Barta24

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

English

লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ধান কেনার সুপারিশ

লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ধান কেনার সুপারিশ
ছবি: সংগৃহীত
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

ধানের মূল্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। কমিটির বৈঠকে কৃষক বাঁচাতে সরকারকে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ধান কেনার সুপারিশ করা হয়েছে।

এছাড়া বৈঠকে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে ভেজাল বিরোধী অভিযান জোরদারের তাগিদও দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২০ মে) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটি সভাপতি মোহাম্মদ নাসিম। বৈঠকে কমিটি সদস্য খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, ধীরেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথ শম্ভু, মো. আয়েন উদ্দিন ও আতাউর রহমান খান এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ নাসিম সাংবাদিকদের বলেন, সরকারের ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা দেড় লাখ টন নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু এবার উৎপাদন বেশি হওয়ায় আমরা তার চেয়ে বেশি কিনতে বলেছি। এ ক্ষেত্রে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান কিনতে বলা হয়েছে। যাতে মধ্যসত্ত্বভোগীরা কোনো সুযোগ না পায়। এছাড়া ভর্তুকি দিয়ে হলেও চাল রফতানি করার সুপারিশ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার সাংবাদিকদের জানান, ধান যাতে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে কেনা হয়, তা তদারকির জন্য ২০টি মনিটরিং টিম কাজ করবে। তারা কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করবে।

তিনি আরো জানান, সরকার ১৪ শতাংশ আর্দ্রতা সম্পন্ন ধান কিনছে। যে কারণে অনেক কৃষক বাধ্য হয়ে চাতাল মালিকদের কাছে কম দামে ধান বিক্রি করছে। প্যাডি সাইলো নির্মাণ করা হলে কৃষক সেখানে নিজের ধান শুকিয়ে বিক্রি করতে পারবে। সারাদেশে ২০০টি পাঁচ হাজার মেট্রিক টন ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন ‘প্যাডি সাইলো’ নির্মাণ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আগামী এক মাসের মধ্যে এই প্রকল্পের ডিপিপি প্রণয়ন করা হবে বলেও তিনি জানান।

কমিটি সূত্র জানায়, ধান কেনা ও চাল রফতানি ছাড়াও কমিটির বৈঠকে খাদ্যে ভেজাল পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনা শেষে খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধে ভেজাল বিরোধী অভিযান সারা বছর চালানোর তাগিদ দেওয়া হয়। আর এজন্য নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম শক্তিশালী করতে জনবল বৃদ্ধি এবং প্রতিটি জেলায় কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম সম্প্রসারণের সুপারিশ করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

ফের রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ব্যর্থ হওয়ায় সংসদীয় কমিটির ক্ষোভ

ফের রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ব্যর্থ হওয়ায় সংসদীয় কমিটির ক্ষোভ
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠক, ছবি: সংগৃহীত

মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে প্রত্যাবাসনে বারবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হওয়ায় এ সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির পক্ষ থেকে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে। মিয়ানমারের অভ্যন্তরে রোহিঙ্গাদের জন্য একটি সেফ জোন সৃষ্টির প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে আলোচনার জন্য স্থায়ী কমিটির সদস্যগণকে সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ড সফরের জন্য মন্ত্রণালয়কে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে সংসদ ভবনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাব করা হয়।

বৈঠকের শুরুতে আগস্ট মাসকে শোকের মাস হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। এছাড়া ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্টে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তাঁর পরিবারের নিহত সদস্য এবং ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণে শোক প্রকাশ করা হয় এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।

বৈঠকে দেশের ভাবমূর্তি রক্ষায় এবং নিরীহ মানুষকে রক্ষার জন্য বিদেশে অবস্থানরত চিহ্নিত যে সকল বাংলাদেশি দালাল চক্র অবৈধ মানব পাচারের সঙ্গে জড়িত তারা বিদেশ থেকে দেশে ফেরার সঙ্গে সঙ্গে তাদেরকে গ্রেফতারপূর্বক আইনের আওতায় আনার সুপারিশ করা হয়।

