Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

শারীরিক সুস্থতা পেতে গড়ুন ১০ অভ্যাস

শারীরিক সুস্থতা পেতে গড়ুন ১০ অভ্যাস
মানসিক অস্থিরতা কমাতে ডুব দিন প্রিয় বইয়ের পাতায়, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

কেবলমাত্র অসুস্থ হলেই সুস্থ থাকার মর্ম হাড়ে হাড়ে টের পাওয়া যায়।

শারীরিক অসুস্থতার জন্য ভুগতে হয়, কষ্ট পোহাতে হয় কেবলমাত্র নিজেকেই। কিন্তু অসুস্থতা ভালো হয়ে গেলেই আবারো সব ভুলে পুরনো অভ্যাসে ফেরা হয়। অথচ খুব চমৎকার ও সাধারণ নিত্যদিনের কিছু অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে শারীরিক সুস্থতা পাওয়া কঠিন কিছু নয়।

স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ, নিয়ম মেনে চলার পাশাপাশি নিজের মানসিক চাপ ও অশান্তিকেও নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। নতুবা কোন উপকারই পাওয়া যাবে না নিয়ম মেনে। খুবই উপকারী যে দশটি বিষয় মাথায় রাখা প্রয়োজন বয়স ও লিঙ্গ ভেদে সকলের, জেনে নিন সে বিষয়গুলো।

১. প্রতিদন নিয়ম করে ঠিক একই সময়ে সকাল, দুপুর ও রাতের খাবার গ্রহণ করুন। সময়ের পরিবর্তনে শরীরে চাপের সৃষ্টি হয়, যা থেকে স্ট্রেস হরমোন কর্টিসল নিঃসরণের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। এতে করে শরীরে ভারসাম্যের ব্যাঘাত ঘটে।

২. খুব বেশি মানসিক অশান্তি ও অস্থিরতায় আছেন? প্রিয় ও পছন্দের কোন বই পড়ুন। এতে করে মন অন্যদিকে কাজ করবে ও কর্টিসল নিঃসরণের মাত্রা কমে যাবে।

৩. চা পানের জন্য ফুটন্ত পানিতে টিব্যাগ ২-৩ মিনিটের বদলে ৫ মিনিট রাখুন। বিশেষত যদি গ্রিন টি পান করেন তবে অবশ্যই ৫ মিনিট রেখে এরপর সেই চা পান করবেন। এতে করে চায়ের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ভালোভাবে পানিতে মিশ্রিত হবে। গবেষক জানাচ্ছে, এই অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হার্ট অ্যাটাক, ক্যানসার, টাইপ-২ ডায়বেটিস দেখা দেওয়ার হার কমাতে কাজ করে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/15/1563194079935.jpg

৪. অফিসে দীর্ঘসময়য়ের জন্য বসে থাকা হয় প্রায় প্রতিদিন। সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এখন থেকে চেষ্টা করবেন প্রতি দুই ঘণ্টা অন্তর বসা অবস্থা থেকে দাঁড়িয়ে যেতে ও বেশ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে। দীর্ঘসময় বসে থাকার ফলে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা বৃদ্ধি পায় ও ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যায়। এতে করে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায় অনেকটা।

৫. খাদ্যাভ্যাসের মাঝে যদি কোন পরিবর্তন আনতে চান, তবে প্রথমেই মাংস গ্রহণের পরিমাণ কমিয়ে ফেলুন। উদাহরণস্বরূপ ধরা যাক, আপনি ৪ টুকরো মাংস খান। এখন থেকে চেষ্টা করুন ২ টুকরো খাওয়ার। বাকি দুই টুকরোর স্থানে রাখুন সবজি ও ফল।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/15/1563194093891.jpg

