Barta24

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

English

শিশু অধিকার বিষয়ক সংসদীয় ককাস পুনর্গঠন

শিশু অধিকার বিষয়ক সংসদীয় ককাস পুনর্গঠন
এ সভায় ককাস গঠন করেন ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া, ছবি: বার্তা২৪.কম
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

শিশুদের বিভিন্ন অধিকার নিয়ে কাজ করা শিশু অধিকার সংসদীয় ককাস পুনর্গঠন করা হয়েছে।

বুধবার (১৫) ডেপুটি স্পিকারের সংসদ কার্যালয়ে এক সভায় ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়াকে প্রধান উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য শামসুল হক টুকুকে সভাপতি ও আরমা দত্তকে সহসভাপতি নির্বাচিত করে এ ককাস গঠন করা হয়।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন-সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপাল, আবুল কালাম মো. আহসানুল হক চৌধুরী, মো. আছলাম হোসেন সওদাগর, শামীম হায়দার পাটোয়ারী, সামছুল আলম দুদু, ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল, মো. ইসরাফিল আলম, মো. ফরিদুল হক খান, রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক, কাজী কেরামত আলী, শেখ সারহান নাসের তন্ময়, মো. আব্দুল মজিদ খান, আনোয়ার হোসেন খান, সাইমুম সরওয়ার কমল, মো. রেজাউল করিম বাবলু, বেগম ওয়াসিকা আয়শা খান, বাসন্তী চাকমা, উম্মে ফাতেমা নাজমা, অপরাজিতা হক, রাবেয়া আলীম, তামান্না নুসরাত বুবলী, কাজী কানিজ সুলতানা, গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার, খোদেজা নাসরিন আক্তার হোসেন, রওশন আরা মান্নান, নাহিদ ইজাহার খান ও মোছা. শামীমা আক্তার খানম।

এরপর জাতীয় সংসদের আইপিডি কনফারেন্স হলে বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরাম আয়োজিত শিশু অধিকার সুরক্ষা ও অগ্রগতি শীর্ষক সেমিনারে নবগঠিত ককাসের সদস্যরা অংশ নেন। ককাসের সভাপতি শামসুল হক টুকুর সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে শিশু অধিকার বিষয়ে একটি শিশু অধিদফতর গঠনের জন্য আহ্বান জানান।

এসময় তিনি বলেন, শিশুদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর মমতার কারণেই সরকার বাংলাদেশে শিশু বাজেট বরাদ্দ করেছে। এর আগে কোনো সরকার এ ধরনের বাজেট বরাদ্দ দেয়নি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার শিশুদের কল্যাণে সবসময় উদারতার পরিচয় দিয়েছে এবং এখনও দিচ্ছে। আশা করি, সময়োপযোগী এ দাবিটাও প্রধানমন্ত্রীর কাছে গুরুত্বের সঙ্গে উপস্থাপন করলে তিনি তা পুরণ করবেন।

তিনি বলেন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে শিশুদের জন্য যে বাজেট বরাদ্দ করা হয় তা সঠিকভাবে সময়মত শিশুদের কল্যাণে যাতে খরচ হয় সেজন্য মন্ত্রণালয়ের নজরদারি আরো বাড়ানো প্রয়োজন। এসময় শিশুদের কল্যাণে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে বাজেটের সুষম ব্যয় নিশ্চিত করতে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন ডেপুটি স্পিকার।

সেমিনারে ককাসের সদস্যরা, গণমাধ্যম প্রতিনিধি ও বিভিন্ন এনজিও’র প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন।

আপনার মতামত লিখুন :

ফের রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ব্যর্থ হওয়ায় সংসদীয় কমিটির ক্ষোভ

ফের রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ব্যর্থ হওয়ায় সংসদীয় কমিটির ক্ষোভ
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠক, ছবি: সংগৃহীত

মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে প্রত্যাবাসনে বারবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হওয়ায় এ সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির পক্ষ থেকে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে। মিয়ানমারের অভ্যন্তরে রোহিঙ্গাদের জন্য একটি সেফ জোন সৃষ্টির প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে আলোচনার জন্য স্থায়ী কমিটির সদস্যগণকে সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ড সফরের জন্য মন্ত্রণালয়কে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে সংসদ ভবনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাব করা হয়।

বৈঠকের শুরুতে আগস্ট মাসকে শোকের মাস হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। এছাড়া ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্টে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তাঁর পরিবারের নিহত সদস্য এবং ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণে শোক প্রকাশ করা হয় এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।

