‘বৈদেশিক অনুদান নির্ভরশীলতা কমিয়ে আত্মনির্ভরশীল হয়েছি’

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রস্তাবিত বাজেটের উপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা/ ছবি: সংগৃহীত

প্রস্তাবিত বাজেটের উপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা/ ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় সংসদ ভবন থেকে: সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, `এক সময় বাজেটের সিংহভাগ বৈদেশিক অনুদান নির্ভর ছিল। ২০০৯ সালের পর থেকে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে বাজেট প্রণয়ন করে মানুষের আয় বর্ধন ও দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নতি করতে পেরেছি বলেই আজকে ২০১৯-২০ অর্থবছরে বৈদেশিক অনুদানের সংখ্যা মাত্র দশমিক আট শতাংশ। উন্নয়ন বাজেটের ৯০ ভাগই নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়ন করতে পারি। পরনির্ভরশীলতা কমিয়ে আত্মনির্ভরশীল, আত্মমর্যাদাশীল হয়েছি। বাজেটে প্রতিটি মানুষ উপকৃত হবে।’

শনিবার (২৯ জুন) বিকালে সংসদ ভবনে একাদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের উপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন সংসদ নেতা।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করছি। ওয়ান স্টপ শপ চালু করেছি, যা সারাদেশে দ্রুত সম্প্রসারণ করা হবে। বিপুল বিনিয়োগের প্রস্তাব পাচ্ছি। শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে যা ব্যাপক অবদান রাখবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রস্তাবিত বাজেটে খেলাপি ঋণ হ্রাসের জন্য অর্থমন্ত্রী যে উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছেন, তা অত্যন্ত সময়পযোগী। আমার সুপারিশ থাকবে ব্যাংক ঋণের উপর সুদের হার এক অংকের মধ্যে রাখা। কারণ এটি করা গেলে দেশের শিল্প ব্যবসা খাতকে প্রতিযোগিতায় সক্ষম করে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।’

তিনি বলেন, ‘বাজেটে পুঁজিবাজার অনেক প্রণোদনা পাচ্ছে। এ সকল প্রণোদনা বাস্তবায়নের জন্য পুঁজিবাজার সম্প্রসারিত হবে। এই পুজিবার তার কাঙ্খিত ভূমিকা পালনে সক্ষম হবে।’

সংসদ নেতা বলেন, ‘পূর্বে জাতীয় পার্টি বা তার আগে যারা ক্ষমতায় ছিল সকলের সময় কিন্তু বাজেটের বিশাল অংশটাই বৈদেশিক অনুদান নির্ভর ছিল। এমনকি ২০০৮ সালে নির্বাচনে জয়ী হয়ে যখন ২০০৯ সালে সরকার গঠন করি, তখন বৈদেশিক অনুদানের হার ছিল আট দশমিক চার শতাংশ।’

আপনার মতামত লিখুন :