Alexa

'দ্বীপ থেকে দ্বীপ' প্রদর্শনীর কেন্দ্রবিন্দুতে জাতীয় সংসদ ভবন

'দ্বীপ থেকে দ্বীপ' প্রদর্শনীর কেন্দ্রবিন্দুতে জাতীয় সংসদ ভবন

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ভাষণে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ হাসান রাসেল, ছবি: সংগৃহীত

'দ্বীপ থেকে দ্বীপে' লুই আই ক্যানের সৃজনশীল পাদচারণা শীর্ষক চিত্র প্রদর্শনীর কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল শিল্পীর আমর সৃষ্টি বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবনের একটি মডেল। জাতীয় সংসদ ভবনের এই মডেলটি প্রদর্শনীতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নজর কাড়ে।

জাতিসংঘের সদর দফতরে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন ও এস্তোনিয়া স্থায়ী মিশনের যৌথ উদ্যোগে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।

প্রদর্শনী সূত্রে জানা গেছে, স্থপতি ও ফটোগ্রাফার আর্নে ম্যাসিকের পরিকল্পনায় এই চিত্র প্রদর্শনীতে তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবনের চিত্রের পাশাপাশি এস্তোনিয়ায় জন্মগ্রহণকারী মার্কিন স্থপতি লুই আই ক্যানের জগত বিখ্যাত স্থাপত্য সমূহের বিভিন্ন চিত্রও সেখানে তুলে ধরা হয়।

এ সময় প্রদর্শনীর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- এস্তোনিয়া রাষ্ট্রপতি মিজ কারস্টি কালজুলেইড, বাংলাদেশের যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ হাসান রাসেল, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি মিজ মারিয়া ফার্নান্দে এস্পিনোসা গার্সেজ ও লুই আই ক্যানের ছেলে ন্যাথানিয়েল ক্যান।

উদ্বোধনী ভাষণে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ হাসান রাসেল বলেন, 'আজ আমরা বিংশ শতকের অন্যতম সেরা স্থপতি লুই আই ক্যান এবং তার অমর সৃষ্টি ‘বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবনসহ অন্যান্য স্থাপনাসমূহকে স্মরণ করছি। ভাবতে অবাক লাগে, এস্তোনিয়ায় জন্মগ্রহণকারী এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বেড়ে ওঠা একজন স্থপতি এত দূরের একটি দেশে গিয়ে কীভাবে এমন অনুপম স্বাক্ষর রেখে গেলেন। নিশ্চিতভাবে এটি ছিল তার হৃদয়সৃষ্ট একটি পদক্ষেপ। এটি অবশ্যই উত্তর-দক্ষিণের বন্ধুত্বের এক অবিনাশী স্মারক। এই স্থাপত্য বাংলাদেশ ও এস্তোনিয়ার মধ্যে সৃষ্টি করেছে অটুট বন্ধুত্বের বন্ধন।'

প্রতিমন্ত্রী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের কথা স্মরণ করে বলেন, 'এই ভবন স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের গণতন্ত্রের প্রতীকে পরিণত হয়েছিল, যেমনটি ভেবেছিলেন ক্যান। বাংলাদেশের মানুষের কাছে এটি শুধু সংসদ ভবনই নয়, এটি স্থিতিশীলতা, মর্যাদা ও জাতির গর্বের প্রতীক।'

বাংলাদেশের সংসদ ভবনকে লুই আই ক্যানের অন্যতম সেরা স্থাপনা হিসেবে উল্লেখ করে এস্তোনিয়ার রাষ্ট্রপতি মিজ কারস্টি কালজুলেইড বলেন, 'ক্যানের সৃষ্ট ভাস্কর্যসমূহ ন্যায়, স্বাধীনতা ও মর্যাদার প্রতীক, যার জন্য জাতিসংঘ কাজ করছে।'

আপনার মতামত লিখুন :