Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

যে সাত গুণে কাজুবাদামের দুধ অনন্য!

যে সাত গুণে কাজুবাদামের দুধ অনন্য!
কাজুবাদামের দুধ, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

ক্যালসিয়ামের অন্যতম প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক উৎস হলো গরুর দুধ।

শুধু ক্যালসিয়াম নয়, অন্যান্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি গুণের অন্যতম এই উৎসটি প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখা খুবই জরুরি।

তবে যারা ল্যাকটোস ইনটলারেন্ট (গরুর দুধ হজম না হওয়ার সমস্যা) ও ভেগান ডায়েটে আছেন, তারা গরুর দুধ পান করতে পারেন না। সেক্ষেত্রে তারা দুধের প্রয়োজনীয় পুষ্টির একটি বড় অংশ থেকে বঞ্চিত হন। তাদের জন্য গরুর দুধের উৎকৃষ্ট বিকল্প হলো কাঠবাদামের দুধ। গরুর দুধের সাথে কাঠবাদাম মিলিয়ে এই দুধ তৈরি করা হয় না। কাঠবাদাম থেকে প্রক্রিয়াজাতের মাধ্যমে তৈরি করা হয় উপকারী এই দুধ।

বাদামের স্বাদযুক্ত ক্রিমি টেক্সচারের কাঠবাদামের দুধ থেকে পাওয়া যাবে ভিটামিন- ডি, বি ও ই। সাধারণ গরুর দুধের চাইতে এই দুধে ক্যালসিয়ামের মাত্রা কিছুটা কম হলেও নিয়মিত কাঠবাদামের দুধ পানে ক্যালসিয়ামের অভাব খুব ভালোভাবেই পূরণ করা সম্ভব হবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক কাঠবাদামের কয়েকটি স্বাস্থ্য উপকারিতা।

১. স্বল্প মাত্রার ক্যালোরিযুক্ত পানীয়

মিষ্টিবিহীন এক কাপ পরিমাণ কাঠবাদামের দুধ থেকে পাওয়া যাবে ৩০ ক্যালোরি, যেখানে গরুর এক কাপ দুধে থাকে ১৪৬ ক্যালোরি। ফলে যারা ওজন কমানোর পরিকল্পনা করছেন, তারা দুধের বিকল্প হিসেবে রাখতে পারেন কাঠবাদামের দুধ।

২. রক্তে চিনির মাত্রায় প্রভাব

গরুর দুধের মতো কাঠবাদামের দুধ রক্তে চিনির মাত্রা বৃদ্ধি করে না। এই দুধের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স তুলনামূলক কম। ফলে এই দুধ পানে শরীরে ফ্যাট জমে না।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/18/1560840333405.jpg

৩. পাওয়া যাবে আঁশ

প্রতি কাপ কাঠবাদামের দুধ থেকে পাওয়া যাবে ৫ গ্রাম পরিমাণ দ্রবণীয় আঁশ, যা সাধারণ দুধের চাইতে অনেকটা বেশি। ফলে নিয়মতি কাঠবাদামের দুধ পানে ওবেসিটিকে প্রতিরোধ করা যাবে সহজেই। কারণ কাঠবাদামের দুধ পানের পর বেশ লম্বা সময় ধরে ক্ষুধাবোধ দেখা দেয় না।

৪. উন্নতি দেখা দেয় হজমশক্তিতে

আগের পয়েন্টেই উল্লেখ করা হয়েছে, কাঠবাদাম থেকে ভালো পরিমাণে দ্রবণীয় আঁশ পাওয়া যাবে। এই আঁশ পাকস্থলিস্থ খাদ্য উপাদান হজমে কাজ করে। এছাড়া অনেকের দুধ হজমে সমস্যা দেখা দেয়। কাঠবাদামের দুধ পানে সে সমস্যা একেবারেই থাকে না।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/18/1560840349969.jpg

৫. হাড়ের সুস্থতায় কাঠবাদামের দুধ

যদিও সাধারণ দুধের চাইতে এই দুধে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ কম, এই দুধ থাকে প্রতিদিনের চাহিদার ২৫ শতাংশ ভিটামিন-ডি ও ৩০ শতাংশ ক্যালসিয়াম পাওয়া যাবে। যা নিশ্চিতভাবেই দাঁত ও হাড়ের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে কাজ করে।

