণ অবধারিতভাবে দেখা দেবে। এখানে তার কয়েকটি তুলে ধরা হলো।

১. হুট করে অকারণে কানের ভেতর রিং বাজতে থাকার মতো শব্দ হতে থাকা এবং কিছুক্ষণ পর নিজ থেকেই ঠিক হয়ে যাওয়া।

২. টিভি দেখার সময় বারবার শব্দ বাড়িয়ে দেওয়া। টিভি থেকে কিছুটা দূরে বসে আসলে শব্দ শুনতে সমস্যা হওয়া।

৩. তিন ফিট দূরে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের কথা শুনতে সমস্যা হওয়া।

কীভাবে এই ক্ষতিকর প্রভাব থেকে দূরে থাকা সম্ভব হবে?

কানের ক্ষতিকে দূরে রাখার বিষয়টি খুব জটিল কিছু নয়। ইয়ারফোন বা হেডফোনে গান শোনার সময় শব্দের মাত্রা কমিয়ে রাখতে হবে। উচ্চমাত্রার শব্দ কানের ভেতরের স্পর্শকাতর হেয়ার সেলস (Hair cells) এ নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই গান শুনতে হলেও শব্দ অর্ধেক কমিয়ে রাখতে হবে। এক্ষেত্রে '60:60' রুলস মেনে চলতে হবে অবশ্য। শব্দের মাত্রা ৬০ শতাংশের বেশি ও সময় ৬০ মিনিটের বেশি একদম নয়।

এছাড়া ইয়ারফোন বা হেডফোন যেটাই ব্যবহার করা হোক না কেন, সবসময় মানসম্মত পণ্য ব্যবহার করতে হবে। কমদামী পণ্যে বাড়তি শব্দ তৈরি হয়। যা কানের জন্য ক্ষতিকর।

আরও পড়ুন: প্রযুক্তি যেভাবে স্বাস্থ্যহানি ঘটাচ্ছে!

আরও পড়ুন: চোখের ওপর চাপ কমাবেন কীভাবে?

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র