বৈঠকে দেশের ভাবমূর্তি রক্ষায় এবং নিরীহ মানুষকে রক্ষার জন্য বিদেশে অবস্থানরত চিহ্নিত যে সকল বাংলাদেশি দালাল চক্র অবৈধ মানব পাচারের সঙ্গে জড়িত তারা বিদেশ থেকে দেশে ফেরার সঙ্গে সঙ্গে তাদেরকে গ্রেফতারপূর্বক আইনের আওতায় আনার সুপারিশ করা হয়।

এদিকে নানা আয়োজনের পরেও শেষ মুহূর্তে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন করতে না পারায় কমিটিতে হতাশা প্রকাশ করার পাশাপাশি তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের অগ্রগতি ও মিয়ানমারের সর্বশেষ অবস্থান নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং রোহিঙ্গাদের দ্রুত নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করার পাশাপাশি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দায়িত্ব পালনরত এনজিওদের কার্যক্রম মনিটরিং এর ব্যবস্থা করার সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, জার্মানি ও যুক্তরাজ্যেসহ বিভিন্ন দূতাবাসে ভিসা পেতে বাংলাদেশি নাগরিক বিশেষ করে সিনিয়র নাগরিকদের হয়রানিরোধে মন্ত্রণালয়কে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

এছাড়া পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জন্য বর্তমান অর্থবছরে বাজেট বৃদ্ধি পাওয়ায় কমিটির পক্ষ থেকে সন্তোষ প্রকাশ করা হয় এবং বরাদ্দকৃত বাজেট যাতে সফল ও যথাযথভাবে ব্যয় করা হয় ও ফেরত না যায় সে বিষয়ে মন্ত্রণালয়কে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

কমিটি সভাপতি মুহাম্মদ ফারুক খানের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য ও পররাষ্ট্র মন্ত্রী এ. কে. আব্দুল মোমেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, নুরুল ইসলাম নাহিদ, গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স, মো. আব্দুল মজিদ খান, কাজী নাবিল আহমেদ এবং নিজাম উদ্দিন জলিল (জন) অংশগ্রহণ করেন।

বৈঠকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. শহীদুল হক, মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের সচিব খোরশেদ আলম, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তরুণদের উন্নয়নের ধারায় সম্পৃক্ত করতে কারিগরি শিক্ষা জরুরি

তরুণদের উন্নয়নের ধারায় সম্পৃক্ত করতে কারিগরি শিক্ষা জরুরি
জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে এক কর্মশালায় স্পিকার শিরীন শারমিন, ছবি: সংগৃহীত

দেশের তরুণ সমাজকে উন্নয়নের ধারায় সম্পৃক্ত করতে কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

তিনি বলেছেন, 'দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী, তাই নারী ও শিশুকে সমানভাবে গুরুত্ব দিতে হবে। দেশের তরুণ সমাজকে উন্নয়নের ধারায় সম্পৃক্ত করতে সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত করা জরুরি।

এ সময় তিনি তরুণদের কর্মক্ষমতাকে কাজে লাগাতে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের জন্য সংসদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

ড. শিরীন শারমিন বলেন, 'কর্মশালায় বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিদের জ্ঞানভিত্তিক ও গবেষণামূলক আলোচনা সংশ্লিষ্টদের জানার পরিসরকে আরও সমৃদ্ধ করবে। নতুন সংসদ সদস্যবৃন্দের অবহিতকরণের জন্য কর্মশালা আয়োজনের পাশাপাশি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ও নারীর প্রতি সহিংসতাপ্রবণ এলাকায় ব্যাপকভাবে জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে।'

এ সময় তিনি প্রান্তিক পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের নিয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করতে এসপিসিপিডি প্রকল্পের কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।

স্পিকার বলেন, 'মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় বাস্তবায়নাধীন ল্যাকটেটিং ভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতা, পুষ্টি কার্যক্রম এবং মা ও শিশু সহায়তা কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বয় জরুরি।'

এ সময় তিনি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, যুব উন্নয়ন ও মাতৃ স্বাস্থ্য উন্নয়নে সংসদ সদস্যগণকে নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের আহ্বান জানান।

কর্মশালায় সূচনা বক্তব্য রাখেন, অনুষ্ঠানের সভাপতি এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মেহের আফরোজ এমপি। স্বাগত বক্তব্য রাখেন এসপিসিপিডি'র প্রকল্প পরিচালক এম এ কামাল বিল্লাহ।

কর্মশালায় মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মইনুল ইসলাম। মুক্ত আলোচনা সেশন সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ জাতীয় সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান।

কর্মশালায় বিষয়ভিত্তিক বক্তব্য রাখেন- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আ. ফ. ম রুহুল হক, অ্যারোমা দত্ত এবং পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য সিনিয়র সচিব ড. শামসুল হক। কর্মশালায় সংসদ সদস্যবৃন্দ এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র