Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

লিকুইড লিপস্টিক ব্যবহারের সঠিক ৫ ধাপ

লিকুইড লিপস্টিক ব্যবহারের সঠিক ৫ ধাপ
পাঁচ ধাপেই চমৎকারভাবে লিকুইড লিপস্টিক ব্যবহার করা যাবে, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

প্রসাধনী সামগ্রীর মাঝে লিপস্টিক একাই দখল করে রাখে অনেকখানি স্থান।

ঠোঁটে সামান্য রঙের ছোঁয়াতেই বদলে যায় পুরো চেহারার সৌন্দর্য। সাজে পরিপূর্ণতা আনতে ত্বকের সাথে মিলিয়ে পছন্দসই রঙের লিপস্টিক প্রয়োজন হয় সবার আগে।

একটা সময়ে গ্লসি স্টিক লিপস্টিকের দারুণ চল ছিল। শিমারি, গ্লসি ও উজ্জ্বল রঙের লিপস্টিকের চাহিদা ছিল দারুণ। সেই সময়টি পার হয়ে পরবর্তীতে আসলো লিপগ্লসের চল। হালকা থেকে গাড় সকল রঙের গ্লস লিপস্টিক ছিল চাহিদার শীর্ষে।

সকল সময় পার করে বর্তমানে লিপস্টিকের ধরণ হিসেবে জনপ্রিয়তা পেয়েছে লিকুইড ম্যাট লিপস্টিক। স্বনামধন্য, বিশ্বব্যাপী সমাদৃত ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের তৈরি বিভিন্ন ঘরানার লিকুইড ম্যাট লিপস্টিকের চাহিদা এতোটাই বেশি, অন্যান্য ঘরানার লিপস্টিকগুলোর চল তেমন একটা দেখাই যায় না।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/09/1562680427290.jpg

ম্যাক, কালারপপ, মিলানি, ওয়েট এন্ড ওয়াইল্ড, জর্ডানা, টার্টে, কাইলি, ম্যাবেলিন, এওএ, স্টিলা, টু ফেসড, এনওয়াইএক্সের মতো প্রতিষ্ঠানের তৈরি লিকুইড ম্যাট লিপস্টিকের কোয়ালিটি ও কালার কম্বিনেশন প্রশংসার দাবী রাখে।

দীর্ঘ সময় ঠোঁটে থাকে বলেই লিকুইড ম্যাট লিপস্টিকগুলো এমন তুমুল জনপ্রিয়তা পাচ্ছে বলেই মনে করে বিউটি ব্লগাররা। কিন্তু সমস্যা হলো, যেনতেনভাবে লিকুইড লিপস্টিকের ব্যবহারে ঠোঁটে লিপস্টিক ক্র্যাক করে তথা ফেটে যায়। ঠোঁটের ভেতরের দিকে উঠে যায় এবং বাইরে ঠোঁটের আউটলাইন ঠিক থাকে না। সেক্ষেত্রে একদম পারফেক্টলি লিকুইড ম্যাট লিপস্টিক ব্যবহার করতে চাইলে কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করলেই, পারফেক্ট ও কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়া যাবে। চলুন তাহলে ধাপে ধাপে জেনে নেওয়া যাক, কীভাবে পারফেক্টলি লিকুইড ম্যাট লিপস্টিক ব্যবহার করতে হবে।

ধাপ ১:

প্রথম ধাপে ঠোঁটে হালকা করে লিপ জেল দিয়ে কিছুক্ষণ রেখে টিস্যু পেপারের সাহায্যে ঘষে ঘষে তুলতে হবে। এতে করে ঠোঁটের মরা চামড়া উঠে আসবে।

ধাপ ২:

দ্বিতীয় ধাপে পুনরায় ঠোঁটে হালকা করে লিপজেল দিয়ে হাতের আঙুলের সাহায্যে ঠোঁট ম্যাসাজ করে নিতে হবে।

ধাপ ৩:

এই ধাপে ঠোঁটের চারপাশে লিপলাইনার দিয়ে আউটলাইন এঁকে নিতে হবে। লিপলাইনারের রঙ লিপস্টিকের চাইতে এক-দুই শেড গাড় হতে হবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/09/1562680408656.jpg

ধাপ ৪:

এবারে লিকুইড লিপস্টিক ঠোঁটে ভালোভাবে এপ্লাই করে শুকানোর জন্য সময় দিতে হবে। এই সময়ের মাঝে ঠোঁট স্ম্যাক (দুই ঠোঁট একসাথে করা) করা যাবে না। স্ম্যাক করা হলে লিপস্টিকের প্রলেপ নষ্ট হয়ে যাবে।

ধাপ ৫:

লিপস্টিক শুকিয়ে আসলে লিপস্টিকের রঙের চাইতে এক-দুই শেড হালকা স্টিক লিপস্টিক দিয়ে ঠোঁটের ভেতরের অংশে কয়েকবার প্রলেপ দিয়ে নিতে হবে। এতে করে ভেতরের দিকে লিপস্টিক উঠে যাবে না।

