Barta24

বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৬ ভাদ্র ১৪২৬

English

মিঠা পানির বহু প্রজাতির মাছ বিলুপ্তির পথে

মিঠা পানির বহু প্রজাতির মাছ বিলুপ্তির পথে
সংসদে প্রতিমন্ত্রী মো. আশরাফ আলী খান খসরু, ছবি: সংগৃহীত
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

মিঠা পানির বহু প্রজাতির মাছ বিলুপ্তির পথে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মো. আশরাফ আলী খান খসরু। মিঠা পানির এ সমস্ত মাছকে রক্ষা করার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

সোমবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে সরকারি দলের সংসদ সদস্য মাহফুজুর রহমানের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী সংসদে এ তথ্য জানান।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জানান, মিঠা পানির মাছকে রক্ষা করার জন্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতায় মৎস্য অধিদফতর কৌশলপত্র প্রণয়ন করেছে। এর মধ্যে বাণিজ্যিকভাবে দেশীয় প্রজাতির মাছের একক ও মিশ্র চাষের সম্প্রসারণ, কৃত্রিম প্রজনন পদ্ধতির মাধ্যমে দেশীয় প্রজাতির মাছের পোনা উৎপাদন। প্রচলিত স্বল্প মেয়াদী রাজস্ব ভিত্তিক ইজারা প্রথার স্থলে জলাশয়ে পর্যায়ক্রমে বিজ্ঞানসম্মত উৎপাদনভিত্তিক জৈব ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির প্রবর্তন করা হয়েছে।

আশরাফ আলী খান খসরু আরও জানান, মুক্ত জলাশয়ে বিগত ৫ বছরে ৫৩৪টি স্থায়ী ও অস্থায়ী অভয়াশ্রম স্থাপন করা হয়েছে। ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ৫০০ মেট্রিক টন পোনা মাছ অবমুক্ত করা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, মিঠা পানির ২৬০ প্রজাতির মাছের মধ্যে বিলুপ্তপ্রায় মাছের সংখ্যা ৬৪। বিলুপ্তপ্রায় মাছ সংরক্ষণের জন্য বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট গবেষণার মাধ্যমে ইতোমধ্যে ১৮ প্রজাতির মাছ যথা-বাটা, সরপুটি, ভাঙ্গনা, কালিবাউশ, গনিয়া, মহাশোল, পাবদা, গুলশা, শিং মাগুর, ভেদা, গুজি, আইড়, চিতল, ফলি, কুচিয়া, ট্যাংরা ও গুতুম এর প্রজনন ও চাষ বিষয়ক প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা হয়েছে। তাছাড়া শাল-বাইম, বৈরালী ও গজার মাছের প্রজনন ও চাষ কৌশল উদ্ভাবনের লক্ষ্যে গবেষণা করা হচ্ছে। এসব গবেষণার উদ্দেশ্য হচ্ছে সকল দেশীয় প্রজাতির মাছ পুনরুদ্ধার করে খাবার টেবিলে ফিরিয়ে আনা।

আপনার মতামত লিখুন :

দশম শ্রেণি পর্যন্ত কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা

দশম শ্রেণি পর্যন্ত কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা
জাতীয় সংসদ, ছবি: সংগৃহীত

দেশের যুব সমাজকে কর্মমুখী করে তোলার জন্য ৬ষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। এজন্য কর্মমুখী প্রকৌশল শিক্ষা নামক তিনটি বই প্রণয়নের জন্য ইতোমধ্যে সিলেবাসের কাজ শেষ হয়েছে। এই বই তিনটি ৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের পড়ানো হবে। ইতোমধ্যে বইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। আগামী ২০২১ সাল থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।

বুধবার (২১ আগস্ট) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ তথ্য জানানো হয়। সংসদীয় কমিটির সভাপতি মো. আফছারুল আমীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিটির সদস্য শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, এ কে এম শাহাজাহান কামাল, ফজলে হোসেন বাদশা, মো. আবদুস সোবহান মিয়া ও গোলাম কিবরিয়া টিপু এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কমিটি বৈঠকে উত্থাপিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাধারণ শিক্ষা ধারার (বিদ্যালয় ও মাদরাসা) সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ২০২১ সাল থেকে ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত প্রাক-বৃত্তিমূলক ও বৃত্তিমূলক কোর্স চালু করার লক্ষ্যে কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ এ পর্যন্ত কয়েকটি সভা করেছে। নবম-দশম শ্রেণির (বিজ্ঞান/মানবিক/ব্যবসায় শিক্ষা) শাখায় কারিগরি শিক্ষার বই বাধ্যতামূলক করার জন্য বিশেষজ্ঞদের নিয়ে ওয়ার্কশপ করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত সিলেবাস তৈরির জন্য প্রাথমিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গত ২ মে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের সদস্য (কারিকুলাম)-এর সভাপতিত্বে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। বর্তমানে ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত প্রাক বৃত্তিমূলক ও বৃত্তিমূলক কোর্স চালু করার লক্ষ্যে সম্ভাব্য বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। বর্তমানে বই সম্পাদনের কাজ চলমান আছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি মো. আফছারুল আমীন সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা আগের বৈঠকে মাধ্যমিক পর্যায়ে সাধারণ শিক্ষায় কর্মমুখী শিক্ষা চালুর সুপারিশ করেছিলাম। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় থেকে অগ্রগতি জানানো হয়েছে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২১ সাল থেকে ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণিতে কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা সম্ভব হবে। এজন্য কর্মমুখী প্রকৌশল শিক্ষা ১, ২ ও ৩ নামক তিনটি বই প্রণয়নের জন্য সিলেবাস তৈরির কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

সংসদ সচিবালয় সূত্র জানিয়েছে, বৈঠকে প্রতিটি শ্রেণিতে প্রতি বছরের জন্য নির্ধারিত সিলেবাস শ্রেণি কার্যক্রমের মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময়ে শেষ হয় কিনা তা মনিটরিং করার সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি উপজেলায় মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা কার্যক্রম আরও ফলপ্রসূ ও কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।

সংসদের চতুর্থ অধিবেশন শুরু ৮ সেপ্টেম্বর

সংসদের চতুর্থ অধিবেশন শুরু ৮ সেপ্টেম্বর
জাতীয় সংসদ ভবন, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

আগামী ৮ সেপ্টেম্বর বিকাল ৫টা থেকে একাদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন কার্যসূচি শুরু হচ্ছে। বুধবার (২১ আগস্ট) রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ সংবিধানের ক্ষমতাবলে এই অধিবেশনের আহ্বান করেন।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের (১) দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ অধিবেশন আহ্বান করেন তিনি।

এর আগে গত ১১ জুন একাদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় তথা বাজেট অধিবেশন শুরু হয়েছে। এই অধিবেশন গত ১১ জুলাই শেষ হয়। এই অধিবেশনে গত ১৩ জুন ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব করা হয়, যা গত ৩০ জুন পাস হয়।

আরও পড়ুন: বাজেট অধিবেশন শেষ

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র