৬. প্রতিদিন একটি আপেল, চিকিৎসককে দূরে রাখতে সাহায্য করবে- বহু পুরনো এই কথাটাই নতুনভাবে আবারো মনে করিয়ে দেওয়া হলো। ফলের মাঝে আপেলের বিকল্প নেই। এই ফলের স্বাদ সবার কাছে ভালো না লাগলেও, এর স্বাস্থ্য উপকারিতা অতুলনীয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/15/1563194106249.jpg

৭. প্রচণ্ড কাজের চাপ, মানসিক চাপ, চারদিকের সবকিছু খুব বেশি অস্থির করে তুলছে? বই পড়তে, গান শুনতেও ইচ্ছা করছে না? বাম হাত শক্তভাবে মুঠি করে কিছুক্ষণ রেখে দিন। আবার খুলুন, আবার বন্ধ করুন। খুব সহজ এই পদ্ধতিতেই খেলোয়াড়রা নিজেদের শান্ত রাখেন ও মস্তিষ্ককে প্রশান্ত করেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/15/1563194621626.jpg

৮. অফিসে কাজের পাহাড়ে হিমশিম খাচ্ছেন, অস্থিরতায় কর্টিসলের মাত্রা বেড়েই চলেছে। চটজলদি ইউটিউবে ফানি ক্যাট ভিডিও দেখে ফেলুন। পনের-বিশ মিনিট সময় ব্যয় করুন এমন মজার ভিডিও দেখে। এরপর আবারও কাজের সমুদ্রে ঝাঁপ দিন। সাইকোলজি টুডে জানাচ্ছে, গবেষণা থেকে দেখা গেছে যে বিড়ালের মজার ভিডিও মানসিক অস্থিরতা কমাতে কাজ করে ও আবারো কাজ করার উদ্যম ফিরিয়ে আনে।

৯. হুটহাট ছোটখাটো ক্ষুধাভাবকে তাড়াতে বেছে নিন বাদাম। স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা সমৃদ্ধ বাদাম খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা ও প্রদাহ কমাতে কাজ করবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/15/1563194123306.jpg

১০. সানস্ক্রিনকে ভুলে গেলে একেবারেই চলবে না। খুবই প্রয়োজনীয় এই জিনিসটিকে প্রতিদিনের ব্যবহার্য অনুষঙ্গের মাঝে অবশ্যই রাখতে হবে।

আরও পড়ুন: নিজের যত্নে অবহেলা নয়

আরও পড়ুন: যে অভ্যাসগুলো কমাবে বয়স বৃদ্ধির হার

আপনার মতামত লিখুন :

নাশতার নতুনত্বে ফালাফেল

নাশতার নতুনত্বে ফালাফেল
ফালাফেল

মধ্যপ্রাচ্যের সকাল ও বিকালের নাশতার অন্যতম একটি প্রচলিত খাবারের নাম হলো ফালাফেল।

নাম শুনে অনেকেই ভাববেন, এই খাবারটি সম্ভবত ফল দিয়ে তৈরি করা হয়। আদতে খাবারটি তৈরি হয় ছোলা কিংবা মটরশুঁটিতে। তেলে ভাজা বিভিন্ন মসলার সংমিশ্রণে তৈরি ফালাফেল ডুবো তেলে কড়া করে ভেজে দইয়ের রায়তার সাথে খেতে চমৎকার ভালো লাগে।

পরিচিত বড়া বা পেঁয়াজুর বাইরে নতুন ও হালকা কোন নাশতার খাবার খেতে চাইলে দেখে নিন ফালাফেল তৈরির রেসিপি।