ব্যাস মাত্র পাঁচ ধাপেই পারফেক্টলি লিকুইড ম্যাট লিপস্টিক দেওয়া হয়ে যাবে। প্রতিটি ধাপ অনুসরণ করে নিয়ম মেনে লিপস্টিক ব্যবহার করলে ঠোঁট অনেক বেশি প্রেজেন্টেবল ও পারফেক্ট দেখাবে এবং লিপস্টিক দীর্ঘ সময় ভালোভাবে ঠোঁটে থাকবে।

আরও পড়ুন: সংগ্রহে রাখার মতো সেরা পাঁচ ‘লাল লিপস্টিক’

আরও পড়ুন: পারফেক্ট সাজে আকর্ষণীয় আপনি!

আপনার মতামত লিখুন :

ভিন্নমাত্রায় কাসুন্দি ইলিশ

ভিন্নমাত্রায় কাসুন্দি ইলিশ
কাসুন্দি ইলিশ, ছবি: সংগৃহীত

মাছের বাজারে এখন ইলিশের দাপট।

এ সুযোগে ইলিশ মাছের পছন্দসই রেসিপি রাঁধার পাশাপাশি একটু ব্যতিক্রম রেসিপিও রেঁধে নিতে পারেন। আমাদের দেশে সর্ষে ইলিশ বা সরিষা ইলিশ অতি জনপ্রিয় ও প্রচলিত একটি ইলিশের রেসিপি। এবারে সেই সরিষা ইলিশের মতোই ঝাঁজ নিয়ে ভিন্ন ঘরানায় তৈরি করুন কাসুন্দি ইলিশ। কাসুন্দির ঝাঁজ ও হালকা টকভাব সহজেই ইলিশে যোগ করবে ভিন্নমাত্রা।

কাসুন্দি ইলিশ তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/23/1563883624853.JPG

১. মাথা ও লেজসহ ইলিশ মাছের ছয়টি বড় টুকরা।

২. চার টেবিল চামচ কাসুন্দি।

৩. ১০০ গ্রাম পরিমাণ টকদই।

৪. দুই টেবিল চামচ পেস্তা বাটা।

৫. ৫-৬টি কাঁচামরিচ ফালি।

৬. আধা চা চামচ রসুন বাটা।

৭. এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

৮. চার টেবিল চামচ সরিষা তেল।

৯. স্বাদমতো লবণ।

কাসুন্দি ইলিশ যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/23/1563883641018.JPG

১. মাছের টুকরোগুলো ভালোভাবে কেটে ও ধুয়ে এতে লবণ ও হলুদ গুঁড়া মাখিয়ে মেরিনেট করে রেখে দিতে হবে।

২. মাছের অন্যান্য টুকরাগুলো ভাজার প্রয়োজন নেই। তবে মাথা ও লেজের অংশ কিছুটা ভেজে নিতে হবে।

৩. ভিন্ন একটি পাত্রে কাসুন্দি, পেস্তা বাটা, টকদই, লবণ ও হলুদ গুঁড়া একসাথে ভালোভাবে মেশাতে হবে।

৪. চুলাতে কড়াই বসিয়ে সরিষার তেল গরম করে এতে কাসুন্দির-দইয়ের মিশ্রণ ও রসুন বাটা দিয়ে নাড়তে হবে। কিছুক্ষণ নাড়ার পর এতে কাঁচামরিচ ফালি ও স্বাদমতো লবণ দিতে হবে।

৫. মিনিট পাঁচেক নাড়ার পর মাছের টুকরোগুলো দিয়ে অল্প আঁচে পনের মিনিটের জন্য কড়াইয়ের মুখ ঢেকে রাখতে হবে।

৬. পনের মিনিট পর কড়াইয়ের ঢাকনা খুলে মাছগুলো সাবধানের সাথে উল্টে দিয়ে আবারো পনের মিনিটের জন্য ঢেকে রাখতে হবে।

৭. এর মাঝে মাছ সিদ্ধ হয়ে আসবে এবং ঝোল টেনে আসবে। প্রয়োজনে আধা কাপ পানি দেওয়া যাবে।

মাছ মাখামাখা হয়ে আসলে নামিয়ে ভাতের সাথে পরিবেশন করতে হবে।

আরও পড়ুন: মাছের রেজালায় স্বাদের বদল

আরও পড়ুন: ভেটকি মাছের বেগম বাহার

পরিবারের বয়োবৃদ্ধ সদস্যের মানসিক সুস্থতায়

পরিবারের বয়োবৃদ্ধ সদস্যের মানসিক সুস্থতায়
বয়স্ক ব্যক্তিদের সাথে সময় কাটানো তাদের মানসিক সুস্থতায় ভূমিকা রাখে, ছবি: সংগৃহীত