৬. বৃদ্ধি করে পেশী শক্তি

কাঠবাদামের দুধে ক্যালসিয়াম কিছুটা কম পরিমাণে থাকলেও, এতে থাকে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন-বি, আয়রন ও রিবোফ্লাভিন। যা পেশীর সুস্বাস্থ্যে ও পেশীর ক্ষত দ্রুত ভালো করতে সাহায্য করে।

৭. উজ্জ্বল করবে ত্বক

পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন-ই (দৈনিক চাহিদার ৫০ শতাংশ) ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমূহের উপস্থিতি ত্বককে ভেতর থেকে সুস্থ রাখতে কাজ করে। পাশাপাশি রোদের আলোর ফলে ত্বকের ক্ষতির মাত্রা কমাতেও কাজ করে কাঠবাদামের দুধ।

আরও পড়ুন: মৌসুমি ফল জামের সাত উপকারিতা

আরও পড়ুন: খেতে হবে ‘স্বাস্থ্যকর’ ফ্যাটযুক্ত খাবার

আপনার মতামত লিখুন :

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'
দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট ও কয়েকটি মেন্যু, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় বলা চলে, পুরোটাই অফিস পাড়া। সকাল থেকে সন্ধ্যা কিংবা রাত- প্রতিনিয়তই চলছে কাজ। কিন্তু এই এলাকায় ছিল না ভালো কোনো খাবারের জায়গা। হাতেগোনা যে কয়টা রেস্টুরেন্ট আছে তার কোনোটাতে হয় দাম বেশি রাখা হয় কিংবা খাবার স্বাস্থ্যসম্মত নয়। এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে তেজগাঁওয়ে শুরু হয়েছে 'দ্যা গ্যারাজ ফুডকোর্ট'।

তেজগাঁও শান্তা টাওয়ার মোড় বা ব্র্যাক ব্যাংক অনিক টাওয়ারে যেতে গলির মুখেই ২২২ নাম্বার হাউজে এই ফুডকোর্ট অবস্থিত। রয়েছে ২০০টির বেশি আসন। তবে ফুডকোর্টটি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত না হলেও বড় বড় ফ্যানের মাধ্যমে ঠাণ্ডা বাষ্প দিয়ে জায়গাটি শীতল করার ব্যবস্থা আছে।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

সরেজমিনে দেখা গেছে, বর্তমানে এই ফুডকোর্টে জুসবারসহ প্রায় ১০টি দোকান আছে। এসব দোকানে নুডলস, বার্গার, দই ফুচকা, দোসা, রাজকচুরি, ফ্রাইড রাইস, ফ্রাইড চিকেন, লাঞ্চ আইটেম, চাপ, পরোটা, এগ রোল এবং চাপরোল পাওয়া যায়। আর বেভারেজ আইটেমের মধ্যে রয়েছে- কোল্ড কফি, হটকফি, এসপ্রেসো কফিসহ আনারস, আম ও সিজনাল নানা ফ্রুট জুস।

এখানে চিকেন ও বিফ চাপ ১৫০ টাকা, চিকেন চাপ প্যাকেজ মিল ১৮০ টাকা, পরোটা ২০ টাকা, চিকেন রোল ১০০ টাকা, বিফ রোল ১২০ টাকা, এগরোল ৪০ টাকা, বিফ তেহারি ১৫০ টাকা, চিকেন খিচুরি ও বেগুন ভাজি ১৮০ টাকায় পাওয়া যায়।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

এছাড়া দোসা এক্সপ্রেসে দোসা পাওয়া যাবে ১৮০–৩৫০ টাকায়।

'হাক্কা ঢাকায়' সেট মেন্যু ৩২৯–৫২৯ টাকা। এপিটাইজার আইটেমের পাওয়া যাচ্ছে ১৯৯-৩০০ টাকায়, যার মধ্যে রয়েছে চিকেন, প্রন ডাম্পলিং, হাক্কা চিকেন উইংস। রাইস এবং নুডুলস আইটেমের মধ্যে আছে চিকেন, প্রন এবং বিফ ফ্রাইড রাইস ও নুডুলস, যার দাম পড়বে ১৯৯-৩০০ টাকা। এছাড়াও রয়েছে রাইস, চিকেন চিলি ও ফ্রাইড চিকেন এর একটি লাঞ্চ মেন্যু, যার দাম ধরা হয়েছে ১৯৯ টাকা।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