ফালাফেল তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566653988942.JPG

১. এক কাপ শুকনো ছোলা।

২. একটি ছোট পেঁয়াজ কুঁচি।

৩. এক চা চামচ রসুন কুঁচি।

৪. তিন টেবিল চামচ ধনিয়া পাতা কুঁচি।

৫. আধা চা চামচ মরিচ গুঁড়া।

৬. এক চা চামচ ধনিয়া গুঁড়া।

৭. এক চা চামচ জিরা গুঁড়া।

৮. ১/৪ চা চামচ কালো গোলমরিচ গুঁড়া।

৯. এক টেবিল চামচ ময়দা।

১০. স্বাদমতো লবণ।

১১. ভাজার জন্য পরিমাণমতো তেল।

ফালাফেল যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566654005300.JPG

১. ছোলা ধুয়ে পরিষ্কার পানিতে সারারাতের জন্য ভিজিয়ে রাখতে হবে এবং সময় হলে পানি থেকে তুলে শুকিয়ে নিতে হবে এবং ব্লেন্ড করে নিতে হবে।

২. এতে পেঁয়াজ কুঁচি, রসুন কুঁচি, ধনিয়া পাতা কুঁচি, জিরা গুঁড়া, ধনিয়া গুঁড়া, কালো গোলমরিচ গুঁড়া ও ময়দা মেশাতে হবে। সাথে পরিমাণমতো লবণ ও লেবুর রস যোগ করতে হবে এবং ব্লেন্ড করতে হবে।

৩. ব্লেন্ড শেষে সকল উপাদান মিশে অমসৃণ ও অসূক্ষ্ম মিশ্রণ তৈরি হবে। এতে পানি যোগ করা যাবে না, তবে যদি ব্লেন্ড করতে সমস্যা হয় ১-৩ টেবিল চামচ পানি আলাদাভাবে যোগ করতে হবে।

৪. ফালাফেল মিশ্রণ তৈরি হয়ে গেলে বাটিতে ঢেলে প্রয়োজন ও স্বাদ অনুযায়ী মসলা ও লবণ যোগ করতে হবে এবং হাতের সাহায্যে মাখিয়ে ছোট ছোট গোল ফালাফেল তৈরি করে নিতে হবে।

৫. এবারে কড়াইতে তেল গরম করে ফালাফেল দিয়ে দেখতে হবে তা ভেঙে যায় কিনা। যদি ভেঙে যায় তবে মিশ্রণের সাথে ময়দা যোগ করে এরপর ভাজতে হবে।

৬. ফালাফেল বাদামী-সোনালি হয় আসলে নামিয়ে নিয়ে দইয়ের রায়তা কিংবা ঘরে তৈরি পাতার চাটনির সাথে পরিবেশন করতে হবে।

আরও পড়ুন: চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

কেন কেএফসির ফ্রাইড চিকেন সবচেয়ে আলাদা?

কেন কেএফসির ফ্রাইড চিকেন সবচেয়ে আলাদা?
কেএফসির ফ্রাইড চিকেন

গরম মুচমুচে কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের মতো মজাদার খাবার যেন আর হয় না।

অন্যান্য রেস্টুরেন্টের ফ্রাইড চিকেন যতই মজাদার হোক না কেন, কেএফসির ফ্রাইড চিকেনে সবসময়ই ভিন্নতা বজায় থাকে। কিন্তু কেন কেএফসির চিকেন অন্যান্য রেস্টুরেন্টের চিকেনের চাইতে আলাদা ও ভিন্ন? এর প্রধান কারণ, মুরগির মাংস প্রস্তুতে মসলার ব্যবহার। ব্যতিক্রমী ও অন্য ধাঁচের মসলার নিয়ন্ত্রিত ও সঠিক ব্যবহারের ফলে, কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের স্বাদ সহজেই আলাদা হয়ে ওঠে।

১১টি বিশেষ মসলার ব্যবহার

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566637051338.jpg

কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের পুরনো ও ঐতিহ্যবাহী স্বাদ ঘরে বসে পেতে চাইলে, বিষয়টি খুব একটা সহজ হবে না। তবে কাছাকাছি স্বাদ তৈরি করা যেতে পারে ১১টি বিশেষ মসলার ব্যবহারে। মসলাগুলো হলো-

