শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তিতে এমপিদের অন্তর্ভুক্তির দাবি

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা, জাতীয় সংসদ ভবন থেকে
সংসদ অধিবেশন ও শামীম হায়দার পাটোয়ারীর ফাইল ছবি

সংসদ অধিবেশন ও শামীম হায়দার পাটোয়ারীর ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

শর্ত সাপেক্ষে এমপিওভুক্তিতে নারাজ সংসদ সদস্যরা। প্রত্যেক এমপির জন্য দুই-চারটা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য শামীম হায়দার পাটোয়ারী।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) রাতে একাদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে প্রস্তাবিত ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি জানান।

শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, আমরা নির্বাচনে আগে কথা দিয়েছিলাম এমপি হলে স্কুল এমপিওভুক্ত করে দেব। কিন্তু আজকে যখন বিশেষ ব্যবস্থায় এমপিওভুক্ত করা হচ্ছে, এতে স্বচ্ছতা আসছে সত্য। কিন্তু শর্ত আরোপ করছেন। এই শর্ত কার ওপর আরোপ করছেন? যে শিক্ষক ২০ বছর ২১ বছর বেতন ছাড়া পাঠদান করছেন, তার ওপর কি শর্ত চলে?

তিনি বলেন, স্থানীয় সমাজসেবক দুই-তিন বিঘা জমি দান করেছেন। নিজের টাকা দিয়ে ঘর করে দিয়েছেন। সেখানে শর্ত প্রয়োগ করে সেটাকে এমপিওভুক্তির বাইরে দিচ্ছেন। আমরা এলাকায় ভোট চাইব কিভাবে? তাই শর্ত শিথিল করে প্রত্যেক এমপিকে যেন একটা বরাদ্দ দেওয়া হয়। তারা যেন দুই-চারটা প্রতিষ্ঠানকে তাদের এলাকায় এমপিওভুক্ত করতে পারে।

শামীম হায়দার পাটোয়ারী আরো বলেন, বিরাজনীতিকরণের দিকে যাওয়া যাবে না। রাজনীতিবিদদের আরো ক্ষমতায়ন করতে হবে। ওয়ার্ড মেম্বার থেকে এমপি পর্যন্ত যখন ক্ষমতায়ন হবে, তখনই সেই দেশে রাজনীতি ভালো হবে।

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের সদ্যসমাপ্ত শেষ ধাপের ভোটগ্রহণের সমালোচনা করে তিনি বলেন, উপজেলা ভোটের অধিকাংশ উপজেলায় ভোট কাস্টিং হয়েছে ১৮ শতাংশ। ক্ষমতার অপপ্রয়োগের কথা বাদই দিলাম। একটা নির্বাচনে ১৮ শতাংশ ভোট কাস্ট হচ্ছে কেন? কারন, রাজনীতিবিদদের ক্ষমতায়ন কমে যাচ্ছে। মানুষ বলছে কেন রাজনীতিবিদদের ভোট দেব? ভোট দিয়ে কী হবে? তারা তো আমাদের উপকার করতে পারবে না। এই ট্রেন্ড থেকে ফিরে আসা উচিত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি নিয়োগে ছাত্রলীগের নেতাদের কাছে ধন্না দেওয়ায় শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে মন্তব্য করে শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, এই অবস্থা চলতে থাকলে বিশ্ববিদ্যালয় টিকবে কিভাবে?

প্রস্তাবিত বাজেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই বাজেট আমাদের স্বর্গেও নিয়ে যাবে না আবার নরকেও ফেলে দেবে না। ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া হচ্ছে, এতে তারল্য সঙ্কট বাড়বে।

আপনার মতামত লিখুন :