চিজ এক্সপ্রেসে স্লাইস পিজ্জার দাম পড়বে ১২৯ টাকা। এছাড়াও সর্বোচ্চ ১৬ ইঞ্চি পিজ্জা পাওয়া যাবে এক হাজার ২৪৯ টাকায়।

দ্যা গ্যারাজ কফিতে এসপ্রেসো কফি পাওয়া যাবে ১০০ টাকায়। এছাড়াও আমরিকানো ১৩০ টাকা, মকা ২২০ টাকা, ডেজার্ট আইটেম ১০০-২৫০ টাকা, হট ড্রিঙ্কস ২০০ টাকা, চা ৩৫ টাকা, আইসড কফি ১৫০-২৫০ টাকা, সিজনাল ফ্রুট জুস ১৩০ টাকা। রয়েছে জনপ্রিয় টেকআউট বার্গারের ফুড স্টলও।

ফুডকোর্টতির ইনচার্জ বদিউজ্জামান জানান, গত মে মাসে এর যাত্রা শুরু হয়। প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ফুডকোর্ট খোলা থাকে।

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান
নান, ছবি: সংগৃহীত

সকাল কিংবা বিকালের নাশতায় যারা নিয়মিত রুটি ও পরোটা খান, একটা সময় পরে তাদের রুটিতে অভক্তি দেখা দেয়।

এ সময়ে রুটির বদলে গরম নান খেতে মনে চায়। ফোলা ও গরম নানের সাথে সবজি কিংবা মাংসের ঝোল যেন অমৃতসম।

এই নান কেনার জন্য এলাকার রেস্টুরেন্টে দৌড়ঝাঁপ না করে ঘরে বসে চুলাতেই তৈরি করে নেওয়া যাবে মজাদার গরমাগরম নান। দেখে নিন নান তৈরির রেসিপিটি।

নান তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623276721.JPG

১. ১/৪ কাপ দই।

২. এক চা চামচ চিনি।

৩. এক চা চামচ বেকিং পাউডার।

৪. এক চিমটি বেকিং সোডা।

৫. দুই কাপ ময়দা।

৬. এক চা চামচ লবণ।

৭. দুই টেবিল চামচ তেল।

৮. ১/৪-১/৩ কাপ পানি।

৯. এক টেবিল চামচ কালোজিরা।

১০. ঘি অথবা মাখন।

নান যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623263865.JPG

১. একটি পাত্রে দই, এক চা চামচ চিনি, এক চা চামচ বেকিং পাউডার ও এক চিমটি বেকিং সোডা ভালোভাবে মেশাতে হবে।

২. এতে দুই কাপ ময়দা ও স্বাদমতো লবণ দিয়ে চামচের সাহায্যে ভালোভাবে মেশাতে হবে। মিশ্রণের মাঝখানে দুই টেবিল চামচ তেল অ ১/৪ কাপ পানি দিয়ে ময়দার কাই তৈরি করতে হবে। ময়দার কাই শক্ত হলে পানি ও নরম হলে ময়দা মেশাতে হবে।

৩. ময়দার কাইটি মসৃণ হয়ে আসলে তার উপরে তেল মাখিয়ে পাত্রের মাঝখানে রেখে তার উপরে ভেজা অ পরিষ্কার কাপড় দিয়ে দুই ঘন্টার জন্য ঢেকে রাখতে হবে।

৪. দুই ঘণ্টা পর ময়দার কাই থেকে ছোট ছোট বল তৈরি করে রুটির মতো বেলে নিতে হবে। বেলার সময় তার উপরে কালোজিরা ছড়িয়ে দিতে হবে এবং রুটির মতো গোলাকৃতির না করে লম্বাটে করে নিতে হবে। চাইলে হাত দিয়ে টেনে লম্বাটে করে নেওয়া যাবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623299530.JPG

৫. এবারে চুলায় তাওয়া গরম করে নান দিয়ে দিতে হবে। একপাশ কিছুটা ভাজা হলে ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দেবে। এমন হলে নান উল্টে দিয়ে অপর পাশ ভাজতে হবে। এ পাশেও ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দিলে আবারো উল্টে দিতে হবে।

তাওয়া থেকে নামানোর আগে নানের উপরে ঘি অ ধনিয়া পাতা কুঁচি ছড়িয়ে দিতে হবে।

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

আরও পড়ুন: ঘিয়ে তৈরি মুচমুচে নিমকি

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র