পরিবারের একদম বয়স্ক মানুষটি হন সবচেয়ে আপন, সবচেয়ে কাছের ও ভালোবাসার।

তার কাছেই যেন শত গল্প ও মায়ার ঝুলি জমে থাকে। কিন্তু বয়সের ভারে ন্যুজ হয়ে পড়া মানুষটিও একটা সময় পরে কেমন যেন দূরের হয়ে যান। হয়ে যান বিচ্ছিন্ন ও দুর্বোধ্য।

বয়স বৃদ্ধির সাথে অবধারিতভাবে দেখা দিতে শুরু করে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা। ডায়বেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হাড়ের ক্ষয়, কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি, দৃষ্টিশক্তিজনিত সমস্যাসহ সাধারণ সমস্যাগুলোর সাথে যুক্ত হয় চেনা অথবা অচেনা ছোট-বড় আরও কয়েক ধরনের শারীরিক অসুস্থতা।

তবে বয়োবৃদ্ধদের শারীরিক সমস্যার সাথে দেখা দিতে শুরু করে মানসিক সমস্যাও। সেটা কেমন? খেয়াল করে দেখবেন, তারা সহজে কোন কিছু মনে রাখতে পারেন না। দুপুরে যদি জানতে চাওয়া হয়- সকালে কী খেয়েছেন, তবে সঠিকভাবে উত্তর দিতে পারবেন না। একইসাথে মানুষের নাম, চেহারা ভুলে যাওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দেয়।

এছাড়া দেখা দেয় অকারণে ও আকস্মিক মেজাজের পরিবর্তন। পুরনো কোন কথা মনে করে অঝোরে কান্নাকাটি করা, সামান্য কোন সমস্যায় অতিরিক্ত রেগে যাওয়া, খুঁতখুঁত করা, একই কথা বারবার বলার মতো লক্ষণগুলো বয়স বৃদ্ধির সাথে সম্পর্কিত।

এ কারণে একজন বয়োবৃদ্ধ মানুষের শারীরিক সুস্থতায় যত্ন নেওয়ার সঙ্গে মানসিক সুস্থতার জন্যেও যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে ভারতের মনোরোগ বিশেষজ্ঞ বোপানা শ্রীধর জানাচ্ছেন কোন তিনটি বিষয়ের প্রতি বাড়তি নজর দেওয়া প্রয়োজন।

খাদ্যাভ্যাস

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/23/1563877234210.jpg

নিত্যদিনের খাদ্যাভ্যাস ও খাবারের পুষ্টির উপরে মানসিক সুস্থতা অনেকখানি নির্ভর করে। শ্রীধর পরামর্শ দেন, বয়স্কদের প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসে কাজুবাদাম রাখার জন্য, যা মস্তিষ্কের সুস্থতায় অনেকখানি অবদান রাখে। এতে থাকা ওমেগা-৩ ও ওমেগা-৬ অ্যাসিড সরাসরি মস্তিষ্কের সুস্থতা নিশ্চিতে কাজ করে। এছাড়া লো ফ্যাট খাদ্য উপাদান ও যথাসম্ভব প্রাকৃতিক উপাদান বেশি রাখার উপরেও জোর দেন তিনি।

শরীরচর্চা

বয়স্কদের জন্য শরীরচর্চার বিষয়টি কঠিন মনে হলেও, একদম হালকা ঘরানার ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজও তাদের জন্য অনেক বড় উপকারিতা বহন করবে। এতে করে ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকা, ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকা, হাড়ের উপকারিতার মতো সুবিধার পাশপাশি মন প্রফুল্ল ও প্রশান্ত থাকবে। স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি মনোযোগেও লক্ষণীয় পরিবর্তন আসবে।

যোগাযোগ

পাশ্চাত্যে একটি বিষয়ের প্রচলন রয়েছে। সমবয়সী অনেকে একসাথে দেখা করা, গল্প করা, সময় কাটানো, একেঅপরের সাথে যোগাযোগ করা। সামাজিকতার এই আয়োজনে অংশগ্রহণে বৃদ্ধদের আগ্রহী করা হয়। এতে করে তাদের মনঃ ভালো থাকে ও মস্তিষ্কে ইতিবাচক প্রভাব পরে। সেদিক থেকে দেখতে গেলে আমাদের দেশে বয়োবৃদ্ধরা বেশ একাকী সময় কাটান ও একা হয়ে পরেন। এতে করে তারা খুব অল্পতে বিষণ্ণ হয়ে পরেন এবং বৃদ্ধ বয়সের বিষণ্ণতা থেকেই দেখা যায় মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যাগুলো। সেক্ষেত্রে পরিবারের সবাইকে সচেষ্ট হতে হবে বয়োবৃদ্ধদের সাথে সময় কাটানো এবং তাদের একাকীত্ব দূর করার প্রতি।

আরও পড়ুন: আয়ুর্বেদে বাড়বে স্মৃতিশক্তি

আরও পড়ুন: পুষ্টির অভাবে বিষণ্ণতা দেখা দেয় কি?

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র