এদিকে নানা আয়োজনের পরেও শেষ মুহূর্তে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন করতে না পারায় কমিটিতে হতাশা প্রকাশ করার পাশাপাশি তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের অগ্রগতি ও মিয়ানমারের সর্বশেষ অবস্থান নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং রোহিঙ্গাদের দ্রুত নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করার পাশাপাশি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দায়িত্ব পালনরত এনজিওদের কার্যক্রম মনিটরিং এর ব্যবস্থা করার সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, জার্মানি ও যুক্তরাজ্যেসহ বিভিন্ন দূতাবাসে ভিসা পেতে বাংলাদেশি নাগরিক বিশেষ করে সিনিয়র নাগরিকদের হয়রানিরোধে মন্ত্রণালয়কে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

এছাড়া পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জন্য বর্তমান অর্থবছরে বাজেট বৃদ্ধি পাওয়ায় কমিটির পক্ষ থেকে সন্তোষ প্রকাশ করা হয় এবং বরাদ্দকৃত বাজেট যাতে সফল ও যথাযথভাবে ব্যয় করা হয় ও ফেরত না যায় সে বিষয়ে মন্ত্রণালয়কে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

কমিটি সভাপতি মুহাম্মদ ফারুক খানের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য ও পররাষ্ট্র মন্ত্রী এ. কে. আব্দুল মোমেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, নুরুল ইসলাম নাহিদ, গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স, মো. আব্দুল মজিদ খান, কাজী নাবিল আহমেদ এবং নিজাম উদ্দিন জলিল (জন) অংশগ্রহণ করেন।

বৈঠকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. শহীদুল হক, মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের সচিব খোরশেদ আলম, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তরুণদের উন্নয়নের ধারায় সম্পৃক্ত করতে কারিগরি শিক্ষা জরুরি

তরুণদের উন্নয়নের ধারায় সম্পৃক্ত করতে কারিগরি শিক্ষা জরুরি
জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে এক কর্মশালায় স্পিকার শিরীন শারমিন, ছবি: সংগৃহীত

দেশের তরুণ সমাজকে উন্নয়নের ধারায় সম্পৃক্ত করতে কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

তিনি বলেছেন, 'দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী, তাই নারী ও শিশুকে সমানভাবে গুরুত্ব দিতে হবে। দেশের তরুণ সমাজকে উন্নয়নের ধারায় সম্পৃক্ত করতে সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত করা জরুরি।

এ সময় তিনি তরুণদের কর্মক্ষমতাকে কাজে লাগাতে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের জন্য সংসদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

ড. শিরীন শারমিন বলেন, 'কর্মশালায় বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিদের জ্ঞানভিত্তিক ও গবেষণামূলক আলোচনা সংশ্লিষ্টদের জানার পরিসরকে আরও সমৃদ্ধ করবে। নতুন সংসদ সদস্যবৃন্দের অবহিতকরণের জন্য কর্মশালা আয়োজনের পাশাপাশি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ও নারীর প্রতি সহিংসতাপ্রবণ এলাকায় ব্যাপকভাবে জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে।'

এ সময় তিনি প্রান্তিক পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের নিয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করতে এসপিসিপিডি প্রকল্পের কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।

স্পিকার বলেন, 'মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় বাস্তবায়নাধীন ল্যাকটেটিং ভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতা, পুষ্টি কার্যক্রম এবং মা ও শিশু সহায়তা কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বয় জরুরি।'

এ সময় তিনি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, যুব উন্নয়ন ও মাতৃ স্বাস্থ্য উন্নয়নে সংসদ সদস্যগণকে নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের আহ্বান জানান।

কর্মশালায় সূচনা বক্তব্য রাখেন, অনুষ্ঠানের সভাপতি এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মেহের আফরোজ এমপি। স্বাগত বক্তব্য রাখেন এসপিসিপিডি'র প্রকল্প পরিচালক এম এ কামাল বিল্লাহ।

কর্মশালায় মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মইনুল ইসলাম। মুক্ত আলোচনা সেশন সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ জাতীয় সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান।

কর্মশালায় বিষয়ভিত্তিক বক্তব্য রাখেন- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আ. ফ. ম রুহুল হক, অ্যারোমা দত্ত এবং পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য সিনিয়র সচিব ড. শামসুল হক। কর্মশালায় সংসদ সদস্যবৃন্দ এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র