১. ২/৩ টেবিল চামচ লবণ।

২. ৩ টেবিল চামচ সাদা গোলমরিচের গুঁড়া।

৩. ১ টেবিল চামচ কালো গোলমরিচের গুঁড়া।

৪. ১/২ টেবিল চামচ বাসিল।

৫. ১ টেবিল চামচ সেলেরি সল্ট।

৬. ১ টেবিল চামচ শুকনো সরিষা।

৭. ২ টেবিল চামচ গার্লিক সল্ট।

৮. ১ টেবিল চামচ আদা গুঁড়া।

৯. ১/৩ টেবিল চামচ অরিগানো।

১০. ৪ টেবিল চামচ প্যাপরিকা।

১১. ১/২ টেবিল চামচ থাইম।

চিকেন ফ্রাই করার কৌশল আছে কী?

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566637102106.jpg

ব্যাটার তৈরি করে মুরগির মাংসে মিশিয়ে তেলে গড়িয়ে নিলেই যদি কেএফসির চিকেন ফ্রাই হয়ে যেতো, তাহলে তো কথাই ছিল না। ফ্রাইড চিকেন তৈরির মসলা নয়, চিকেন ফ্রাই করার কৌশলেও থাকে ভিন্নতা। ফলে অন্যান্য ফ্রাইড চিকেনের তুলনায় কেএফসির ফ্রাইড চিকেন ও চিকেন ক্রাস্ট হয় আলাদা। কয়েকটি কৌশল জেনে রাখুন।

দ্রুত ভেজে ফেলা

অনেকেই চিকেন ব্যাটার ও ময়দায় মাখিয়ে বেশ অনেকক্ষণ অপেক্ষা করার পর তেলে ভাজেন। কিন্তু কেএফসির ক্ষেত্রে নিয়ম একেবারে উল্টো। ‘ফ্রম ফ্লাওয়ার টু ফ্রায়ার’ এই নীতিতে কাজ করে কেএফসি। অর্থাৎ ময়দায় মুরগির মাংস গড়িয়ে সরাসরি ফ্রায়ারে ছেড়ে দেওয়া। এতে করে বাইরের আবরণ অতিরিক্ত শক্তও হবে না আবার মুচমুচে থাকবে এবং ফ্রাইড চিকেন খাওয়ার সময় সহজেই চিকেন থেকে খুলে আসবে।

ফ্রায়ারে ভিন্নতা

কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের এক্সট্রা ক্রিস্পিভাব তৈরি করা হয় বিশেষ ইনডাস্ট্রিয়াল-স্ট্রেনথ প্রেশার ফ্রায়ার ব্যবহারে। কেএফসির মতো ফ্রায়ার ঘরে পাওয়া সম্ভব না হলেও, গভীর কোন পাত্রে ৩৫০-৩৬০ ডিগ্রীতে তেল গরম করে প্রতিটি মুরগির পিস ঘড়ি ধরে ১২ মিনিট ভাজলে কেএফসির কাছাকাছি ফ্রাইড চিকেন তৈরি করা সম্ভব হবে।

সাথে সাথেই না খাওয়া

কেএফসির ফ্রাইড চিকেন ভাজার পর অন্তত বিশ মিনিট ১৭৫ ডিগ্রী তাপমাত্রায় ওভেন সেটে রেখে দেওয়া হয়। এরপর এই ফ্রাইড চিকেন খাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়। তেল থেকে ওঠানোর সাথে সাথে কেএফসির ফ্রাইড চিকেন পরিবেশন করা হয় না। ২০ মিনিট ওভেন সেটে রাখার ফলে মাংসের ভেতরের অংশ গরম থাকে এবং বাইরের অংশ থাকে মুচমুচে। এছাড়া মাংসে বাড়তি তেল থাকলে সেটাও ঝরে যায় সহজেই।

আরও পড়ুন: মাংসের ঝোলের ঘ্রানে কেএফসি’র সেন্টেড ক্যান্ডেল

আরও পড়ুন: কেএফসি যে কারণে নাম পরিবর্তন করেছিল!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র